খণ্ড 40
ফন্ট:100%
থিম:

৩.২.৩ মুনাফিকদের ফাঁকিবাজি এবং অজুহাত দেখিয়ে খননকাজ থেকে পলায়ন (কুরআন ২৪:৬২-৬৩)

৩.২.৩ মুনাফিকদের ফাঁকিবাজি এবং অজুহাত দেখিয়ে খননকাজ থেকে পলায়ন (কুরআন ২৪:৬২–৬৩)

খন্দকের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মদিনার ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল। একদিকে আহযাব বা সম্মিলিত বাহিনীর বিশাল সামরিক চাপ, অন্যদিকে মদিনার অভ্যন্তরে মুনাফিকদের সুপ্ত ও বিষাক্ত ষড়যন্ত্র—এই দ্বিমুখী সংকটের মধ্য দিয়ে ইসলামি রাষ্ট্র তখন একটি অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে লিপ্ত ছিল। খন্দক বা পরিখা খননের এই মহৎ ও শ্রমসাধ্য কার্যে যখন মুমিনগণ চরম শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে কাজ করে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই মুনাফিকদের একটি বিশেষ গোষ্ঠী তাদের কৌশলগত ফাঁকিবাজি ও অজুহাত প্রদর্শনের মাধ্যমে সামাজিক ও সামরিক শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার চেষ্টা চালায়। এটি কেবল শ্রমের অনীহা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক অপচেষ্টা, যার মূল লক্ষ্য ছিল মুসলিম উম্মাহর সংহতি ও মনোবলকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেওয়া।

মুনাফিকদের কৌশলগত শ্রমবিমুখতা ও মনস্তাত্ত্বিক বিচ্যুতি

খন্দক খননকালে মুনাফিকদের আচরণের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল 'তাখাযুল' (تخاذل) বা কৌশলগতভাবে দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে পড়া। তারা সরাসরি বিদ্রোহ না করে বরং অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও ধূর্ততার সাথে তাদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা প্রদর্শন করত। তারা এমন সব কাজ বেছে নিত যা অত্যন্ত সামান্য বা তুচ্ছ, যাতে তাদের উপস্থিতি ও শ্রমের কোনো প্রকৃত প্রভাব না থাকে। এই আচরণের মাধ্যমে তারা একদিকে যেমন নিজেদের শ্রম থেকে মুক্তি পাচ্ছিল, অন্যদিকে মুমিনদের মধ্যে একটি সূক্ষ্ম অস্থিরতা ও বিরক্তির সৃষ্টি করছিল।

ঐতিহাসিক ইবনে হিশাম এই বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন যে, মুনাফিকদের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশিত কাজে চরম ধীরগতি প্রদর্শন করছিল। তারা মূলত কাজের ক্ষেত্রে অত্যন্ত দুর্বল ও তুচ্ছ বিষয়গুলোকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের শ্রম থেকে সরিয়ে নিচ্ছিল।

وَأَبْطَأَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَنِ الْمُسْلِمِينَ فِي عَمَلِهِمْ ذَلِكَ رِجَالٌ مِنَ الْمُنَافِقِينَ، وَجَعَلُوا يُوَرُّونَ بِالضَّعِيفِ مِنَ الْعَمَلِ، وَيَتَسَلَّلُونَ إِلَى أَهْلِيهِمْ بِغَيْرِ عِلْمٍ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ

অনুবাদ: "মুনাফিকদের কিছু লোক রাসুলুল্লাহ সা. ও মুসলিমদের সেই কাজে (খন্দক খননে) ধীরগতি প্রদর্শন করছিল; তারা দুর্বল ও তুচ্ছ কাজের অজুহাত দেখাত এবং রাসুলুল্লাহর অজ্ঞাতসারে চুপিসারে নিজেদের পরিবারের কাছে সরে পড়ত।" [1]

উপরোক্ত বর্ণনাটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মুনাফিকরা কেবল অলসতা করছিল না, বরং তারা 'ইউয়ারিরুন' (يورون) অর্থাৎ কাজের ভান করছিল। তারা এমনভাবে কাজ করছিল যেন কাজ করছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে অত্যন্ত দুর্বল ও অপ্রাসঙ্গিক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখে মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হচ্ছিল। এই মনস্তাত্ত্বিক কৌশলটি ছিল অত্যন্ত মারাত্মক; কারণ এটি সরাসরি মুসলিম বাহিনীর 'Collective Security' বা সম্মিলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আঘাত করছিল। যখন একটি রাষ্ট্র বা সামরিক বাহিনী সংকটের মুহূর্তে থাকে, তখন অভ্যন্তরীণ সদস্যদের এই ধরনের 'Strategic Shirking' বা কৌশলগত ফাঁকিবাজি বহিঃশত্রুর চেয়েও বেশি বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়ায়।

মুনাফিকদের এই আচরণের স্বরূপ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারা মূলত 'হুমাতুল আদবার' (حماة الأدبار) বা পিঠ রক্ষাকারী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল—যারা বিপদের সময় সম্মুখভাগে না দাঁড়িয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে লিপ্ত থাকে। তাদের এই মানসিকতা ছিল চরম আত্মকেন্দ্রিক ও কাপুরুষোচিত, যা একটি আদর্শিক ও সংহতিপূর্ণ সমাজের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ।

অনুমতিহীন পলায়ন ও সামাজিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ

মুনাফিকদের ফাঁকিবাজির দ্বিতীয় ও অধিকতর মারাত্মক ধাপ ছিল 'তাসাল্লুল' (تسلل) বা চুপিচুপি ও অনুমতিহীনভাবে কর্মস্থল ত্যাগ করা। খন্দক খননের মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল সামরিক ও প্রকৌশলগত কাজে যখন প্রতিটি শ্রমিকের উপস্থিতি অপরিহার্য ছিল, তখন মুনাফিকরা অত্যন্ত ধূর্ততার সাথে তাদের পরিবার বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনের কথা বলে কর্মস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যেত। তারা রাসুলুল্লাহ সা.-এর কোনো প্রকার অনুমতি বা জ্ঞান ছাড়াই এই পলায়ন সম্পন্ন করত, যা সরাসরি সামরিক শৃঙ্খলা (Military Discipline) ও সামাজিক সংহতির পরিপন্থী ছিল।

এই পলায়ন কেবল ব্যক্তিগত দায়িত্ব এড়ানো ছিল না, বরং এটি ছিল একটি সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রচেষ্টা। তারা যখন চুপিচুপি তাদের পরিবারের কাছে চলে যেত, তখন তারা একটি মিথ্যা ও ভুয়া অজুহাত তৈরি করত যাতে তাদের এই পলায়নটি বৈধ বলে মনে হয়। এই ধরনের আচরণ মদিনার অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকে চরমভাবে বিঘ্নিত করছিল।

তাফসিরবিদদের মতে, মুনাফিকদের এই আচরণের স্বরূপ উন্মোচন করতে গিয়ে আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত কঠোরভাবে তাদের এই পলায়ন ও অজুহাত দেওয়ার প্রবণতাকে চিহ্নিত করেছেন। তারা যখন কোনো কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতো, তখন নিজেদের অজুহাত দিয়ে রক্ষা করার চেষ্টা করত, যা মূলত তাদের অন্তরের কুফরি ও ভীরুতারই বহিঃপ্রকাশ ছিল। এই পলায়নকারীদের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত ভঙ্গুর; তারা বিপদের মুহূর্তে কেবল নিজেদের জীবন ও সম্পদ রক্ষার চিন্তায় মগ্ন থাকত।

এই পলায়নকারীদের কর্মকাণ্ডের ফলে খন্দকের পরিখা খননকাজে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছিল, তা ছিল মূলত একটি 'Internal Security Threat'। মুমিনরা যখন চরম প্রতিকূলতার মধ্যে শ্রম দিচ্ছিল, তখন মুনাফিকদের এই 'Sneaking out' বা চুপিচুপি পালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা মুমিনদের মনোবলকেও পরোক্ষভাবে আঘাত করছিল। এটি ছিল একপ্রকার মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ (Psychological Warfare), যেখানে শত্রুরা সরাসরি আক্রমণ না করে অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা ও অবিশ্বাসের বীজ বপন করার চেষ্টা করছিল।

কুরআনিক প্রামাণ্যতা ও মুনাফিকদের স্বরূপ উন্মোচন (সূরা আন-নূর: ৬২–৬৩)

মুনাফিকদের এই ধূর্ততা, অজুহাত এবং অনুমতিহীন পলায়ন সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা সূরা আন-নূরের ৬২ ও ৬৩ নম্বর আয়াতে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে আলোকপাত করেছেন। এই আয়াতদ্বয় কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা বর্ণনা করে না, বরং মুনাফিকদের চিরস্থায়ী মনস্তাত্ত্বিক প্রোফাইল উন্মোচন করে।

৬২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা প্রকৃত মুমিনের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন—তারা যখন কোনো সমষ্টিগত ও গুরুত্বপূর্ণ কাজে (أمر جامع) রাসুলুল্লাহ সা.-এর সঙ্গে থাকে, তখন তাঁর অনুমতি ছাড়া সরে যায় না। খন্দক খনন ছিল ঠিক এমনই একটি 'আমর জামি' বা সমষ্টিগত কর্মযজ্ঞ। এই মানদণ্ডের বিপরীতে দাঁড়িয়েই মুনাফিকদের অনুমতিহীন পলায়ন তাদের ঈমানের দুর্বলতাকে উন্মোচিত করে দেয়।

إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ آمَنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَإِذَا كَانُوا مَعَهُ عَلَىٰ أَمْرٍ جَامِعٍ لَّمْ يَذْهَبُوا حَتَّىٰ يَسْتَأْذِنُوهُ ۚ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَأْذِنُونَكَ أُولَٰئِكَ الَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ ۚ فَإِذَا اسْتَأْذَنُوكَ لِبَعْضِ شَأْنِهِمْ فَأْذَن لِّمَن شِئْتَ مِنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمُ اللَّهَ ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

অনুবাদ: "মুমিন তো কেবল তারাই, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ঈমান এনেছে এবং যখন তারা কোনো সমষ্টিগত কাজে তাঁর সঙ্গে থাকে, তখন তাঁর অনুমতি ছাড়া চলে যায় না। নিশ্চয়ই যারা তোমার কাছে অনুমতি চায়, তারাই আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি প্রকৃত ঈমানদার। অতএব তারা যখন তাদের কোনো প্রয়োজনে তোমার কাছে অনুমতি চায়, তখন তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুমতি দাও এবং তাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" [2]

লক্ষণীয়, আয়াতটি সরাসরি ভর্ৎসনা না করে বরং প্রকৃত মুমিনের প্রশংসার মাধ্যমে পরোক্ষে মুনাফিকদের চিহ্নিত করে—যারা অনুমতি চায় তারাই সাচ্চা মুমিন, আর যারা চুপিসারে সরে পড়ে তারা এই বৈশিষ্ট্য থেকে বঞ্চিত। কুরআনের এই কৌশলগত উপস্থাপনা মুনাফিকদের অন্তরের দ্বৈততাকে নীরবেই উন্মোচন করে দেয়।

পরবর্তী ৬৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা রাসুলের নির্দেশের মর্যাদা এবং চুপিসারে সরে পড়ার প্রবণতার পরিণাম সম্পর্কে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

لَّا تَجْعَلُوا دُعَاءَ الرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُم بَعْضًا ۚ قَدْ يَعْلَمُ اللَّهُ الَّذِينَ يَتَسَلَّلُونَ مِنكُمْ لِوَاذًا ۚ فَلْيَحْذَرِ الَّذِينَ يُخَالِفُونَ عَنْ أَمْرِهِ أَن تُصِيبَهُمْ فِتْنَةٌ أَوْ يُصِيبَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

অনুবাদ: "তোমরা নিজেদের মধ্যে রাসুলের আহ্বানকে একে অপরের সাধারণ ডাকের মতো গণ্য করো না। তোমাদের মধ্যে যারা আড়াল করে চুপিসারে সরে পড়ে, আল্লাহ তাদের ভালোভাবেই জানেন। সুতরাং যারা তাঁর নির্দেশের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা যেন সতর্ক থাকে—পাছে তাদের ওপর কোনো ফিতনা এসে পড়ে অথবা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি আপতিত হয়।" [3]

এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা দুটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। প্রথমত, রাসুলের আহ্বান ও নির্দেশকে সাধারণ মানুষের ডাকের মতো তুচ্ছ গণ্য করা যাবে না। দ্বিতীয়ত—এবং এটিই খন্দকের প্রেক্ষাপটে সর্বাধিক প্রাসঙ্গিক—"يَتَسَلَّلُونَ مِنكُمْ لِوَاذًا" (তারা আড়াল করে চুপিসারে সরে পড়ে) বাক্যাংশটি হুবহু সেই 'তাসাল্লুল' বা গোপন পলায়নের চিত্র আঁকে, যা মুনাফিকরা পরিখা খননের সময় করত। পরিশেষে আয়াতটি সতর্ক করে যে, এই বিরুদ্ধাচরণের পরিণাম হতে পারে 'ফিতনা' অথবা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

কুরআনিক এই আয়াতদ্বয়ের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা মুনাফিকদের মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক স্বরূপকে চিরস্থায়ীভাবে উন্মোচন করে দিয়েছেন। মুনাফিকদের এই 'Excuse-making' বা অজুহাত দেওয়ার প্রবণতা ছিল তাদের অন্তরের দ্বৈততার (Duality) একটি বহিঃপ্রকাশ। তারা মুখে ঈমানের দাবি করলেও অন্তরে ছিল চরম ভীরুতা ও স্বার্থপরতা। খন্দকের এই কঠিন সময়ে তাদের এই আচরণ প্রমাণ করে যে, তারা কেবল বাহ্যিক শত্রু নয়, বরং একটি 'Internal Cancer' বা অভ্যন্তরীণ ক্যানসার, যা মুসলিম উম্মাহর সংহতি ও শৃঙ্খলাকে ভেতর থেকে ক্ষয় করার চেষ্টা করছিল।

""
৩.২.৩ মুনাফিকদের ফাঁকিবাজি এবং অজুহাত দেখিয়ে খননকাজ থেকে পলায়ন (কুরআন ২৪:৬২-৬৩)
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

৩.২.৩ মুনাফিকদের ফাঁকিবাজি এবং অজুহাত দেখিয়ে খননকাজ থেকে পলায়ন (কুরআন ২৪:৬২-৬৩) কুইজ

1 / 5

পরিখা খননকাজে মদিনার মুনাফিকদের ভূমিকা কেমন ছিল?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...