খণ্ড 80
ফন্ট:100%
থিম:

১৪.২ প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিতে জিজিয়া (Jizya): 'সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনশিপ' (Second Class Citizenship) তত্ত্বের কনটেক্সচুয়াল ও লিগ্যাল জবাব

ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় অমুসলিম প্রজাদের থেকে সংগৃহীত 'জিজিয়া' করটি দীর্ঘকাল ধরে প্রাচ্যবিদ বা ওরিয়েন্টালিস্টদের গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। আধুনিক পশ্চিমা রাজনৈতিক দর্শনের আলোকে অনেক প্রাচ্যবিদ জিজিয়াকে কেবল একটি আর্থিক কর হিসেবে দেখেননি, বরং একে 'সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনশিপ' বা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকত্বের একটি হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তাদের দাবি অনুযায়ী, জিজিয়া ছিল অমুসলিমদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি অপমানজনক বোঝা, যার উদ্দেশ্য ছিল তাদের মানসিকভাবে পর্যুদস্ত করা এবং ইসলামি আধিপত্যের সামনে তাদের আত্মসমর্পণ নিশ্চিত করা। তবে এই তত্ত্বটি মূলত আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের 'নাগরিকত্ব' (Citizenship) ধারণার সাথে মধ্যযুগীয় 'জিম্মি' (Dhimmi) ব্যবস্থার এক ভুল তুলনা এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের চরম অবহেলার ফসল।

প্রাচ্যবিদদের 'সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনশিপ' তত্ত্বের তাত্ত্বিক ভিত্তি ও অসারতা

প্রাচ্যবিদদের মূল অভিযোগ হলো, জিজিয়া প্রদানের মাধ্যমে অমুসলিমরা রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধার বিনিময়ে তাদের মর্যাদা বিসর্জন দিয়েছিল। তারা মনে করেন, মুসলিম নাগরিকরা যেহেতু জিজিয়া থেকে মুক্ত ছিল, তাই অমুসলিমরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি নিম্নতর সামাজিক স্তরে স্থানান্তরিত হয়েছিল। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে জিজিয়াকে একটি 'পেনিটি ট্যাক্স' বা দণ্ডমূলক কর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যা ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বহিঃপ্রকাশ। তবে এই বিশ্লেষণের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো, তারা সপ্তম শতাব্দীর সামাজিক চুক্তি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে একবিংশ শতাব্দীর লিবারেল ডেমোক্রেটিক সিটিজেনশিপের মানদণ্ডে পরিমাপ করতে চেয়েছে। তৎকালীন ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় 'নাগরিকত্ব' শব্দটির বর্তমান অর্থ বিদ্যমান ছিল না; বরং বিদ্যমান ছিল 'আনুগত্য' এবং 'সুরক্ষা'র একটি পারস্পরিক চুক্তি।

রাজনৈতিক বিজ্ঞানের পরিভাষায়, জিজিয়া ছিল একটি 'সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট' বা সামাজিক চুক্তির অংশ। ইসলামি রাষ্ট্র অমুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, জান-মালের নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসন প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়েছিল। বিনিময়ে জিজিয়া ছিল সেই নিরাপত্তার জন্য একটি নামমাত্র ফি। প্রাচ্যবিদরা যখন একে 'সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনশিপ' বলেন, তারা ভুলে যান যে তৎকালীন বাইজেন্টাইন বা সাসানীয় সাম্রাজ্যে অমুসলিম বা ভিন্নমতাবলম্বীদের অবস্থা ছিল অত্যন্ত শোচনীয়। সেখানে ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে মানুষকে হত্যা করা হতো অথবা চরম নিপীড়নের শিকার হতে হতো। বিপরীতে, ইসলামি শাসনব্যবস্থায় জিজিয়ার বিনিময়ে অমুসলিমরা যে আইনি সুরক্ষা লাভ করেছিল, তা তৎকালীন বিশ্বের প্রেক্ষাপটে ছিল এক বৈপ্লবিক মানবাধিকার পদক্ষেপ।

তাত্ত্বিকভাবে, জিজিয়াকে কেবল আর্থিক চাপের হাতিয়ার বলাটা অযৌক্তিক, কারণ এর প্রয়োগ ছিল অত্যন্ত নমনীয়। দরিদ্র, বৃদ্ধ, নারী, শিশু এবং সন্ন্যাসীদের জন্য জিজিয়া মওকুফ করা হয়েছিল। যদি রাষ্ট্র জিম্মিদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হতো, তবে সংগৃহীত জিজিয়া তাদের ফেরত দেওয়ার বিধান ছিল। এই ধরনের নিরাপত্তা গ্যারান্টি কোনো 'নিচুতলার নাগরিকত্ব' বা নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। বরং এটি ছিল একটি সুসংগত 'কালেক্টিভ সিকিউরিটি' (Collective Security) ব্যবস্থা, যেখানে রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যয় বহন করার দায়িত্ব মুসলিমদের ছিল সামরিক সেবার মাধ্যমে এবং অমুসলিমদের ছিল আর্থিক অবদানের মাধ্যমে।

কুরআনিক ইবারত ও 'সাগিরুন' (صاغرون) শব্দের ভাষাতাত্ত্বিক ও আইনি বিশ্লেষণ

প্রাচ্যবিদদের অভিযোগের প্রধান ভিত্তি হলো সূরা আত-তাওবার ২৯ নম্বর আয়াতের একটি বিশেষ শব্দখণ্ড। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে:


قاتلوا الذين لا يؤمنون بالله ولا باليوم الآخر ولا يحرمون ما حرم الله ورسوله ولا يدينون دين الحق من الذين أوتوا الكتاب حتى يعطوا الجزية عن يد وهم صاغرون

[1]

এই আয়াতের শেষ অংশে ব্যবহৃত 'ওহুম সাগিরুন' (وهم صاغرون) শব্দগুচ্ছটিকে প্রাচ্যবিদরা 'অপমানিত' বা 'লাঞ্ছিত' হিসেবে অনুবাদ করে দাবি করেন যে, ইসলাম অমুসলিমদের লাঞ্ছিত করতে চায়। তবে উচ্চমার্গীয় তাফসীর এবং আরবি ভাষাতত্ত্বের বিশ্লেষণে দেখা যায়, 'সাগিরুন' শব্দের অর্থ এখানে ব্যক্তিগত অপমান নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি আনুগত্য এবং সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি। যখন কোনো জাতি অন্য একটি রাষ্ট্রের অধীনে আশ্রয় গ্রহণ করে, তখন তারা সেই রাষ্ট্রের আইন মেনে চলতে বাধ্য থাকে। এই আইনগত আনুগত্যকেই এখানে 'সাগিরুন' বলা হয়েছে। এটি কোনো মানসিক নিপীড়ন নয়, বরং একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা।

অনেক মুফাসসিরের মতে, জিজিয়া প্রদানের প্রক্রিয়াটি এমনভাবে সম্পন্ন হতো যাতে এটি স্পষ্ট হয় যে, তারা একটি ইসলামি শাসনব্যবস্থার অধীনে সুরক্ষিত। এই আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশ ছিল রাজনৈতিক, ব্যক্তিগত নয়। যেমন, আল-আলুকাহ-এর গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে:


فالآية تدلّ على مشروعيّة أخذ الجزية من أهل الكتاب، وأنهم ينبغي أن يعطوا هذه الجزية عن قهر لهم وذلة وغلبة وهم صاغرون.

[2]

এখানে 'কাহর' বা 'জিল্লাহ' শব্দগুলো দ্বারা যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বিজয় এবং সেই বিজয়ের পর প্রতিষ্ঠিত নতুন আইনি কাঠামোর প্রতি আনুগত্যকে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, যারা যুদ্ধের পর আত্মসমর্পণ করেছে, তারা এখন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের অধীনে। এটি আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি সাধারণ নিয়ম, যেখানে পরাজিত পক্ষ বিজয়ী পক্ষের শর্তাবলি মেনে নেয়। একে 'মানবিক লাঞ্ছনা'র সাথে গুলিয়ে ফেলা ঐতিহাসিক অজ্ঞতার পরিচয়। প্রকৃতপক্ষে, জিজিয়া প্রদানের মাধ্যমে অমুসলিমরা যে মর্যাদা লাভ করেছিল, তা ছিল তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস অক্ষুণ্ণ রেখে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে বেঁচে থাকার অধিকার।

ভূ-রাজনৈতিক নিরাপত্তা ও জিজিয়ার লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্ক

জিজিয়া ব্যবস্থার আইনি কাঠামো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি ছিল একটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল প্রশাসনিক ব্যবস্থা। ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, জিজিয়া কেবল সেই অমুসলিমদের থেকে নেওয়া হতো যারা সক্ষম ছিল এবং যাদেরকে রাষ্ট্র সামরিক সুরক্ষা প্রদান করত। মুসলিমদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল 'জাকাত', যা একটি ইবাদত এবং সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অন্যদিকে, অমুসলিমদের জন্য জিজিয়া ছিল একটি নাগরিক কর, যা তাদের সামরিক সেবার বিকল্প হিসেবে গণ্য হতো। যেহেতু ইসলামি রাষ্ট্র অমুসলিমদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করত না, তাই প্রতিরক্ষা ব্যয়ের অংশ হিসেবে এই করটি নির্ধারিত হয়েছিল।

ইবনে কুদামা রহ. এর মতো ফুকাহাদের মতে, জিজিয়া এবং ইসলামি আইনের আনুগত্য এই চুক্তির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি উল্লেখ করেছেন:


وهناك أمران أساسيان لاتنعقد الذمة بدونهما لم يذكرا في الشروط العمرية، وهما أداء الجزية وجريان أحكام الإسلام عليهم.

[3]

এই ইবারতটি প্রমাণ করে যে, 'জিম্মি' হওয়ার শর্ত ছিল দুটি: জিজিয়া প্রদান এবং রাষ্ট্রের সাধারণ আইন মেনে চলা। এটি মূলত একটি 'লিগ্যাল কন্ট্রাক্ট' বা আইনি চুক্তি। এই চুক্তির ফলে অমুসলিমরা রাষ্ট্রের পূর্ণ সুরক্ষা লাভ করত। যদি কোনো বহিঃশত্রু জিম্মিদের আক্রমণ করত, তবে মুসলিম সেনাবাহিনী তাদের রক্ষা করতে বাধ্য ছিল। এই সুরক্ষা ব্যবস্থাটি ছিল তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত 'ডিফেন্স মেকানিজম'। প্রাচ্যবিদরা যখন একে 'সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনশিপ' বলেন, তারা এই বিশাল সুরক্ষা বলয়ের কথা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণে একে 'প্রটেকশন মানি' বা সুরক্ষা কর বলা যেতে পারে, তবে এর উদ্দেশ্য ছিল শোষণ নয়, বরং ভারসাম্য রক্ষা করা। মুসলিমরা তাদের সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ (জাকাত) এবং তাদের জীবন উৎসর্গ করে রাষ্ট্র রক্ষা করত। অমুসলিমরা কেবল আর্থিক অবদানের মাধ্যমে সেই একই সুরক্ষা লাভ করত। ফলে এখানে কোনো বৈষম্য ছিল না, বরং ছিল ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্বের বণ্টন। এই ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থাটিই ইসলামি সাম্রাজ্যের দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতার মূল কারণ ছিল, যা অমুসলিম প্রজাদের মনে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা তৈরি করেছিল।

জিম্মি ব্যবস্থার মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ও সামাজিক সংহতি

প্রাচ্যবিদদের দাবি হলো, জিজিয়া অমুসলিমদের মনে হীনম্মন্যতা তৈরি করত। কিন্তু ঐতিহাসিক তথ্য এর বিপরীত কথা বলে। সিরিয়া, ইরাক এবং মিশরের অমুসলিম প্রজারা যখন মুসলিম শাসনের অধীনে এল, তারা পূর্ববর্তী বাইজেন্টাইন শাসনের তুলনায় অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছিল। কারণ বাইজেন্টাইনরা তাদের ওপর অত্যন্ত ভারী কর চাপিয়ে দিত এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির কারণে তাদের ওপর নির্যাতন চালাত। ইসলামি শাসনব্যবস্থায় জিজিয়ার পরিমাণ ছিল অত্যন্ত সীমিত এবং তা ছিল স্বচ্ছ।

জিম্মি ব্যবস্থার ফলে অমুসলিমরা তাদের নিজস্ব বিচারব্যবস্থা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বজায় রাখার পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়েছিল। এটি ছিল এক ধরনের 'প্লায়ুরালিস্টিক সোসাইটি' বা বহুত্ববাদী সমাজের আদি রূপ। রাষ্ট্র তাদের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করত না, যতক্ষণ তারা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং আইন মেনে চলত। এই মনস্তাত্ত্বিক প্রশান্তিই প্রমাণ করে যে, জিজিয়া কোনো লাঞ্ছনার প্রতীক ছিল না, বরং এটি ছিল সহাবস্থানের একটি আইনি মাধ্যম।

আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, জিজিয়া ছিল একটি 'ডিফারেনশিয়েটেড রাইটস' (Differentiated Rights) ব্যবস্থা। অর্থাৎ, অধিকার এবং দায়িত্বের ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে ভিন্নতা রাখা হয়েছিল, কিন্তু মৌলিক মানবিক অধিকার এবং আইনি সুরক্ষার ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য ছিল না। প্রাচ্যবিদরা একে 'সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনশিপ' বলে অভিহিত করে আসলে মধ্যযুগীয় বাস্তবতাকে আধুনিক লিবারেলিজমের চশমায় দেখার চেষ্টা করেছেন। অথচ বাস্তব সত্য এই যে, জিজিয়া ব্যবস্থাটি ছিল তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে ন্যায়সঙ্গত এবং মানবিক কর ব্যবস্থা, যা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল তৈরি করেছিল।

জিজিয়া কেবল একটি আর্থিক লেনদেন ছিল না, বরং এটি ছিল একটি উচ্চতর রাজনৈতিক দর্শন এবং আইনি কাঠামোর বহিঃপ্রকাশ। এটি অমুসলিমদের লাঞ্ছিত করার কোনো উপায় ছিল না, বরং তাদের মর্যাদা রক্ষা করে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের অধীনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার একটি আইনি নিশ্চয়তা ছিল। প্রাচ্যবিদদের 'সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনশিপ' তত্ত্বটি ঐতিহাসিক তথ্যের অভাব এবং ভাষাতাত্ত্বিক ভুল ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, যা ইসলামি ইতিহাসের প্রকৃত স্বরূপকে আড়াল করার একটি অপচেষ্টা মাত্র।

""
১৪.২ প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিতে জিজিয়া (Jizya): 'সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনশিপ' (Second Class Citizenship) তত্ত্বের কনটেক্সচুয়াল ও লিগ্যাল জবাব
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১৪.২ প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিতে জিজিয়া: দ্য মিথ অব ইকোনমিক এক্সটর্শন (The Myth of Economic Extortion) কুইজ

1 / 5

প্রাচ্যবিদদের মতে জিজিয়া করকে সাধারণত কীভাবে চিত্রিত করা হয়?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...