খণ্ড 82
ফন্ট:100%
থিম:

অধ্যায় ৪: বর্ণবাদ ও এথনোসেন্ট্রিজম নির্মূল (Eradication of Racism and Ethnocentrism)

মানবসভ্যতার ইতিহাসে বর্ণবাদ (Racism) এবং এথনোসেন্ট্রিজম (Ethnocentrism) বা স্বজাতি কেন্দ্রিকতা কেবল সামাজিক বৈষম্যের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি, বরং এটি সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্য বিস্তারের একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে কাজ করেছে। এথনোসেন্ট্রিজম হলো এমন একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, যেখানে একটি নির্দিষ্ট জাতি বা গোষ্ঠী নিজেকে অন্য সকল জাতির তুলনায় শ্রেষ্ঠ এবং সংস্কৃতিগতভাবে উন্নত বলে দাবি করে। এই শ্রেষ্ঠত্ববোধ থেকেই জন্ম নেয় ঔপনিবেশিক শোষণ, যা মূলত একটি জাতির ওপর অন্য জাতির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার বৈধতা প্রদান করে। আলজেরিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে এই বর্ণবাদী ও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ববাদী কাঠামোর বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, তা কেবল একটি ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের লড়াই ছিল না, বরং এটি ছিল মানবিয় মর্যাদা ও সমতার এক মহত্তম ঘোষণা।

মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর ও ঔপনিবেশিক শ্রেষ্ঠত্ববাদের অবসান

ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থায় বর্ণবাদ কেবল বাহ্যিক আইন বা কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এটি শাসকের মনস্তত্ত্বে গভীরভাবে প্রোথিত ছিল। ইউরোপীয় শক্তিগুলো যখন আফ্রিকা বা এশিয়ার দেশগুলোতে আধিপত্য বিস্তার করেছিল, তখন তারা তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য একটি কৃত্রিম জাতিগত স্তরবিন্যাস তৈরি করেছিল। আলজেরিয়ার প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, ঔপনিবেশিক শাসকরা নিজেদের একটি স্বতন্ত্র ও শ্রেষ্ঠ সত্তা হিসেবে উপস্থাপন করতে চেয়েছিল, যা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অস্তিত্বকে অস্বীকার করার শামিল ছিল। এই মনস্তাত্ত্বিক সংকট নিরসনে আলজেরীয় বিপ্লবীদের একটি মৌলিক দাবি ছিল—ঔপনিবেশিকদের কেবল রাজনৈতিকভাবে নয়, বরং মনস্তাত্ত্বিকভাবেও এই ভূখণ্ডের অংশ হতে হবে।

আলজেরীয় সংগ্রামের একটি অত্যন্ত গভীর ও দার্শনিক দিক ছিল ঔপনিবেশিকদের আত্মিক ও মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তরের আহ্বান। ঔপনিবেশিক শাসকরা যখন নিজেদের আফ্রিকান ভূখণ্ডে থেকেও আফ্রিকান হিসেবে গণ্য হতে অস্বীকার করত, তখন তাদের সেই দ্বিচারিতা ও শ্রেষ্ঠত্ববোধের বিরুদ্ধে একটি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছে যে, আফ্রিকায় বসবাসকারী একজন শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তিকে কেবল ভৌগোলিকভাবে আফ্রিকান হলেই চলবে না, বরং তাকে তার মনস্তাত্ত্বিক ও নৈতিক সত্তার মাধ্যমেও আফ্রিকান হয়ে উঠতে হবে।


إن الرجل الأبيض في أفريقيا يجب أن يصبح أفريقيا، ليس ذلك فحسب، بل يجب على الرجل الأبيض في أفريقيا أن يسود وجهه ويبيض ضميره... إنه لا يستطيع أن يظل أفريقيا وأوروبيا في وقت واحد، إن عليه أن يختار بين الاثنين.
[1]

উপরোক্ত উক্তিটি ঔপনিবেশিক এথনোসেন্ট্রিজমের বিরুদ্ধে এক তীব্র চপেটাঘাত। এখানে 'বিবেক সাদা করা' (بيض ضميره) বলতে বোঝানো হয়েছে সেই নৈতিক শুদ্ধিকে, যা বর্ণবাদী শ্রেষ্ঠত্ববোধ থেকে মুক্ত। ঔপনিবেশিক শাসকরা একই সাথে ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে চেয়েছিল এবং আফ্রিকান ভূখণ্ডে আধিপত্য বিস্তার করতে চেয়েছিল; কিন্তু এই দ্বৈততা বা দ্বিচারিতা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। তারা হয় ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্ববাদী হিসেবে থাকবে, অথবা আফ্রিকান ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে সমঅধিকার নিয়ে বসবাস করবে। এই মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বটিই মূলত বর্ণবাদ ও এথনোসেন্ট্রিজমের মূলে আঘাত করেছিল, কারণ এটি শাসকের সেই অলীক শ্রেষ্ঠত্ববোধকে চ্যালেঞ্জ করেছিল যা তাদের শাসনের ভিত্তি ছিল।

বিশেষাধিকারী নাগরিকত্ব বনাম সমঅধিকারের সংগ্রাম

বর্ণবাদ ও এথনোসেন্ট্রিজমের একটি অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক বহিপ্রকাশ হলো 'বিশেষাধিকারী নাগরিকত্ব' (Privileged Citizenship) প্রতিষ্ঠা করা। ঔপনিবেশিক শাসকরা প্রায়শই একটি নির্দিষ্ট জাতিগত গোষ্ঠীকে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর বিশেষ আইনি ও সামাজিক সুবিধা প্রদান করত, যা মূলত জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দান করত। আলজেরিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ফরাসি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী নিজেদের জন্য এমন এক বিশেষ মর্যাদার দাবি করেছিল, যা আলজেরীয় জনগণের সার্বভৌমত্ব ও সমঅধিকারের পরিপন্থী ছিল।

আলজেরীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার (GPRA) অত্যন্ত বিচক্ষণ ও ভারসাম্যপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণ করেছিল। তারা ফরাসি সংখ্যালঘুদের অধিকার অস্বীকার করেনি, কিন্তু তাদের 'বিশেষ নাগরিক' বা 'শ্রেষ্ঠ জাতি' হিসেবে গণ্য করার কোনো সুযোগ দেয়নি। আলজেরীয় সরকারের লক্ষ্য ছিল একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠন করা, যেখানে জাতিগত পরিচয় নয়, বরং নাগরিকত্বই হবে একমাত্র মাপকাঠি। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিল যে, ফরাসিদের পূর্ণ নাগরিক অধিকার প্রদান করা হবে, কিন্তু তাদের কোনো বিশেষ রাজনৈতিক বা সামাজিক শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়া হবে না।


نحن مصممون على أن نمنحهم جميع الحقوق التي تكفل لهم حياة كاملة في الجزائر، حتى لو لم تتوافر لديهم الرغبة ليكونوا جزائريين.
[2]

এই অবস্থানটি ছিল এথনোসেন্ট্রিজম নির্মূলের একটি বাস্তবমুখী প্রয়োগ। আলজেরীয় সরকার বুঝতে পেরেছিল যে, যদি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়, তবে তা পুনরায় একটি জাতিগত বিভাজন তৈরি করবে। তারা ফরাসিদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনযাত্রার নিশ্চয়তা দিলেও, তাদের 'বিশেষ নাগরিক' হিসেবে গণ্য করার যে ঔপনিবেশিক প্রবণতা ছিল, তাকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিল। এই রাজনৈতিক কৌশলটি প্রমাণ করে যে, প্রকৃত জাতীয় সংহতি কেবল অধিকার প্রদানের মাধ্যমে নয়, বরং জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বের দাবিকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করার মাধ্যমে অর্জিত হয়।

ভূ-রাজনৈতিক বিভাজন ও সম্পদের অসম বণ্টন

এথনোসেন্ট্রিজম যখন রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চরম আকার ধারণ করে, তখন তা ভূ-রাজনৈতিক বিভাজন বা 'Partition' এর মাধ্যমে প্রকাশ পায়। ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো প্রায়শই একটি দেশ বা অঞ্চলকে এমনভাবে বিভক্ত করার পরিকল্পনা করে, যাতে তাদের জাতিগত স্বার্থ ও অর্থনৈতিক সম্পদ সুরক্ষিত থাকে। আলজেরিয়ার ক্ষেত্রে ফ্রান্সের এই পরিকল্পনা ছিল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও কুটিল। তারা আলজেরিয়াকে বিভক্ত করার মাধ্যমে একটি 'ক্ষুদ্র আলজেরিয়া' বা বিশেষ অঞ্চল তৈরি করতে চেয়েছিল, যা মূলত ফরাসিদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

ফরাসি সরকার, বিশেষ করে জেনারেল ডি গলের নেতৃত্বে, আলজেরিয়াকে বিভক্ত করার জন্য যে 'পুনঃসংগঠন' (Re-grouping) বা 'إعادة التجميع' নামক কৌশলটি ব্যবহার করেছিল, তা ছিল বর্ণবাদী ও সম্পদ-কেন্দ্রিক রাজনীতির একটি চরম উদাহরণ। তারা চেয়েছিল আলজেরিয়ার সেই অঞ্চলগুলোকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে, যেখানে প্রাকৃতিক সম্পদ ও কৃষি উৎপাদন সর্বাধিক। এই বিভাজন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল আলজেরীয়দের কেবল অনুর্বর ও পাহাড়ি অঞ্চল দিয়ে ঠেলে দেওয়া এবং অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলো ফরাসিদের হাতে রেখে দেওয়া।

ফরাসি পরিকল্পনার একটি বিস্তারিত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারা আলজেরিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদশালী অঞ্চলগুলো দখল করতে চেয়েছিল। যেমন:



  • ওরাঁ (Oran), আরজু (Arzew) এবং মোস্তাগানেম (Mostaganem) অঞ্চল, যা আলজেরিয়ার ৪৪% সাইট্রাস ফল, ২৭% কমলা এবং ৫০% সিমেন্ট উৎপাদনের কেন্দ্র ছিল [3]

  • হাসি রামেল (Hassi Rmel) এর গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম নিয়ন্ত্রণ [4]

  • মেতিজা (Mitidja) সমভূমি ও উপকূলীয় অঞ্চল, যা আলজেরিয়ার ২০% তামাক, ৪২% সাইট্রাস এবং ৫০% শিল্প উৎপাদনের কেন্দ্র ছিল [5]

  • وجি (Bougie) অঞ্চল, যা ৬০% তুলা, ৫০% তামাক এবং ১৯% বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিয়ন্ত্রণ করত [6]

এই অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিভাজন পরিকল্পনাটি ছিল এথনোসেন্ট্রিজমের একটি চূড়ান্ত রূপ। এখানে একটি জাতিগত গোষ্ঠীর (ফরাসি) স্বার্থ রক্ষায় অন্য একটি জাতির (আলজেরীয়) ভূখণ্ড ও সম্পদকে খণ্ডিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই পরিকল্পনাটি মূলত ফরাসিদের সেই ভ্রান্ত ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি ছিল যে, তারা আলজেরিয়ার সম্পদের প্রকৃত মালিক এবং আলজেরীয়রা কেবল সেই সম্পদের ব্যবহারকারী মাত্র।

সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় সংহতির অখণ্ডতা

আলজেরীয় বিপ্লবীরা ফরাসিদের এই বিভাজন ও শ্রেষ্ঠত্ববাদী নীতির বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, তা ছিল অত্যন্ত দৃঢ় ও অটল। তারা বুঝতে পেরেছিল যে, ভূখণ্ডকে বিভক্ত করা মানে কেবল জমি ভাগ করা নয়, বরং একটি জাতির আত্মপরিচয় ও সার্বভৌমত্বকে খণ্ডিত করা। আলজেরীয় প্রতিনিধি দল এবং জাতিসংঘে উপস্থাপিত রিপোর্টগুলোতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে, ফ্রান্সের এই বিভাজন পরিকল্পনা আলজেরিয়ার আঞ্চলিক ঐক্য এবং জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের (Self-determination) পরিপন্থী।

ফরাসি জেনারেল ডি গলের হুমকি ও 'পুনঃসংগঠন' নীতির বিপরীতে আলজেরীয় বিপ্লবীদের অবস্থান ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট ও আপসহীন। তারা ফরাসিদের সেই যুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল যেখানে বলা হয়েছিল যে, আলজেরিয়া স্বাধীন হলে সেখানে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টি হবে। আলজেরীয়দের পক্ষ থেকে এই ঐতিহাসিক জবাবটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ:


سيكون مصير الجزائر المستقلة هو التقدم والازدهار، لا الفوضى والخراب، بل إن هذا التفكير الفرنسي هو الذي سينتهي إلى الفوضى والخراب. إن على السكان الذين يرفضون أن يعيشوا في الجزائر المستقلة أن يخرجوا من الجزائر، عليهم أن يرحلوا عن الجزائر حالا.
[7]

এই বক্তব্যটি কেবল একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ ছিল না, বরং এটি ছিল বর্ণবাদী ও ঔপনিবেশিক শ্রেষ্ঠত্ববাদের বিরুদ্ধে একটি চূড়ান্ত ঘোষণা। আলজেরীয়রা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, একটি স্বাধীন রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট জাতিগত গোষ্ঠীর খেয়ালখুশিতে চলবে না। যারা আলজেরীয় জাতীয়তাবাদের অংশ হতে চায় না বা যারা আলজেরীয়দের ওপর নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে চায়, তাদের জন্য সেই ভূখণ্ডে বসবাসের কোনো স্থান নেই। এই অবস্থানটি প্রমাণ করে যে, জাতীয় সংহতি ও সার্বভৌমত্ব কেবল রাজনৈতিক সীমানা রক্ষা নয়, বরং জাতিগত বিভাজন ও শ্রেষ্ঠত্ববাদী মানসিকতাকে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করার একটি প্রক্রিয়া। আলজেরীয়দের এই অটল সংকল্পই শেষ পর্যন্ত ঔপনিবেশিক এথনোসেন্ট্রিজমের ভিত্তিকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছিল।

""
অধ্যায় ৪: বর্ণবাদ ও এথনোসেন্ট্রিজম নির্মূল (Eradication of Racism and Ethnocentrism)
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

অধ্যায় ৪: বর্ণবাদ ও এথনোসেন্ট্রিজম নির্মূল (Eradication of Racism and Ethnocentrism) কুইজ

1 / 5

এথনোসেন্ট্রিজম (Ethnocentrism) বলতে কী বোঝায়?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...