খণ্ড 81
ফন্ট:100%
থিম:

১২.৬ ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম (UBI) বিতর্ক এবং বাইতুল মালের স্টাইপেন্ড সিস্টেম (Stipend System)

একবিংশ শতাব্দীর বিশ্ব অর্থনীতি যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), অটোমেশন এবং ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের সম্মুখীন, তখন 'ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম' (Universal Basic Income বা UBI) ধারণাটি একটি বৈশ্বিক তাত্ত্বিক বিতর্কের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায়, UBI হলো এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিককে, তাদের সামাজিক বা অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে, একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নিয়মিতভাবে প্রদান করা হয়। এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য বিমোচন এবং মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করা। তবে, এই আধুনিক ধারণাটি যখন ইসলামের ঐতিহাসিক 'বাইতুল মাল' (Bayt al-Mal) এবং এর মাধ্যমে পরিচালিত স্টাইপেন্ড বা ভাতা প্রদান পদ্ধতির সাথে তুলনা করা হয়, তখন একটি গভীর তাত্ত্বিক ও কাঠামোগত পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। ইসলামের অর্থনৈতিক দর্শন কেবল ভোগের জন্য অর্থ প্রদান নয়, বরং সম্পদের গতিশীলতা এবং উৎপাদনশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে।

ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম (UBI)-এর তাত্ত্বিক কাঠামো ও সমকালীন ভূ-রাজনীতি

আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে UBI-এর প্রবক্তারা যুক্তি দেন যে, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে শ্রমবাজারের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটবে এবং মানুষের কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং 'কালেক্টিভ সিকিউরিটি' (Collective Security) নিশ্চিত করতে একটি নিশ্চিত আয়ের উৎস প্রয়োজন। তবে সমালোচকরা মনে করেন, এই ব্যবস্থাটি মানুষের কর্মস্পৃহা কমিয়ে দিতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত করতে পারে। UBI মূলত একটি 'কনজাম্পশন-বেসড' বা ভোগমুখী মডেল, যেখানে রাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো নাগরিকের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখা।

এই বৈশ্বিক বিতর্কের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ইসলামের অর্থনৈতিক মডেলটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইসলামের লক্ষ্য কেবল নাগরিকের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষা করা নয়, বরং সম্পদের সুষম বণ্টন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। ইসলামের অর্থনৈতিক কাঠামোর মূল ভিত্তি হলো সম্পদের প্রবাহকে অব্যাহত রাখা এবং তা যেন কেবল মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে কুক্ষিগত না থাকে। বাইতুল মালের মাধ্যমে পরিচালিত অর্থ বণ্টন ব্যবস্থা কেবল একটি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ছিল না, বরং এটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত অর্থনৈতিক প্রকৌশল, যা সমাজের প্রতিটি স্তরে সম্পদের সঞ্চালন নিশ্চিত করত।

আধুনিক UBI মডেলটি যেখানে নাগরিকের ব্যক্তিগত চাহিদাকে কেন্দ্র করে পরিচালিত, সেখানে নববী অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সম্পদের বণ্টন ছিল সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং উৎপাদনশীলতার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাইতুল মালের তহবিল বা 'আমওয়াল' (Amwal) [1] ব্যবস্থাপনার মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মৌলিক চাহিদা পূরণ করা এবং একই সাথে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে প্রাণবন্ত রাখা। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্র কেবল একটি 'প্যাসিভ' বা নিষ্ক্রিয় ভাতা প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে নয়, বরং একটি 'অ্যাক্টিভ' বা সক্রিয় অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করত।

বাইতুল মাল ও সম্পদের ব্যবস্থাপনা: 'আমওয়াল' (Amwal)-এর তাত্ত্বিক ভিত্তি

ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাইতুল মাল ছিল কেন্দ্রীয় কোষাগার, যা থেকে যাকাত, ফি, খরাজ এবং অন্যান্য উৎস থেকে সংগৃহীত সম্পদ পরিচালিত হতো। এই সম্পদের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাকে বলা হতো 'আমওয়াল' (Amwal) [2] । এই 'আমওয়াল' বা সম্পদের ব্যবস্থাপনা কেবল একটি প্রশাসনিক কাজ ছিল না, বরং এটি ছিল একটি উচ্চতর নৈতিক ও অর্থনৈতিক দায়িত্ব। বাইতুল মালের মূল দর্শন ছিল সম্পদের এমন একটি বণ্টন নিশ্চিত করা, যা সমাজে চরম বৈষম্য রোধ করবে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে।

বাইতুল মালের মাধ্যমে যখন কোনো ব্যক্তিকে ভাতা বা স্টাইপেন্ড প্রদান করা হতো, তখন তার পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট সামাজিক ও অর্থনৈতিক লক্ষ্য বিদ্যমান থাকত। আধুনিক UBI-এর মতো এখানে কোনো 'অনির্দিষ্ট' বা 'অযৌক্তিক' বণ্টন ছিল না। বরং সম্পদের এই ব্যবস্থাপনা ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। সম্পদের এই বিশাল ভাণ্ডার বা 'আমওয়াল' [3] ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র সর্বদা খেয়াল রাখত যেন তা কেবল সাময়িক ত্রাণ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়, বরং তা যেন দীর্ঘমেয়াদী সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, বাইতুল মালের তহবিল থেকে প্রাপ্ত অর্থ কেবল খাদ্য বা বস্ত্রের জন্য নয়, বরং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ব্যবহৃত হতো। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্র একটি 'সোশ্যাল সেফটি নেটওয়ার্ক' তৈরি করেছিল, যা আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের 'ওয়েলফেয়ার স্টেট' (Welfare State) ধারণার চেয়েও অনেক বেশি ব্যাপক ও কার্যকর ছিল। সম্পদের এই সুষম বণ্টন এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী সামাজিক সংহতি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছিল, যা বর্তমান বিশ্বের অনেক উন্নত রাষ্ট্রও এখনো অর্জন করতে হিমশিম খাচ্ছে।

মুদারাবাহ ও কিরাদ: উৎপাদনমুখী সম্পদ বণ্টন ও অর্থনৈতিক গতিশীলতা

ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সবচেয়ে বৈপ্লবিক দিকটি হলো এর উৎপাদনমুখী চরিত্র। যেখানে আধুনিক UBI কেবল মানুষের ভোগ ক্ষমতা বাড়াতে চায়, সেখানে ইসলামের অর্থনৈতিক কাঠামো সম্পদকে কেবল বিতরণ করে না, বরং তাকে বিনিয়োগের মাধ্যমে পুনরায় উৎপাদনশীল কাজে নিয়োজিত করে। এই প্রক্রিয়ার একটি অন্যতম প্রধান হাতিয়ার ছিল 'মুদারাবাহ' (Mudarabah) এবং 'কিরাদ' (Qirad)। এই পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে পুঁজি এবং শ্রমের মধ্যে একটি চমৎকার সমন্বয় ঘটানো হতো, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করত।

ঐতিহাসিক নথিপত্র অনুযায়ী, তৎকালীন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে পুঁজি ও শ্রমের এই সমন্বয় অত্যন্ত সুসংগঠিত ছিল। এর একটি বিস্তারিত বিবরণ নিম্নরূপ:


ফাকানূ ইউ'তূনাল মালা মুদারাবাহ ইলা শাখসিন ইয়াতাজাজ্জারু বিহি, আলা জুরইন ইয়াকহুযুহু মিন রুবহিল মাল, ওয়া যালিকা কাআন্না ইউ'তা মু রুব মাল রাজুলান মালান ইয়া'মালু ফিহি ওয়া ইউ'যিনু লাহু আন ইয়াশতিয়া মা ইয়াশা', ওয়া আন ইয়াবি'আ বিস-সি'রিল্লাযি ইয়াশা', ওয়া ইউদীরু হাযাল মালা আলা ইয়াদাইহি, ওয়া বা'দা ইখরাজী রা'সিল মাল ওয়া মা সুরিফা 'আলাত-তিজারতি মিন আত'আবিন ওয়া উজুরিন ওয়া দারায়িব, ইউযাব্বাউর-রুবহু নুসফাইন, আও উসলাসান: লি-রুব্বিল মাল আস-থুলসানি, ওয়া লিল-'আমিলি বি-হাক্কি আমালিহি আস-থুলু, আও হাসাবা মা তা'আক্বাদা আলাইহি। ওয়া ক্বীলা: আল-কিরাদু: আন ইয়ুদফা ইলাইহি মালুন লি-ইয়াতাজ্জিরা বিহি ওয়ার-রুবহু বাইনাহুমা আলা মা ইশতারতানা, ওয়াল-ওয়াদী'আতু আলাল মাল।

[4]

উপরোক্ত ইবারত বা পাঠ্যটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, তৎকালীন সময়ে পুঁজি বা 'মাল' (Mal) কেবল সঞ্চিত সম্পদ হিসেবে পড়ে থাকত না, বরং তা মুদারাবাহ পদ্ধতিতে ব্যবসায়িক কাজে নিয়োজিত করা হতো। একজন পুঁজি সরবরাহকারী (Rab al-Mal) একজন দক্ষ ব্যবসায়ী বা শ্রমিকের (Amil) কাছে তার সম্পদ হস্তান্তর করতেন যাতে তিনি তা দিয়ে বাণিজ্য করতে পারেন [5] । এই প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়ীকে তার ইচ্ছানুযায়ী পণ্য ক্রয় ও বিক্রয় করার পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হতো। বাণিজ্যের যাবতীয় ব্যয়, শ্রমিকের পারিশ্রমিক এবং কর পরিশোধের পর অবশিষ্ট মুনাফা (Profit) পূর্বনির্ধারিত চুক্তিমতো উভয় পক্ষের মধ্যে বণ্টন করা হতো [6]

এই পদ্ধতিটি আধুনিক UBI থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। UBI মানুষকে কেবল ভোক্তা হিসেবে তৈরি করে, কিন্তু মুদারাবাহ বা কিরাদ পদ্ধতি মানুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলে। এখানে রাষ্ট্র বা পুঁজি সরবরাহকারী কেবল অর্থ প্রদানকারী নয়, বরং তিনি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি অংশীদার। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজের শ্রমজীবী মানুষ বা দক্ষ কারিগররা পুঁজির অভাবে পিছিয়ে পড়ত না, বরং তারা পুঁজির ব্যবহারকারী হিসেবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারত [7] । এটি একটি 'প্রোডাক্টিভ ক্যাপিটালিস্ট' মডেল, যা সম্পদের কেন্দ্রীকরণ রোধ করে এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখে।

ইউবিআই বনাম নববী স্টাইপেন্ড সিস্টেম: একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ

আধুনিক UBI এবং নববী স্টাইপেন্ড সিস্টেমের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যটি হলো 'উদ্দেশ্য' এবং 'প্রভাব'। UBI মূলত একটি প্যাসিভ বা নিষ্ক্রিয় ব্যবস্থা, যা মানুষকে একটি নির্দিষ্ট জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে সাহায্য করে, কিন্তু এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে না। অন্যদিকে, বাইতুল মালের মাধ্যমে পরিচালিত স্টাইপেন্ড এবং মুদারাবাহ ভিত্তিক ব্যবস্থা ছিল একটি সক্রিয় অর্থনৈতিক ইঞ্জিন। ইসলামের এই মডেলে অর্থ কেবল মানুষের পকেটে পৌঁছাত না, বরং তা ব্যবসার মাধ্যমে পুনরায় বাজারে ফিরে আসত, যা সামগ্রিক জিডিপি (GDP) বৃদ্ধিতে সহায়তা করত।

মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, UBI মানুষের মধ্যে একটি 'নিরাপত্তা বোধ' তৈরি করলেও তা অনেক ক্ষেত্রে 'নির্ভরশীলতা' বা 'অলসতা'র জন্ম দিতে পারে। কিন্তু নববী অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় স্টাইপেন্ড এবং পুঁজি বিনিয়োগের মাধ্যমে মানুষকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ দেওয়া হতো। মুদারাবাহ পদ্ধতিতে একজন ব্যক্তি যখন পুঁজি নিয়ে ব্যবসায় নামতেন, তখন তিনি কেবল সরকারি ভাতার ওপর নির্ভরশীল থাকতেন না, বরং তিনি নিজের শ্রম ও মেধার মাধ্যমে সম্পদ সৃষ্টির সুযোগ পেতেন [8] । এটি মানুষের আত্মমর্যাদা (Dignity) রক্ষা করার একটি শ্রেষ্ঠ মাধ্যম ছিল।

ভূ-রাজনৈতিক ও সামষ্টিক নিরাপত্তার (Collective Security) বিচারেও নববী মডেলটি অধিকতর শক্তিশালী। আধুনিক রাষ্ট্রগুলো যখন UBI প্রদান করে, তখন তারা মূলত মুদ্রাস্ফীতি এবং ঋণের বোঝা সামলাতে হিমশিম খায়। কিন্তু ইসলামের অর্থনৈতিক কাঠামোতে যাকাত এবং অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত সম্পদের সুষম বণ্টন এবং মুদারাবাহর মতো উৎপাদনমুখী বিনিয়োগের মাধ্যমে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনীতি বজায় রাখা সম্ভব হতো। সম্পদের এই গতিশীলতা সামাজিক অস্থিরতা হ্রাস করে এবং একটি স্থিতিশীল সমাজ কাঠামো নিশ্চিত করে, যা বর্তমান বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে।

""
১২.৬ ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম (UBI) বিতর্ক এবং বাইতুল মালের স্টাইপেন্ড সিস্টেম (Stipend System)
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১২.৬ ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম (UBI) বিতর্ক এবং বাইতুল মালের স্টাইপেন্ড সিস্টেম (Stipend System) কুইজ

1 / 5

ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম (UBI) এর মূল ধারণা কী?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...