খণ্ড 92
ফন্ট:100%
থিম:

১৩.৫২ নিউ-অ্যাথিস্টদের (New Atheists) ডিটারমিনিজম (Determinism): মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা যদি ইলিউশন হয়, তবে নৈতিকতার ভিত্তি কী?

আধুনিক যুগের নিউ-অ্যাথিজম বা নব্য-নাস্তিক্যবাদের একটি অন্যতম স্তম্ভ হলো 'ডিটারমিনিজম' বা নিয়তিবাদ। এই মতবাদটি মূলত পদার্থবিজ্ঞান, নিউরোসায়েন্স এবং বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানের এক সংকীর্ণ সংমিশ্রণ, যেখানে দাবি করা হয় যে মহাবিশ্বের প্রতিটি ঘটনা—মানুষের চিন্তা ও সিদ্ধান্তসহ—পূর্বনির্ধারিত প্রাকৃতিক নিয়মের ফল। নিউ-অ্যাথিস্টদের মতে, মানুষের 'স্বাধীন ইচ্ছা' (Free Will) বলে কিছু নেই; বরং এটি মস্তিষ্কের রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং নিউরাল নেটওয়ার্কের একটি জটিল ইলিউশন বা বিভ্রম মাত্র। এই দার্শনিক অবস্থানটি কেবল ধর্মতত্ত্বের সাথে সংঘাত সৃষ্টি করে না, বরং এটি মানবসভ্যতার মৌলিক নৈতিক ভিত্তি এবং বিচারব্যবস্থাকে এক চরম সংকটের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। যদি মানুষের প্রতিটি কাজ তার জিনগত গঠন এবং পরিবেশগত প্রভাব দ্বারা পূর্বনির্ধারিত হয়, তবে অপরাধীর শাস্তি বা পুণ্যবান ব্যক্তির পুরস্কারের যৌক্তিকতা কোথায় থাকে?

নিউ-অ্যাথিস্ট ডিটারমিনিজমের বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক ভিত্তি


নিউ-অ্যাথিস্টরা, বিশেষ করে রিচার্ড ডকিন্স বা স্যাম হ্যারিসের মতো চিন্তাবিদদের প্রভাবাধীন ধারায়, মানুষকে একটি 'বায়োলজিক্যাল মেশিন' হিসেবে গণ্য করেন। তাদের যুক্তি হলো, মস্তিষ্ক পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম মেনে চলে। যেহেতু পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মগুলো ডিটারমিনিস্টিক (অর্থাৎ নির্দিষ্ট ইনপুটের বিপরীতে নির্দিষ্ট আউটপুট), তাই মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াটিও পূর্বনির্ধারিত। তারা দাবি করেন যে, আমরা যখন কোনো সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমাদের সচেতন মন সেই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে একটি 'ইচ্ছা'র কথা কল্পনা করে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেই সিদ্ধান্তটি আগেই নিউরনের বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে মানুষের চেতনা (Consciousness) কেবল একটি 'এপিপেনোমেনন' বা উপজাত পণ্য, যার বাস্তব কোনো কার্যকারিতা নেই।

এই ডিটারমিনিস্টিক কাঠামোটি মানুষকে তার অস্তিত্বের কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেয়। এখানে মানুষ আর কোনো নৈতিক এজেন্ট (Moral Agent) থাকে না, বরং সে হয়ে ওঠে প্রাকৃতিক শক্তির এক নিষ্ক্রিয় বাহক। এই দর্শনের চরম পরিণতি হলো 'হার্ড ডিটারমিনিজম', যেখানে বলা হয় যে, একজন খুনি খুনের কাজটির জন্য দায়ী নয়, কারণ তার মস্তিষ্কের গঠন এবং শৈশবের পরিবেশ তাকে সেই কাজের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এই যুক্তিটি আপাতদৃষ্টিতে বৈজ্ঞানিক মনে হলেও, এটি বাস্তব জীবনের সামাজিক ও আইনি কাঠামোর সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। যদি স্বাধীন ইচ্ছা একটি ইলিউশন হয়, তবে 'দায়িত্ব' (Responsibility) শব্দটির কোনো অর্থ থাকে না।

তবে এই বৈজ্ঞানিক দাবিটি একপাক্ষিক। আধুনিক কোয়ান্টাম মেকানিক্সের 'আনসার্টেইনটি প্রিন্সিপাল' (Uncertainty Principle) প্রমাণ করেছে যে, মহাবিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্তরে সবকিছু ডিটারমিনিস্টিক নয়, বরং সেখানে সম্ভাবনা (Probability) কাজ করে। নিউ-অ্যাথিস্টরা যখন কেবল ক্লাসিক্যাল ফিজিক্সের আলোকে মস্তিষ্ককে ব্যাখ্যা করেন, তখন তারা মানব চেতনার সেই রহস্যময় দিকটিকে অস্বীকার করেন যা তাকে কেবল জৈবিক তাড়নার ঊর্ধ্বে নিয়ে যায়। এই সীমাবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গিই তাদের নৈতিক শূন্যতার দিকে ঠেলে দেয়।

নৈতিকতার সংকট: স্বাধীন ইচ্ছা বনাম দায়বদ্ধতা


ডিটারমিনিজমের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়ে নৈতিকতার সংজ্ঞায়। নৈতিকতা মূলত এই ধারণার ওপর প্রতিষ্ঠিত যে, একজন মানুষ তার সামনে থাকা একাধিক বিকল্পের মধ্য থেকে একটিকে বেছে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। যদি এই 'বেছে নেওয়ার ক্ষমতা' বা স্বাধীন ইচ্ছা না থাকে, তবে নৈতিক প্রশংসা (Praise) এবং নৈতিক নিন্দা (Blame)—উভয়ই অর্থহীন হয়ে পড়ে। নিউ-অ্যাথিস্টদের এই ডিটারমিনিস্টিক মডেলে, একজন ব্যক্তি সৎ হওয়ার জন্য যেমন প্রশংসার যোগ্য নয়, তেমনি একজন অপরাধী তার অপরাধের জন্য দণ্ড পাওয়ার যোগ্য নয়।

এই সংকটটি যখন আইনি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়, তখন তা এক চরম বিশৃঙ্খলার জন্ম দেয়। বর্তমান বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বিচারব্যবস্থা এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে চলে যে, অপরাধী স্বেচ্ছায় এবং সচেতনভাবে অপরাধটি করেছে। যদি ডিটারমিনিজমকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তবে কারাগারগুলো আর শাস্তির জায়গা থাকবে না, বরং সেগুলো হবে কেবল 'মেরামত কেন্দ্র' (Repair Center), যেখানে নষ্ট হয়ে যাওয়া জৈবিক যন্ত্রগুলোকে ঠিক করার চেষ্টা করা হবে। কিন্তু এই দৃষ্টিভঙ্গি মানুষের মর্যাদা (Human Dignity) এবং তার ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে। মানুষ তখন কেবল একটি রাসায়নিক সমীকরণে পরিণত হয়।

নিউ-অ্যাথিস্টরা এই সংকটের সমাধান হিসেবে অনেক সময় 'কম্প্যাটিবিলিজম' (Compatibilism) বা সামঞ্জস্যবাদের আশ্রয় নেন। তারা বলেন যে, যদিও সবকিছু নির্ধারিত, তবুও আমরা আমাদের ইচ্ছানুযায়ী কাজ করি বলে আমরা স্বাধীন। কিন্তু এটি একটি দার্শনিক স্ববিরোধিতা। যদি আমার ইচ্ছাটিই পূর্বনির্ধারিত হয়, তবে সেই ইচ্ছার অনুসরণ করাকে 'স্বাধীনতা' বলা যায় না। ফলে, ডিটারমিনিজমের চূড়ান্ত পরিণতি হলো একটি নৈতিক শূন্যতা, যেখানে ভালো এবং মন্দের পার্থক্য কেবল সামাজিক রীতির একটি অংশ হয়ে দাঁড়ায়, কোনো পরম সত্য বা নৈতিক বাধ্যবাধকতা হিসেবে নয়।

ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গি: কদর (তকদীর) এবং ইখতিয়ারের সমন্বয়


ইসলামিক আকীদা নিউ-অ্যাথিস্টদের এই চরম ডিটারমিনিজম এবং চরম লিবার্টেরিয়ানিজমের (যেখানে স্রষ্টার ইচ্ছার কোনো স্থান নেই) মধ্যবর্তী এক ভারসাম্যপূর্ণ পথ প্রদান করে। ইসলামে বিশ্বাস করা হয় যে, মহাবিশ্বের সবকিছু আল্লাহর জ্ঞানের অধীনে এবং তাঁর ইচ্ছায় পরিচালিত, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে মানুষ একটি পুতুল মাত্র। এখানে 'কদর' (Divine Decree) এবং 'ইখতিয়ার' (Human Choice) এর এক সূক্ষ্ম সমন্বয় রয়েছে। আল্লাহ তাআলা মানুষকে বিবেক এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন, যার ভিত্তিতে তাকে পরকালে বিচার করা হবে।

এই বিষয়ে ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহ. একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ প্রদান করেছেন। তিনি আল্লাহর ইচ্ছার দুটি ভিন্ন মাত্রার কথা বলেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, আল্লাহর নিজস্ব কার্যাবলীর ইচ্ছা এবং তাঁর সৃষ্টির কার্যাবলীর ইচ্ছার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তিনি বলেন:


ففَرقٌ بين إرادةِ أفعالِه وإرادةِ مَفعولاتِه، فإنَّ أفعالَه خيرٌ كُلُّها وعدلٌ ومصلحةٌ وحِكْمةٌ لا شَرَّ فيها بوجهٍ من الوجوهٍ، وأما مفعولاتُه فهي مَورِدُ الانقسامِ
[1]
অর্থাৎ, "আল্লাহর নিজস্ব কার্যাবলীর ইচ্ছা এবং তাঁর সৃষ্টিসমূহের কার্যাবলীর ইচ্ছার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাঁর নিজস্ব কার্যাবলী সম্পূর্ণ কল্যাণময়, ন্যায়সংগত, মাসলাহতী এবং প্রজ্ঞাপূর্ণ, যাতে কোনো প্রকার মন্দ নেই। কিন্তু তাঁর সৃষ্টিসমূহের কার্যাবলীর ক্ষেত্রে বিষয়টি বিভক্ত।"

এই বিশ্লেষণটি নিউ-অ্যাথিস্টদের ডিটারমিনিজমের দাঁতভাঙা জবাব দেয়। ইসলাম অনুযায়ী, আল্লাহ তাআলা মানুষকে স্বাধীনতা দিয়েছেন যাতে সে তার ঈমান ও আমলের মাধ্যমে নিজের পরিচয় প্রমাণ করতে পারে। আল্লাহর জ্ঞান (Knowledge) এবং নির্ধারণ (Decree) মানুষের ইচ্ছাকে খণ্ডন করে না, বরং তা মানুষের ইচ্ছার সাথে সংগতিপূর্ণ। আল্লাহ আগে থেকেই জানেন মানুষ কী বেছে নেবে, কিন্তু তিনি তাকে সেই পছন্দটি করার স্বাধীনতা দিয়েছেন। সুতরাং, মানুষ তার কাজের জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী, কারণ তার কাছে 'ইখতিয়ার' বা পছন্দ করার ক্ষমতা ছিল।

মহাজাগতিক শৃঙ্খলা এবং উদ্দেশ্যমূলক সৃষ্টি


নিউ-অ্যাথিস্টরা মহাবিশ্বের নিয়মকে কেবল অন্ধ ডিটারমিনিজম হিসেবে দেখে, কিন্তু একজন মুমিন এই নিয়মকে দেখেন স্রষ্টার প্রজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে। মহাবিশ্বের প্রতিটি অণু-পরমাণু যে এক নিখুঁত নিয়মে পরিচালিত হচ্ছে, তা প্রমাণ করে যে এর পেছনে একজন মহাপরাক্রমশালী পরিকল্পনাকারী রয়েছেন। এই শৃঙ্খলা বা সিস্টেমটি মানুষের জন্য একটি সংকেত, যাতে সে তার স্রষ্টাকে চিনতে পারে।

এই প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে, কুরআনে বর্ণিত মহাজাগতিক নিদর্শনগুলো কেবল তথ্যের জন্য নয়, বরং তা ঈমানের দিকে আহ্বান করার একটি মাধ্যম। যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছে:


والقرآن لم يذكر هذه الآيات الكونية على أنها مقصودة لذاتها؛ ولكنها دعوة عملية للإيمان بالله من منطلق أن كل ما نشاهده في هذا الكون فهو خاضع للنظام الدقيق وللعناية
[2]
অর্থাৎ, "কুরআন এই মহাজাগতিক নিদর্শনগুলোকে কেবল তাদের নিজস্ব সত্তার জন্য উল্লেখ করেনি; বরং এগুলো আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার একটি ব্যবহারিক আহ্বান, এই দৃষ্টিকোণ থেকে যে—এই মহাবিশ্বে আমরা যা কিছু দেখি, তা এক নিখুঁত ব্যবস্থা (النظام الدقيق) এবং বিশেষ তত্ত্বাবধানের অধীন।"

এই 'নিখুঁত ব্যবস্থা' বা 'সিস্টেম' এবং মানুষের 'স্বাধীন ইচ্ছা'র মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। বরং এই সিস্টেমটিই মানুষের জন্য একটি মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছে যেখানে সে তার স্বাধীন ইচ্ছাকে প্রয়োগ করতে পারে। নিউ-অ্যাথিস্টরা যখন এই সিস্টেমটিকে কেবল যান্ত্রিক নিয়মে সীমাবদ্ধ করেন, তখন তারা এর পেছনের 'উদ্দেশ্য' (Purpose) এবং 'প্রজ্ঞা' (Wisdom)-কে অস্বীকার করেন। অথচ উদ্দেশ্যহীন কোনো সিস্টেম নৈতিকতার জন্ম দিতে পারে না। নৈতিকতা কেবল তখনই সম্ভব যখন সৃষ্টির পেছনে একটি উদ্দেশ্য থাকে এবং সেই উদ্দেশ্য অর্জনে মানুষের সক্রিয় ভূমিকা থাকে।

উপসংহারমূলক বিশ্লেষণ: ডিটারমিনিজমের বিপরীতে নৈতিক উত্তরণ


নিউ-অ্যাথিস্টদের ডিটারমিনিজম মানুষকে তার অস্তিত্বের উচ্চতর মর্যাদা থেকে নামিয়ে এনে তাকে কেবল একটি জৈবিক যন্ত্রে পরিণত করেছে। এই দর্শনের ফলে নৈতিকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে আপেক্ষিক এবং ভিত্তিহীন। যদি স্বাধীন ইচ্ছা একটি ইলিউশন হয়, তবে ন্যায়বিচার কেবল একটি সামাজিক কল্পনা মাত্র। বিপরীতে, ইসলামি দর্শন প্রমাণ করে যে, মহাজাগতিক নিয়মের সাথে মানুষের স্বাধীন ইচ্ছার সহাবস্থান সম্ভব। আল্লাহর সার্বভৌম ক্ষমতা এবং মানুষের দায়বদ্ধতা—এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই প্রকৃত নৈতিকতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মানুষ কেবল নিউরনের সংকেত বা ডিএনএ-র দাস নয়, বরং সে আল্লাহর প্রতিনিধি (খলিফা), যাকে বিবেক এবং ইচ্ছাশক্তির এক অনন্য সমন্বয় দেওয়া হয়েছে। নিউ-অ্যাথিস্টদের ডিটারমিনিজম যেখানে মানুষকে হতাশা এবং নৈতিক শূন্যতার দিকে নিয়ে যায়, সেখানে ইসলামি আকীদা মানুষকে তার কাজের প্রতি দায়িত্বশীল করে তোলে এবং পরকালীন জবাবদিহিতার মাধ্যমে জীবনের একটি চূড়ান্ত অর্থ প্রদান করে। সুতরাং, স্বাধীন ইচ্ছা কোনো ইলিউশন নয়, বরং এটি মানুষের মানবত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ এবং নৈতিকতার একমাত্র বাস্তব ভিত্তি।

""
১৩.৫২ নিউ-অ্যাথিস্টদের (New Atheists) ডিটারমিনিজম (Determinism): মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা যদি ইলিউশন হয়, তবে নৈতিকতার ভিত্তি কী?
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১৩.৫২ নিউ-অ্যাথিস্টদের (New Atheists) ডিটারমিনিজম (Determinism): মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা যদি ইলিউশন হয়, তবে নৈতিকতার ভিত্তি কী? কুইজ

1 / 5

নিউ-অ্যাথিস্টদের ডিটারমিনিজম মতবাদ অনুযায়ী মানুষের 'স্বাধীন ইচ্ছা' (Free Will) কী?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...