খণ্ড 75
ফন্ট:100%
থিম:

১৩.২ প্রাচ্যবিদদের দাবি: ইসলামি আইন কি রোমান আইন (Roman Law) বা ইহুদি হালাখা (Halakha) থেকে ধার করা?

প্রাচ্যতত্ত্ব বা ওরিয়েন্টালিজমের (Orientalism) ইতিহাসে ইসলামি আইনশাস্ত্র বা ফিকহ সম্পর্কে একটি অত্যন্ত বিতর্কিত ও বিদ্বেষপূর্ণ তাত্ত্বিক কাঠামো প্রচলিত রয়েছে। প্রাচ্যবিদদের একটি বৃহৎ গোষ্ঠী দাবি করে থাকে যে, ইসলামি আইন কোনো স্বতন্ত্র বা ঐশ্বরিক উৎস থেকে উদ্ভূত নয়, বরং এটি প্রাচীন রোমান আইন (Roman Law) এবং ইহুদিদের ধর্মীয় আইন 'হালাখা' (Halakha)-র একটি পরিবর্তিত ও সংকলিত রূপ মাত্র। তাদের এই দাবি মূলত ইসলামি শরিয়তের স্বকীয়তা ও তার ঐশ্বরিক উৎসকে (Divine Origin) অস্বীকার করার একটি বুদ্ধিবৃত্তিক কৌশল। তারা যুক্তি প্রদান করে যে, সপ্তম শতাব্দীতে আরবের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এমন একটি সুসংগঠিত ও জটিল আইনি কাঠামো গড়ে ওঠা অসম্ভব ছিল, যা পূর্ববর্তী উন্নত সভ্যতাগুলোর আইনি প্রথা থেকে ধার করা হয়নি।

এই তাত্ত্বিক আক্রমণের মূলে রয়েছে একটি ভূ-রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উদ্দেশ্য। প্রাচ্যবিদরা ইসলামি আইনকে একটি 'মানবিক সৃষ্টি' হিসেবে উপস্থাপন করার মাধ্যমে এর আধ্যাত্মিক ও ঐশ্বরিক কর্তৃত্বকে খর্ব করতে চেয়েছেন। তাদের মতে, ইসলামি আইনের অনেক বিধিবিধান—বিশেষ করে চুক্তি (Contracts), মালিকানা (Ownership) এবং দায়বদ্ধতা (Obligations) সংক্রান্ত বিষয়গুলো রোমান আইনের অনুরূপ। তারা এই সাদৃশ্যকে 'ধার করা' (Borrowing) হিসেবে চিহ্নিত করে ইসলামি আইনের মৌলিকতা ও তার স্বতন্ত্রতা (Originality) প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। তবে এই দাবিগুলো অত্যন্ত ভাসাভাসা এবং ইসলামের মূল উৎসসমূহ ও আইনশাস্ত্রের দার্শনিক ভিত্তি সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের অভাব থেকে উদ্ভূত।

ইসলামি আইনশাস্ত্রের ভিত্তি মূলত কুরআন ও সুন্নাহর ওপর প্রতিষ্ঠিত, যা কোনো পূর্ববর্তী মানব রচিত আইনের অনুকরণ নয়। কুরআন হলো ইসলামের প্রথম ও প্রধান উৎস, এবং সুন্নাহ হলো দ্বিতীয় প্রধান উৎস [1] । এই দুই উৎসের সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান ইসলামি আইনশাস্ত্রকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যা রোমান বা ইহুদি আইনের সীমাবদ্ধতা ও মানবকেন্দ্রিকতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। প্রাচ্যবিদদের এই দাবি খণ্ডন করার জন্য ইসলামি আইনের উৎসগত কাঠামো এবং এর দার্শনিক ও অস্তিত্বতাত্ত্বিক (Ontological) পার্থক্যগুলো অনুধাবন করা অপরিহার্য।

ইসলামি আইনশাস্ত্রের স্বকীয়তা ও ঐশ্বরিক উৎস

ইসলামি আইনশাস্ত্রের (Jurisprudence) স্বকীয়তা এর উৎসগত বিশুদ্ধতার মধ্যে নিহিত। ইসলামি আইনের প্রধান উৎসসমূহ হলো কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা (ঐক্যমত) এবং কিয়াস (অনুমান)। এই উৎসগুলোর ক্রমবিন্যাস ও কার্যকারিতা ইসলামি আইনকে একটি সুসংবদ্ধ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ কাঠামো প্রদান করে। আল্লামা ও মুজতাহিদগণ যখন কোনো বিধানের সন্ধান করেন, তখন তাঁরা সর্বপ্রথম আল্লাহর কিতাব বা কুরআনের শরণাপন্ন হন [2] । এরপর তাঁরা রাসুল সা.-এর সুন্নাহর দিকে ধাবিত হন, যা দ্বিতীয় প্রধান উৎস হিসেবে স্বীকৃত [3] । এই যে একটি সুনির্দিষ্ট ও ঐশ্বরিক ক্রমবিন্যাস, তা ইসলামি আইনকে যেকোনো মানব রচিত আইনের ঊর্ধ্বে স্থাপন করে।

সুন্নাহর গুরুত্ব ও এর স্বতন্ত্রতা সম্পর্কে বলা হয়েছে:

تعد السنة النبوية الدليل الثاني من الأدلة الشرعية، ومصدر ثان من مصادر التشريع الإسلامي، وهي حجة على الخلق أجمعين
[4]
এই যে সুন্নাহর মাধ্যমে প্রাপ্ত বিধানসমূহ, যা রাসুল সা.-এর কথা, কাজ ও মৌন সম্মতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, তা কোনো পূর্ববর্তী রোমান বা ইহুদি আইনের অনুকরণ নয়। বরং সুন্নাহর মাধ্যমে ইসলামি আইন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক কাঠামো প্রদান করেছে। রাসুল সা.-এর জীবন ও তাঁর পরিচালিত রাষ্ট্রব্যবস্থা ছিল এই আইনের বাস্তব প্রয়োগের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ [5]

প্রাচ্যবিদরা যখন ইসলামি আইনের সাথে রোমান আইনের সাদৃশ্য খোঁজার চেষ্টা করেন, তখন তাঁরা মূলত আইনের 'প্রয়োগিক সাদৃশ্য' (Functional Similarity) এবং 'উৎসগত সাদৃশ্য' (Source Similarity)-এর মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যর্থ হন। কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে—যেমন উত্তরাধিকার বা চুক্তির নিয়ম—দুটি ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যে বাহ্যিক মিল থাকতে পারে, কিন্তু সেই মিলের উৎস যদি ভিন্ন হয়, তবে তাকে 'ধার করা' বলা যায় না। ইসলামি আইনের প্রতিটি বিধানের মূলে রয়েছে আল্লাহর নির্দেশ ও রাসুল সা.-এর আদর্শ, যা কোনো মানব রচিত প্রথা থেকে গৃহীত নয়। বরং ইসলামি আইনশাস্ত্রের প্রতিটি নীতি মানুষের কল্যাণ (Maslaha) ও আল্লাহর সন্তুষ্টির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, যা একে রোমান আইনের বস্তুগত ও মানবকেন্দ্রিক দর্শন থেকে সম্পূর্ণ পৃথক করে দেয়।

মিশরের দেওয়ানি আইন ও সানহুরির বিতর্কিত অবস্থান

প্রাচ্যবিদদের এই 'ধার করা' তত্ত্বের একটি আধুনিক ও রাজনৈতিক প্রতিফলন দেখা যায় বিংশ শতাব্দীতে মিশরের দেওয়ানি আইন প্রণয়নের সময়। মিশরের আইন প্রণেতারা যখন আধুনিক দেওয়ানি আইন (Civil Code) প্রণয়ন করছিলেন, তখন তারা ইসলামি শরিয়াহকে সরাসরি মূল উৎস হিসেবে গ্রহণ না করে একটি অত্যন্ত গৌণ ও প্রান্তিক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। মিশরের দেওয়ানি আইনের প্রাথমিক খসড়ায় (Preliminary Draft) উল্লেখ করা হয়েছিল যে, যদি কোনো বিষয়ে সরাসরি আইনি পাঠ না পাওয়া যায়, তবে বিচারক 'প্রথা' (Custom) অনুযায়ী রায় দেবেন, এবং যদি তাও না পাওয়া যায়, তবে 'প্রাকৃতিক আইন ও ন্যায়বিচারের নীতি' (Natural Law and Principles of Justice) অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন। সেখানে ইসলামি শরিয়াহকে কেবল একটি 'অনুপ্রেরণা' (Inspiration) হিসেবে রাখা হয়েছিল [6]

এই খসড়াটি অত্যন্ত বিতর্কিত ছিল কারণ এটি ইসলামি শরিয়াহকে আইনের মূলে না রেখে একেবারে শেষে বা 'লেজে' (Tail) ঠেলে দিয়েছিল। মিশরীয় জনগণের ব্যাপক আন্দোলনের মুখে এবং ধর্মীয় ও সামাজিক চাপের কারণে শরিয়াহকে একটি উৎস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য করা হয়, কিন্তু তা ছিল অত্যন্ত কৌশলী। শরিয়াহকে 'তৃতীয় উৎস' হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা মূলত বিচারকের জন্য একটি বিকল্প পথ হিসেবে রাখা হয়েছিল, মূল পথ হিসেবে নয় [7] । এই অবস্থানটি শরিয়াহর সার্বভৌমত্বকে খর্ব করার একটি বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচেষ্টা ছিল।

এই আইনি কাঠামো নিয়ে তৎকালীন মিশরের সিনেটে এক ঐতিহাসিক বিতর্ক সংঘটিত হয়। প্রখ্যাত আইনবিদ ড. সানহুরি (Sanhuri) এবং ড. হামিদ বেক জাকি (Hamid Bek Zaki)-এর মধ্যকার এই বিতর্কটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ড. সানহুরি দাবি করেছিলেন যে, এই নতুন আইনটি ইসলামি শরিয়াহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ [8] । কিন্তু ড. হামিদ বেক জাকি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে এই দাবিকে চ্যালেঞ্জ করেন। তিনি যুক্তি দেন যে, আইনের সাধারণ অংশ (General Part), যা মূলত দায়বদ্ধতা ও চুক্তির তত্ত্ব (Theory of Obligations) নিয়ে গঠিত, তা সম্পূর্ণ ইউরোপীয় বা রোমান আইনের অনুকরণ [9] । এমনকি ড. সানহুরি নিজেও স্বীকার করেছিলেন যে, এই প্রকল্পটি মূলত একটি ইউরোপীয় প্রকল্প, তবে তিনি এটিকে 'মিশরীয় আইন' হিসেবে অভিহিত করার মাধ্যমে শরিয়াহর সাথে এর একটি কৃত্রিম মেলবন্ধন ঘটানোর চেষ্টা করেছিলেন [10]

সানহুরির এই অবস্থানটি ছিল একটি রাজনৈতিক সমঝোতা। তিনি চেয়েছিলেন ইউরোপীয় আইনি কাঠামোর আধুনিকতা এবং শরিয়াহর ধর্মীয় গ্রহণযোগ্যতার মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখতে। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় তিনি শরিয়াহর যে 'স্বকীয়তা' ও 'সার্বভৌমত্ব' (Sovereignty), তাকে একটি ইউরোপীয় কাঠামোর অধীনে 'সামঞ্জস্যপূর্ণ' করার চেষ্টা করেছিলেন। এর ফলে আইনটি তার মৌলিক ইউরোপীয় বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেছিল এবং শরিয়াহর প্রকৃত ও স্বাধীন উৎসগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছিল। এটি প্রমাণ করে যে, আধুনিক আইনি কাঠামোতে শরিয়াহকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াটি ছিল অনেকটা শরিয়াহকে একটি 'উপাদান' হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা, যা তার মূল সত্তাকে অস্বীকার করারই একটি আধুনিক রূপ।

রোমান ও ইসলামি আইনের মৌলিক ও দার্শনিক বৈপরীত্য

প্রাচ্যবিদদের দাবি যে ইসলামি আইন রোমান আইনের একটি শাখা, তা কেবল ভুল নয় বরং এটি একটি দার্শনিক ও অস্তিত্বতাত্ত্বিক ভ্রান্তি। রোমান আইন এবং ইসলামি আইনের মধ্যে মৌলিক ও কাঠামোগত পার্থক্য রয়েছে যা কোনোভাবেই উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। রোমান আইন মূলত একটি 'মানবিক আইন' (Human Law) বা 'আইনবিদের আইন' (Law of Jurists)। ল্যাটিন প্রবাদ অনুযায়ী, "كلُّ قانونٍ وُضع، فإنه وُضع بسبب إنسان" অর্থাৎ, "প্রতিটি আইন মানুষের কারণেই প্রণীত হয়" [11] । রোমান আইন মূলত মানুষের সামাজিক প্রয়োজন, রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং আইনি বিশেষজ্ঞদের যুক্তিনির্ভর একটি ব্যবস্থা।

বিপরীতে, ইসলামি আইন বা শরিয়াহ হলো 'ঐশ্বরিক আইন' (Divine Law)। এটি কোনো মানুষের উদ্ভাবন বা সমাজিক চুক্তির ফসল নয়, বরং এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানবজাতির জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। ফরাসি আইনবিদ ফিটজেরাল্ড (Fitz Gerald) নিজেই স্বীকার করেছেন যে, রোমান এবং ইসলামি ব্যবস্থা দুটি সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী এবং এদের মধ্যে এমন বৈপরীত্য রয়েছে যা সমন্বয় করা অসম্ভব [12] । ফিটজেরাল্ডের মতে, ইসলামি আইন হলো একমাত্র 'আইনপ্রণেতা আল্লাহ'-এর আইন, যেখানে কোনো শাসক বা জনগণের ইচ্ছার কোনো আইনি কর্তৃত্ব নেই, যদি না তা ইজমা বা সর্বসম্মত ঐশ্বরিক সিদ্ধান্তের প্রতিফলন হয় [13]

এই বৈপরীত্যের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো আইনের 'উদ্দেশ্য' (Purpose)। রোমান আইন বা যেকোনো পজিটিভ ল (Positive Law) হলো একটি বস্তুগত বিজ্ঞান (Material Science), যা পার্থিব শৃঙ্খলা ও মানুষের জাগতিক স্বার্থ রক্ষা করতে চায়। অন্যদিকে, ইসলামি ফিকহ বা আইনশাস্ত্র হলো ধর্মের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা মানুষের ইহকাল ও পরকাল—উভয় জগতের কল্যাণের জন্য প্রণীত [14] । ইতালীয় প্রাচ্যবিদ নালিনো (Nallino) যথার্থই বলেছেন যে, মুসলিমরা ফিকহকে ধর্মের অংশ হিসেবে দেখেছে, কোনো পার্থিব বা বস্তুগত বিজ্ঞান হিসেবে নয় [15]

পরিশেষে, ইসলামি আইনের স্বকীয়তা ও তার ঐশ্বরিক উৎসকে অস্বীকার করার জন্য প্রাচ্যবিদদের যে তাত্ত্বিক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে, তা মূলত একটি অপব্যাখ্যা মাত্র। রোমান আইনের সাথে বাহ্যিক কিছু সাদৃশ্য থাকাকে 'ধার করা' হিসেবে চিহ্নিত করা একটি বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতারণা। ইসলামি আইনশাস্ত্রের প্রতিটি বিধানের মূলে রয়েছে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব এবং রাসুল সা.-এর আদর্শ, যা একে মানবকেন্দ্রিক রোমান আইন বা ধর্মীয় সীমাবদ্ধতাযুক্ত ইহুদি হালাখা থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ও শ্রেষ্ঠতর মর্যাদা প্রদান করে। শরিয়াহ কেবল একটি আইনি ব্যবস্থা নয়, বরং এটি একটি আধ্যাত্মিক ও নৈতিক জীবনদর্শন যা মানুষের অস্তিত্বের মূল লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।

""
১৩.২ প্রাচ্যবিদদের দাবি: ইসলামি আইন কি রোমান আইন (Roman Law) বা ইহুদি হালাখা (Halakha) থেকে ধার করা?
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১৩.২ প্রাচ্যবিদদের দাবি: ইসলামি আইন কি রোমান আইন বা ইহুদি হালাখা থেকে ধার করা? কুইজ

1 / 5

প্রাচ্যবিদদের মতে ইসলামি আইন কোথা থেকে ধার করা?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...