খণ্ড 76
ফন্ট:100%
থিম:

১৭.৫ রুলস অফ এনগেজমেন্ট (Rules of Engagement - ROE): আধুনিক ড্রোন ওয়ারফেয়ার (Drone Warfare) এবং কোল্যাটারাল ড্যামেজ (Collateral Damage) রোধে নববী এথিকস

সামরিক বিজ্ঞানের পরিভাষায় 'রুলস অফ এনগেজমেন্ট' (Rules of Engagement - ROE) বলতে সেই নির্দিষ্ট নির্দেশাবলিকে বোঝায়, যা যুদ্ধের ময়দানে একজন সেনাসদস্য বা কমান্ডারের শক্তি প্রয়োগের সীমা, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ এবং সংঘাতের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণ করে। আধুনিক যুদ্ধকৌশলে, বিশেষ করে ড্রোন ওয়ারফেয়ার বা দূরনিয়ন্ত্রিত আকাশযান প্রযুক্তির প্রসারের ফলে যুদ্ধের প্রকৃতি আমূল পরিবর্তিত হয়েছে। বর্তমান যুগে যখন একজন অপারেটর হাজার মাইল দূরে বসে একটি বোতাম টিপে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানেন, তখন সেখানে মানবিক সংবেদনশীলতা এবং নৈতিক দায়বদ্ধতা হ্রাস পাওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে। এই প্রেক্ষাপটে রাসুলুল্লাহ সা. এর যুদ্ধনীতি এবং নৈতিক নির্দেশনাবলি কেবল ঐতিহাসিক দলিল নয়, বরং আধুনিক যুদ্ধের 'কোল্যাটারাল ড্যামেজ' বা আনুষঙ্গিক ক্ষয়ক্ষতি রোধে একটি অপরিহার্য গাইডলাইন হিসেবে গণ্য হতে পারে।

প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ বনাম নৈতিক বিপর্যয়: নববী সতর্কবাণী

আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির মূল চ্যালেঞ্জ হলো এর 'ডিটাচমেন্ট' বা বিচ্ছিন্নতা। যখন যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তি শারীরিকভাবে দূরে অবস্থান করেন, তখন যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মানবিক বিপর্যয় তার কাছে কেবল একটি ডিজিটাল স্ক্রিনে সীমাবদ্ধ থাকে। এই যান্ত্রিক দূরত্ব অনেক সময় কমান্ডারের মনে নৈতিক জড়তা তৈরি করে, যা অনিচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ইসলামি যুদ্ধনীতির মূল ভিত্তি হলো ন্যায়বিচার এবং মানবতা, যা প্রযুক্তির অন্ধ ব্যবহারের চেয়ে নৈতিক দায়বদ্ধতাকে অধিক গুরুত্ব দেয়।

সীরাত গবেষকগণ উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান বিশ্ব এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে কারিগরি উৎকর্ষ যদি নৈতিকতার সাথে সমন্বিত না হয়, তবে তা মানবসভ্যতার জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে। এই বিষয়ে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক একটি বিশ্লেষণ পাওয়া যায় নিম্নোক্ত ইবারতে:


إن عالم اليوم بحاجة أشد إلى أن تسود روح التسامح ويتقرر العدل ويقضى على العصبيات والعنف الذي يمكن أن يحول التقدم التقني إلى كارثة خطيرة تعصف بالبشر وحضاراتهم.

অর্থাৎ, "আজকের বিশ্ব অত্যন্ত তীব্রভাবে এমন এক পরিবেশের প্রত্যাশা করছে যেখানে সহনশীলতার চেতনা বিরাজ করবে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সেই গোঁড়ামি ও সহিংসতা নির্মূল হবে, যা কারিগরি উন্নতিকে (Technical Progress) একটি ভয়াবহ বিপর্যয়ে রূপান্তর করতে পারে এবং যা মানুষ ও তাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিতে পারে।" [1]

এই বিশ্লেষণটি আধুনিক ড্রোন ওয়ারফেয়ারের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য। ড্রোন প্রযুক্তি নিজেই মন্দ নয়, কিন্তু যখন এই 'প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ' (التقدم التقني) ন্যায়বিচার (العدل) এবং সহনশীলতার (التسامح) ঊর্ধ্বে চলে যায়, তখন তা 'ভয়াবহ বিপর্যয়ে' (كارثة خطيرة) পরিণত হয়। নববী এথিকস আমাদের শিক্ষা দেয় যে, যুদ্ধের লক্ষ্য কখনোই ধ্বংসলীলা চালানো হওয়া উচিত নয়, বরং তা হতে হবে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং জুলুমের অবসান। যখন ড্রোন স্ট্রাইকের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করা হয়, তখন কেবল সামরিক লক্ষ্য নয়, বরং ওই আক্রমণের ফলে সম্ভাব্য বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করা নববী নৈতিকতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

কোল্যাটারাল ড্যামেজ রোধে 'ডিস্টিংশন' বা পৃথকীকরণের নীতি

আধুনিক আন্তর্জাতিক মানবিক আইন (International Humanitarian Law) অনুযায়ী, যুদ্ধের সময় 'কমব্যাট্যান্ট' (Combatant) এবং 'নন-কমব্যাট্যান্ট' (Non-combatant) এর মধ্যে পার্থক্য করা বাধ্যতামূলক। একে বলা হয় 'প্রিন্সিপাল অফ ডিস্টিংশন'। ড্রোন ওয়ারফেয়ারে অনেক সময় 'সিগনেচার স্ট্রাইক' (Signature Strike) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যেখানে নির্দিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে কেবল তার সন্দেহজনক আচরণের ভিত্তিতে আক্রমণ চালানো হয়। এই পদ্ধতিটি কোল্যাটারাল ড্যামেজ বা বেসামরিক মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়, যা ইসলামি যুদ্ধনীতির সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

রাসুলুল্লাহ সা. যুদ্ধের ময়দানে কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন নারী, শিশু, বৃদ্ধ এবং উপাসনা কার্যে নিয়োজিত ব্যক্তিদের হত্যা করা না হয়। এই নির্দেশনাবলি মূলত আধুনিক যুদ্ধের 'প্রোপোরশনালিটি' (Proportionality) এবং 'ডিস্টিংশন' নীতির আদি উৎস। নববী এথিকস অনুযায়ী, যুদ্ধের ময়দানে শত্রু এবং নিরপরাধ মানুষের মধ্যে পার্থক্য করা কেবল সামরিক কৌশল নয়, বরং এটি একটি ইবাদত এবং খোদায়ী নির্দেশ। [2]

ড্রোন অপারেটরদের জন্য নববী মডেলের প্রয়োগ হবে এই যে, যতক্ষণ পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুর পরিচয় এবং তার সামরিক সংশ্লিষ্টতা শতভাগ নিশ্চিত না হবে, ততক্ষণ আক্রমণ চালানো যাবে না। কেবল 'সন্দেহ' বা 'প্যাটার্ন' এর ভিত্তিতে হামলা চালানো নববী নৈতিকতার পরিপন্থী। কোল্যাটারাল ড্যামেজকে 'অনিবার্য ক্ষতি' হিসেবে গণ্য করার আধুনিক প্রবণতা ইসলামি শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ, একজন নিরপরাধ মানুষের জীবন রক্ষা করা সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করার সমান। সুতরাং, ড্রোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে 'জিরো কোল্যাটারাল ড্যামেজ' লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করাই হবে নববী এথিকসের প্রকৃত বাস্তবায়ন। [3]

দূরবর্তী যুদ্ধ এবং মানবিক দায়বদ্ধতার মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

ড্রোন ওয়ারফেয়ারের একটি বড় মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা হলো 'গ্যামিফিকেশন' (Gamification), যেখানে যুদ্ধকে অনেকটা ভিডিও গেমের মতো মনে হয়। এই মানসিকতা কমান্ডারের মধ্যে সহমর্মিতা কমিয়ে দেয় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় আবেগহীনতা তৈরি করে। এর বিপরীতে, রাসুলুল্লাহ সা. এর নেতৃত্ব ছিল অত্যন্ত মানবিক এবং তিনি সর্বদা তার সাহাবিদের সাথে মিশে থাকতেন। তিনি নিজেকে কোনো বিশেষ উচ্চাসনে বসিয়ে দূর থেকে নির্দেশ দিতেন না, বরং যুদ্ধের ঝুঁকি এবং কষ্টগুলো সাহাবিদের সাথে ভাগ করে নিতেন।

রাসুলুল্লাহ সা. এর এই মানবিক অবস্থান এবং বিনয় তাঁর নেতৃত্বের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল। এক বর্ণনায় এসেছে, হযরত আব্বাস রা. যখন রাসুলুল্লাহ সা. কে পরামর্শ দিলেন যেন তিনি একটি বিশেষ ছাউনি বা উরিশ (عريش) তৈরি করেন যাতে ধুলোবালি থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং সেখান থেকে কথা বলা যায়, তখন তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে বলেন:


لا أزال بين أظهرهم يطأون عقبي، وينازعون ردائي، حتى يكون الله يريحني منهم

অর্থাৎ, "আমি সর্বদা তাদের মাঝেই থাকব; তারা আমার গোড়ালি চাপবে এবং আমার চাদর টানবে, যতক্ষণ না আল্লাহ আমাকে তাদের থেকে মুক্তি দেন।" [4]

এই ইবারতটি থেকে বোঝা যায় যে, নববী নেতৃত্ব ছিল 'প্রক্সি' বা দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ এবং সহমর্মিতার নেতৃত্ব। আধুনিক ড্রোন অপারেটররা যখন স্ক্রিনের আড়ালে থেকে সিদ্ধান্ত নেন, তখন তারা এই 'সরাসরি মানবিক সংযোগ' থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। যদি ড্রোন কমান্ডিং সেন্টারে এই নববী চেতনা প্রবেশ করানো যায় যে, স্ক্রিনের ওপারের মানুষটি কেবল একটি 'টার্গেট' নয়, বরং একজন রক্ত-মাংসের মানুষ, তবে কোল্যাটারাল ড্যামেজ অনেকাংশে হ্রাস পাবে। যুদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যখন একজন নেতা অনুভব করেন যে তার প্রতিটি নির্দেশের দায়ভার তাকে পরকালে বহন করতে হবে, তখন তার সিদ্ধান্ত হবে অনেক বেশি সতর্ক এবং ন্যায়বিচারপ্রসূত।

জিওপলিটিক্যাল স্ট্যাবিলিটি এবং নববী রুলস অফ এনগেজমেন্ট

আধুনিক ভূ-রাজনীতিতে ড্রোন স্ট্রাইক অনেক সময় অসামঞ্জস্যপূর্ণ শক্তি প্রয়োগের (Asymmetric Warfare) উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়। যখন একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র দুর্বল রাষ্ট্রের ওপর ড্রোন হামলা চালায়, তখন তা কেবল সামরিক লক্ষ্য অর্জন করে না, বরং স্থানীয় জনগণের মনে চরম ঘৃণা এবং ক্রোধের জন্ম দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে চরমপন্থা বা সন্ত্রাসবাদকে উসকে দেয়। এটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বা 'কালেক্টিভ সিকিউরিটি'র জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

রাসুলুল্লাহ সা. এর রুলস অফ এনগেজমেন্ট ছিল এমন যে, তা শত্রুর মনেও শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করত। তিনি কেবল জয়লাভের জন্য যুদ্ধ করেননি, বরং যুদ্ধের মাধ্যমে হৃদয়ের জয় করতে চেয়েছিলেন। তাঁর যুদ্ধনীতিতে ছিল চরম স্বচ্ছতা এবং নৈতিকতা। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন গাছের ডাল কাটা না হয়, ফসল নষ্ট না করা হয় এবং উপাসনালয়ের ক্ষতি না করা হয়। এই ধরনের নৈতিক সীমাবদ্ধতা যুদ্ধের ভয়াবহতাকে কমিয়ে আনে এবং যুদ্ধ পরবর্তী শান্তি প্রক্রিয়াকে (Post-war Peace Process) সহজতর করে। [5]

ড্রোন ওয়ারফেয়ারের ক্ষেত্রে যদি এই নববী নীতি অনুসরণ করা হয়, তবে আক্রমণ কেবল নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ থাকবে এবং সামগ্রিক অবকাঠামো বা বেসামরিক জীবনের কোনো ক্ষতি হবে না। যখন একটি রাষ্ট্র ড্রোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখে, তখন তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তার বৈধতা (Legitimacy) বৃদ্ধি করে। নববী এথিকস আমাদের শেখায় যে, শক্তির চূড়ান্ত পরীক্ষা জয়লাভের মধ্যে নয়, বরং শক্তির চূড়ান্ত পরীক্ষা হলো শক্তির সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকেও আত্মসংযম প্রদর্শন করা।

দূরনিয়ন্ত্রিত যুদ্ধের নৈতিক জবাবদিহিতা এবং শরয়ী মানদণ্ড

আধুনিক সামরিক ব্যবস্থায় ড্রোন স্ট্রাইকের পর অনেক সময় 'ইন্টেলিজেন্স ফেইলিওর' বা তথ্যের ভুলভ্রান্তির দোহাই দিয়ে বেসামরিক মৃত্যুর দায় এড়িয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ইসলামি যুদ্ধনীতিতে ব্যক্তিগত এবং সমষ্টিগত জবাবদিহিতার বিষয়টি অত্যন্ত কঠোর। রাসুলুল্লাহ সা. এর সময়ে প্রতিটি সেনাসদস্য এবং কমান্ডার জানতেন যে, তারা কেবল রাষ্ট্রপ্রধানের প্রতি নয়, বরং মহান আল্লাহর প্রতি দায়বদ্ধ।

নববী আদর্শ অনুযায়ী, যুদ্ধের ময়দানে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত বা অন্যায়ের জন্য ক্ষমা পাওয়া সহজ নয়। রাসুলুল্লাহ সা. এর শিক্ষা ছিল যে, মানুষের মর্যাদা এবং জীবন রক্ষা করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ড্রোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে একটি 'এথিক্যাল অডিট' সিস্টেম থাকা প্রয়োজন, যেখানে প্রতিটি স্ট্রাইকের আগে এবং পরে শরয়ী ও মানবিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে যাচাই করা হবে। কেবল সামরিক উপযোগিতা (Military Utility) নয়, বরং নৈতিক উপযোগিতা (Ethical Utility) হতে হবে চূড়ান্ত মাপকাঠি।

রাসুলুল্লাহ সা. এর জীবন থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা হলো, নেতৃত্ব মানে কেবল ক্ষমতা চর্চা নয়, বরং তা হলো আমানত। যখন একজন ড্রোন অপারেটর বা জেনারেল এই আমানতদারিতার কথা চিন্তা করবেন, তখন তিনি বুঝবেন যে একটি ভুল বোতাম টিপে শত শত নিরপরাধ প্রাণ কেড়ে নেওয়া কেবল একটি সামরিক ভুল নয়, বরং এটি একটি গুরুতর অপরাধ। নববী এথিকস এই যান্ত্রিক যুদ্ধে মানবিকতার আলো জ্বালিয়ে দেয় এবং মনে করিয়ে দেয় যে, প্রযুক্তির উৎকর্ষ যেন কখনোই বিবেকের মৃত্যু না ঘটায়। এই নৈতিক কাঠামোর মাধ্যমেই আধুনিক ড্রোন ওয়ারফেয়ারের ধ্বংসাত্মক রূপকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং কোল্যাটারাল ড্যামেজ রোধ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

""
১৭.৫ রুলস অফ এনগেজমেন্ট (Rules of Engagement - ROE): আধুনিক ড্রোন ওয়ারফেয়ার (Drone Warfare) এবং কোল্যাটারাল ড্যামেজ (Collateral Damage) রোধে নববী এথিকস
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী ও ইসলামি সামরিক নৈতিকতা (UN Peacekeeping and Islamic Military Ethics) কুইজ

1 / 5

ইসলামি সামরিক নৈতিকতার সাথে আধুনিক শান্তিরক্ষী বাহিনীর মূল সাদৃশ্য কোথায়?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...