খণ্ড 14
ফন্ট:100%
থিম:

২.৪.১ একটি প্রান্তিক পরিবারে (Marginalized Family) সামাজিকীকরণের মনস্তত্ত্ব (Psychology of Socialization)

সামাজিকীকরণ বা Socialization হলো একটি নিরবচ্ছিন্ন ও জটিল মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তার সামাজিক পরিবেশ, সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শেখে। তবে এই প্রক্রিয়াটি যখন একটি প্রান্তিক বা সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের (Marginalized Family) প্রেক্ষাপটে ঘটে, তখন এর গতিপ্রকৃতি এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব আমূল পরিবর্তিত হয়ে যায়। প্রান্তিক পরিবার বলতে এমন এক সামাজিক একককে বোঝায়, যা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বা সামাজিক কাঠামোর বহির্ভূত বা প্রান্তসীমায় অবস্থান করে। এই ধরনের পরিবেশে সামাজিকীকরণের মূল চালিকাশক্তি কেবল শিক্ষা বা সংস্কৃতি নয়, বরং টিকে থাকার লড়াই (Survival Instinct) এবং কাঠামোগত বৈষম্যের শিকার হওয়া।

প্রান্তিক পরিবারের সামাজিকীকরণের মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ করতে গেলে আমাদের বুঝতে হবে যে, এখানে পারিবারিক কাঠামোটি প্রায়শই ভঙ্গুর এবং অনিয়মিত। একটি আদর্শ পরিবার যেখানে শিশুর বিকাশের জন্য একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ প্রদান করে, সেখানে প্রান্তিক পরিবারে সেই নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার অভাব প্রকট থাকে। এই অভাব শিশুর প্রাথমিক মনস্তাত্ত্বিক গঠন এবং তার সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

প্রান্তিক পরিবারের কাঠামোগত ভঙ্গুরতা ও মনস্তাত্ত্বিক সংকট

প্রান্তিক পরিবারের সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে প্রথম ও প্রধান বাধা হলো পরিবারের কাঠামোগত ভঙ্গুরতা। যখন একটি পরিবার চরম দারিদ্র্য বা সামাজিক অবহেলার শিকার হয়, তখন তার স্বাভাবিক সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। আল-উলাহ (Alukah) এর একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরিবারের ভূমিকা ও উজ্জ্বলতা হারিয়ে যাওয়ার ফলে শিশুদের মধ্যে সহিংসতা বৃদ্ধি পায়।


أ‌- الأسرة: استفحل العنف في صفوف الأطفال، بعدما فقدت الأسرة بريقَها ودورها المَنُوط بها في التنشئة الاجتماعية والتربية، ومصاحبة ومتابعة الابن في ...
[1]

পরিবার যখন তার প্রথাগত সামাজিকীকরণ ও লালন-পালনের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তখন শিশুটি একটি মনস্তাত্ত্বিক শূন্যতার সম্মুখীন হয়। এই শূন্যতা পূরণের জন্য সে প্রায়শই নেতিবাচক সামাজিক পরিবেশ বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দিকে ঝুঁকে পড়ে। প্রান্তিকতা কেবল অর্থনৈতিক অভাব নয়, বরং এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক সংকট যা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন শিথিল করে দেয়।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, চরম দারিদ্র্যের কারণে অনেক শিশু তাদের জন্মের পরপরই পরিত্যক্ত হতো অথবা শৈশবেই পরিবারের মূল কাঠামো থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ত। 'গল্প অফ সিভিলাইজেশন' (Story of Civilization) গ্রন্থের বর্ণনা অনুযায়ী, অনেক শিশু জন্মের পর বাইরে ফেলে দেওয়া হতো এবং যারা বেঁচে থাকত, তাদের রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে বা সংশোধনাগারে (Reformatories) লালন-পালন করা হতো [2] । এই ধরনের বিচ্ছিন্নতা শিশুর মধ্যে একটি স্থায়ী 'অস্তিত্বের সংকট' (Existential Crisis) তৈরি করে। যখন একটি শিশু শৈশবে তার প্রাথমিক যত্ন ও সামাজিক সংহতি থেকে বঞ্চিত হয়, তখন তার আত্মপরিচয় গঠনের প্রক্রিয়াটি বিকৃত হয়ে যায়।

দারিদ্র্যের কারণে শিক্ষার সুযোগ হারানো এই মনস্তাত্ত্বিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করে। যদি বাবা-মা দরিদ্র হন, তবে শিশুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হতে পারে [3] । এই শিক্ষা ও সামাজিকীকরণের অভাব কেবল জ্ঞানগত সীমাবদ্ধতা তৈরি করে না, বরং এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক অধীনতা (Psychological Subservience) তৈরি করে, যেখানে ব্যক্তি তার সামাজিক অবস্থান পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা হারিয়ে ফেলে।

লিঙ্গভিত্তিক সামাজিকীকরণ ও প্রান্তিকতার মনস্তত্ত্ব

প্রান্তিক পরিবারে সামাজিকীকরণের প্রক্রিয়াটি লিঙ্গভেদে অত্যন্ত বৈষম্যমূলক হয়ে থাকে। সামাজিক কাঠামোর প্রান্তিকতা নারী ও পুরুষের সামাজিকীকরণে ভিন্ন ভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়াটি প্রায়শই তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের পরিবর্তে ঘরোয়া দক্ষতা ও ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা হয়।

'গল্প অফ সিভিলাইজেশন' এর তথ্যমতে, নারীদের প্রাথমিক শিক্ষা ছিল অত্যন্ত সীমিত এবং তা মূলত গ্রাম্য স্কুল বা দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদান করা হতো। সেখানে তাদের পাঠ্যসূচিতে ছিল পঠন-পাঠন, সেলাই, সুঁই-সুতার কাজ এবং ধর্মীয় শিক্ষা [4] । এই ধরনের সীমিত সামাজিকীকরণ নারীদের মধ্যে একটি মনস্তাত্ত্বিক সীমাবদ্ধতা তৈরি করে, যা তাদের বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখে।

নারীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের পথে সামাজিক বাধা ও অবজ্ঞার বিষয়টি অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী। লেডি মেরি ওয়ার্টলি মন্টেগু (Lady Mary Wortley Montagu) এর একটি উক্তি এই মনস্তাত্ত্বিক বাস্তবতাকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে:


إن بنات جنسي تحظر عليهن عادة دراسات من هذا النوع، والجهل يعد مجالنا المناسب لنا، بحيث أي إسراف فيه من جانبنا يغتفر لنا أكثر مما يغتفر أقل تظاهر بمعرفة القراءة أو بالإدراك السليم... وليس في الوجود مخلوق أشد تعرضاً للسخرية العامة من المرأة المثقفة.
[5]

এই উক্তিটি নির্দেশ করে যে, প্রান্তিক বা রক্ষণশীল সমাজে নারীদের জন্য 'অজ্ঞতা' একটি সামাজিক মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে। একজন শিক্ষিত নারী সামাজিক উপহাসের শিকার হন, যা নারীদের মধ্যে একটি 'মনস্তাত্ত্বিক আত্ম-সেন্সরশিপ' (Psychological Self-censorship) তৈরি করে। অর্থাৎ, নারীরা নিজেদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ থেকে বিরত থাকতে শুরু করেন যাতে তারা সামাজিক অবমাননা থেকে বাঁচতে পারেন। এটি প্রান্তিকতার একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম কিন্তু শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক হাতিয়ার, যা লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যকে স্থায়ী করে তোলে।

অন্যদিকে, পুরুষদের সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়াটি প্রায়শই শ্রম ও বাহ্যিক জগতের সাথে যুক্ত থাকে। তবে প্রান্তিক পুরুষদের ক্ষেত্রেও সামাজিকীকরণের মানদণ্ডটি প্রায়শই তাদের নিম্নবর্গের অবস্থানকে মেনে নেওয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এই লিঙ্গভিত্তিক দ্বৈততা সামাজিক কাঠামোর ভারসাম্যহীনতাকে আরও প্রকট করে তোলে এবং প্রান্তিক পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একটি মনস্তাত্ত্বিক বিভাজন সৃষ্টি করে।

সামষ্টিক জীবনধারা ও ব্যক্তিসত্তার বিকাশ

প্রান্তিকতা বা সামাজিক কাঠামোর পরিবর্তনের ফলে অনেক সময় প্রথাগত 'পরিবার' ধারণাটি পরিবর্তিত হয়ে একটি বৃহত্তর 'সামষ্টিক ইউনিট' বা Commune-এ রূপান্তরিত হয়। এই ধরনের জীবনধারা সামাজিকীকরণের একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক মডেল প্রদান করে। যেখানে প্রথাগত পরিবারে সামাজিকীকরণ কেন্দ্রিক হয় রক্তসম্পর্কিত সম্পর্কের ওপর, সেখানে সামষ্টিক জীবনধারায় এটি হয় একটি যৌথ ও সমষ্টিগত প্রক্রিয়ার ওপর।

একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়, এমন কিছু সামাজিক কাঠামো ছিল যেখানে 'পরিবার' নয় বরং 'বাড়ি' বা 'হাউস' (House) ছিল সামাজিকীকরণের মূল একক। এই এককগুলোতে ৪০০ থেকে ২০০০ জন মানুষ একত্রে বসবাস করত। এখানে একটি যৌথ রান্নাঘর, যৌথ স্কুল, হাসপাতাল এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ছিল যা সবাই মিলে ব্যবহার করত। এই ধরনের ব্যবস্থায় শিশুদের লালন-পালন করা হতো কোনো বিশেষ পারিবারিক পার্থক্য ছাড়াই।

এই সামষ্টিক সামাজিকীকরণের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব অত্যন্ত গভীর। একদিকে এটি ব্যক্তির মধ্যে 'সামষ্টিক নিরাপত্তা' (Collective Security) এবং 'সহমর্মিতা' (Empathy) বৃদ্ধি করে, যা প্রান্তিকতার কারণে সৃষ্ট একাকীত্ব ও নিরাপত্তাহীনতা দূর করতে পারে। অন্যদিকে, এটি ব্যক্তির 'স্বতন্ত্র সত্তা' (Individual Identity) বিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। যখন প্রতিটি কাজ, প্রতিটি সম্পদ এবং এমনকি লালন-পালন প্রক্রিয়াও সমষ্টিগত হয়, তখন ব্যক্তির নিজস্ব পছন্দ, অপছন্দ বা স্বতন্ত্র মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলো সামষ্টিক প্রয়োজনের কাছে বিলীন হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

প্রান্তিক পরিবেশে এই ধরনের সামষ্টিক জীবনধারা অনেক সময় টিকে থাকার একমাত্র উপায় হিসেবে আবির্ভূত হয়। তবে এটি ব্যক্তির মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে একটি দ্বান্দ্বিক পরিস্থিতি তৈরি করে: একদিকে সামাজিক সংহতি ও নিরাপত্তা, অন্যদিকে ব্যক্তিসত্তার অবলুপ্তি। এই ভারসাম্যহীনতা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মনস্তাত্ত্বিক কাঠামোর একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়ায়।

শিক্ষা ও শ্রেণিবিন্যাস: মনস্তাত্ত্বিক অধীনতা ও সামাজিকীকরণ

প্রান্তিক পরিবারের সামাজিকীকরণে শিক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত জটিল। শিক্ষা যেখানে মুক্তির পথ হওয়ার কথা, সেখানে অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষা ব্যবহৃত হয় সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস বা Class Hierarchy বজায় রাখার হাতিয়ার হিসেবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের সামাজিকীকরণ এমনভাবে করা হয় যাতে তারা তাদের নিম্ন সামাজিক অবস্থানকে মেনে নিতে শেখে এবং উচ্চবর্গের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করে।

'গল্প অফ সিভিলাইজেশন' এর তথ্য অনুযায়ী, তৎকালীন শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তাদের জন্মগত সামাজিক অবস্থান নিয়ে 'তৃপ্তি' বা 'Contentment' বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হতো [6] । এই ধরনের শিক্ষা মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক কৌশল, যার লক্ষ্য হলো প্রান্তিক শ্রেণির মানুষের মধ্যে সামাজিক পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা। যখন একজন শিক্ষার্থীকে শেখানো হয় যে তার বর্তমান অবস্থানই তার জন্য নির্ধারিত এবং এতে সন্তুষ্ট থাকা উচিত, তখন তার মধ্যে একটি 'মনস্তাত্ত্বিক অধীনতা' (Psychological Subservience) তৈরি হয়।

এই প্রক্রিয়াটি কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সামাজিক ও ধর্মীয় চিন্তাধারার মধ্যেও মিশে থাকে। ধর্মীয় ও সামাজিক বিশ্বাসগুলো অনেক সময় মানুষের পূর্বধারণা বা Preconceived ideas-এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, যা সামাজিকীকরণের মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত হয় [7] । এই বিশ্বাসগুলো অনেক সময় প্রান্তিক মানুষকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে বাধা দেয়।

সামগ্রিকভাবে, প্রান্তিক পরিবারের সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়াটি কেবল একটি জৈবিক বা সাংস্কৃতিক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি একটি রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া। এটি একদিকে যেমন ব্যক্তিকে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক দক্ষতা প্রদান করে, অন্যদিকে এটি শ্রেণিবিন্যাস ও বৈষম্যের এমন এক মনস্তাত্ত্বিক জাল বুনে দেয়, যা থেকে বেরিয়ে আসা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। প্রান্তিকতার এই মনস্তাত্ত্বিক বলয়টি ব্যক্তির আত্মপরিচয়, আকাঙ্ক্ষা এবং সামাজিক মিথস্ক্রিয়াকে প্রতিনিয়ত নিয়ন্ত্রণ ও সংকুচিত করতে থাকে।

""
২.৪.১ একটি প্রান্তিক পরিবারে (Marginalized Family) সামাজিকীকরণের মনস্তত্ত্ব (Psychology of Socialization)
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

২.৪.১ একটি প্রান্তিক পরিবারে (Marginalized Family) সামাজিকীকরণের মনস্তত্ত্ব (Psychology of Socialization) কুইজ

1 / 5

একটি প্রান্তিক পরিবারে (Marginalized Family) বেড়ে ওঠার কারণে আম্মার (রা.)-এর সামাজিকীকরণে (Socialization) কী প্রভাব পড়েছিল?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...