খণ্ড 47
ফন্ট:100%
থিম:

১২.২.১ উচ্চস্বরে বিলাপ (Niyaha) করতে নিষেধ করা এবং ধৈর্য ধারণের নির্দেশ

১২.২.১ উচ্চস্বরে বিলাপ (Niyaha) করতে নিষেধ করা এবং ধৈর্য ধারণের নির্দেশ

ইসলামি জীবনদর্শনে মৃত্যু একটি অনিবার্য সত্য এবং শোক একটি স্বাভাবিক মানবিক অনুভূতি। তবে এই শোক প্রকাশের পদ্ধতি এবং তার বহিঃপ্রকাশের সীমারেখা নির্ধারণের ক্ষেত্রে শরীয়ত অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও ভারসাম্যপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেছে। বিশেষ করে 'নিয়াহা' বা উচ্চস্বরে বিলাপ করার বিষয়টি কেবল একটি ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং এটি মনস্তাত্ত্বিক স্থিতিশীলতা এবং সামাজিক সংহতি রক্ষার একটি কৌশল। রাসুলুল্লাহ সা.-এর নির্দেশনায় শোকের বহিঃপ্রকাশে সংযত থাকা এবং আল্লাহর ফয়সালার সামনে আত্মসমর্পণ করার গুরুত্ব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এই অধ্যায়ে আমরা উচ্চস্বরে বিলাপের শরয়ী নিষেধাজ্ঞা, এর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব এবং ধৈর্য ধারণের উচ্চতর দর্শন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

নিয়াহার শরয়ী সংজ্ঞা এবং উচ্চস্বরে বিলাপের নিষেধাজ্ঞা

ইসলামি পরিভাষায় 'নিয়াহা' (Niyaha) বলতে কেবল কান্না করাকে বোঝায় না, বরং উচ্চস্বরে চিৎকার করে বিলাপ করা, মৃত ব্যক্তির গুণগান গেয়ে আর্তনাদ করা এবং আল্লাহর ফয়সালার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করাকে বোঝায়। শরীয়তের দৃষ্টিতে সাধারণ কান্না বা চোখের জল নির্গত হওয়া মানবিক দুর্বলতা এবং করুণার বহিঃপ্রকাশ, যা নিষিদ্ধ নয়। তবে যখন এই কান্না আর্তনাদে রূপ নেয় এবং তা সামাজিক ও ধর্মীয় সীমারেখা অতিক্রম করে, তখন তা 'নিয়াহা' হিসেবে গণ্য হয় এবং তা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এই নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষকে শোকের মুহূর্তে ভেঙে পড়তে না দিয়ে বরং ধৈর্য ও প্রশান্তির পথে পরিচালিত করা।

হাদিস শাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই নিষেধাজ্ঞার প্রমাণ অত্যন্ত স্পষ্ট। আবু মুসা আল-আশআরী রা. রাসুলুল্লাহ সা.-এর একটি কঠোর সতর্কবাণী বর্ণনা করেছেন, যেখানে তিনি বিলাপকারীদের থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করার কথা বলেছেন। তিনি বলেন:

أنا بريء ممن برىء منه رسول الله ، إن رسول الله برىء من الصالقة: أي الرافعة صوتها [1] । এখানে 'সালিকাহ' (الصالقة) শব্দটি দ্বারা সেই ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যে উচ্চস্বরে চিৎকার করে বিলাপ করে। রাসুলুল্লাহ সা.-এর এই ঘোষণাটি কেবল একটি আইনি নিষেধাজ্ঞা ছিল না, বরং এটি ছিল শোক প্রকাশের একটি নতুন সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান, যেখানে আবেগ থাকবে কিন্তু তা নিয়ন্ত্রিত হবে।

এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে উলামায়ে কেরামের মাঝে একপ্রকার ইজমা বা ঐক্যমত বিদ্যমান। ইমাম ইবনে আব্দুল বার রহ. স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, পুরুষ এবং নারী উভয়ের জন্যই উচ্চস্বরে বিলাপ করা নিষিদ্ধ। তিনি বলেন:

وأجمع العلماء على أن النياحة لا تجوز للرجال ولا للنساء [2] । এই সর্বসম্মত সিদ্ধান্তটি প্রমাণ করে যে, শোক প্রকাশের ক্ষেত্রে লিঙ্গভেদে কোনো ছাড় নেই; বরং উভয়ের জন্যই ধৈর্য ধারণ এবং আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্টির বহিঃপ্রকাশ করা আবশ্যক। একইসাথে, আয়েশা রা.-এর বর্ণিত হাদিসে দেখা যায় যে, নবিজি সা.-এর নিকট যখন তাঁর পুত্রের মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছায়, তখন তিনি শোক প্রকাশ করলেও তা নিয়াহার পর্যায়ে উন্নীত করেননি, যা প্রমাণ করে যে শোক এবং বিলাপের মাঝে একটি সূক্ষ্ম কিন্তু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে [3]

নিয়াহার মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব এবং সামাজিক ভূ-রাজনীতি

উচ্চস্বরে বিলাপ বা নিয়াহার নিষেধাজ্ঞা কেবল একটি ধর্মীয় বিধি নয়, বরং এর পেছনে গভীর মনস্তাত্ত্বিক এবং সামাজিক কারণ নিহিত রয়েছে। মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে, উচ্চস্বরে বিলাপ করা শোকাতুর ব্যক্তিকে আরও বেশি বিষণ্ণতার দিকে ঠেলে দেয় এবং তাকে বাস্তবতাকে মেনে নিতে বাধা প্রদান করে। এটি এক ধরণের আবেগীয় বিস্ফোরণ, যা সাময়িকভাবে মানসিক চাপ মুক্ত মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে ব্যক্তিকে মানসিকভাবে দুর্বল করে ফেলে। ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে শোকের মুহূর্তে প্রশান্তি এবং ধৈর্য ধারণের মাধ্যমে ব্যক্তি তার মানসিক ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করতে পারে, যা তাকে পুনরায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সহায়তা করে।

সামাজিক এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে প্রাথমিক ইসলামি যুগে, শোক প্রকাশের পদ্ধতিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। উচ্চস্বরে বিলাপ করা তৎকালীন জাহেলি সমাজের একটি বৈশিষ্ট্য ছিল, যা অনেক সময় গোত্রীয় সংঘাত এবং প্রতিহিংসার জন্ম দিত। রাসুলুল্লাহ সা. চেয়েছিলেন একটি নতুন সমাজ গঠন করতে, যেখানে আবেগ হবে নিয়ন্ত্রিত যৌক্তিকতা (Rationality) হবে প্রধান। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি বায়আতের (আনুগত্যের শপথ) সময় বিলাপ না করার শর্ত যুক্ত করেছিলেন। এই বিষয়ে আল-মুফাহিম গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে:

أُخذ عليهم في البيعة ألا ينحن، مما يدل على منعها بشكل قوي لأنها تجلب الحزن وتعيق [4] । অর্থাৎ, বায়আতের সময় তাদের ওপর এই শর্তারোপ করা হয়েছিল যে তারা বিলাপ করবে না, কারণ এটি কেবল শোককেই দীর্ঘায়িত করে এবং ব্যক্তিকে গঠনমূলক কাজে বাধা প্রদান করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, একটি উদীয়মান রাষ্ট্রের জন্য তার নাগরিকদের মানসিক দৃঢ়তা অত্যন্ত জরুরি। উচ্চস্বরে বিলাপ এবং চরম হতাশা একটি সমাজের সামগ্রিক মনোবল কমিয়ে দেয়। রাসুলুল্লাহ সা. যখন সাহাবায়ে কেরামকে ধৈর্য ধারণের নির্দেশ দিচ্ছিলেন, তখন তিনি মূলত তাদের একটি শক্তিশালী মানসিক কাঠামোর আওতায় আনছিলেন, যাতে তারা জীবনের চরম প্রতিকূলতা এবং প্রিয়জনের মৃত্যুতেও অবিচল থাকতে পারেন। ফাতহুল বারী-তে বর্ণিত আলোচনা অনুযায়ী, নিয়াহার এই নিষেধাজ্ঞা মূলত মানুষকে শোকের অন্ধকার থেকে বের করে আল্লাহর রহমতের আলোর দিকে নিয়ে যাওয়ার একটি মাধ্যম [5]

ধৈর্য ধারণের দর্শন এবং রাসুলুল্লাহ সা.-এর আদর্শ জীবন

ইসলামি দর্শনে ধৈর্য বা 'সবর' কেবল নীরব থাকা নয়, বরং এটি একটি সক্রিয় মানসিক প্রক্রিয়া। সবর হলো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিজের আবেগ ও প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং আল্লাহর ফয়সালার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা। ধৈর্য ধারণের এই দর্শনটি অত্যন্ত গভীর এবং বহুমুখী। সবর কেবল শোকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং এটি জীবনের প্রতিটি স্তরে প্রয়োজনীয়। ধৈর্যকে মূলত তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়: প্রথমত, বিপদ-আপদে ধৈর্য ধারণ করা; দ্বিতীয়ত, পাপ এবং প্রবৃত্তির তাড়না থেকে নিজেকে বিরত রাখতে ধৈর্য ধারণ করা; এবং তৃতীয়তত, ইবাদত ও আনুগত্যের পথে অবিচল থাকতে ধৈর্য ধারণ করা।

ধৈর্যের এই তাত্ত্বিক বিশ্লেষণটি 'খাতামুন নাবিয়্যিন' গ্রন্থে অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে:

إن الصبر أقسام يختلف كل قسم باختلاف موضوعه، والصدمات التى يلقاها الصبور [6] । এই দর্শনের মূল কথা হলো, একজন মুমিন ব্যক্তি তার জীবনের প্রতিটি ধাক্কা বা সংঘাতকে ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করবে। বিশেষ করে 'সবরুন আলা আন-নাওয়াজিল' বা আকস্মিক বিপদ-আপদে ধৈর্য ধারণ করা হলো সবরের সর্বোচ্চ পর্যায়। যখন কোনো ব্যক্তি তার প্রিয়জনকে হারায়, তখন তার অন্তরে যে শূন্যতা তৈরি হয়, তা কেবল আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস এবং ধৈর্যের মাধ্যমেই পূর্ণ করা সম্ভব।

ধৈর্য ধারণের এই প্রক্রিয়াটি কেবল ব্যক্তিগত শান্তি প্রদান করে না, বরং এটি ব্যক্তিকে আধ্যাত্মিকভাবে উন্নত করে। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে যে, যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং সৎকর্ম করে, তাদের জন্য ক্ষমা এবং মহান পুরস্কার রয়েছে। এই ধৈর্যই একজন মানুষকে সাধারণ মানুষ থেকে 'সাবের মুসাবির' বা চরম ধৈর্যশীল ব্যক্তিতে রূপান্তরিত করে। রাসুলুল্লাহ সা.-এর জীবন ছিল এই ধৈর্যের এক জীবন্ত দলিল। তিনি কেবল তাত্ত্বিকভাবে ধৈর্য শেখাননি, বরং তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল ধৈর্যের বাস্তব প্রয়োগ। তাঁর এই সহনশীলতা তাঁকে প্রতিকূল পরিবেশেও অবিচল রেখেছিল এবং তাঁর ব্যক্তিত্বকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল [7]

রাসুলুল্লাহ সা.-এর জীবনচরিত ও সহনশীলতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ

রাসুলুল্লাহ সা.-এর জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তাঁর শৈশব থেকেই ধৈর্যের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। তিনি জন্মগতভাবেই এক চরম একাকীত্বের সম্মুখীন হয়েছিলেন, যা তাঁকে মানসিকভাবে অত্যন্ত দৃঢ় করে তুলেছিল। তাঁর জীবনের প্রাথমিক পর্যায়গুলো ছিল শোক এবং বিচ্ছেদের সংমিশ্রণ। খাতামুন নাবিয়্যিন গ্রন্থে এই বিষয়ের বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে:

أول ما أدرك الحياة مميزا ماتت أمه وحملته حاضنته الحبشية إلى جده، ثم لم يلبث أن فقد الجد [8] । শৈশবে মা এবং পরবর্তীতে দাদাকে হারানো একজন শিশুর জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক, কিন্তু রাসুলুল্লাহ সা. এই শোককে বিলাপের মাধ্যমে নয়, বরং ধৈর্যের মাধ্যমে মোকাবিলা করেছিলেন। এই অভিজ্ঞতা তাঁকে জীবনের পরবর্তী কঠিন চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য প্রস্তুত করেছিল।

রাসুলুল্লাহ সা.-এর ধৈর্য কেবল শোকের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা ছিল দারিদ্র্য এবং অভাবের বিরুদ্ধে এক নীরব লড়াই। তিনি যখন তাঁর চাচার ঘরে আশ্রয় নেন, তখন সেখানে সম্পদের সীমাবদ্ধতা ছিল এবং পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছিল অনেক। এই প্রতিকূল পরিবেশে তিনি কখনোই অভিযোগ করেননি বা ধৈর্য হারাননি। বরং তিনি মেষপালন এবং ব্যবসা করার মাধ্যমে নিজের জীবিকা নির্বাহ করেছেন। তাঁর এই জীবন সংগ্রাম প্রমাণ করে যে, ধৈর্য হলো একটি অর্জিত গুণ, যা কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মসংযমের মাধ্যমে অর্জিত হয়। তিনি দারিদ্র্যের সময় যেমন ধৈর্য ধরেছিলেন, তেমনি পরবর্তীতে যখন খাদিজা রা.-এর ব্যবসায়িক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রচুর সম্পদের মালিক হন, তখনও তিনি অহংকারী হননি, বরং সেই নিয়ামতকেও ধৈর্যের সাথে গ্রহণ করেছিলেন [9]

রাসুলুল্লাহ সা.-এর এই সামগ্রিক জীবনদর্শন আমাদের শিক্ষা দেয় যে, শোক এবং দুঃখ জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, কিন্তু তা যেন আমাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না করে। বিলাপ করা বা নিয়াহা করা সাময়িক আবেগের বহিঃপ্রকাশ হতে পারে, কিন্তু তা দীর্ঘমেয়াদী সমাধান দেয় না। বরং ধৈর্যের মাধ্যমে শোককে শক্তিতে রূপান্তর করাই হলো প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য। রাসুলুল্লাহ সা.-এর প্রদর্শিত এই পথ অনুসরণ করে একজন মানুষ কেবল ব্যক্তিগত শান্তিই লাভ করে না, বরং সমাজের সামনে এক দৃঢ় ও স্থিতিশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারে। তাঁর এই আদর্শই ইসলামি সমাজ ব্যবস্থায় শোক প্রকাশের এক মার্জিত ও আধ্যাত্মিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করেছে, যা আজও বিশ্বমানবতার জন্য পথপ্রদর্শক [10]

""
১২.২.১ উচ্চস্বরে বিলাপ (Niyaha) করতে নিষেধ করা এবং ধৈর্য ধারণের নির্দেশ
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১২.২.১ উচ্চস্বরে বিলাপ (Niyaha) করতে নিষেধ করা এবং ধৈর্য ধারণের নির্দেশ কুইজ

1 / 5

ইসলামে মৃত ব্যক্তির জন্য 'নিয়াহা' (Niyaha) করার বিধান কী?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...