খণ্ড 93
ফন্ট:100%
থিম:

৭.৩ বট নেটওয়ার্ক (Bot Networks) এবং অ্যাস্ট্রোটার্ফিং (Astroturfing): কৃত্রিমভাবে জনমত (Public Opinion) তৈরির পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

একবিংশ শতাব্দীর তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব মানবসভ্যতাকে একদিকে যেমন জ্ঞান ও তথ্যের অবাধ প্রবাহের সুযোগ করে দিয়েছে, অন্যদিকে তেমনি 'ইনফরমেশন ওয়ারফেয়ার' বা তথ্য-যুদ্ধের এক নতুন ও ভয়াবহ দিগন্ত উন্মোচন করেছে। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক (Geopolitical) প্রেক্ষাপটে কোনো রাষ্ট্র বা গোষ্ঠীর আধিপত্য বিস্তারের জন্য কেবল সামরিক শক্তিই যথেষ্ট নয়, বরং জনমত বা Public Opinion নিয়ন্ত্রণ করা এখন একটি অপরিহার্য কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে আধুনিক রাজনৈতিক প্রকৌশলীরা (Political Engineers) যে দুটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও সূক্ষ্ম হাতিয়ার ব্যবহার করছেন, তা হলো 'বট নেটওয়ার্ক' (Bot Networks) এবং 'অ্যাস্ট্রোটার্ফিং' (Astroturfing)। এই প্রক্রিয়াগুলোর মূল লক্ষ্য হলো সত্য ও মিথ্যার মধ্যকার পার্থক্যকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে একটি কৃত্রিম বাস্তবতাকে জনসমক্ষে প্রতিষ্ঠিত করা, যা অনেকটা প্রাচীনকালে ধর্মীয় বা রাজনৈতিক স্বার্থে সত্যের বিকৃতি (Tahrif) ঘটানোর পদ্ধতির একটি ডিজিটাল সংস্করণ মাত্র।

বট নেটওয়ার্কের গাঠনিক বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল ফেতনা: তথ্যের বিকৃতি ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ

বট নেটওয়ার্ক হলো স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন অ্যাকাউন্টসমূহের একটি সুসংগঠিত সমষ্টি, যা মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বিপুল পরিমাণ তথ্য, মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া প্রদান করতে সক্ষম। এই নেটওয়ার্কগুলো কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা বা মতাদর্শ প্রচারের জন্য ডিজাইন করা হয়। যখন হাজার হাজার বট অ্যাকাউন্ট একই সময়ে একই বার্তা বা হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে, তখন সাধারণ ব্যবহারকারীর কাছে মনে হয় যে এটি একটি বিশাল জনস্রোত বা প্রকৃত জনমত। এই প্রক্রিয়াটি মূলত একটি 'ইকো চেম্বার' (Echo Chamber) তৈরি করে, যেখানে ব্যবহারকারী কেবল তার পছন্দের বা প্রোপাগান্ডা করা তথ্যগুলোই বারবার দেখতে পান, যা তার পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

ঐতিহাসিকভাবে, সত্যকে আড়াল করার জন্য মানুষের প্রবৃত্তিকে (Hawa) কাজে লাগিয়ে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হতো, আধুনিক বট নেটওয়ার্ক ঠিক সেই কাজটিই অত্যন্ত উচ্চতর প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন করছে। ইসলামের ইতিহাসে যখন কোনো গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য ধর্মীয় বা সামাজিক সত্যকে বিকৃত করার চেষ্টা করেছে, তখন তাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়েছে। যেমনটি বলা হয়েছে:

نوع من التفسير هو اتباع الهوى والتلاعب في آيات الله كما فعل الباطنية والشيعة، فيكون ذلك من قبيل الزندقة والإلحاد، أو الغرض...

[1]

উপরোক্ত আরবি ইবারতটি নির্দেশ করে যে, প্রবৃত্তির অনুসরণ (اتباع الهوى) এবং সত্যের সাথে কারসাজি করা একটি মারাত্মক বিভ্রান্তি। বট নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, এটি কোনো বস্তুনিষ্ঠ সত্যের ভিত্তিতে নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বা আদর্শিক 'হাওয়া' বা প্রবৃত্তির অনুসারী হিসেবে কাজ করে। এই ডিজিটাল কারসাজি মূলত একটি আধুনিক 'ফিতনা' বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, যা সমাজের মনস্তাত্ত্বিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। যখন বট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো মিথ্যা তথ্য বা অপপ্রচার (Disinformation) ছড়িয়ে দেওয়া হয়, তখন তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং সামাজিক মেরুকরণকে ত্বরান্বিত করে।

মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বট নেটওয়ার্কগুলো 'সোশ্যাল প্রুফ' (Social Proof) নামক একটি মানসিক প্রবণতাকে কাজে লাগায়। মানুষ যখন দেখে যে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে হাজার হাজার মানুষ কথা বলছে, তখন সে অবচেতনভাবেই সেই মতাদর্শকে সত্য বলে ধরে নেয়। এই কৌশলটি অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ এটি মানুষের বিচারবুদ্ধিকে অবশ করে দেয় এবং একটি কৃত্রিম ঐকমত্য (Artificial Consensus) তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো বা কোনো রাজনৈতিক নেতাকে অতিমানবিয় হিসেবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত সহজ হয়ে পড়ে।

অ্যাস্ট্রোটার্ফিং: কৃত্রিম জনমত ও রাজনৈতিক প্রকৌশলের কৌশলগত প্রয়োগ

অ্যাস্ট্রোটার্ফিং (Astroturfing) হলো এমন একটি কৌশল যেখানে একটি সুসংগঠিত এবং উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক বা বাণিজ্যিক প্রচারণা অত্যন্ত নিপুণভাবে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যেন মনে হয় এটি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত এবং তৃণমূল পর্যায়ের (Grassroots) একটি আন্দোলন। 'অ্যাস্ট্রোটার্ফ' শব্দটি মূলত কৃত্রিম ঘাসের (Artificial Turf) সাথে তুলনা করা হয়েছে, যা দেখতে আসল ঘাসের মতো হলেও আসলে তা কৃত্রিম। ঠিক তেমনি, অ্যাস্ট্রোটার্ফিংয়ের মাধ্যমে তৈরি করা জনমত দেখতে অত্যন্ত স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত মনে হলেও এর পেছনে থাকে শক্তিশালী কোনো রাজনৈতিক বা কর্পোরেট শক্তির কারসাজি।

রাজনৈতিক প্রকৌশলীরা যখন কোনো নির্দিষ্ট নীতি বা মতাদর্শকে জনসমর্থন পাইয়ে দিতে চান, তখন তারা সরাসরি প্রচার না করে অ্যাস্ট্রোটার্ফিংয়ের আশ্রয় নেন। তারা বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপ, ইনফ্লুয়েন্সার এবং বট ব্যবহার করে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেন যেখানে মনে হয় সাধারণ মানুষ এই পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছে। এই কৌশলটি অত্যন্ত ধূর্ত, কারণ এটি সরাসরি প্রচারণার বিরুদ্ধে যে জনরোষ তৈরি হতে পারে, তা এড়িয়ে চলতে সাহায্য করে। এটি মূলত সত্যের একটি 'ডিজিটাল প্রতিচ্ছবি' তৈরি করে, যা আসল সত্যকে ঢেকে ফেলে।

ইসলামি ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠী যখন নিজেদের স্বার্থে ধর্মীয় বা সামাজিক টেক্সট বা নصوص (Texts) ব্যবহার বা পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছে, তখন তা ছিল এক ধরণের রাজনৈতিক প্রকৌশল। যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছে:

المبحث الثالث: جماعة حزب التحرير مثالاً للتلاعب بالنصوص الشرعية. تُعدُّ الأحزاب والجماعات السياسية الإسلاموية من أمثلةِ الفئات المسلمة التي رأت في أشياءَ من السنة...

[2]

এখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী শরীয়তের টেক্সট বা নصوص ব্যবহারের ক্ষেত্রে কারসাজি বা 'তালাউব' (التلاعب) করে থাকে। অ্যাস্ট্রোটার্ফিংয়ের সাথে এর গভীর সাদৃশ্য রয়েছে; উভয় ক্ষেত্রেই মূল সত্য বা টেক্সটকে ব্যবহার করা হয় একটি কৃত্রিম ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত জনমত বা রাজনৈতিক অবস্থান তৈরির জন্য। অ্যাস্ট্রোটার্ফিংয়ের মাধ্যমে যখন কোনো মিথ্যা দাবিকে 'জনগণের দাবি' হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, তখন তা মূলত একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক এজেন্ডাকে ঢেকে রাখার একটি কৌশল মাত্র।

ভূ-রাজনৈতিকভাবে, অ্যাস্ট্রোটার্ফিং একটি অত্যন্ত শক্তিশালী অস্ত্র। একটি রাষ্ট্র অন্য একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার জন্য বা সেই রাষ্ট্রের জনমতকে বিভক্ত করার জন্য এই কৌশলটি ব্যবহার করতে পারে। যখন কোনো দেশের অভ্যন্তরে কৃত্রিমভাবে বিভাজন সৃষ্টি করা হয়, তখন সেই দেশের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়ে। এটি কেবল একটি রাজনৈতিক কৌশল নয়, বরং এটি একটি 'কগনিটিভ ওয়ারফেয়ার' (Cognitive Warfare) বা জ্ঞানীয় যুদ্ধ, যেখানে মানুষের চিন্তাশক্তি এবং বিশ্বাসকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

তথ্য যাচাইয়ের অপরিহার্যতা: ডিজিটাল যুগে 'ইসনাদ' ও 'তাহারি'র প্রাসঙ্গিকতা

বট নেটওয়ার্ক এবং অ্যাস্ট্রোটার্ফিংয়ের এই যুগে, যেখানে তথ্য ও প্রোপাগান্ডার মধ্যে পার্থক্য করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে, সেখানে প্রাচীন ইসলামি জ্ঞানবিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি—'ইসনাদ' (Isnad) এবং 'তাহারি' (Tahari) বা সত্যতা যাচাই—অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। 'ইসনাদ' হলো কোনো তথ্য বা হাদিসের বর্ণনাকারীদের পরম্পরা বা চেইন অফ ন্যারেশন, যার মাধ্যমে তথ্যের উৎস এবং নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করা হয়। আধুনিক ডিজিটাল বিশ্বে, কোনো তথ্য বা সংবাদ দেখার সাথে সাথে তা গ্রহণ না করে তার উৎস (Source) এবং বর্ণনাকারীর (Messenger/Account) নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা অপরিহার্য।

সীরাত বা নবিজির জীবনী চর্চার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিটি অত্যন্ত কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। সীরাত এবং সাধারণ ইতিহাসের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো সীরাতের ক্ষেত্রে 'ইসনাদ' বা বর্ণনাকারীর পরম্পরা ছাড়া কোনো ঘটনাকে গ্রহণ করা হয় না। এই বিষয়ে বলা হয়েছে:

وتفترق السيرة عن التاريخ في أن موضوعها لا يستقيم بغير الإسناد الذي بمثله يقبل الحديث، ومن ثم وجب التحري في إثبات أحداثها؛ لأنه لا ينبغي للمؤرخ...

[3]

এই ইবারতটি স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, সীরাতের বিষয়বস্তু 'ইসনাদ' বা বর্ণনাকারীর পরম্পরা ছাড়া অসম্পূর্ণ। সুতরাং, কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা তথ্যকে গ্রহণ করার আগে তার উৎস সম্পর্কে 'তাহারি' বা গভীর অনুসন্ধান করা বাধ্যতামূলক। বর্তমানের ডিজিটাল যুগে, যখন বট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হাজার হাজার অ্যাকাউন্ট একই তথ্য ছড়ায়, তখন সেই তথ্যের 'ইসনাদ' বা উৎস খুঁজে বের করা এবং তা যাচাই করা একজন সচেতন মুসলিম ও জ্ঞানপিপাসুর প্রধান দায়িত্ব। কোনো তথ্য যদি কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র বা প্রামাণ্য উৎস থেকে না আসে, তবে তা গ্রহণ করা বিভ্রান্তির কারণ হতে পারে।

পূর্ববর্তী সালাফগণ (Salaf) এই বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক ছিলেন। তারা কেবল তথ্যের বাহ্যিক রূপ দেখে বিভ্রান্ত হতেন না, বরং তথ্যের উৎস এবং বর্ণনাকারীর সততা ও স্মৃতিশক্তি যাচাই করতেন। আল-উলাহ (Alukah) এর একটি অন্য তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে:

ولقد كان السلف عليهم رضوان الله من أشد الناس تحرجاً في تفسير القرآن، مع غزارة علمهم، وجودة قرائحهم، واستقامة لغتهم.

[4]

সালাফগণ অত্যন্ত জ্ঞানসম্পন্ন এবং প্রজ্ঞাবান হওয়া সত্ত্বেও কুরআন ও হাদিসের ব্যাখ্যা বা তথ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতেন। এই সতর্কতা বা 'তাহারি'র মানসিকতা বর্তমানের ডিজিটাল যুগে অত্যন্ত প্রয়োজন। যখন আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো বিতর্কিত তথ্য বা কোনো রাজনৈতিক দাবি দেখি, তখন আমাদের উচিত সালাফদের মতো সতর্ক হওয়া। তথ্যের উৎস যাচাই না করে বা তার 'ডিজিটাল ইসনাদ' (অর্থাৎ সেই অ্যাকাউন্টটি কি কোনো নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান নাকি একটি বট?) নিশ্চিত না করে কোনো কিছু বিশ্বাস করা বা প্রচার করা থেকে বিরত থাকা উচিত।

সামগ্রিক বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে, বট নেটওয়ার্ক এবং অ্যাস্ট্রোটার্ফিং হলো আধুনিক যুগের এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। এই প্রযুক্তিগত প্রপঞ্চগুলো মানুষের বিচারবুদ্ধিকে বিভ্রান্ত করার জন্য অত্যন্ত সুসংগঠিতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে, ইসলামি ঐতিহ্যের 'ইসনাদ' এবং 'তাহারি'র জ্ঞানতাত্ত্বিক কাঠামো অনুসরণ করে এবং তথ্যের উৎস সম্পর্কে কঠোর সতর্কতা অবলম্বন করার মাধ্যমে এই ডিজিটাল ফেতনা বা বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। সত্যের সন্ধানে কেবল তথ্যের সংখ্যা নয়, বরং তথ্যের উৎস ও বিশুদ্ধতাই হওয়া উচিত আমাদের মূল মাপকাঠি।

""
৭.৩ বট নেটওয়ার্ক (Bot Networks) এবং অ্যাস্ট্রোটার্ফিং (Astroturfing): কৃত্রিমভাবে জনমত (Public Opinion) তৈরির পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

৭.৩ বট নেটওয়ার্ক (Bot Networks) এবং অ্যাস্ট্রোটার্ফিং (Astroturfing): কৃত্রিম জনমত গঠন ও ইসলামিক নৈতিকতা কুইজ

1 / 5

অ্যাস্ট্রোটার্ফিং (Astroturfing) কী?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...