খণ্ড 14
ফন্ট:100%
থিম:

৫.১.১ এল্ডারলি অ্যাবিউজ (Elderly Abuse): বয়স্ক নাগরিকের ওপর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের ঐতিহাসিক প্রামাণ্য দলিল

মানব সভ্যতার ইতিহাসে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার এবং এর ফলে সৃষ্ট সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতসমূহ অত্যন্ত গভীর। যখন একটি রাষ্ট্র বা শাসনব্যবস্থা তার নাগরিকদের সুরক্ষার পরিবর্তে তাদের দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন সেই শাসনব্যবস্থাকে 'রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ' (State Terrorism) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই সন্ত্রাসের অন্যতম প্রধান এবং সবচেয়ে করুণ শিকার হয় প্রবীণ বা বয়স্ক নাগরিকরা। 'এল্ডারলি অ্যাবিউজ' বা বয়স্কদের ওপর নির্যাতন কেবল পারিবারিক বা সামাজিক অপরাধ নয়, বরং এটি অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিকল্পিত অবমাননা ও প্রান্তিককরণের একটি রাজনৈতিক কৌশল। প্রবীণরা যেহেতু প্রায়শই রাজনৈতিক ক্ষমতার বাইরে এবং শারীরিক ও সামাজিকভাবে দুর্বল অবস্থায় থাকেন, তাই একনায়কতান্ত্রিক বা অরাজকতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় তারা সবচেয়ে বেশি আক্রমণের সম্মুখীন হন।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ মূলত ভীতি বা 'رهب' (Rahb) সৃষ্টির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই ভীতি কেবল শারীরিক আঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানুষের অস্তিত্বের নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে খর্ব করার একটি পদ্ধতি। যখন একটি রাষ্ট্র তার প্রবীণ নাগরিকদের প্রতি অবহেলা বা সহিংসতা প্রদর্শন করে, তখন তা মূলত সমাজের নৈতিক ভিত্তি এবং প্রজন্মের মধ্যকার সংযোগকে বিচ্ছিন্ন করার একটি কৌশল হিসেবে কাজ করে। এই নিবন্ধে আমরা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, সামাজিক অবক্ষয় এবং এর বিপরীতে ইসলামি প্রশাসনিক ন্যায়বিচারের আলোকে প্রবীণদের সুরক্ষা ও অধিকারের একটি তাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করছি।

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি ও ভীতিপ্রদ শাসনব্যবস্থা

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের মূল চালিকাশক্তি হলো ভীতি প্রদর্শন। যখন কোনো শাসক বা গোষ্ঠী জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়, তখন তারা যেকোনো ধরনের অন্যায় বা নিপীড়ন চালিয়ে যেতে পারে। এই ভীতি বা 'رهب' (Rahb) শব্দটি কুরআনের বিভিন্ন স্থানে মানুষের অন্তরে সৃষ্ট ভয় ও আনুগত্যের প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়েছে।

ويدعوننا رغبًا ورهبًا وكانوا لنا خاشعين
[1] । এই মনস্তাত্ত্বিক প্রেক্ষাপটটি যখন নেতিবাচকভাবে রাষ্ট্রীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তা একটি ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।

বিশ শতকের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ উদাহরণ হলো নাৎসি জার্মানির শাসনব্যবস্থা। অ্যাডলফ হিটলারের মতো একনায়কতান্ত্রিক শাসনে যখন নাৎসি দল এবং তাদের গোপন পুলিশ বাহিনী 'গেস্টাপো' (Gestapo) এবং 'ভারমাখ্ট' (Wehrmacht) এর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করত, তখন তারা মূলত জনগণের একটি বিশাল অংশকে সন্ত্রাসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়েছিল। এই শাসনব্যবস্থায় কেবল রাজনৈতিক বিরোধীরাই নয়, বরং সমাজের দুর্বল ও প্রবীণ অংশকেও রাষ্ট্রীয় স্বার্থে বা আদর্শিক বিশুদ্ধতার নামে অবদমিত করা হতো।

وحين نقول إن ديكتاتورا مثل هتلر حکم و بالقوة، فإنما نعني أن أنصار هتلر. بما فيهم الحزب النازي والجستابو و الفيرماخت، استطاعوا إرهاب القطاع الأكبر من أفراد الشعب
[2] । এই ধরনের শাসনব্যবস্থায় প্রবীণ নাগরিকরা প্রায়শই রাষ্ট্রীয় নীতিমালার শিকার হন, যেখানে তাদের অভিজ্ঞতা বা প্রজ্ঞা রাষ্ট্রীয় স্বার্থে কোনো গুরুত্ব পায় না, বরং তাদের অস্তিত্বকে একটি বোঝা হিসেবে গণ্য করা হয়।

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের এই প্রক্রিয়াটি প্রবীণদের ওপর বহুমুখী প্রভাব ফেলে। প্রথমত, এটি তাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে তাদের অস্তিত্বের সংকট (Existential Crisis) তৈরি করে। দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্র যখন ভীতি প্রদর্শন করে, তখন প্রবীণরা তাদের সন্তানদের বা পরবর্তী প্রজন্মের কাছেও নিরাপদ বোধ করেন না, কারণ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস পরিবারের অভ্যন্তরীণ বন্ধনকেও শিথিল করে দেয়। এই ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন প্রবীণদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করে, যা অনেক ক্ষেত্রে তাদের দ্রুত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।

সামাজিক অবক্ষয় ও প্রবীণদের প্রতি অবমাননাকর দৃষ্টিভঙ্গি

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের পাশাপাশি সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় প্রবীণদের ওপর নির্যাতনের একটি অন্যতম কারণ। যখন একটি সমাজ তার নৈতিক ভিত্তি হারিয়ে ফেলে এবং মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা বা 'Empathy' বিলুপ্ত হয়ে যায়, তখন প্রবীণদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত নেতিবাচক ও অবমাননাকর হয়ে ওঠে। জোনাথন সুইফটের সাহিত্যিক ও দার্শনিক বিশ্লেষণে এই ধরনের সামাজিক অবক্ষয়ের একটি চিত্র ফুটে ওঠে, যেখানে মানুষের মধ্যে মানবিকতা ও দয়ার পরিবর্তে হিংসা ও স্বার্থপরতা প্রাধান্য পায়।

কিছু সমাজ বা গোষ্ঠী এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যেখানে প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধা বা ভালোবাসা বিলুপ্ত হয়। ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক বর্ণনায় দেখা যায়, কিছু ক্ষেত্রে প্রবীণদের জীবনকে কেবল একটি বোঝা হিসেবে দেখা হয়। বিশেষ করে যখন সমাজ 'Yahoo' বা অসভ্য ও পৈশাচিক প্রবৃত্তির মানুষের দ্বারা প্রভাবিত হয়, তখন প্রবীণদের প্রতি আচরণ অত্যন্ত নিষ্ঠুর হয়ে ওঠে।

فاذا بلغ هؤلاء المجرمون سن الثمانين وهي السن المعتبرة نهاية الحياة في بلدهم، لا تكون فيهم كل الحماقات والسقام والعلل التي في سائر المسنين فحسب، بل أكثر منها بكثير... بل كانوا كذلك غير أهل للصداقة، لا يستجيبون لأية عاطفة أو حب طبيعي
[3] । এই বর্ণনাটি নির্দেশ করে যে, একটি পচনশীল সমাজে প্রবীণদের সামাজিক ও আবেগীয় বিচ্ছিন্নতা কতটা ভয়াবহ হতে পারে।

এই ধরনের সামাজিক পরিবেশে প্রবীণরা কেবল শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন না, বরং তারা চরম একাকীত্ব ও অবহেলার শিকার হন। যখন সমাজ প্রবীণদের 'বন্ধুত্বের অযোগ্য' বা 'আবেগহীন' হিসেবে চিহ্নিত করতে শুরু করে, তখন রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো অনেক সহজ হয়ে পড়ে। কারণ, একটি সমাজ যখন তার প্রবীণদের সম্মান করতে ভুলে যায়, তখন সেই সমাজ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার নৈতিক শক্তি হারিয়ে ফেলে। এই সামাজিক অবক্ষয় এবং রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস যখন মিলিত হয়, তখন প্রবীণদের ওপর নির্যাতন একটি পদ্ধতিগত বা 'Systemic Abuse'-এ পরিণত হয়।

ইসলামি প্রশাসনিক মডেল: ন্যায়বিচার ও প্রবীণদের সুরক্ষা

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিপরীতে ইসলামের শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক মডেল একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও ন্যায়ভিত্তিক কাঠামো প্রদান করে। ইসলামের ইতিহাসে খলিফা উমর ইবনে الخطاب রা.-এর শাসনকাল ছিল প্রশাসনিক দক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি এমন একটি রাষ্ট্রীয় কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন যেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা এবং প্রতিটি নাগরিকের—বিশেষ করে দুর্বল ও প্রবীণদের—অধিকার রক্ষা করা ছিল রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব।

উমর রা.-এর প্রশাসনিক শ্রেষ্ঠত্ব ছিল তার গভর্নর বা ওলি (Wali) নির্বাচনের পদ্ধতিতে। তিনি জানতেন যে, একজন শাসকের অন্যায় বা দুর্বলতা সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর, বিশেষ করে প্রবীণ ও অসহায়দের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই তিনি গভর্নর নির্বাচনের ক্ষেত্রে 'শক্তি' (القوة) এবং 'আমানত' বা সততা (الأمانة) নিশ্চিত করতেন।

ومن أهم شروط «عمر» فى الوالى: القوة والأمانة... وإنى لأتحرج أن أستعمل الرجل وأنا أجد أقوى منه
[4] । এখানে 'শক্তি' বলতে কেবল শারীরিক শক্তি নয়, বরং দ্বীনি শক্তি, দৃঢ় সংকল্প এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মানসিক শক্তিকে বোঝানো হয়েছে।

উমর রা.-এর এই কঠোর প্রশাসনিক নীতি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ঢাল হিসেবে কাজ করত। তিনি যখন দেখলেন কোনো গভর্নর তার ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন বা জনগণের প্রতি অবিচার করছেন, তিনি তৎক্ষণাৎ তাকে পদচ্যুত করতেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি জর্ডানের গভর্নর শারহবিল বিন হাসনা এবং হিমসের গভর্নর উমায়ের বিন সা'দকে তাদের প্রশাসনিক সক্ষমতার প্রয়োজনে পরিবর্তন করেছিলেন, যাতে প্রজারা অধিকতর ন্যায়বিচার ও সুরক্ষা পায় [5] । এই ধরনের শাসনব্যবস্থায় প্রবীণ নাগরিকরা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার হওয়ার পরিবর্তে রাষ্ট্রের সুরক্ষার আওতায় থাকেন। ইসলামের এই মডেলটি প্রমাণ করে যে, যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা 'আমানত' হিসেবে বিবেচিত হয়, তখন প্রবীণদের ওপর নির্যাতন বা অবহেলা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

ঐতিহাসিক গণহত্যা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন

ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস যখন চরম পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন তা কেবল অবহেলা বা নির্যাতনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা পরিকল্পিত গণহত্যার (Genocide) রূপ নেয়। প্রবীণ ও দুর্বল জনগোষ্ঠী, যারা নিজেদের রক্ষা করার সামর্থ্য রাখে না, তারা প্রায়শই এই ধরনের নৃশংসতার শিকার হয়। ইতিহাসের বিভিন্ন দলিল থেকে প্রমাণিত যে, ঔপনিবেশিক শক্তি বা একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো প্রায়শই প্রান্তিক ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর ওপর নির্মমতা প্রদর্শন করেছে।

আমেরিকান উপনিবেশবাদীদের দ্বারা আদিবাসী ভারতীয়দের ওপর চালানো গণহত্যা এর একটি ভয়াবহ উদাহরণ। ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী, এই গণহত্যা ও সন্ত্রাস ছিল একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।

لقد قدم كثير من المؤرخين الأدلة والبراهين على المجازر التي ارتكبتها المستوطنات الأمريكية بحق الهنود
[6] । এই ধরনের গণহত্যায় প্রবীণরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন, কারণ তারা তাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং বংশপরম্পরার জ্ঞান বহনকারী ছিলেন। তাদের নির্মূল করার অর্থ ছিল একটি জাতির স্মৃতি ও শিকড়কে উপড়ে ফেলা।

পরিশেষে বলা যায়, 'এল্ডারলি অ্যাবিউজ' বা বয়স্কদের ওপর নির্যাতন কেবল একটি সামাজিক সমস্যা নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নৈতিক অবক্ষয়ের একটি রাজনৈতিক বহিঃপ্রকাশ। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ যখন ভীতি (رهب) সৃষ্টি করে এবং সমাজ যখন প্রবীণদের প্রতি সহমর্মিতা হারিয়ে ফেলে, তখনই এই অপরাধের বিস্তার ঘটে। তবে ইসলামের ন্যায়ভিত্তিক প্রশাসনিক মডেল, যা উমর রা.-এর মতো মহান ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা প্রবীণদের সুরক্ষা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার একটি চিরন্তন ও কার্যকর সমাধান প্রদান করে। ইতিহাসের এই শিক্ষা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, একটি জাতির প্রকৃত উন্নত অবস্থা নির্ভর করে তার প্রবীণ ও দুর্বল নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের আচরণের ওপর।

""
৫.১.১ এল্ডারলি অ্যাবিউজ (Elderly Abuse): বয়স্ক নাগরিকের ওপর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের ঐতিহাসিক প্রামাণ্য দলিল
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

৫.১.১ এল্ডারলি অ্যাবিউজ (Elderly Abuse): বয়স্ক নাগরিকের ওপর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের ঐতিহাসিক প্রামাণ্য দলিল কুইজ

1 / 5

ইয়াসির (রা.)-এর ওপর নির্যাতনকে 'এল্ডারলি অ্যাবিউজ' বা বয়স্কদের ওপর নির্যাতন বলা হয় কেন?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...