খণ্ড 80
ফন্ট:100%
থিম:

১৪.১ মন্টগোমারি ওয়াট এবং জোসেফ শ্যাখট-এর দাবি: যাকাত কি কেবলই একটি আদিবাসী 'ট্রিবিউট' (Tribute) ছিল?

ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার অর্থনৈতিক ভিত্তি হিসেবে যাকাত একটি অনন্য এবং বৈপ্লবিক প্রতিষ্ঠান। তবে আধুনিক প্রাচ্যতত্ত্ব বা ওরিয়েন্টালিজমের ইতিহাসে মন্টগোমারি ওয়াট (Montgomery Watt) এবং জোসেফ শ্যাখট (Joseph Schacht)-এর মতো গবেষকগণ যাকাতের উৎস এবং প্রকৃতি নিয়ে এক বিতর্কিত তত্ত্ব উত্থাপন করেছেন। তাঁদের মূল দাবি হলো, যাকাত কোনো ঐশী নির্দেশনা বা সম্পূর্ণ নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ছিল না, বরং এটি ছিল প্রাক-ইসলামি আরব সমাজের প্রচলিত 'ট্রিবিউট' (Tribute) বা গোত্রীয় উপঢৌকনের একটি পরিবর্তিত রূপ। তাঁদের মতে, আদিম আরব উপজাতিরা তাদের গোত্রপ্রধান বা প্রভাবশালী নেতাকে আনুগত্য প্রদর্শনের জন্য যে সম্পদ প্রদান করত, ইসলামি রাষ্ট্র তা কেবল একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। এই দৃষ্টিভঙ্গি যাকাতকে একটি আধ্যাত্মিক ইবাদত থেকে নামিয়ে এনে কেবল একটি রাজনৈতিক কর বা 'ট্রিবিউট' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করে, যা মূলত ইসলামের খোদায়ী উৎসকে অস্বীকার করার একটি পরোক্ষ প্রচেষ্টা।

ওরিয়েন্টালিস্ট দৃষ্টিভঙ্গি এবং 'ট্রিবিউট' তত্ত্বের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

মন্টগোমারি ওয়াট এবং জোসেফ শ্যাখট-এর এই তত্ত্বটি মূলত ঐতিহাসিক সংশয়বাদের (Historical Skepticism) ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। তাঁদের মতে, সপ্তম শতাব্দীর আরব উপদ্বীপের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কোনো নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হঠাৎ করে আবির্ভূত হওয়া অসম্ভব ছিল। তাঁরা যুক্তি দেন যে, যাকাত মূলত একটি 'সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট' বা সামাজিক চুক্তির অংশ ছিল, যেখানে অনুসারীরা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিনিময়ে নেতার কাছে সম্পদ জমা দিত। এই প্রক্রিয়ায় যাকাতকে একটি 'ট্রিবিউট' হিসেবে দেখা হয়, যা মূলত রাজনৈতিক আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশ। এই তত্ত্বের মাধ্যমে তাঁরা বোঝাতে চেয়েছেন যে, নবি সা. প্রাক-ইসলামি আরবদের সামাজিক কাঠামোকে ব্যবহার করে একটি রাজনৈতিক সংহতি তৈরি করেছিলেন, যার অর্থনৈতিক হাতিয়ার ছিল এই প্রচলিত কর ব্যবস্থা।

রাজনৈতিক বিজ্ঞানের পরিভাষায়, এই দাবিটি যাকাতকে 'এক্সট্রাক্টিভ ইকোনমি' (Extractive Economy) বা সম্পদ আহরণমূলক ব্যবস্থার সাথে তুলনা করে। ওরিয়েন্টালিস্টদের মতে, যে কোনো আদিবাসী বা ট্রাইবাল সোসাইটিতে যখন একটি কেন্দ্রীয় ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন তারা প্রচলিত উপঢৌকন বা ট্রিবিউট ব্যবস্থাকেই কর হিসেবে রূপান্তর করে। শ্যাখট-এর মতে, যাকাতের প্রাথমিক রূপটি ছিল অত্যন্ত নমনীয় এবং এটি সময়ের সাথে সাথে আইনি রূপ পেয়েছে। তাঁদের এই বিশ্লেষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল যাকাতের ঐশী উৎসকে অস্বীকার করে একে একটি মানব-নির্মিত রাজনৈতিক কৌশলের ফসল হিসেবে প্রমাণ করা, যা তৎকালীন ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।

তবে এই তত্ত্বটি চরমভাবে ত্রুটিপূর্ণ, কারণ এটি যাকাতের আধ্যাত্মিক এবং নৈতিক মাত্রাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে। যাকাত কেবল সম্পদ স্থানান্তর নয়, বরং এটি আত্মার পরিশুদ্ধি এবং সম্পদের পবিত্রকরণের একটি প্রক্রিয়া। প্রাচ্যতত্ত্ববিদগণ যখন একে 'ট্রিবিউট' বলেন, তখন তারা একে কেবল ক্ষমতার দাপটে সংগৃহীত কর হিসেবে দেখেন, অথচ যাকাতের মূল চালিকাশক্তি ছিল তাকওয়া এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্য। এই তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বটি মূলত একটি ধর্মীয় ইবাদত এবং একটি রাজনৈতিক করের মধ্যকার মৌলিক পার্থক্য বুঝতে না পারার ফল। [1]

যাকাত এবং প্রচলিত করের (Taxation) মৌলিক পার্থক্য: একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

যাকাতকে 'ট্রিবিউট' বা সাধারণ কর হিসেবে গণ্য করার দাবিটি খণ্ডন করতে হলে যাকাতের সংজ্ঞাগত এবং উদ্দেশ্যগত বিশ্লেষণের প্রয়োজন। সাধারণ কর বা ট্রিবিউট হয় রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে, সামরিক ব্যয় নির্বাহে বা শাসকের বিলাসিতার জন্য সংগৃহীত হয়। কিন্তু যাকাতের উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি মূলত সম্পদের পবিত্রতা অর্জন এবং দরিদ্রদের অধিকার নিশ্চিত করার একটি ব্যবস্থা। আরবিতে 'যাকাত' শব্দের অর্থই হলো পবিত্রতা এবং বৃদ্ধি। ডাটাবেসের তথ্যমতে, যাকাতের নামকরণ করা হয়েছে এই কারণে যে, এটি সম্পদের বৃদ্ধি ঘটায় এবং পরকালে পুরস্কারের ব্যবস্থা করে।


ويتبين أن تسميتها بذلك؛ لأنها سبب لزيادة المال وتنميته بالخلف في الدنيا، والثواب في الآخرة

[2]

এই ইবারাতটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, যাকাতের লক্ষ্য কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং আধ্যাত্মিক। ট্রিবিউট ব্যবস্থায় দাতা কোনো আধ্যাত্মিক তৃপ্তি পায় না, বরং তা বাধ্যবাধকতার সাথে প্রদান করে। অন্যদিকে, যাকাত দাতার হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য এবং দরিদ্রের প্রতি সহমর্মিতা তৈরি করে। রাজনৈতিক বিজ্ঞানের ভাষায়, একে 'কালেক্টিভ সিকিউরিটি' (Collective Security) বা সামাজিক নিরাপত্তা বলয় বলা যেতে পারে, যেখানে সম্পদ কেবল উপর থেকে নিচে প্রবাহিত হয় না, বরং এটি একটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

তদুপরি, যাকাতের সংগৃহীত অর্থ কেবল নির্দিষ্ট আটটি খাতে ব্যয় করা বাধ্যতামূলক, যা সাধারণ কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে দেখা যায় না। ট্রিবিউট ব্যবস্থায় সংগৃহীত অর্থ শাসকের ইচ্ছানুযায়ী ব্যয় করা হতো, কিন্তু যাকাতের ক্ষেত্রে নবি সা. এবং পরবর্তী খলিফাদের যুগে এর ব্যয় অত্যন্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত ছিল। এই কাঠামোগত পার্থক্য প্রমাণ করে যে, যাকাত কোনো আদিবাসী ট্রিবিউট ছিল না, বরং এটি ছিল একটি সুশৃঙ্খল এবং ঐশী নির্দেশিত সামাজিক কল্যাণমূলক ব্যবস্থা। [3]

সামন্ততান্ত্রিক নিষ্কাশন বনাম যাকাতের কল্যাণকামী কাঠামো

মন্টগোমারি ওয়াট এবং শ্যাখট-এর দাবিকে আরও গভীরভাবে খণ্ডন করতে হলে তৎকালীন বিশ্বের অন্যান্য কর ব্যবস্থার সাথে যাকাতের তুলনা করা প্রয়োজন। ইতিহাসের বিভিন্ন প্রান্তে 'ট্রিবিউট' বা কর ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত শোষণমূলক। উদাহরণস্বরূপ, মধ্যযুগীয় ইউরোপের সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থায় কৃষকদের ওপর যে কর চাপিয়ে দেওয়া হতো, তা ছিল মূলত সম্পদ নিষ্কাশনের একটি মাধ্যম। 'দ্য স্টোরি অফ সিভিলাইজেশন'-এর বর্ণনা অনুযায়ী, সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থায় কৃষকদের কেবল নগদ করই দিতে হতো না, বরং তাদের শ্রমশক্তিকেও বাধ্যতামূলকভাবে শাসকের কাজে লাগাতে হতো, যাকে 'কর্ভে' (Corvee) বা বাধ্যতামূলক শ্রম বলা হতো।

সামন্ততান্ত্রিক কর ব্যবস্থার ভয়াবহতা ছিল এমন যে, কৃষকদের নিজেদের উৎপাদিত ফসলের একটি বড় অংশ মালিককে দিতে হতো এবং এমনকি তাদের ব্যক্তিগত জীবন, যেমন বিবাহ বা শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রেও মালিকের অনুমতি এবং অতিরিক্ত কর প্রদানের বাধ্যবাধকতা ছিল। এই ব্যবস্থাটি ছিল সম্পূর্ণভাবে শোষণমূলক এবং দমনকারী। [4] । এই ধরনের 'ট্রিবিউট' বা কর ব্যবস্থার সাথে যাকাতের কোনো মিল নেই। যাকাত কেবল উদ্বৃত্ত সম্পদের একটি ক্ষুদ্র অংশ (সাধারণত ২.৫%) দাবি করে, যা দাতার মৌলিক জীবনযাত্রার কোনো ক্ষতি করে না।

যাকাতের ক্ষেত্রে 'নিসাব' বা ন্যূনতম সম্পদের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার অর্থ হলো যারা দরিদ্র বা যাদের সম্পদ নির্দিষ্ট সীমার নিচে, তাদের ওপর কোনো কর চাপানো হয় না। বরং তারা যাকাতের গ্রহীতা হয়। সামন্ততান্ত্রিক ট্রিবিউট ব্যবস্থায় দরিদ্ররা আরও দরিদ্র হতো, কিন্তু যাকাত ব্যবস্থা দরিদ্রদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করে। এই মৌলিক পার্থক্যটি প্রমাণ করে যে, যাকাত কোনো আদিবাসী ট্রিবিউট বা শোষণমূলক কর ছিল না, বরং এটি ছিল একটি বৈপ্লবিক অর্থনৈতিক মডেল যা মানবতাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। [5]

যাকাতের আইনি কাঠামো এবং 'হউল' (حول) এর গুরুত্ব

ওরিয়েন্টালিস্টদের দাবি ছিল যে, যাকাত একটি নমনীয় গোত্রীয় প্রথা। কিন্তু যাকাতের আইনি কাঠামো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং নিয়মতান্ত্রিক। যাকাতের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো 'হউল' বা এক চন্দ্র বছর পূর্ণ হওয়া। অর্থাৎ, সম্পদটি এক বছর দাতার মালিকানায় থাকলে তবেই যাকাত ওয়াজিব হয়। এই শর্তটি প্রমাণ করে যে, যাকাত কোনো আকস্মিক ট্রিবিউট বা রাজনৈতিক চাপ ছিল না, বরং এটি একটি পরিকল্পিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

অধিকাংশ আলেম এবং ফকিহগণ একমত যে, যাকাতের জন্য এক বছর সময় অতিবাহিত হওয়া আবশ্যক। এই নিয়মতান্ত্রিকতা প্রমাণ করে যে, এটি কোনো আদিবাসী প্রথা নয়, কারণ আদিবাসী ট্রিবিউট ব্যবস্থা সাধারণত তাৎক্ষণিক এবং খামখেয়ালি হতো। [6] । যাকাতের এই সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এবং পরিমাণের হিসাব প্রমাণ করে যে, এর পেছনে একটি উচ্চতর আইনি এবং ঐশী পরিকল্পনা ছিল, যা প্রাক-ইসলামি আরবদের বিশৃঙ্খল সামাজিক কাঠামোতে কল্পনা করা অসম্ভব ছিল।

তদুপরি, যাকাতের সংকলন এবং বিতরণের ক্ষেত্রে যে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা ছিল, তা কোনো ট্রিবিউট ব্যবস্থায় সম্ভব নয়। ট্রিবিউট সাধারণত শাসকের ব্যক্তিগত কোষাগারে জমা হতো, কিন্তু যাকাত ছিল নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের অধিকার। নবি সা. এবং তাঁর সাহাবায়ে কেরাম রা. যাকাত সংগ্রহের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক ছিলেন যেন কোনোভাবেই এর অপব্যবহার না হয়। এই প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা এবং নৈতিক বাধ্যবাধকতা প্রমাণ করে যে, যাকাত কেবল একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার ছিল না, বরং এটি ছিল ইবাদতের একটি অংশ। [7]

উপসংহারের পরিবর্তে একটি বিশ্লেষণাত্মক মূল্যায়ন

মন্টগোমারি ওয়াট এবং জোসেফ শ্যাখট-এর দাবি যে যাকাত কেবল একটি আদিবাসী 'ট্রিবিউট' ছিল, তা ঐতিহাসিক তথ্যের অভাব এবং ইসলামি অর্থনীতির মৌলিক দর্শনের অজ্ঞতার ফল। তাঁরা যাকাতের বাহ্যিক রূপটিকে (সম্পদ সংগ্রহ) দেখেছেন, কিন্তু এর অভ্যন্তরীণ উদ্দেশ্য (আত্মিক পবিত্রতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার) এবং কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যসমূহকে উপেক্ষা করেছেন। ট্রিবিউট ব্যবস্থা যেখানে দাতা এবং গ্রহীতার মধ্যে শোষক ও শোষিতের সম্পর্ক তৈরি করে, যাকাত সেখানে দাতা এবং গ্রহীতার মধ্যে ভ্রাতৃত্ব এবং সহমর্মিতার সম্পর্ক স্থাপন করে।

যাকাতের মাধ্যমে যে অর্থনৈতিক ভারসাম্য তৈরি হয়, তা প্রাক-ইসলামি আরব সমাজের কোনো প্রথা থেকে আসা সম্ভব নয়। বরং এটি ছিল একটি সম্পূর্ণ নতুন এবং ঐশী নির্দেশনা, যা সম্পদকে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের হাতে কুক্ষিগত হতে বাধা দেয়। সুতরাং, যাকাতকে 'ট্রিবিউট' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা কেবল একটি ভুল ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ নয়, বরং এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচেষ্টা যা যাকাতের প্রকৃত মাহাত্ম্যকে আড়াল করতে চায়। যাকাত হলো ইবাদত, অধিকার এবং সামাজিক নিরাপত্তার এক অনন্য সমন্বয়, যা মানব ইতিহাসের যেকোনো কর ব্যবস্থার চেয়ে অনেক বেশি উন্নত এবং মানবিক। [8]

""
১৪.১ মন্টগোমারি ওয়াট এবং জোসেফ শ্যাখট-এর দাবি: যাকাত কি কেবলই একটি আদিবাসী 'ট্রিবিউট' (Tribute) ছিল?
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১৪.১ যাকাত নিয়ে মন্টগোমারি ওয়াট এবং জোসেফ শ্যাখট-এর দৃষ্টিভঙ্গি কুইজ

1 / 5

মন্টগোমারি ওয়াট এবং জোসেফ শ্যাখট যাকাতকে কী হিসেবে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করেছেন?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...