খণ্ড 43
ফন্ট:100%
থিম:

১২.১ "নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের ওপর সন্তুষ্ট হয়েছেন..." (কুরআন ৪৮:১৮): 'রিদওয়ান' বা সন্তুষ্টির নামকরণের কারণ

১২.১ "নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের ওপর সন্তুষ্ট হয়েছেন..." (কুরআন ৪৮:১৮): 'রিদওয়ান' বা সন্তুষ্টির নামকরণের কারণ

ইসলামি ইতিহাসের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি অধ্যায় হলো হুদায়বিয়ার সন্ধি ও সেই সন্ধির প্রেক্ষাপটে সংঘটিত 'বাই'আতুর রিদওয়ান' বা সন্তুষ্টির শপথ। এই ঘটনাটি কেবল একটি রাজনৈতিক বা সামরিক চুক্তি নয়, বরং এটি ছিল মুমিনদের ঈমানি দৃঢ়তা এবং মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁদের প্রতি বিশেষ ঐশী স্বীকৃতির এক অনন্য দলিল। হুদায়বিয়ার মরুপ্রান্তরে যখন মক্কার কুরাইশদের সাথে মুসলিমদের কূটনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত চরমে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই একটি আকস্মিক ঘটনা সমগ্র পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এই ঘটনাটি ছিল উসমান (রা.)-এর মক্কায় অবস্থানকালীন তথাকথিত শাহাদাতের গুজব, যা সাহাবিদের অন্তরে এক তীব্র অস্থিরতা ও সংহতির জন্ম দেয়। এই প্রেক্ষাপটেই মহানবি সা.-এর নেতৃত্বে সাহাবিরা একটি বৃক্ষের নিচে শপথ গ্রহণ করেন, যা ইতিহাসে 'বাই'আতুর রিদওয়ান' নামে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।

এই শপথের নামকরণের মূল ভিত্তি হলো পবিত্র কুরআনের ৪৮ নম্বর সূরার ১৮ নম্বর আয়াত। আল্লাহ তাআলা এই আয়াতের মাধ্যমে সরাসরি ঘোষণা করেছেন যে, তিনি মুমিনদের ওপর সন্তুষ্ট হয়েছেন। এই সন্তুষ্টি বা 'রিদওয়ান' কেবল একটি শব্দ নয়, বরং এটি মুমিনদের আত্মিক ও রাজনৈতিক বিজয়ের চূড়ান্ত স্বীকৃতি। যখন সাহাবিরা চরম প্রতিকূলতার মুখে দাঁড়িয়েও মহানবি সা.-এর আনুগত্যে অবিচল থাকার শপথ নিলেন, তখন আল্লাহ তাআলা তাঁদের সেই অন্তরের বিশুদ্ধতা ও দৃঢ়তাকে পর্যবেক্ষণ করলেন এবং তাঁদের প্রতি তাঁর সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি ইসলামের ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়, যা পরবর্তীকালে মক্কা বিজয়ের পথ প্রশস্ত করেছিল [1]

হুদায়বিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও কূটনৈতিক সংকটকাল

হুদায়বিয়ার ঘটনাটি ছিল তৎকালীন আরবের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক অত্যন্ত জটিল ও সূক্ষ্ম কূটনৈতিক maneuvering বা কৌশলগত maneuvering-এর উদাহরণ। মুসলিমরা যখন উমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কার নিকটবর্তী হলেন, তখন কুরাইশরা তাঁদের প্রবেশে বাধা প্রদান করে একটি দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক অচলাবস্থার সৃষ্টি করে। এই পরিস্থিতি ছিল একদিকে ধর্মীয় অধিকার আদায়ের লড়াই, অন্যদিকে মক্কার কুরাইশদের রাজনৈতিক আধিপত্য বজায় রাখার একটি কৌশলগত যুদ্ধ। মুসলিমরা তখন মক্কার নিকটবর্তী হলেও কোনো প্রকার যুদ্ধ ছাড়াই একটি সন্ধির পথে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছিলেন, যা ছিল অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক ধৈর্য ও বিচক্ষণতার পরিচয় [2]

এই সন্ধি আলোচনার সময় পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত ছিল। একদিকে মুসলিমদের আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক লক্ষ্য, অন্যদিকে কুরাইশদের কঠোর অবস্থান—এই দুইয়ের মধ্যবর্তী ভারসাম্য রক্ষা করা ছিল অত্যন্ত কঠিন। এই কূটনৈতিক লড়াইয়ের মাঝেই একটি আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে, যা আলোচনার গতিপথকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দেয়। উসমান (রা.)-কে যখন কুরাইশদের নিকট শান্তি আলোচনার জন্য পাঠানো হয়েছিল, তখন তাঁর ফিরে না আসা এবং তাঁর শাহাদাতের গুজব ছড়িয়ে পড়া মুসলিম উম্মাহর জন্য এক বিশাল মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে আবির্ভূত হয়। এই সংকটময় মুহূর্তে সাহাবিদের মধ্যে যে সংহতি ও মহানবি সা.-এর প্রতি যে আনুগত্য প্রকাশ পেয়েছিল, তা ছিল তৎকালীন আরবের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল [3]

রাজনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই সংকটকালটি ছিল মুসলিমদের জন্য একটি অগ্নিপরীক্ষা। কুরাইশদের পক্ষ থেকে উসমান (রা.)-এর অন্তর্ধানের বিষয়টি কেবল একটি ব্যক্তিগত ঘটনা ছিল না, বরং এটি ছিল মুসলিমদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জ করার একটি পরোক্ষ কৌশল। এই পরিস্থিতিতে মহানবি সা.-এর নেতৃত্ব এবং সাহাবিদের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করেছিল যে, মুসলিম সমাজ কেবল একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী নয়, বরং একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক ও সামরিক সত্তা, যারা যেকোনো চরম সংকটে একক কমান্ডের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হতে সক্ষম [4]

উসমান (রা.)-এর অন্তর্ধান ও সাহাবিদের মনস্তাত্ত্বিক প্রতিক্রিয়া

উসমান (রা.)-এর মক্কায় অবস্থানকালীন তথাকথিত শাহাদাতের সংবাদটি যখন সাহাবিদের নিকট পৌঁছাল, তখন তা কেবল একটি সংবাদ ছিল না, বরং তা ছিল একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক আঘাত। উসমান (রা.) ছিলেন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তিত্ব এবং তাঁর অন্তর্ধানের গুজবটি সাহাবিদের মধ্যে এক ধরণের নিরাপত্তাহীনতা ও ক্রোধের মিশ্রণ তৈরি করেছিল। এই মুহূর্তে সাহাবিদের মধ্যে যে তীব্র আবেগ ও সংহতি দেখা দিয়েছিল, তা ছিল মহানবি সা.-এর প্রতি তাঁদের অবিচল আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশ। তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন যে, এই সংকটময় মুহূর্তে তাঁদের একমাত্র আশ্রয়স্থল হলো মহানবি সা.-এর নির্দেশ ও তাঁর নেতৃত্ব [5]

এই পরিস্থিতিতে মহানবি সা. অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে সাহাবিদের একটি বিশেষ শপথ গ্রহণের আহ্বান জানান। এটি ছিল মূলত একটি সামরিক ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার, যেখানে সাহাবিরা ঘোষণা করেছিলেন যে, তাঁরা উসমান (রা.)-এর হত্যার প্রতিশোধ নিতে এবং কুরাইশদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রস্তুত। এই শপথটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি কেবল একটি মৌখিক প্রতিশ্রুতি ছিল না, বরং এটি ছিল একটি জীবনপণ অঙ্গীকার। মহানবি সা. নিজেই নিজের হাতে এই শপথ গ্রহণ করেন এবং ঘোষণা করেন যে,

هذه عن عثمان

অর্থাৎ, "এটি উসমানের পক্ষ থেকে (শপথ নেওয়া হচ্ছে)" [6]

সাহাবিদের এই তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় প্রতিক্রিয়াটি ছিল তাদের ঈমানি দৃঢ়তার এক অনন্য নিদর্শন। যখন কোনো নেতা বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের জীবনের ওপর আঘাত আসে, তখন একটি আদর্শিক সমাজ কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হলো এই বাই'আতুর রিদওয়ান। সাহাবিদের এই মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল, কিন্তু মহানবি সা.-এর উপস্থিতিতে তা এক সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছিল। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, সাহাবিদের আনুগত্য ছিল কেবল মৌখিক নয়, বরং তা ছিল চরম সংকটে জীবন উৎসর্গ করার এক অটল প্রতিশ্রুতি [7]

'রিদওয়ান' নামকরণের তাত্ত্বিক ও ঐশী ভিত্তি

'বাই'আতুর রিদওয়ান' বা 'সন্তুষ্টির শপথ' নামকরণের মূল কারণটি নিহিত রয়েছে পবিত্র কুরআনের ৪৮ নম্বর সূরার ১৮ নম্বর আয়াতে। আল্লাহ তাআলা এই আয়াতের মাধ্যমে সাহাবিদের সেই বিশেষ মুহূর্তের কাজের প্রতি তাঁর চূড়ান্ত সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। আয়াতের মূল অংশটি হলো:

لَقَدْ رَضِيَ اللَّهُ عَنِ الْمُؤْمِنِينَ إِذْ يُبايِعُونَكَ تَحْتَ الشَّجَرَةِ فَعَلِمَ ما فِي قُلُوبِهِمْ فَأَنْزَلَ السَّكِينَةَ عَلَيْهِمْ وَأَثابَهُمْ فَتْحاً قَرِيباً

যার অর্থ: "নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের ওপর সন্তুষ্ট হয়েছেন যখন তারা বৃক্ষের নিচে আপনার কাছে বাইআত (শপথ) গ্রহণ করছিল; অতঃপর তিনি তাদের অন্তরের অবস্থা জেনে নিয়েছেন এবং তাদের ওপর প্রশান্তি নাযিল করেছেন এবং তাদের নিকটবর্তী বিজয় দ্বারা পুরস্কৃত করেছেন" [8]

তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে, 'রিদওয়ান' বা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বিষয়টি এখানে অত্যন্ত গভীর। আল্লাহ তাআলা কেবল বাহ্যিক শপথের ওপর সন্তুষ্ট হননি, বরং তিনি সাহাবিদের অন্তরের সেই লুকায়িত বিশ্বাস ও দৃঢ়তা পর্যবেক্ষণ করেছেন যা এই কঠিন সময়ে প্রকাশ পেয়েছিল। আয়াতের শব্দচয়ন—"فَعَلِمَ ما فِي قُلُوبِهِمْ" (অতঃপর তিনি তাদের অন্তরের অবস্থা জেনে নিয়েছেন)—এটি নির্দেশ করে যে, আল্লাহ তাঁদের অন্তরের বিশুদ্ধতা ও মহানবি সা.-এর প্রতি তাঁদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এই ঐশী স্বীকৃতিই এই শপথের নাম 'রিদওয়ান' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে [9]

মহাগ্রন্থ 'আল-বাহরুল মুহীত'-এর তাফসীর অনুযায়ী, এই রিদওয়ান বা সন্তুষ্টির অর্থ হলো মুমিনদের জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার। আল্লাহ যখন তাঁর বান্দার ওপর সন্তুষ্ট হন, তখন তা বান্দার জন্য জান্নাতের চেয়েও বড় প্রাপ্তি হয়ে দাঁড়ায়। এই আয়াতে আল্লাহ মুমিনদের সেই বিশেষ মুহূর্তের কাজের জন্য পুরস্কৃত করেছেন, যা ছিল চরম অনিশ্চয়তা ও যুদ্ধের ঝুঁকির মুখে দাঁড়িয়েও মহানবি সা.-এর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। এই কারণেই এই শপথটি কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, বরং এটি একটি আধ্যাত্মিক মাইলফলক, যা মুমিনদের জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের একটি চিরন্তন মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে [10]

সামুরাহ বৃক্ষের নিচে শপথের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক তাৎপর্য

ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, এই শপথটি হুদায়বিয়ার নিকটবর্তী একটি 'সামুরাহ' (Samurah) বৃক্ষের নিচে সম্পন্ন হয়েছিল। এই বৃক্ষটি কেবল একটি প্রাকৃতিক উপাদান ছিল না, বরং এটি ছিল সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী, যেখানে ইসলামের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়েছিল। সাহাবিরা যখন এই বৃক্ষের নিচে সমবেত হয়েছিলেন, তখন এটি ছিল একটি অত্যন্ত সুসংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ সমাবেশ। মহানবি সা. তাঁর নিজের হাতে সাহাবিদের নিকট থেকে শপথ গ্রহণ করেছিলেন, যা ছিল সাহাবিদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা ও ঐশী নির্দেশনার প্রতিফলন [11]

রাজনৈতিকভাবে, এই শপথটি ছিল কুরাইশদের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা। এটি প্রমাণ করেছিল যে, মুসলিমরা কোনো বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী নয়, বরং তারা একটি সুসংহত ও ঐক্যবদ্ধ শক্তি, যারা যেকোনো পরিস্থিতিতে তাদের নেতৃত্বের প্রতি অনুগত থাকতে পারে। এই শপথের মাধ্যমে মুসলিমরা তাদের সামরিক ও রাজনৈতিক সংহতি প্রদর্শন করেছিল, যা পরবর্তীতে হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্তাবলি নির্ধারণে এবং মক্কা বিজয়ের প্রেক্ষাপট তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই শপথটি ছিল একটি 'Collective Security' বা সম্মিলিত নিরাপত্তার ঘোষণা, যেখানে প্রতিটি মুমিন নিজেকে মুসলিম উম্মাহর প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত করেছিল [12]

সামুরাহ বৃক্ষের নিচে এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সাহাবিরা কেবল একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকারই করেননি, বরং তারা তাদের ঈমানি ও আত্মিক বন্ধনকেও নবায়ন করেছিলেন। এই মুহূর্তটি ছিল সাহাবিদের জন্য এক প্রকার আত্মিক পরিশুদ্ধির সময়, যেখানে আল্লাহ তাআলা তাঁদের অন্তরের দৃঢ়তাকে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁদের ওপর তাঁর সন্তুষ্টির সিলমোহর প্রদান করেন। এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ইসলামের ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে, যা প্রতিটি প্রজন্মের মুমিনদের শিখিয়ে দেয় যে, কঠিনতম সংকটে আল্লাহর ওপর ভরসা এবং তাঁর রাসুল সা.-এর আনুগত্যই হলো প্রকৃত বিজয় ও সন্তুষ্টির একমাত্র পথ [13]

""
১২.১ "নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের ওপর সন্তুষ্ট হয়েছেন..." (কুরআন ৪৮:১৮): 'রিদওয়ান' বা সন্তুষ্টির নামকরণের কারণ
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১২.১ "নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের ওপর সন্তুষ্ট হয়েছেন..." (কুরআন ৪৮:১৮): 'রিদওয়ান' বা সন্তুষ্টির নামকরণের কারণ কুইজ

1 / 5

'বায়আতে রিদওয়ান'-এর 'রিদওয়ান' শব্দটির অর্থ কী?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...