খণ্ড 92
ফন্ট:100%
থিম:

৬.২ নব্য-প্রাচ্যবিদ্যা (Neo-Orientalism): ৯/১১-পরবর্তী বিশ্বে 'ওয়ার অন টেরর'-এর (War on Terror) নামে পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

নব্য-প্রাচ্যবিদ্যা বা Neo-Orientalism হলো ধ্রুপদী প্রাচ্যবিদ্যার একটি বিবর্তিত এবং আরও বিপজ্জনক রূপ, যা কেবল জ্ঞানতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের নামে নয়, বরং সরাসরি ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য এবং কৌশলগত নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ধ্রুপদী প্রাচ্যবিদরা যেখানে মূলত প্রাচ্যের ভাষা, সাহিত্য এবং সংস্কৃতি অধ্যয়নের মাধ্যমে একটি 'কাল্পনিক প্রাচ্য' (Imaginary Orient) তৈরি করেছিলেন, সেখানে নব্য-প্রাচ্যবিদরা সেই সংগৃহীত তথ্যের ভাণ্ডারকে আধুনিক নিরাপত্তা রাষ্ট্র (Security State) এবং সামরিক কৌশলের সাথে সংহত করেছেন। বিশেষ করে ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরের পর বিশ্বরাজনীতির যে মোড় ঘুরল, সেখানে ইসলাম এবং মুসলিম সমাজকে একটি নির্দিষ্ট ছাঁচে ফেলে 'সন্ত্রাসবাদের উৎস' হিসেবে চিহ্নিত করার পেছনে এই নব্য-প্রাচ্যবিদ্যার গভীর প্রভাব বিদ্যমান। এটি কেবল একটি একাডেমিক ডিসকোর্স নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, যার লক্ষ্য হলো মুসলিম বিশ্বের অভ্যন্তরীণ কাঠামোকে ভেঙে দিয়ে সেখানে পশ্চিমা আধিপত্যবাদী শাসনব্যবস্থা কায়েম করা।

নব্য-প্রাচ্যবিদ্যার তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং ধ্রুপদী প্রাচ্যবিদ্যার রূপান্তর

প্রাচ্যবিদ্যার মূল সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল প্রাচ্যের ভাষা ও সাহিত্য চর্চা। আরবিতে এর সংজ্ঞা এভাবে দেওয়া হয়েছে:

يطلق لفظ الاسْتِشْرَاق على طلب معرفة ودراسة اللغات والآداب الشرقية، ويطلق لفظ المُسْتَشْرِقِ على ...
[1] । তবে এই আপাত নিরীহ সংজ্ঞাটি সময়ের সাথে সাথে সাম্রাজ্যবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষায় রূপান্তরিত হয়। ধ্রুপদী প্রাচ্যবিদরা যখন প্রাচ্যের ধর্মতত্ত্ব এবং সমাজকাঠামো নিয়ে গবেষণা করছিলেন, তখন তারা আসলে সেই অঞ্চলের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করছিলেন, যা পরবর্তীতে ঔপনিবেশিক শাসনের পথ প্রশস্ত করে। নব্য-প্রাচ্যবিদ্যা এই প্রক্রিয়ারই একটি আধুনিক সংস্করণ, যেখানে গবেষণার বিষয়বস্তু আর কেবল 'সাহিত্য' বা 'ভাষা' নয়, বরং 'নিরাপত্তা', 'জঙ্গিবাদ' এবং 'রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা' হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নব্য-প্রাচ্যবিদ্যার এই রূপান্তরটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম কিন্তু মারাত্মক। এখানে প্রাচ্যবিদরা আর কেবল লাইব্রেরিতে বসে পাণ্ডুলিপি বিশ্লেষণ করেন না, বরং তারা সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা এবং প্রতিরক্ষা দপ্তরের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে 'ইসলামিক স্টাডিজ'কে একটি 'সিকিউরিটি স্টাডিজ'-এ পরিণত করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় ইসলামের মূল উৎসগুলোকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, যা পশ্চিমা সামরিক হস্তক্ষেপকে বৈধতা প্রদান করে। যেমন, রুশ প্রাচ্যবিদ্যার ক্ষেত্রে দেখা যায়, তারাও একইভাবে সুন্নাহ এবং সীরাতকে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে, যা প্রমাণ করে যে প্রাচ্যবিদ্যা কেবল একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের নয়, বরং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির একটি সাধারণ কৌশল [2]

এই তাত্ত্বিক রূপান্তরের ফলে ইসলামি জ্ঞানতত্ত্বের একটি কৃত্রিম সংস্করণ তৈরি করা হয়েছে। নব্য-প্রাচ্যবিদরা দাবি করেন যে, তারা ইসলামের 'প্রকৃত' রূপটি জানেন, যা মুসলিমরা নিজেরাই জানে না। এই তথাকথিত 'অবজেক্টিভিটি' বা বস্তুনিষ্ঠতার আড়ালে তারা এমন কিছু তত্ত্ব প্রচার করেন, যা মুসলিম সমাজকে বিভক্ত করে এবং তাদের মধ্যে আত্মপরিচয় সংকট তৈরি করে। এই জ্ঞানতাত্ত্বিক আধিপত্যের মাধ্যমেই তারা নির্ধারণ করে দেন যে, ইসলামের কোন অংশটি 'শান্তিপূর্ণ' এবং কোন অংশটি 'সহনশীল' নয়। এই বিভাজনটিই পরবর্তীতে 'ওয়ার অন টেরর'-এর মতো সামরিক অভিযানের তাত্ত্বিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে [3]

'ওয়ার অন টেরর' এবং পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কৌশল

৯/১১-পরবর্তী বিশ্বে 'ওয়ার অন টেরর' বা সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যুদ্ধ কেবল একটি সামরিক অভিযান ছিল না, বরং এটি ছিল নব্য-প্রাচ্যবিদ্যার প্রয়োগিক রূপ। এই যুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল মুসলিম বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক মানচিত্রকে পুনর্গঠন করা, যাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায় 'পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং' বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ইসলামি শরীয়াহ এবং শাসনব্যবস্থাকে 'পিছিয়ে পড়া' এবং 'সহিংস' হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যাতে করে সেখানে পশ্চিমা ধাঁচের 'গণতন্ত্র' এবং 'মানবাধিকার'-এর নামে নতুন শাসনকাঠামো চাপিয়ে দেওয়া যায়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হয়েছে নব্য-প্রাচ্যবিদদের তৈরি করা তথাকথিত 'এক্সপার্ট রিপোর্ট'-এর ওপর ভিত্তি করে, যেখানে ইসলামের যুদ্ধতত্ত্ব এবং জিহাদের ধারণাকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়েছে [4]

পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি প্রধান কৌশল হলো 'প্রক্সি' বা প্রতিনিধি শক্তির সৃষ্টি করা। নব্য-প্রাচ্যবিদরা এমন কিছু মুসলিম বুদ্ধিজীবী এবং রাজনৈতিক নেতা তৈরি করেন, যারা পশ্চিমা মূল্যবোধের অন্ধ অনুসারী এবং যারা নিজেদের সমাজকে পশ্চিমা দৃষ্টিতে বিচার করেন। এই শ্রেণির মাধ্যমে তারা মুসলিম বিশ্বের ভেতরেই একটি বিভাজন তৈরি করেন—একদিকে তথাকথিত 'মডারেট' বা মধ্যপন্থী মুসলিম এবং অন্যদিকে 'র‍্যাডিকাল' বা চরমপন্থী মুসলিম। এই কৃত্রিম বিভাজনটি মূলত নব্য-প্রাচ্যবিদ্যার একটি কৌশল, যার মাধ্যমে তারা মুসলিম উম্মাহর ঐক্য নষ্ট করে তাদের নিয়ন্ত্রণযোগ্য করে তোলে [5]

এছাড়া, এই পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আওতায় মুসলিম দেশগুলোর আইনি এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের চেষ্টা চালানো হয়। নব্য-প্রাচ্যবিদরা পরামর্শ দেন যে, যতক্ষণ পর্যন্ত ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থায় 'সংস্কার' (Reform) না আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সন্ত্রাসবাদ নির্মূল হবে না। এই 'সংস্কার' বলতে তারা আসলে ইসলামের মৌলিক আকিদা এবং শরীয়াহর মূলনীতিগুলোকে পশ্চিমা লিবারেলিজমের সাথে সংহত করাকে বোঝান। এটি মূলত একটি সাংস্কৃতিক আগ্রাসন, যা ধর্মের নামে ধর্মকে মুছে ফেলার চেষ্টা। এই কৌশলের মাধ্যমে তারা এমন একটি সমাজ গড়তে চায়, যারা শারীরিকভাবে মুসলিম হলেও মানসিকভাবে এবং রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত হবে [6]

সীরাত ও নববী ঐতিহ্যের বিকৃতি: নব্য-প্রাচ্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি

নব্য-প্রাচ্যবিদ্যার সবচেয়ে ভয়াবহ দিকটি হলো রাসুলুল্লাহ সা.-এর পবিত্র সীরাত এবং নববী ঐতিহ্যের পরিকল্পিত বিকৃতি। ধ্রুপদী প্রাচ্যবিদরা যেখানে কেবল ঐতিহাসিক তথ্যের অসামঞ্জস্যতা খুঁজতেন, নব্য-প্রাচ্যবিদরা সেখানে সরাসরি চরিত্রের ওপর আঘাত হানেন এবং নববী জীবনকে একটি রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তির জীবন হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করেন। তারা সীরাতের এমন কিছু অংশকে খণ্ডিতভাবে উপস্থাপন করেন, যা বর্তমানের 'সন্ত্রাসবাদ' ধারণার সাথে মেলানো যায়। উদাহরণস্বরূপ, তারা রাসুলুল্লাহ সা.-এর যুদ্ধের কৌশলগুলোকে 'সহিংসতা' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন, অথচ সেই যুদ্ধের পেছনে থাকা ন্যায়বিচার এবং আত্মরক্ষার প্রেক্ষাপটকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে যান [7]

নব্য-প্রাচ্যবিদদের একটি বিশেষ কৌশল হলো নববী জীবনের শুরুর দিককার ঘটনাগুলোকে রহস্যময় বা অস্পষ্ট হিসেবে উপস্থাপন করা। অনেক প্রাচ্যবিদ দাবি করেন যে, রাসুলুল্লাহ সা.-এর শৈশব এবং কৈশোরের জীবন সম্পর্কে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য নেই এবং এটি একটি 'রহস্য' (Mystery)। আরবিতে এই দাবিটি এভাবে ফুটে ওঠে:

لقد عرف المسلمون رسولهم صلى الله عليه وسلم منذ ولادته، فلم تكن طفولته غامضة، كما يزعم بعض المستشرقين...
[8] । এই 'অস্পষ্টতা' বা 'غموض' (Ghumud) তৈরির উদ্দেশ্য হলো, পরবর্তীতে সেখানে নিজেদের মনগড়া তত্ত্ব বসিয়ে দেওয়া এবং নবির সা. ব্যক্তিত্বকে সাধারণ মানুষের পর্যায়ে নামিয়ে আনা, যাতে করে তাঁর ওহীর অলৌকিকতা এবং খোদায়ী নির্দেশনার গুরুত্ব হ্রাস পায়।

তদুপরি, তারা সুন্নাহ এবং হাদিসের বিশুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইসলামের আইনি কাঠামোকে দুর্বল করার চেষ্টা করেন। নব্য-প্রাচ্যবিদরা দাবি করেন যে, হাদিসগুলো রাসুলুল্লাহ সা.-এর মৃত্যুর অনেক পরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংকলিত হয়েছে। এই যুক্তির মাধ্যমে তারা মুসলিমদের বিশ্বাস থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চান এবং তাদের বোঝাতে চান যে, ইসলাম আসলে একটি সহজ ধর্ম ছিল যা পরবর্তীতে 'কট্টরপন্থী' মুজতাহিদরা জটিল করে তুলেছে। এই ধরণের বিশ্লেষণ মূলত মুসলিমদের নিজেদের ঐতিহ্যের প্রতি সন্দিহান করে তোলার একটি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ, যা শেষ পর্যন্ত তাদের পশ্চিমা আদর্শের প্রতি নির্ভরশীল করে তোলে [9]

ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব এবং 'সভ্যতার সংঘাত' তত্ত্বের প্রয়োগ

নব্য-প্রাচ্যবিদ্যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো একটি বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা, যার তাত্ত্বিক ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে স্যামুয়েল হান্টিংটনের 'ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস' বা সভ্যতার সংঘাত তত্ত্ব। এই তত্ত্বটি মূলত নব্য-প্রাচ্যবিদ্যারই একটি সংক্ষিপ্ত রূপ, যেখানে পৃথিবীকে বিভিন্ন 'সভ্যতায়' বিভক্ত করা হয়েছে এবং ইসলামি সভ্যতাকে পশ্চিমা সভ্যতার প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই তত্ত্বের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয় যে, ইসলাম এবং পশ্চিমের সংঘাতটি কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং এটি একটি সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় সংঘাত, যা অনিবার্য। এই ধারণাটি যখন রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিণত হয়, তখন তা 'ওয়ার অন টেরর'-এর মতো রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে রূপ নেয় [10]

এই ভূ-রাজনৈতিক কৌশলের ফলে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে এক ধরণের 'নিরাপত্তা প্যারাডক্স' তৈরি করা হয়েছে। একদিকে পশ্চিমা শক্তিগুলো এই দেশগুলোতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা বলে, অন্যদিকে তারা এমন সব স্বৈরাচারী শাসককে সমর্থন দেয় যারা নব্য-প্রাচ্যবাদী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে। এই দ্বিমুখী নীতির উদ্দেশ্য হলো মুসলিম বিশ্বের সম্পদ, বিশেষ করে জ্বালানি শক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং কৌশলগতভাবে তাদের দুর্বল করে রাখা। রুশ প্রাচ্যবিদ্যার ইতিহাসে দেখা যায়, তারা মধ্য এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোতে ঠিক একই ধরণের কৌশল অবলম্বন করেছিল, যেখানে তারা স্থানীয় সংস্কৃতি এবং ধর্মকে ব্যবহার করে নিজেদের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছিল [11]

পরিশেষে, নব্য-প্রাচ্যবিদ্যা কেবল একটি একাডেমিক ভুল বোঝাবুঝি নয়, বরং এটি একটি সুসংগঠিত বুদ্ধিবৃত্তিক যুদ্ধ। এটি ইসলামের পবিত্র গ্রন্থ কুরআন এবং রাসুলুল্লাহ সা.-এর সীরাতকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করে, যা মুসলিমদের নিজেদের চোখে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করে। যখন একজন মুসলিম তার নিজস্ব ঐতিহ্য এবং বিশ্বাসের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে, তখনই নব্য-প্রাচ্যবিদদের পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সফল হয়। এই প্রক্রিয়ায় তারা কেবল ভূমি দখল করে না, বরং মানুষের মন এবং আত্মার দখল নিতে চায়, যাতে করে ইসলামি আদর্শের জাগরণ চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যায় [12]

""
৬.২ নব্য-প্রাচ্যবিদ্যা (Neo-Orientalism): ৯/১১-পরবর্তী বিশ্বে 'ওয়ার অন টেরর'-এর (War on Terror) নামে পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

৬.২ নব্য-প্রাচ্যবিদ্যা (Neo-Orientalism): ৯/১১-পরবর্তী বিশ্বে 'ওয়ার অন টেরর'-এর (War on Terror) নামে পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কুইজ

1 / 5

নব্য-প্রাচ্যবিদ্যা (Neo-Orientalism) ধ্রুপদী প্রাচ্যবিদ্যা থেকে কীভাবে আলাদা?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...