খণ্ড 77
ফন্ট:100%
থিম:

১৪.৪ উইলিয়াম মুইর এবং ডেভিড মার্গোলিউথ-এর 'অ্যাসাসিনেশন' (Assassination) থিওরির ইতিহাসতাত্ত্বিক পর্যালোচনা ও ইলমুল রিদজাল (Ilm al-Rijal)

সীরাত বা নবিজির জীবনী চর্চায় উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর ওরিয়েন্টালিস্ট বা প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিভঙ্গি একটি অত্যন্ত জটিল ও বিতর্কিত অধ্যায়। বিশেষ করে, উইলিয়াম মুইর (William Muir) এবং ডেভিড মার্গোলিউথ (David Margoliouth)-এর মতো পণ্ডিতদের দ্বারা প্রবর্তিত 'অ্যাসাসিনেশন' বা 'গুপ্তহত্যা' সংক্রান্ত তত্ত্বটি ইসলামের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসের একটি বিকৃত চিত্র উপস্থাপনের চেষ্টা করেছে। এই তত্ত্বের মূল লক্ষ্য ছিল নবি সা.-এর রাজনৈতিক কৌশলগুলোকে কেবল জাগতিক স্বার্থসিদ্ধি এবং নৈতিকতাহীন গুপ্তহত্যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করার একটি তাত্ত্বিক কাঠামো তৈরি করা। ওরিয়েন্টালিস্টদের এই দৃষ্টিভঙ্গি মূলত ধর্মের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবকে 'ডি-কনস্ট্রাক্ট' বা বিনির্মাণ করার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা, যেখানে ঐশ্বরিক নির্দেশনার পরিবর্তে কেবল ভূ-রাজনৈতিক maneuvering বা কৌশলগত maneuvering-কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে [1]

ঐতিহাসিক সত্যতা অনুসন্ধানে এই ওরিয়েন্টালিস্ট তত্ত্বের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আমাদের প্রয়োজন একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যা মূলত 'ইলমুল রিদজাল' (Ilm al-Rijal) বা বর্ণনাকারীদের জীবনী ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ের শাস্ত্রের মাধ্যমে সম্ভব। মুইর এবং মার্গোলিউথ যখন নবি সা.-এর জীবনের কোনো নির্দিষ্ট ঘটনাকে 'অ্যাসাসিনেশন' হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন, তখন তারা মূলত বর্ণনার সূত্র বা 'ইসনাদ' (Isnad) এবং বর্ণনাকারীদের নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা (Adalah and Dhabt) উপেক্ষা করেন। তাদের এই পদ্ধতিগত ত্রুটি এবং পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি সীরাতের প্রকৃত স্বরূপকে আড়াল করার একটি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে।

ওরিয়েন্টালিস্টদের 'অ্যাসাসিনেশন' তত্ত্বের তাত্ত্বিক ভিত্তি ও মনস্তাত্ত্বিক প্রক্ষেপণ

উইলিয়াম মুইর এবং ডেভিড মার্গোলিউথ তাদের গবেষণায় নবি সা.-এর বিরুদ্ধে একটি বিশেষ অভিযোগ উত্থাপন করেছেন যে, ইসলামের প্রাথমিক বিস্তার কেবল তলোয়ারের জোরে নয়, বরং অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং নৈতিকতাহীন রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বা 'অ্যাসাসিনেশন'-এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। তাদের এই তাত্ত্বিক কাঠামোর মূলে রয়েছে একটি বিশেষ সমাজতাত্ত্বিক ধারণা। ওরিয়েন্টালিস্ট সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, ধর্মকে যদি একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে দেখা হয়, তবে তার কার্যকারিতা প্রমাণের জন্য সহিংসতার একটি 'অস্বাভাবিক' বা 'অনৈতিক' উপাদানের প্রয়োজন রয়েছে। তারা ধর্মকে বিনির্মাণ (Deconstruction) করার জন্য এই 'অ্যাসাসিনেশন' তত্ত্বটি ব্যবহার করেছেন [2]

মার্গোলিউথ-এর মতে, নবি সা.-এর কিছু সামরিক অভিযান বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল মূলত শত্রুদের নেতৃত্বকে নিঃশেষ করার একটি কৌশলগত প্রচেষ্টা, যা তৎকালীন প্রথাগত যুদ্ধের নীতিমালার বাইরে ছিল। তবে এই বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে তারা একটি বড় ধরনের ঐতিহাসিক ভুল করেছেন। তারা তৎকালীন আরবের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং 'আল-হারজ' (Al-Harj) বা চরম বিশৃঙ্খলা ও হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপটটি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। ওরিয়েন্টালিস্টরা যখন কোনো ঘটনাকে 'অ্যাসাসিনেশন' হিসেবে বর্ণনা করেন, তখন তারা সেই ঘটনার পেছনে থাকা ঐশ্বরিক উদ্দেশ্য (Divine Purpose) এবং যুদ্ধের নৈতিক নীতিমালা (Ethics of War) সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে যান।

মনস্তাত্ত্বিকভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ওরিয়েন্টালিস্টদের এই তত্ত্বটি মূলত একটি 'প্রজেকশন' বা প্রক্ষেপণ। তারা ইসলামের নৈতিক শ্রেষ্ঠত্বকে খাটো করার জন্য নবি সা.-এর জীবনকে একটি সাধারণ রাজনৈতিক নেতার জীবনের সাথে তুলনা করতে চেয়েছেন, যিনি কেবল ক্ষমতার জন্য যেকোনো পথ অবলম্বন করতে পারেন। কিন্তু তারা ভুলে গেছেন যে, নবি সা.-এর প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল ওহী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং তা ছিল একটি বৃহত্তর সামাজিক ও আধ্যাত্মিক সংস্কারের অংশ। তাদের এই 'অ্যাসাসিনেশন' তত্ত্বটি মূলত একটি তাত্ত্বিক নির্মাণ মাত্র, যার কোনো শক্তিশালী ঐতিহাসিক বা প্রামাণিক ভিত্তি নেই [3]

'আল-হারজ' (Al-Harj) এবং তৎকালীন আরবের ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা

ওরিয়েন্টালিস্টদের 'অ্যাসাসিনেশন' তত্ত্বটি তৎকালীন আরবের যে চরম অস্থির ও সহিংস পরিস্থিতির কথা এড়িয়ে গেছে, তা বুঝতে হলে আমাদের 'আল-হারজ' (Al-Harj) বা বিশৃঙ্খলা ও ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের ধারণাটি বুঝতে হবে। নবি সা.-এর যুগে আরবের উপজাতীয় রাজনীতি ছিল অত্যন্ত রক্তক্ষয়ী এবং প্রতিহিংসা driven। সেখানে কোনো নির্দিষ্ট উপজাতি বা গোষ্ঠী অন্য গোষ্ঠীর ওপর আক্রমণ করলে তা বংশানুক্রমিক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নিত। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে হাদিসে 'আল-হারজ' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

রাসুলুল্লাহ সা.-এর একটি হাদিসে এই পরিস্থিতির বর্ণনা পাওয়া যায়:

لا تَقومُ السَّاعةُ حتَّى يَكثُرَ العِلمُ، وتَكثُرَ الزَّلازِلُ، ويَتَقارَبَ الزَّمانُ، وتَظهَرَ الفِتَنُ، ويَكثُرَ الهَرجُ -وهو القَتلُ القَتلُ- حتَّى يَكثُرَ فيكُمُ المالُ فيَفيضَ.
[4]

এখানে 'আল-হারজ' বলতে সেই অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে যেখানে হত্যা ও বিশৃঙ্খলা একটি স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়। ওরিয়েন্টালিস্টরা যখন নবি সা.-এর কোনো পদক্ষেপকে 'অ্যাসাসিনেশন' বলেন, তখন তারা আসলে সেই সময়ের এই চরম বিশৃঙ্খলা বা 'হারজ'-এর প্রেক্ষাপটটি অস্বীকার করেন। নবি সা.-এর লক্ষ্য ছিল এই 'হারজ' বা নিরর্থক হত্যাকাণ্ড বন্ধ করে একটি সুশৃঙ্খল ও ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। ওরিয়েন্টালিস্টরা এই সামাজিক সংস্কারের প্রক্রিয়াটিকে ভুলভাবে 'রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড' হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

ভূ-রাজনৈতিকভাবে, তৎকালীন আরবে কোনো কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা ছিল না। প্রতিটি উপজাতি ছিল একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক সত্তা। এই অবস্থায় কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা ছিল অত্যন্ত জটিল। ওরিয়েন্টালিস্টরা এই জটিলতাকে উপেক্ষা করে কেবল একটি সংকীর্ণ ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ঘটনাগুলোকে বিচার করেছেন। তারা বুঝতে পারেননি যে, নবি সা.-এর পদক্ষেপগুলো ছিল মূলত সেই বিশৃঙ্খল ও সহিংস সমাজব্যবস্থাকে একটি সুশৃঙ্খল ও আইনভিত্তিক কাঠামোয় আনার প্রচেষ্টা, যা 'হারজ' বা অরাজকতাকে নির্মূল করার একটি অংশ ছিল [5]

ইলমুল রিদজাল (Ilm al-Rijal): ঐতিহাসিক সত্যতা যাচাইয়ের বৈজ্ঞানিক ঢাল

ওরিয়েন্টালিস্টদের 'অ্যাসাসিনেশন' তত্ত্বের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো এর প্রামাণিকতার অভাব। তারা প্রায়শই এমন সব বর্ণনা বা কাহিনী ব্যবহার করেন যেগুলোর কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র নেই। এই ধরনের বিকৃত ইতিহাস বা মিথ্যাচার মোকাবিলা করার জন্য ইসলামি পণ্ডিতগণ যে মহান ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, তা হলো 'ইলমুল রিদজাল' (Ilm al-Rijal) বা বর্ণনাকারীদের জীবনী ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ের শাস্ত্র। এই শাস্ত্রের মাধ্যমে প্রতিটি বর্ণনার প্রতিটি স্তরের বর্ণনাকারীর চরিত্র, স্মৃতিশক্তি এবং সততা যাচাই করা হয়।

ওরিয়েন্টালিস্টরা যখন কোনো ঘটনাকে 'অ্যাসাসিনেশন' হিসেবে দাবি করেন, তখন তারা মূলত দুর্বল (Da'if) বা বানোয়াট (Mawdu') বর্ণনার ওপর নির্ভর করেন। কিন্তু ইলমুল রিদজাল-এর মাধ্যমে যখন সেই একই ঘটনা পরীক্ষা করা হয়, তখন দেখা যায় যে ওরিয়েন্টালিস্টদের ব্যবহৃত সূত্রগুলোর কোনোটিই 'সহীহ' (Authentic) নয়। ইলমুল রিদজাল কেবল একটি ইতিহাস চর্চা নয়, এটি একটি অত্যন্ত কঠোর ও সূক্ষ্ম মানদণ্ড যা মিথ্যা ও সত্যের মধ্যে পার্থক্য করতে সক্ষম। এই শাস্ত্রের মাধ্যমে জানা যায় যে, কোন বর্ণনাকারী সত্যবাদী এবং কোন বর্ণনাকারী রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছেন [6]

ইলমুল রিদজাল-এর প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি যে, নবি সা.-এর জীবনের যে সমস্ত ঘটনাকে ওরিয়েন্টালিস্টরা 'অনৈতিক হত্যাকাণ্ড' হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, সেগুলোর মূল উৎস হলো এমন সব বর্ণনাকারী যাদের 'আদালত' (Adalah) বা নৈতিকতা ও 'দাবত' (Dhabt) বা স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত দুর্বল বা সন্দেহজনক। ওরিয়েন্টালিস্টরা এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে কেবল তাদের পূর্বনির্ধারিত মতবাদকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দুর্বল সূত্রগুলোকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করেন। সুতরাং, ইলমুল রিদজাল হলো সেই বৈজ্ঞানিক ঢাল যা সীরাতের পবিত্রতা রক্ষা করে এবং ওরিয়েন্টালিস্টদের মনগড়া তত্ত্বকে ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয় [7]

ঐতিহাসিক তথ্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণ ও ওরিয়েন্টালিস্টদের পদ্ধতিগত ত্রুটি

মুইর এবং মার্গোলিউথের পদ্ধতিগত ত্রুটিগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারা মূলত 'মতন' (Matn) বা বর্ণনার বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু 'ইসনাদ' (Isnad) বা বর্ণনার পরম্পরাকে গুরুত্ব দেন না। এটি একটি অত্যন্ত বড় ঐতিহাসিক অপরাধ। ইসলামের ইতিহাসবিদগণ যখন কোনো ঘটনা লিপিবদ্ধ করেন, তখন তারা কেবল ঘটনাটি কী ঘটেছে তা বলেন না, বরং সেই ঘটনাটি কার কাছ থেকে কে শুনেছেন, তার একটি সুনিবিড় ও যাচাইযোগ্য শিকড় বা চেইন প্রদান করেন। ওরিয়েন্টালিস্টরা এই চেইন বা সূত্রকে উপেক্ষা করে কেবল সেই অংশটুকু গ্রহণ করেন যা তাদের 'অ্যাসাসিনেশন' তত্ত্বকে সমর্থন করে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো বর্ণনায় বলা হয় যে নবি সা.- কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করেছেন, তবে ইলমুল রিদজাল-এর পণ্ডিতগণ প্রথমে দেখবেন সেই বর্ণনার বর্ণনাকারীরা কারা। যদি দেখা যায় বর্ণনাকারীদের মধ্যে কেউ মিথ্যাবাদী বা অত্যন্ত forgetful (ভুলোমনা), তবে সেই পুরো ঘটনাটিই বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু ওরিয়েন্টালিস্টরা এই বৈজ্ঞানিক মানদণ্ডকে মান্য না করে কেবল ঘটনার নাটকীয়তা বা নেতিবাচকতাকে প্রাধান্য দেন। তারা ঐতিহাসিক সত্যতার চেয়ে তাত্ত্বিক প্রক্ষেপণকে বেশি গুরুত্ব দেন [8]

পরিশেষে বলা যায়, উইলিয়াম মুইর এবং ডেভিড মার্গোলিউথের 'অ্যাসাসিনেশন' তত্ত্বটি কোনো বস্তুনিষ্ঠ ঐতিহাসিক গবেষণা নয়, বরং এটি একটি আদর্শগত ও রাজনৈতিক প্রক্ষেপণ। তারা আরবের তৎকালীন 'হারজ' বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট এবং ইসলামের নৈতিক ও আইনি কাঠামোর গভীরতা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। ইলমুল রিদজাল-এর মতো শক্তিশালী ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে এই ওরিয়েন্টালিস্টদের ভ্রান্ত ধারণাগুলো সহজেই খণ্ডন করা সম্ভব। সীরাতের প্রকৃত ইতিহাস কেবল বীরত্ব বা যুদ্ধের কাহিনী নয়, বরং এটি হলো একটি বিশৃঙ্খল ও সহিংস সমাজ থেকে একটি ন্যায়বিচারভিত্তিক ও ঐশ্বরিক আইন দ্বারা পরিচালিত সমাজ গঠনের মহাকাব্যিক যাত্রা, যা ওরিয়েন্টালিস্টদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির ঊর্ধ্বে [9]

""
১৪.৪ উইলিয়াম মুইর এবং ডেভিড মার্গোলিউথ-এর 'অ্যাসাসিনেশন' (Assassination) থিওরির ইতিহাসতাত্ত্বিক পর্যালোচনা ও ইলমুল রিদজাল (Ilm al-Rijal)
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১৪.৪ উইলিয়াম মুইর এবং ডেভিড মার্গোলিউথ-এর 'অ্যাসাসিনেশন' (Assassination) থিওরি: টার্গেটেড কিলিং (Targeted Killing) বনাম গুপ্তহত্যা কুইজ

1 / 5

উইলিয়াম মুইর এবং ডেভিড মার্গোলিউথ নবিজির সামরিক পদক্ষেপগুলোকে কী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...