খণ্ড 92
ফন্ট:100%
থিম:

২.২.১ মাল্টিভার্স থিওরি (Multiverse Theory) বনাম ফাইন-টিউনিং: মাল্টিভার্স কি স্রষ্টার বিকল্প হতে পারে?

মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব এবং এর সুনিপুণ বিন্যাস বা 'ফাইন-টিউনিং' (Fine-Tuning) আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান এবং ধর্মতত্ত্বের এক জটিল সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। মহাবিশ্বের মৌলিক ধ্রুবকসমূহ (Fundamental Constants)—যেমন মহাকর্ষীয় বল, তড়িৎ-চৌম্বকীয় বল এবং প্রোটন ও ইলেকট্রনের ভরের অনুপাত—যদি সামান্যতম পরিবর্তিত হতো, তবে এই মহাবিশ্বে প্রাণের অস্তিত্ব অসম্ভব হতো। এই নিখুঁত ভারসাম্যকে যখন বিজ্ঞানীরা বিশ্লেষণ করেন, তখন সামনে দুটি প্রধান পথ উন্মোচিত হয়: একটি হলো একজন বুদ্ধিমান স্রষ্টার (Intelligent Designer) অস্তিত্ব, আর অন্যটি হলো 'মাল্টিভার্স' বা বহু-বিশ্ব তত্ত্ব। মাল্টিভার্স থিওরি মূলত একটি গাণিতিক ও তাত্ত্বিক প্রচেষ্টা, যার মাধ্যমে স্রষ্টার প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করে দৈব ঘটনা বা পরিসংখ্যানগত সম্ভাবনার (Statistical Probability) ওপর ভিত্তি করে মহাবিশ্বের অস্তিত্বকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে।

মহাজাগতিক সূক্ষ্ম বিন্যাস (Cosmic Fine-Tuning) এবং এর তাৎপর্য

ফাইন-টিউনিং বা সূক্ষ্ম বিন্যাস বলতে বোঝায় মহাবিশ্বের সেই বিশেষ অবস্থাকে, যেখানে পদার্থবিজ্ঞানের ধ্রুবকগুলো এমনভাবে নির্ধারিত যে তা প্রাণের বিকাশের জন্য অনুকূল। উদাহরণস্বরূপ, যদি মহাবিশ্বের প্রসারণের হার (Cosmological Constant) সামান্য দ্রুত হতো, তবে গ্যালাক্সি বা নক্ষত্র গঠিত হওয়ার আগেই সবকিছু বিচ্ছিন্ন হয়ে যেত। আবার যদি প্রসারণের হার সামান্য কম হতো, তবে মহাবিশ্ব সৃষ্টির পরপরই সংকুচিত হয়ে ধ্বংস হয়ে যেত। এই যে চরম পর্যায়ের ভারসাম্য, তা কোনো আকস্মিক ঘটনার ফল হতে পারে না বলে অনেক গবেষক মনে করেন। এই সুনিপুণ বিন্যাস সরাসরি একজন সর্বশক্তিমান স্রষ্টার অস্তিত্বের দিকে ইঙ্গিত করে, যিনি মহাবিশ্বকে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পনার অধীনে সৃষ্টি করেছেন [1]

দার্শনিক দৃষ্টিকোণ থেকে একে 'টেলিওলজিক্যাল আর্গুমেন্ট' (Teleological Argument) বলা হয়। এই যুক্তির মূল কথা হলো, যখনই আমরা কোনো জটিল এবং সুসংগঠিত নকশা দেখি, আমরা সেখানে একজন নকশাকার বা ডিজাইনারের অস্তিত্ব অনুভব করি। মহাবিশ্বের এই গাণিতিক নিখুঁততা কোনো অন্ধ দৈবচয়নের ফল হতে পারে না। পদার্থবিজ্ঞানের এই ধ্রুবকগুলোর মান যদি লটারির মতো randomly নির্ধারিত হতো, তবে প্রাণের উপযোগী একটি মহাবিশ্ব পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করার জন্য আধুনিক নাস্তিক্যবাদী বিজ্ঞানীরা মাল্টিভার্স তত্ত্বের আশ্রয় নিয়েছেন, যাতে তারা প্রমাণ করতে পারেন যে, কোটি কোটি মহাবিশ্বের মধ্যে একটিতে প্রাণের উপযোগী পরিবেশ থাকাটা কেবল একটি পরিসংখ্যানগত সম্ভাবনা মাত্র [2]

মনস্তাত্ত্বিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফাইন-টিউনিংয়ের ধারণাটি মানুষের মধ্যে এক ধরণের আধ্যাত্মিক নির্ভরতা তৈরি করে, যা অনেক সময় বৈজ্ঞানিক বস্তুবাদীদের জন্য অস্বস্তিকর। কারণ, যদি মহাবিশ্বের বিন্যাস স্রষ্টার ইচ্ছার ফল হয়, তবে মানবজাতি কেবল একটি জৈবিক দুর্ঘটনা নয়, বরং একটি উদ্দেশ্যপূর্ণ সৃষ্টি। এই উদ্দেশ্যবাদ (Purposefulness) মানুষের নৈতিকতা এবং জীবনদর্শনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। ফলে, এই আধ্যাত্মিক সত্যকে পাশ কাটিয়ে একটি সম্পূর্ণ বস্তুবাদী ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রচেষ্টাই হলো মাল্টিভার্স থিওরির মূল চালিকাশক্তি [3]

মাল্টিভার্স থিওরির তাত্ত্বিক কাঠামো এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তি

মাল্টিভার্স বা বহু-বিশ্ব তত্ত্বটি মূলত একটি হাইপোথিসিস, যা প্রস্তাব করে যে আমাদের দৃশ্যমান মহাবিশ্বটি আসলে অগণিত মহাবিশ্বের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, মহাবিশ্বগুলো সমান্তরালভাবে বিদ্যমান এবং প্রতিটি মহাবিশ্বের নিজস্ব পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম এবং ধ্রুবক থাকতে পারে। আরবি ভাষায় একে 'তাদাদুল আকওয়ান' (تعدد الأكوان) বলা হয়। এই তত্ত্বের মূল কথাটি হলো:


ونظرية تعدد الأكوان هو فرضية في علم الكونيات والفيزياء والفلك والفلسفة والمسائل الرياضية والخيال العلمي واللاهوت

অর্থাৎ, "মাল্টিভার্স তত্ত্বটি হলো মহাজাগতিক বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিদ্যা, দর্শন, গণিত, কল্পবিজ্ঞান এবং ধর্মতত্ত্বের একটি হাইপোথিসিস" [4]

এই তত্ত্বের সমর্থকদের মতে, যদি অসীম সংখ্যক মহাবিশ্ব থাকে, তবে তাদের মধ্যে কিছু মহাবিশ্বে পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মগুলো এমন হবে যে সেখানে প্রাণ সৃষ্টি হবে না, আবার কিছু মহাবিশ্বে প্রাণের অনুকূল পরিবেশ থাকবে। আমরা যেহেতু এই মহাবিশ্বে বাস করি, তাই আমরা কেবল সেই মহাবিশ্বটিকেই দেখতে পাচ্ছি যা আমাদের জন্য উপযোগী। একে বলা হয় 'অ্যানথ্রোপিক প্রিন্সিপাল' (Anthropic Principle)। অর্থাৎ, আমরা এখানে আছি বলেই মহাবিশ্বটি আমাদের জন্য উপযোগী মনে হচ্ছে, মহাবিশ্বটি আমাদের জন্য উপযোগী বলে আমরা এখানে আসিনি। এই যুক্তিটি মূলত স্রষ্টার প্রয়োজনীয়তাকে সরিয়ে দিয়ে 'সম্ভাবনা' (Probability)-কে স্রষ্টার আসনে বসানোর একটি চেষ্টা [5]

তবে মাল্টিভার্স তত্ত্বের একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো এর প্রমাণযোগ্যতা। যেহেতু অন্য মহাবিশ্বগুলো আমাদের দৃশ্যমান মহাবিশ্বের বাইরে এবং তাদের সাথে আমাদের কোনো যোগাযোগ সম্ভব নয়, তাই এই তত্ত্বটি পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানের (Empirical Science) চেয়ে তাত্ত্বিক দর্শনের কাছাকাছি। সমান্তরাল বিশ্ব বা 'আল-আওয়ালিম আল-মুতাওয়াজিয়া' (العوالم المتوازية) এর ধারণাটি নিম্নরূপ:


العوالم المتوازية هي بعبارة بسيطة الأكوان المتعددة التي هي عبارة عن مجموعة افتراضية متكونة من عدة أكوان متوازية لكل كون طبيعة فيزيائية خاصة به تختلف عن

অর্থাৎ, "সমান্তরাল বিশ্ব হলো সহজ কথায় বহু-বিশ্ব, যা একটি কাল্পনিক সমষ্টি এবং এতে অনেকগুলো সমান্তরাল মহাবিশ্ব থাকে, যার প্রতিটির নিজস্ব পদার্থতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা অন্যটি থেকে ভিন্ন" [6] । এই ভিন্নতা এবং বৈচিত্র্যের কথা বলে তারা প্রমাণ করতে চান যে, আমাদের মহাবিশ্বের সূক্ষ্ম বিন্যাস কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়, বরং অসীম বৈচিত্র্যের একটি সাধারণ উদাহরণ মাত্র [7]

মাল্টিভার্স কি স্রষ্টার বিকল্প হতে পারে? একটি দার্শনিক ও যৌক্তিক বিশ্লেষণ

মাল্টিভার্স তত্ত্বটি আপাতদৃষ্টিতে স্রষ্টার বিকল্প মনে হলেও, গভীর বিশ্লেষণে দেখা যায় এটি আসলে স্রষ্টার অস্তিত্বের প্রয়োজনীয়তাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। প্রথমত, মাল্টিভার্স তৈরির জন্য যে 'মেকানিজম' বা প্রক্রিয়া প্রয়োজন (যেমন: ইনফ্লেশনারি মহাবিশ্ব বা কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন), সেই প্রক্রিয়াটি নিজে কীভাবে সৃষ্টি হলো? একটি একক মহাবিশ্বের সূক্ষ্ম বিন্যাস যদি স্রষ্টার প্রমাণ হয়, তবে কোটি কোটি মহাবিশ্ব তৈরি করার যে বিশাল এবং জটিল সিস্টেম, তার নকশাকার কে? একটি সাধারণ যন্ত্রের চেয়ে একটি বিশাল ফ্যাক্টরি তৈরি করা অনেক বেশি জটিল; ঠিক তেমনি একটি মহাবিশ্বের চেয়ে মাল্টিভার্স সিস্টেমটি অনেক বেশি জটিল এবং সুসংগঠিত। সুতরাং, মাল্টিভার্স নিজেই একজন মহান স্রষ্টার অস্তিত্বের আরও বড় প্রমাণ হয়ে দাঁড়ায় [8]

দ্বিতীয়ত, মাল্টিভার্স তত্ত্বটি মূলত একটি 'অ্যাড হক' (Ad hoc) হাইপোথিসিস। যখন বিজ্ঞানীরা দেখলেন যে একক মহাবিশ্বের বিন্যাস দ্বারা স্রষ্টাকে অস্বীকার করা অসম্ভব, তখন তারা অসীম সংখ্যক অদৃশ্য মহাবিশ্বের কল্পনা করলেন যাতে গাণিতিকভাবে স্রষ্টাকে এড়িয়ে যাওয়া যায়। এটি বিজ্ঞানের চেয়ে বিশ্বাসের (Faith) কাছাকাছি, কারণ তারা এমন কিছুর অস্তিত্ব বিশ্বাস করছেন যার কোনো পর্যবেক্ষণযোগ্য প্রমাণ নেই। বিপরীতে, স্রষ্টার অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় মহাবিশ্বের প্রতিটি অণুর সুনিপুণ বিন্যাসে এবং এর কার্যকারণ সম্পর্কের (Causality) মধ্যে। মাল্টিভার্স তত্ত্ব কেবল সমস্যার স্থানান্তর করে, সমাধান দেয় না [9]

তৃতীয়ত, যৌক্তিক দিক থেকে 'অসীম সম্ভাবনা' মানেই 'বাস্তবতা' নয়। কোটি কোটি লটারি টিকিট কিনলে একটি জেতার সম্ভাবনা থাকে, কিন্তু টিকিট কেনার জন্য প্রথমে লটারি সিস্টেম এবং টিকিট ছাপানোর মেশিনের প্রয়োজন হয়। মাল্টিভার্স যদি লটারির টিকিটের মতো হয়, তবে সেই লটারি সিস্টেমটি কে তৈরি করল? এই প্রশ্নটির উত্তর মাল্টিভার্স তত্ত্ব দিতে পারে না। ফলে, মাল্টিভার্স কখনোই স্রষ্টার বিকল্প হতে পারে না; বরং এটি স্রষ্টার অসীম ক্ষমতা এবং সৃজনশীলতার একটি বহিঃপ্রকাশ হতে পারে। স্রষ্টা চাইলে একটির বদলে কোটি কোটি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করতে পারেন, যা তাঁর 'কুদরত' বা সর্বক্ষমতারই প্রমাণ [10]

ইসলামিক কালাম ও তাওহীদের আলোকে মাল্টিভার্স এবং ফাইন-টিউনিং

ইসলামিক আকীদা এবং কালাম শাস্ত্রের দৃষ্টিতে, মহাবিশ্বের প্রতিটি সৃষ্টি আল্লাহর ইচ্ছার অধীন। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ আকাশমন্ডলী এবং পৃথিবীকে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে সৃষ্টি করেছেন। ফাইন-টিউনিংয়ের এই ধারণাটি ইসলামের 'তাকদীর' এবং 'কদর' (পরিমাপ) এর ধারণার সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা প্রতিটি বস্তুকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাপে সৃষ্টি করেছেন। মাল্টিভার্স তত্ত্ব যদি সত্যও হয়, তবে তা আল্লাহর সৃজনী ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। কারণ, ইসলামে আল্লাহকে 'আল-খালিক' (সৃষ্টিকর্তা) এবং 'আল-বারী' (সুনিপুণভাবে গঠনকারী) বলা হয়েছে। তাঁর সৃষ্টি কেবল এই দৃশ্যমান মহাবিশ্বতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি অগণিত জগত এবং মাত্রার স্রষ্টা হতে পারেন [11]

ইসলামিক দর্শনে 'ওয়াজিব আল-উজুদ' (Necessary Being) এর ধারণা রয়েছে। এর অর্থ হলো, এমন একজন সত্তা যার অস্তিত্বের জন্য অন্য কারো প্রয়োজন নেই, কিন্তু বাকি সবকিছুর অস্তিত্ব তাঁর ওপর নির্ভরশীল। মাল্টিভার্স তত্ত্বের প্রতিটি মহাবিশ্ব হলো 'মুমকিন আল-উজুদ' (Possible Being), অর্থাৎ যাদের অস্তিত্ব থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে। অসীম সংখ্যক 'মুমকিন' সত্তার সমষ্টি কখনোই একজন 'ওয়াজিব' সত্তার বিকল্প হতে পারে না। কারণ, অসীম সংখ্যক শূন্যের যোগফল কখনোই এক হয় না। অর্থাৎ, কোটি কোটি সম্ভাব্য মহাবিশ্ব থাকলেও তাদের সবাইকে অস্তিত্ব দান করার জন্য একজন অনিবার্য স্রষ্টার প্রয়োজন [12]

তাওহীদের মূল কথা হলো স্রষ্টার একত্ব এবং তাঁর অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতা। মাল্টিভার্স তত্ত্বের মাধ্যমে যদি বলা হয় যে, মহাবিশ্বগুলো দৈবভাবে সৃষ্টি হয়েছে, তবে তা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের পরিপন্থী। তবে যদি বলা হয় যে, আল্লাহ তাঁর অসীম ক্ষমতায় কোটি কোটি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন এবং আমাদের এই মহাবিশ্বটি তাঁর বিশেষ পরিকল্পনার অংশ, তবে তা ঈমানি দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য। এই দৃষ্টিভঙ্গি মানুষকে আরও বেশি বিনয়ী করে তোলে, কারণ সে বুঝতে পারে যে সে কেবল একটি বিশাল মহাজাগতিক পরিকল্পনার ক্ষুদ্রতম অংশ। এভাবে ফাইন-টিউনিং এবং মাল্টিভার্স—উভয় ধারণাই শেষ পর্যন্ত একজন সর্বশক্তিমান, মহাজ্ঞানী এবং দয়ালু স্রষ্টার অস্তিত্বের সাক্ষ্য দেয় [13]

""
২.২.১ মাল্টিভার্স থিওরি (Multiverse Theory) বনাম ফাইন-টিউনিং: মাল্টিভার্স কি স্রষ্টার বিকল্প হতে পারে?
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

২.২.১ মাল্টিভার্স থিওরি কুইজ

1 / 5

ফাইন-টিউনিং বা মহাজাগতিক সূক্ষ্ম বিন্যাসকে পাশ কাটিয়ে বস্তুবাদী বিজ্ঞানীরা স্রষ্টাকে অস্বীকার করার জন্য কোন তত্ত্বের আশ্রয় নেন?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...