খণ্ড 38
ফন্ট:100%
থিম:

৭.১ ওল্ড ওরিয়েন্টালিস্টদের দৃষ্টিভঙ্গি (মন্টগোমারি ওয়াট ও অন্যরা)

৭.১ ওল্ড ওরিয়েন্টালিস্টদের দৃষ্টিভঙ্গি: মন্টগোমারি ওয়াট ও অন্যান্যদের সীরাত বিশ্লেষণ

১. মন্টগোমারি ওয়াটের সমাজ-অর্থনৈতিক তত্ত্ব ও সীরাত বিশ্লেষণ

উনিশ ও বিশ শতকের পশ্চিমা প্রাচ্যতত্ত্ব বা ওরিয়েন্টালিজমের ইতিহাসে স্কটিশ ইতিহাসবিদ উইলিয়াম মন্টগোমারি ওয়াট (William Montgomery Watt) এক অনন্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। মধ্যযুগীয় ইউরোপীয় সীরাত-চর্চার অন্ধ বিদ্বেষ ও স্থূল আক্রমণাত্মক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে তিনি সীরাত অধ্যয়নে একটি আপাত-বস্তুনিষ্ঠ, সমাজতাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ কাঠামো দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন। ওয়াটের মূল তত্ত্বটি ছিল তৎকালীন মক্কার সমাজ-অর্থনৈতিক রূপান্তরের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা। তাঁর মতে, ষষ্ঠ ও সপ্তম শতকের মক্কা কেবল একটি সাধারণ মরু-শহর ছিল না, বরং তা ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি অন্যতম প্রধান ট্রানজিট হাব। যাযাবর বেদুইন সংস্কৃতির যৌথ গোত্রীয় সংহতি ও সাম্যবাদী মূল্যবোধ থেকে মক্কা তখন দ্রুত একটি ব্যক্তিকেন্দ্রিক, পুঁজিবাদী ও বাণিজ্যিক সমাজে রূপান্তরিত হচ্ছিল। এই রূপান্তরের ফলে মক্কার কুরাইশ অভিজাতদের মধ্যে সম্পদের পাহাড় জমে ওঠে, যার বিপরীতে সমাজের দুর্বল, এতিম ও প্রান্তিক গোষ্ঠীগুলো চরম অর্থনৈতিক ও সামাজিক বঞ্চনার শিকার হয়।

ওয়াট তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন যে, কুরাইশদের এই অর্থনৈতিক একচেটিয়া আধিপত্য এবং ঐতিহ্যগত গোত্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার (Tribal Solidarity) ভাঙন মক্কায় এক গভীর সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক সংকটের জন্ম দিয়েছিল। তাঁর মতে, হযরত মুহাম্মাদ সা. মক্কার এই গভীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটকে অত্যন্ত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। ওয়াটের তত্ত্বানুযায়ী, ইসলামের প্রাথমিক দাওয়াত এবং তাওহীদের বাণী কেবল একটি আধ্যাত্মিক সংস্কার ছিল না, বরং তা ছিল মক্কার এই অসম অর্থনৈতিক বণ্টন এবং সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বৈপ্লবিক সামাজিক-আন্দোলন। ওয়াট মনে করেন, মক্কার দুর্বল ও বঞ্চিত যুবসমাজ এবং প্রান্তিক শ্রেণির মানুষজন ইসলামের দিকে প্রথম ধাবিত হয়েছিল মূলত এই সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির আশায়। তিনি ইসলামের এই উত্থানকে একটি "সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়া" (Socio-economic Response) হিসেবে চিত্রায়িত করার চেষ্টা করেছেন।

তবে ওয়াটের এই সমাজ-অর্থনৈতিক তত্ত্বের একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো, এটি ইসলামের আধ্যাত্মিক ও ওহী-ভিত্তিক উৎসকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে ঐতিহাসিক বস্তুবাদের (Historical Materialism) আদলে সীরাতকে ব্যাখ্যা করতে চায়। তিনি সীরাতের বাহ্যিক সামাজিক প্রেক্ষাপটকে এতটাই গুরুত্ব দিয়েছেন যে, ওহীর ঐশ্বরিক সত্যতা এবং নবি করীম সা.-এর নবুওয়াতের মূল দাবিটি সেখানে গৌণ হয়ে পড়েছে। ওয়াট ইসলামের সামাজিক ন্যায়বিচারের ধারণাকে প্রশংসা করলেও, তার মূল চালিকাশক্তি যে ছিল আল্লাহর তাওহীদ এবং আখিরাতের জবাবদিহিতা—এই পরম সত্যকে তিনি একটি সমাজতাত্ত্বিক কাঠামোর মধ্যে বন্দি করে ফেলেছেন। ফলে তাঁর বিশ্লেষণটি আপাত-সহানুভূতিশীল মনে হলেও তা মূলত একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গিরই বহিঃপ্রকাশ। [1] [2] [3] ২. ওল্ড ওরিয়েন্টালিস্টদের উৎস-সমালোচনা ও ঐতিহাসিক সংশয়বাদ

ওল্ড ওরিয়েন্টালিস্ট বা প্রাচীন প্রাচ্যবিদদের সীরাত চর্চার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার ছিল "উৎস-সমালোচনা" (Source Criticism) এবং চরম "ঐতিহাসিক সংশয়বাদ" (Historical Skepticism)। ইগনাজ গোল্ডজিহার (Ignaz Goldziher) এবং জোসেফ শাফট (Joseph Schacht) এর মতো পণ্ডিতরা দাবি করেন যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগের ঐতিহাসিক উৎসসমূহ, বিশেষ করে হাদিস এবং প্রাথমিক সীরাত গ্রন্থগুলো (যেমন ইবনে ইসহাক বা ইবনে হিশামের সীরাত) ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে নির্ভরযোগ্য নয়। তাঁদের মূল দাবি ছিল, এই উৎসগুলো রাসুলুল্লাহ সা.-এর সমসাময়িক কালে লিখিত হয়নি, বরং এগুলো হিজরি দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতকে উমাইয়া ও আব্বাসীয় আমলের রাজনৈতিক, ধর্মতাত্ত্বিক ও গোত্রীয় দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপটে কৃত্রিমভাবে তৈরি বা পুনর্গঠিত হয়েছে। গোল্ডজিহারের মতে, হাদিস মূলত নবি করীম সা.-এর বাণী নয়, বরং তা হলো পরবর্তী প্রজন্মের মুসলিমদের নিজস্ব ধর্মীয় ও রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার প্রক্ষেপণ।

এই সংশয়বাদী ধারার প্রাচ্যবিদরা দাবি করেন যে, মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বৈজ্ঞানিক নথিপত্র সংরক্ষণ বা ঐতিহাসিক সত্যতা যাচাইয়ের কোনো পদ্ধতি ছিল না। কিন্তু এই দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং পক্ষপাতদুষ্ট। মুসলিম হাদিস শাস্ত্রবিদ ও ঐতিহাসিকগণ ইসলামের প্রথম শতাব্দী থেকেই "ইসনাত" (Chain of Transmission) এবং "আসমাউর রিজাল" (Biographies of Narrators) নামক এমন এক অনন্য ও কঠোরতম বৈজ্ঞানিক যাচাই-বাছাই পদ্ধতি গড়ে তুলেছিলেন, যার কোনো নজির তৎকালীন বিশ্বের অন্য কোনো সভ্যতায় ছিল না। প্রাচ্যবিদদের এই সংশয়বাদ মূলত তাদের নিজস্ব ইউরোকেন্দ্রিক (Eurocentric) দৃষ্টিভঙ্গির ফসল, যা প্রাচ্যের মৌখিক ও লিখিত ঐতিহ্য সংরক্ষণের অনন্য পদ্ধতিকে বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।

মুসলিম গবেষকগণ অত্যন্ত জোরালোভাবে প্রমাণ করেছেন যে, হাদিস ও সীরাতের সংকলন কোনো পরবর্তী উদ্ভাবন নয়, বরং তা রাসুলুল্লাহ সা.-এর জীবনকাল থেকেই সাহাবিদের ব্যক্তিগত ডায়েরি, সহীফা এবং কঠোর স্মৃতিরক্ষার মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়ে আসছিল। প্রাচ্যবিদদের এই অপপ্রচারের জবাবে আধুনিক মুসলিম স্কলারগণ দেখিয়েছেন যে, বৈজ্ঞানিক নথিপত্র ও সত্যতা যাচাইয়ের মূল ভিত্তিই তৈরি হয়েছে মুসলিমদের হাত ধরে। যেমনটি এই গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে:

«وقد كان لعلماء الحديث - من بين علماء المسلمين - النصيب الأوفر في الاهتمام بالتوثيق، ونسبة النصوص... دفع فرية ابتكار المستشرقين لصناعة التوثيق العلمي»

অর্থাৎ, মুসলিম বিজ্ঞানীদের মধ্যে হাদিস বিশারদগণই গ্রন্থ ও পাঠ্যের সত্যতা যাচাই এবং নথিপত্র সংরক্ষণে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন, যা প্রাচ্যবিদদের এই মিথ্যা দাবিকে সম্পূর্ণরূপে খণ্ডন করে যে বৈজ্ঞানিক নথিপত্র বা ডকুমেন্টেশনের পদ্ধতি পশ্চিমা আবিষ্কার। [4] [5] [6] ৩. মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ও ওহীর ধারণার বিকৃতি

ওল্ড ওরিয়েন্টালিস্টদের সীরাত বিশ্লেষণের আরেকটি অত্যন্ত বিতর্কিত ও বিভ্রান্তিকর দিক হলো ওহী (Divine Revelation) এবং নবুওয়াতের মনস্তাত্ত্বিক অবমূল্যায়ন বা রিডাকশনিজম (Psychological Reductionism)। উনিশ শতকের জার্মান প্রাচ্যবিদ গুস্তাভ ওয়েল (Gustav Weil) এবং অস্ট্রিয়ান প্রাচ্যবিদ আলোইস স্প্রেঙ্গার (Aloys Sprenger) রাসুলুল্লাহ সা.-এর ওহী প্রাপ্তির অভিজ্ঞতাকে মনস্তাত্ত্বিক ব্যাধি, মৃগীরোগ (Epilepsy) বা হিস্টিরিয়ার মতো শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা হিসেবে ব্যাখ্যা করার অপচেষ্টা করেছিলেন। তাঁরা দাবি করতে চেয়েছিলেন যে, নবি করীম সা. যখন ওহী অবতীর্ণ হওয়ার সময় শারীরিক পরিবর্তন বা ভারী স্পন্দনের মধ্য দিয়ে যেতেন, তা মূলত কোনো ঐশ্বরিক যোগাযোগ ছিল না, বরং তা ছিল তাঁর এক ধরনের মানসিক বিভ্রম বা হ্যালুসিনেশন।

পরবর্তীকালে মন্টগোমারি ওয়াট এই স্থূল ও অপমানজনক "মৃগীরোগের তত্ত্ব" সরাসরি প্রত্যাখ্যান করলেও, তিনি ওহীর ধারণাকে বিকৃত করার জন্য একটি নতুন মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্বের অবতারণা করেন। ওয়াট একে "সৃজনশীল কল্পনা" (Creative Imagination) বা "সমষ্টিগত অবচেতন" (Collective Unconscious) হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ওয়াটের মতে, মুহাম্মাদ সা. একজন অত্যন্ত সৎ ও আন্তরিক মানুষ ছিলেন এবং তিনি বিশ্বাস করতেন যে তিনি আল্লাহর কাছ থেকে ওহী পাচ্ছেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, সেই ওহী কোনো বাহ্যিক ঐশ্বরিক সত্তা (জিবরাঈল আ.)-এর মাধ্যমে আসেনি; বরং তা ছিল তাঁর নিজের অবচেতন মনের গভীর থেকে উঠে আসা কিছু সামাজিক ও ধর্মীয় সত্যের বহিঃপ্রকাশ, যা তাঁর মনস্তাত্ত্বিক সৃজনশীলতার মাধ্যমে বাণীতে রূপ নিয়েছিল।

ইসলামি আকীদা ও ঐতিহাসিক বাস্তবতার আলোকে এই মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যাগুলো সম্পূর্ণ অসার ও অযৌক্তিক। প্রথমত, মৃগীরোগে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি কখনো এমন একটি সুসংগত, অলৌকিক এবং আইনগতভাবে নিখুঁত গ্রন্থ (আল-কুরআন) উপহার দিতে পারে না, যা একটি গোটা সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন করে। দ্বিতীয়ত, ওহীর বাণীসমূহের মধ্যে এমন অনেক ঐতিহাসিক ও বৈজ্ঞানিক তথ্য এবং ভবিষ্যৎবাণী ছিল, যা তৎকালীন আরবের কোনো মানুষের অবচেতন মন থেকে আসা অসম্ভব ছিল। ওহী ছিল একটি সম্পূর্ণ বাহ্যিক, ঐশ্বরিক এবং অতিপ্রাকৃতিক বাস্তবতা, যা রাসুলুল্লাহ সা.-এর নিজস্ব চিন্তা বা মনস্তাত্ত্বিক কল্পনার সম্পূর্ণ অতীত ছিল। প্রাচ্যবিদদের এই মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যাগুলো মূলত অলৌকিক ও অতিপ্রাকৃতিক বিষয়কে অস্বীকার করার আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ গোঁড়ামিরই বহিঃপ্রকাশ। [7] [8] [9] ৪. ভূ-রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিভঙ্গির সীমাবদ্ধতা

প্রাচীন প্রাচ্যবিদদের সীরাত অধ্যয়নের আরেকটি বড় পদ্ধতিগত ত্রুটি হলো তাদের ভূ-রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিভঙ্গির সীমাবদ্ধতা। তাঁরা ইসলামের উত্থান এবং মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাকে তৎকালীন বাইজেন্টাইন (রোমান) ও সাসানীয় (পারস্য) সাম্রাজ্যের মধ্যকার ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের একটি উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট হিসেবে দেখার চেষ্টা করেছেন। তাঁদের মতে, আরব উপদ্বীপের চারপাশের এই দুটি পরাশক্তির দুর্বলতা এবং পারস্পরিক যুদ্ধজনিত ক্ষয়িষ্ণুতার ফলেই আরবের অভ্যন্তরে একটি নতুন শক্তির উত্থান সহজ হয়েছিল। তাঁরা ইসলামের এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনকে কেবলই একটি রাজনৈতিক ও সামরিক বিজয় হিসেবে মূল্যায়ন করেন, যার পেছনে কোনো গভীর আধ্যাত্মিক বা আদর্শিক প্রেরণা ছিল না।

এডওয়ার্ড সাইদ (Edward Said) তাঁর বিখ্যাত "ওরিয়েন্টালিজম" গ্রন্থে দেখিয়েছেন যে, পশ্চিমা প্রাচ্যতত্ত্ব মূলত একটি ঔপনিবেশিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে। প্রাচ্যবিদরা প্রাচ্যকে এবং বিশেষ করে ইসলামকে একটি "স্থবির", "যুক্তিহীন" এবং "সহিংস" ধর্ম হিসেবে চিত্রায়িত করতে চেয়েছেন, যাতে করে প্রাচ্যের ওপর পশ্চিমা আধিপত্য ও উপনিবেশবাদকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে বৈধতা দেওয়া যায়। সীরাত অধ্যয়নের ক্ষেত্রেও এই একই ঔপনিবেশিক মানসিকতা কাজ করেছে। তাঁরা মদিনার রাষ্ট্রব্যবস্থাকে একটি আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের আদলে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এর মূল চালিকাশক্তি—ঈমান, তাকওয়া এবং আখিরাতের জবাবদিহিতাকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেছেন।

ইসলামের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো রোমান বা পারস্য মডেলের অনুকরণ ছিল না, বরং তা ছিল ওহীর নির্দেশনার আলোকে গড়ে ওঠা এক সম্পূর্ণ নতুন ও অনন্য সামাজিক চুক্তি (Social Contract)। মদিনার সনদ (Constitution of Medina) বা উম্মাহর ধারণা কোনো জাতিগত বা ভৌগোলিক জাতীয়তাবাদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি, যা তৎকালীন বিশ্বের জন্য ছিল এক সম্পূর্ণ নতুন বিপ্লব। ওল্ড ওরিয়েন্টালিস্টদের ধর্মনিরপেক্ষ ও ইউরোকেন্দ্রিক চশমা এই অনন্য আধ্যাত্মিক-রাজনৈতিক সংশ্লেষকে বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে তাদের সীরাত বিশ্লেষণ শেষ পর্যন্ত একপেশে, সংকীর্ণ এবং ঐতিহাসিক সত্যের অপলাপ হিসেবেই রয়ে গেছে। [10] [11] [12]

""
৭.১ ওল্ড ওরিয়েন্টালিস্টদের দৃষ্টিভঙ্গি (মন্টগোমারি ওয়াট ও অন্যরা)
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

৭.১ ওল্ড ওরিয়েন্টালিস্টদের দৃষ্টিভঙ্গি (মন্টগোমারি ওয়াট ও অন্যরা) কুইজ

1 / 5

মন্টগোমারি ওয়াট কে ছিলেন?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...