খণ্ড 88
ফন্ট:100%
থিম:

১৬.৪৮ সাইবারনেটিক এরা-তে (Cybernetic Era) প্রাচ্যবিদদের প্রোপাগান্ডা: সোশ্যাল মিডিয়া অ্যালগরিদম এবং ফেক নিউজ প্রতিরোধ

মানব সভ্যতার ইতিহাসে তথ্যের আদান-প্রদান ও জ্ঞানচর্চার পদ্ধতি আমূল পরিবর্তিত হয়েছে। মধ্যযুগের পাণ্ডুলিপি থেকে শুরু করে মুদ্রণযন্ত্রের বিপ্লব, এবং পরবর্তীতে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার উত্থান—প্রতিটি ধাপই মানুষের চিন্তাশক্তি ও বিশ্ববীক্ষাকে প্রভাবিত করেছে। বর্তমান যুগটি হলো 'সাইবারনেটিক এরা' বা সাইবারনেটিক যুগ, যেখানে তথ্য কেবল একটি মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী ভূ-রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক অস্ত্র। এই যুগে প্রাচ্যবাদ বা ওরিয়েন্টালিজম (Orientalism) তার চিরাচরিত বই ও গবেষণাপত্র থেকে বিচ্যুত হয়ে ডিজিটাল অ্যালগরিদম, সোশ্যাল মিডিয়া এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আড়ালে এক নতুন ও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। প্রথাগত প্রাচ্যবাদ যেখানে নির্দিষ্ট কিছু পণ্ডিতের মাধ্যমে ইসলামের অপব্যাখ্যা করত, আধুনিক সাইবারনেটিক প্রাচ্যবাদ সেখানে 'ফেক নিউজ' এবং 'অ্যালগরিদমিক বায়াস' ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী জনমতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।

প্রাচ্যবাদের ঐতিহাসিক বিবর্তন ও ডিজিটাল রূপান্তর

প্রাচ্যবাদের শিকড় অত্যন্ত গভীরে প্রোথিত। ইউরোপীয় দেশগুলোতে প্রাচ্যবাদের ইতিহাস ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত বিস্তৃত, যা মূলত মধ্যযুগীয় জ্ঞানতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। যদিও প্রাথমিক পর্যায়ে এটি ছিল বিচ্ছিন্ন কিছু প্রচেষ্টার সমষ্টি, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এটি একটি সুসংগঠিত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে [1] । ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, প্রাচ্যবাদ কেবল জ্ঞানতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের বিষয় ছিল না, বরং এটি ছিল ধর্মতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের একটি হাতিয়ার। অনেক ক্ষেত্রে প্রাচ্যবাদ খ্রিস্টধর্মায়ন (Christianization) এবং ইহুদিবাদের (Judaism) সেবায় নিয়োজিত ছিল [2]

এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি বর্তমান সাইবারনেটিক যুগে এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। অতীতে প্রাচ্যবিদরা যখন কোনো গবেষণাপত্র লিখতেন, তখন তার প্রভাব সীমাবদ্ধ থাকত নির্দিষ্ট কিছু বুদ্ধিজীবী মহলে। কিন্তু বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যালগরিদমগুলো সেই একই প্রোপাগান্ডাকে কোটি কোটি মানুষের কাছে মুহূর্তের মধ্যে পৌঁছে দিতে সক্ষম। ইহুদি ও জায়নবাদী প্রাচ্যবিদদের বুদ্ধিবৃত্তিক উৎসগুলো মূলত ইহুদি সংস্কৃতি ও জায়নবাদী আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত, যা আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে [3] । ফলে, প্রাচীনকালের সেই 'ধর্মতাত্ত্বিক যুদ্ধ' এখন 'তথ্যগত যুদ্ধে' (Information Warfare) রূপান্তরিত হয়েছে।

সাইবারনেটিক যুগে প্রাচ্যবাদের এই বিবর্তনকে বুঝতে হলে আমাদের বুঝতে হবে যে, তথ্য এখন আর কেবল সত্য বা মিথ্যার লড়াই নয়, বরং এটি 'অ্যালগরিদমিক নিয়ন্ত্রণ'-এর লড়াই। যখন কোনো নির্দিষ্ট মতাদর্শ বা অপপ্রচার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, তখন অ্যালগরিদমগুলো ব্যবহারকারীর পছন্দ ও অপছন্দের ওপর ভিত্তি করে সেই বিষাক্ত তথ্যকেই বারবার সামনে নিয়ে আসে। এটি মূলত একটি ডিজিটাল 'ইকো চেম্বার' (Echo Chamber) তৈরি করে, যেখানে ব্যবহারকারী কেবল একটি নির্দিষ্ট ও বিকৃত দৃষ্টিভঙ্গিই দেখতে পায়, যা তার মনস্তাত্ত্বিক কাঠামোকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

অ্যালগরিদমিক প্রোপাগান্ডা: 'মধুতে বিষ' (Poison in Honey) এর আধুনিক প্রয়োগ

প্রাচ্যবিদদের প্রোপাগান্ডা কৌশলটি অত্যন্ত সুক্ষ্ম। তারা সরাসরি আক্রমণ না করে বরং তথ্যের ভেতরে তথ্যের আড়ালে বিকৃতি মিশিয়ে দেয়। এই কৌশলটিকে প্রাচীন ও আধুনিক উভয় প্রেক্ষাপটেই একটি চমৎকার উপমার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়: "دسّ السُّمّ في العَسَلِ" অর্থাৎ "মধুতে বিষ মিশিয়ে দেওয়া"। সাইবারনেটিক যুগে এই 'বিষ' হলো ফেক নিউজ, ডিপফেক ভিডিও এবং বিকৃত ঐতিহাসিক তথ্য, আর 'মধু' হলো আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স, ভাইরাল ভিডিও এবং সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ড।


ورغم ذلك كله، ورغم النداءات المتوالية من عُقَلاء القوم، والمؤتمرات المتعدِّدة للتحذير من ازدياد انتشار وشيوع هذا الوباء الفتَّاك في المجتمعات، إلَاّ أنَّنا نرى ونسمع في المقابل مؤتمرات أُخرى مشبوهة تُقَام بين حين وآخر بأسماء وشعارات زائفة، ودعايات برَّاقة، تدعو بشكلٍ مبطنٍ وغير مباشر لمزيد من الإباحية، والحرِّية المطلقة... ودَسِّ السُّمّ في العَسَلِ

উপরোক্ত আরবি ইবারতটি নির্দেশ করে যে, সমাজের জ্ঞানবান ও বিবেকবান মানুষের বারবার সতর্কবাণী প্রদান সত্ত্বেও, কিছু সন্দেহজনক সম্মেলন ও প্রচারণার মাধ্যমে অত্যন্ত উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় স্লোগান ব্যবহার করে সমাজের ভেতরে নৈতিক অবক্ষয় ও বিকৃতি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আধুনিক সাইবারনেটিক যুগে এই 'উজ্জ্বল স্লোগান' বা 'ব্রাইট প্রোপাগান্ডা' হলো সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এবং বট (Bot) অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তারা এমনভাবে তথ্য উপস্থাপন করে যেন তা অত্যন্ত আধুনিক, উদারপন্থী এবং যুক্তিনির্ভর, কিন্তু এর মূলে থাকে ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ এবং মুসলিম উম্মাহর সামাজিক ও নৈতিক কাঠামো ধ্বংস করার নীল নকশা।

অ্যালগরিদমগুলো এখানে একটি 'সাইকোলজিক্যাল ম্যানিপুলেশন' টুল হিসেবে কাজ করে। যখন কোনো ব্যবহারকারী ইসলাম সম্পর্কে একটি নেতিবাচক বা বিকৃত সংবাদ দেখে, অ্যালগরিদমটি তার 'এনগেজমেন্ট' বৃদ্ধির জন্য তাকে অনুরূপ আরও দশটি বিকৃত সংবাদ প্রদর্শন করে। এটি ব্যবহারকারীর অবচেতন মনে একটি ভ্রান্ত ধারণা গেঁথে দেয় যে, পুরো বিশ্ব বা অধিকাংশ মানুষ বুঝি ইসলাম সম্পর্কে এমনটাই ভাবছে। এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত বিপজ্জনক কারণ এটি কোনো সরাসরি যুদ্ধ ছাড়াই একটি জাতির আত্মবিশ্বাস ও ধর্মীয় চেতনাকে ভেতর থেকে ক্ষয় করে ফেলে।

গণমাধ্যম ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া

আধুনিক যুগে গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া কেবল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধাস্ত্র। ইতিহাসের বিভিন্ন সন্ধিক্ষণে দেখা গেছে, পশ্চিমা মিডিয়াগুলো পরিকল্পিতভাবে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা করেছে। একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো, যখন কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবং টেলিভিশন চ্যানেল পরিকল্পিতভাবে "পশ্চিমা বিশ্বকে ইসলামের বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়ার" (إثارة الغربُ ضدَّ الإِسلام والمسلمين) লক্ষ্যে কাজ করে [4]


فنُشِرت إعلاناتٌ مدفوعةَ الأجرِ شَغَلت مساحاتٍ كبيرةً من الصحف العالمية، وظَهَرت حملةٌ واسعةٌ من التحقيقات الصحفية واستطلاعاتِ الرأي، وقامت محطَّاتُ التليفزيون بالدَّقِّ على حواسِّ المشاهدين، وكلُّها تسيرُ في خطٍّ واحدٍ، هو "إثارة الغربُ ضدَّ الإِسلام والمسلمين"

[5]

এই প্রক্রিয়ায় 'পেইড অ্যাডভার্টাইজিং' বা অর্থপ্রদত্ত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট এজেন্ডা প্রচার করা হয়। সাইবারনেটিক যুগে এই পদ্ধতিটি আরও উন্নত হয়েছে। এখন কেবল সংবাদপত্র বা টেলিভিশন নয়, বরং ফেসবুক, ইউটিউব এবং টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোতে 'স্পন্সরড কন্টেন্ট' হিসেবে প্রোপাগান্ডা চালানো হয়। উদাহরণস্বরূপ, অস্ট্রিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারের কথা উল্লেখ করা যায়, যা মূলত সালমান রুশদির মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে ইসলামের অবমাননা করার একটি পরিকল্পিত মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছিল [6] । এই ধরনের ঘটনাগুলো কেবল ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে না, বরং এটি একটি বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক কৌশলের অংশ, যার লক্ষ্য হলো মুসলিম বিশ্বের ঐক্য বিনষ্ট করা।

মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের দৃষ্টিতে, এই ধরনের প্রচারণা 'কগনিটিভ ওয়ারফেয়ার' (Cognitive Warfare) বা জ্ঞানতাত্ত্বিক যুদ্ধের অন্তর্ভুক্ত। এখানে লক্ষ্য হলো মানুষের চিন্তার প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা। যখন কোনো মিথ্যা তথ্য বা 'ফেক নিউজ' বারবার একই প্যাটার্নে উপস্থাপন করা হয়, তখন মানুষের মস্তিষ্ক তা সত্য হিসেবে গ্রহণ করতে শুরু করে। একে বলা হয় 'ইলুশনারি ট্রুথ ইফেক্ট' (Illusory Truth Effect)। সাইবারনেটিক যুগে অ্যালগরিদমগুলো এই ইফেক্টকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে প্রোপাগান্ডাগুলো কেবল তথ্য হিসেবে নয়, বরং একটি 'সামাজিক বাস্তবতা' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ওঠে।

ডিজিটাল প্রতিরোধের কৌশল ও বুদ্ধিবৃত্তিক মোকাবিলা

সাইবারনেটিক যুগের এই ভয়াবহ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য কেবল আবেগীয় প্রতিক্রিয়া যথেষ্ট নয়; বরং প্রয়োজন উচ্চতর বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রযুক্তিগত প্রতিরোধ। প্রাচ্যবিদদের এই ডিজিটাল প্রোপাগান্ডা রুখতে হলে আমাদের তিনটি স্তরে কাজ করতে হবে: তথ্যতাত্ত্বিক সতর্কতা, প্রযুক্তিগত সচেতনতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক পুনর্গঠন। প্রথমত, প্রতিটি মুসলিমকে 'ডিজিটাল লিটারেসি' বা ডিজিটাল সাক্ষরতা অর্জন করতে হবে, যাতে তারা তথ্যের উৎস যাচাই (Fact-checking) করতে পারে এবং অ্যালগরিদমের ফাঁদে না পড়ে।

দ্বিতীয়ত, আমাদের নিজস্ব একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে হবে। বর্তমানে পশ্চিমা মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আমাদের নির্ভরশীলতা অত্যন্ত বেশি, যা আমাদের তথ্যের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। আমাদের এমন একটি 'ইসলামিক ডিজিটাল ইকোসিস্টেম' প্রয়োজন যেখানে সঠিক ইতিহাস, বিশুদ্ধ আকিদা এবং বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও আধুনিক আঙ্গিকে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে। প্রোপাগান্ডা রুখতে হলে আমাদের কেবল 'প্রতিরোধ' করলে চলবে না, বরং আমাদের 'বিকল্প ন্যারেটিভ' (Alternative Narrative) তৈরি করতে হবে।

তৃতীয়ত, বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে আমাদের ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাচ্যবিদরা যখন ইতিহাসের বিকৃতি ঘটায়, তখন আমাদের গবেষকদের উচিত কেবল তার প্রতিবাদ করা নয়, বরং মূল আরবি ও প্রাচীন পাণ্ডুলিপিগুলোর আলোকে (যেমন: মাকতাবা শামিলা বা অন্যান্য নির্ভরযোগ্য উৎস) সত্যকে বৈজ্ঞানিক ও একাডেমিক পদ্ধতিতে উপস্থাপন করা। সাইবারনেটিক যুগে সত্যের লড়াইটি হবে তথ্যের নির্ভুলতা এবং উপস্থাপনার শৈলীর লড়াই। আমাদের লক্ষ্য হতে হবে এমন এক জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা 'মধুতে বিষ' মিশিয়ে দেওয়ার এই আধুনিক ষড়যন্ত্রকে মুহূর্তের মধ্যেই উন্মোচিত করে দিতে সক্ষম হবে।

""
১৬.৪৮ সাইবারনেটিক এরা-তে (Cybernetic Era) প্রাচ্যবিদদের প্রোপাগান্ডা: সোশ্যাল মিডিয়া অ্যালগরিদম এবং ফেক নিউজ প্রতিরোধ
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১৬.৪৮ সাইবারনেটিক এরা-তে (Cybernetic Era) প্রাচ্যবিদদের প্রোপাগান্ডা: সোশ্যাল মিডিয়া অ্যালগরিদম এবং ফেক নিউজ প্রতিরোধ কুইজ

1 / 5

সাইবারনেটিক যুগে প্রাচ্যবাদ বা ওরিয়েন্টালিজম কোন নতুন রূপ ধারণ করেছে?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...