খণ্ড 20
ফন্ট:100%
থিম:

৪.১ স্টেট-স্পন্সরড টেররিজম (State-Sponsored Terrorism): নেতাদের নির্দেশে তায়েফের বখাটে, দাস ও যুবকদের লেলিয়ে দেওয়া

ইতিহাসের পাতায় যখন আমরা 'রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদ' বা 'State-Sponsored Terrorism'-এর ধারণাটি বিশ্লেষণ করি, তখন আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক (Geopolitical) প্রেক্ষাপটে আমরা একে একটি কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে দেখতে পাই। তবে এই প্রথার শিকড় অত্যন্ত প্রাচীন এবং এটি কোনো আধুনিক উদ্ভাবন নয়। মক্কার নিকটবর্তী তায়েফ নগরীর শাসকগোষ্ঠী বা অভিজাত শ্রেণির আচরণের মধ্য দিয়ে আমরা এই ভয়াবহ রাজনৈতিক কৌশলের একটি আদিম ও নৃশংস রূপ দেখতে পাই। তায়েফের নেতৃবৃন্দ যখন সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে না এসে তাদের অনুগত বখাটে, দাস এবং উচ্ছৃঙ্খল যুবকদের প্রক্সি (Proxy) হিসেবে ব্যবহার করে নবি সা.-এর বিরুদ্ধে সহিংসতা ও উস্কানি ছড়িয়েছিল, তখন তা মূলত একটি সুসংগঠিত 'প্রক্সি ওয়ারফেয়ার' (Proxy Warfare)-এ রূপান্তরিত হয়েছিল।

তৎকালীন তায়েফের সামাজিক কাঠামো ছিল অত্যন্ত শ্রেণিবিন্যাসিত। সেখানে শাসকগোষ্ঠীর হাতে ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা, আর নিম্নস্তরের দাস ও অসংগঠিত যুবকদের হাতে ছিল কেবল শারীরিক শক্তি ও সামাজিক অবক্ষয়। এই ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতাকে পুঁজি করে তায়েফের নেতারা একটি বিশেষ মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক কৌশল অবলম্বন করেছিলেন। তারা সরাসরি নিজেদের হাতে রক্ত মাখানোর পরিবর্তে সমাজের প্রান্তিক ও অসংগঠিত অংশকে উস্কানি দিয়ে নবি সা.-এর বিরুদ্ধে সহিংসতা ও লাঞ্ছনার মরণকামড় দিতে চেয়েছিলেন। এটি ছিল মূলত একটি 'স্টেট-স্পন্সরড' বা শাসকগোষ্ঠী-প্রোথিত সন্ত্রাসবাদ, যেখানে রাষ্ট্র বা শাসকগোষ্ঠী সরাসরি আক্রমণ না করে তাদের অনুগত বা নিয়ন্ত্রণাধীন গোষ্ঠীগুলোকে দিয়ে লক্ষ্যবস্তুকে আক্রমণ করায়।

রাজনৈতিক প্রক্সি হিসেবে বখাটে ও দাসদের ব্যবহার: একটি সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

তায়েফের শাসকগোষ্ঠীর এই কৌশলটি আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের 'প্রক্সি ওয়ারফেয়ার' তত্ত্বের সাথে হুবহু মিলে যায়। যখন কোনো শক্তিশালী গোষ্ঠী বা রাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার রাজনৈতিক বা সামাজিক ঝুঁকি এড়াতে চায়, তখন তারা নিম্নস্তরের বা অসংগঠিত কোনো গোষ্ঠীকে ভাড়াটে বা উস্কানি দিয়ে ব্যবহার করে। তায়েফের ক্ষেত্রেও বিষয়টি ছিল অনুরূপ। তায়েফের অভিজাতরা জানত যে, নবি সা.-এর দাওয়াত তাদের বিদ্যমান সামাজিক ও রাজনৈতিক আধিপত্যকে হুমকির মুখে ফেলবে। তাই তারা সরাসরি সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে সামাজিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে এই আন্দোলনকে দমন করতে চেয়েছিল।

তায়েফের বখাটে ও উচ্ছৃঙ্খল যুবকদের লেলিয়ে দেওয়া ছিল একটি সুচিন্তিত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এই যুবকদের মধ্যে কোনো নৈতিক বা ধর্মীয় চেতনা ছিল না, বরং ছিল কেবল সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও ক্ষমতার দাপট প্রদর্শনের আকাঙ্ক্ষা। শাসকগোষ্ঠী তাদের এই ক্ষোভ ও শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করেছিল। অন্যদিকে, দাসদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ছিল আরও জটিল। দাসদের সামাজিক অবস্থান ছিল অত্যন্ত নগণ্য এবং তারা ছিল শাসকের আজ্ঞাবহ। শাসকরা যখন তাদের নির্দেশ প্রদান করত, তখন তাদের কাছে তা ছিল কেবল একটি আদেশ পালন, যার ফলে তারা কোনো নৈতিক দ্বিধা ছাড়াই সহিংসতার পথে পা বাড়াত। এই প্রক্সি বা প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে শাসকরা নিজেদের দায়বদ্ধতা থেকে মুক্ত থাকার একটি কৌশলগত সুযোগ পেয়েছিল।

এই ধরনের উস্কানি মূলত একটি 'অপ্রতিসম যুদ্ধ' (Asymmetric Warfare)-এর চিত্র তুলে ধরে। একদিকে ছিলেন নবি সা.-এর আদর্শিক ও নৈতিক শক্তি, আর অন্যদিকে ছিল তায়েফের শাসকের নির্দেশিত অসংগঠিত ও সহিংস শক্তির সংমিশ্রণ। এই অসংগঠিত শক্তিটি কোনো সুনির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্য নয়, বরং লক্ষ্য ছিল নবি সা.-এর প্রতি সামাজিক ও শারীরিক লাঞ্ছনা ও অবমাননা করা। এই কৌশলটি মূলত একটি গোষ্ঠীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা আধুনিক সন্ত্রাসবাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

মনস্তাত্ত্বিক অবক্ষয় ও প্রতিরোধের মনোবল দমনের কৌশল

সন্ত্রাসবাদের মূল লক্ষ্য কেবল রক্তপাত ঘটানো নয়, বরং এর চেয়েও গভীর ও ভয়াবহ লক্ষ্য হলো মানুষের মনস্তাত্ত্বিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বা 'Psychological Resilience' ধ্বংস করা। তায়েফের নেতাদের নির্দেশিত এই সহিংসতা ছিল মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ। তারা চেয়েছিল নবি সা.-কে এমন এক পরিস্থিতির সম্মুখীন করতে, যেখানে তিনি এবং তাঁর অনুসারীরা প্রতিনিয়ত ভয় ও লাঞ্ছনার শিকার হবেন। এই ভয় ও অনিশ্চয়তা মানুষের মনে একটি স্থায়ী ট্রমা বা মানসিক ক্ষত তৈরি করে, যা দীর্ঘমেয়াদে কোনো সামাজিক বা রাজনৈতিক আন্দোলনকে স্তিমিত করে দিতে পারে।

ঐতিহাসিক ও মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সন্ত্রাসবাদ বা উস্কানি মূলত লক্ষ্যবস্তুর আত্মবিশ্বাস ও মনোবল দমনের জন্য ব্যবহৃত হয়। একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, সন্ত্রাসবাদের লক্ষ্য অনেক সময় সরাসরি হত্যা নয়, বরং প্রতিরোধের শক্তিকে নিরুৎসাহিত করা।

والإرهاب بالقوة في أحيان كثيرة ليس هدفه القتل والذبح بمقدار ما يهدف إلى إحباط مقاومة العدو.
[1]
তায়েফের শাসকরাও ঠিক এই নীতি অনুসরণ করেছিল। তারা চেয়েছিল নবি সা.-এর দাওয়াতকে একটি 'অসম্ভব ও বিপজ্জনক কাজ' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে, যাতে সাধারণ মানুষ এই দাওয়াতের প্রতি আকৃষ্ট হতে ভয় পায়।

তায়েফের যুবকদের মাধ্যমে যে সহিংসতা চালানো হয়েছিল, তা ছিল মূলত একটি 'Terrorism of Intimidation' বা ভীতি প্রদর্শনের সন্ত্রাসবাদ। যখন সমাজের একটি অংশ দেখে যে, শাসকগোষ্ঠীর মদদপুষ্ট একটি গোষ্ঠী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বা আদর্শকে আক্রমণ করছে এবং এর জন্য কোনো আইনি বা সামাজিক জবাবদিহিতা নেই, তখন সেই সমাজে একটি 'Impunity' বা দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হয়। এই সংস্কৃতিই মূলত সন্ত্রাসবাদকে লালন করে। তায়েফের শাসকরা এই সুযোগটি গ্রহণ করেছিল যাতে তারা সরাসরি অপরাধী না হয়েও একটি অস্থির ও ভীতিপ্রদ পরিবেশ তৈরি করতে পারে, যা নবি সা.-এর দাওয়াতকে সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক স্তরে বিচ্ছিন্ন করে দেবে।

যুদ্ধনীতির নৈতিকতা বনাম রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের অরাজকতা: একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন

তায়েফের শাসকের নির্দেশিত সন্ত্রাসবাদ এবং নবি সা.-এর আদর্শিক ও সামরিক জীবন—এই দুইয়ের মধ্যে একটি বিশাল নৈতিক ও পদ্ধতিগত ব্যবধান বিদ্যমান। তায়েফের উস্কানি ছিল অসংগঠিত, লক্ষ্যহীন এবং নৈতিকতাহীন। তাদের লক্ষ্য ছিল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা ভেঙে ফেলা। অন্যদিকে, নবি সা.-এর প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও কঠোর নৈতিক বিধিবিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এমনকি যুদ্ধের ময়দানেও তিনি এমন কিছু নীতি নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন যা আধুনিক আন্তর্জাতিক মানবিক আইন (International Humanitarian Law)-এর পূর্বসূরি হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে।

তায়েফের শাসকরা যখন তাদের অনুগতদের দিয়ে সহিংসতা ঘটাচ্ছিল, তখন তাদের কোনো নির্দিষ্ট যুদ্ধনীতি ছিল না। তাদের উদ্দেশ্য ছিল কেবল ধ্বংস ও লাঞ্ছনা। কিন্তু নবি সা.-এর যুদ্ধনীতি ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও মানবিক। তিনি যুদ্ধের ময়দানেও অকারণে রক্তপাত বা অমানবিকতা সমর্থন করতেন না। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হাদিস ও ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, নবি সা.-এর নির্দেশ ছিল:

اغزُوا بسم الله، وفي سبيل الله، وقاتِلوا مَن كفر بالله، اغزُوا، لا تغُلَّوا، ولا تغدِروا، ولا تُمثِّلوا، ولا تَقتلوا وليدًا
[2]
এই নির্দেশটি স্পষ্ট করে দেয় যে, এমনকি যুদ্ধের চরম মুহূর্তেও নবি সা.- কোনো শিশু হত্যা, বিশ্বাসঘাতকতা বা মৃতদেহের অবমাননা (Mutilation) সমর্থন করতেন না। এটি তায়েফের শাসকের নির্দেশিত 'State-Sponsored Terrorism'-এর সম্পূর্ণ বিপরীত মেরু।

তায়েফের শাসকরা যখন তাদের প্রক্সি বা অনুগতদের দিয়ে আক্রমণ করাতো, তখন তারা কোনো নিয়ম মানত না। তাদের আক্রমণের লক্ষ্য ছিল কেবল ধ্বংসাত্মক। কিন্তু নবি সা.-এর আদর্শ ছিল শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। এমনকি যখন তিনি যুদ্ধের ময়দানে শক্তি প্রদর্শন করতেন, তখন তার উদ্দেশ্য ছিল শত্রুকে দমিত করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, কোনো অকারণে রক্তপাত ঘটানো নয়। যেমনটি দেখা যায় উমরাতুল কদা'-এর সময়, যখন মক্কার মুশরিকরা নবি সা.-কে দুর্বল মনে করেছিল, তখন তিনি সাহসিকতার সাথে নিজেকে উপস্থাপন করেছিলেন যাতে শত্রুরা আক্রমণ করার সাহস না পায়।

رحم الله امرءا أراهم من نفسه قوة ومضى عليه الصلاة والسلام يهرول والمسلمون وراءه.
[3]
এই দৃঢ়তা ছিল মূলত একটি 'Deterrence Strategy' বা প্রতিরোধমূলক কৌশল, যা তায়েফের শাসকের উস্কানিভিত্তিক সন্ত্রাসের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং উন্নততর একটি রাজনৈতিক ও সামরিক দর্শন।

ঐতিহাসিক সত্যতা ও অপপ্রচারের ভূ-রাজনীতি

তায়েফের শাসকরা এবং তৎকালীন মক্কার কুরাইশরা কেবল সরাসরি আক্রমণই করেনি, বরং তারা নবি সা.-এর বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক অপপ্রচার বা 'Propaganda War' চালিয়েছিল। তারা নবি সা.-কে একজন 'রক্তপিপাসু' বা 'বর্বর' হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করেছিল। এটি ছিল একটি ধ্রুপদী রাজনৈতিক কৌশল, যেখানে প্রকৃত আক্রমণকারী নিজেই নিজেকে ভিকটিম হিসেবে উপস্থাপন করে এবং আক্রমণকারীকে 'সন্ত্রাসবাদী' হিসেবে চিহ্নিত করে।

আধুনিক ঐতিহাসিক গবেষণায় দেখা যায়, নবি সা.-এর বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার ছিল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইসলামের প্রাথমিক বিজয় ও যুদ্ধগুলোর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইসলামের ইতিহাসে যুদ্ধের ফলে প্রাণহানির সংখ্যা ছিল অত্যন্ত নগণ্য।

قتلى كلِّ الغزوات التي انتصر بها الإِسلامُ على الشرك والوثنية... لا يتعدَّى رقمها 386 قتيلاً
[4]
ইসলামি যুদ্ধগুলোর মোট শহীদ ও মুশরিকদের প্রাণহানির সংখ্যা মাত্র ৩৮৬ জন, যা প্রাচীনকালের অন্যান্য ধর্মীয় বা সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের তুলনায় অত্যন্ত সামান্য। এর বিপরীতে, প্রাচীন ধর্মীয় যুদ্ধের কাহিনীগুলোতে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানির উল্লেখ পাওয়া যায়। এটি প্রমাণ করে যে, নবি সা.-এর যুদ্ধ ছিল মূলত মুক্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াই, কোনো রক্তপিপাসু সাম্রাজ্যবাদ নয়।

তায়েফের শাসকরা যখন তাদের প্রক্সি বা যুবকদের দিয়ে সহিংসতা ঘটিয়েছিল, তখন তারা আসলে একটি মিথ্যা রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করতে চেয়েছিল। তারা চেয়েছিল বিশ্বকে বোঝাতে যে, নবি সা.--এর দাওয়াত কেবল বিশৃঙ্খলা ও রক্তপাতই বয়ে আনে। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় প্রমাণিত হয়েছে যে, তায়েফের শাসকের এই 'State-Sponsored Terrorism' বা রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ কেবল সাময়িকভাবে কিছু অস্থিরতা তৈরি করতে পেরেছিল, কিন্তু তা নবি সা.--এর আদর্শিক ও নৈতিক বিজয়কে রুখতে ব্যর্থ হয়েছিল। বরং এই দমনমূলক আচরণই নবি সা.--এর দাওয়াতকে আরও শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিল, কারণ মানুষ বুঝতে পেরেছিল যে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে গেলে এমন অসংগঠিত ও নীতিহীন শক্তির মোকাবিলা করতে হয়।

""
৪.১ স্টেট-স্পন্সরড টেররিজম (State-Sponsored Terrorism): নেতাদের নির্দেশে তায়েফের বখাটে, দাস ও যুবকদের লেলিয়ে দেওয়া
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

৪.১ স্টেট-স্পন্সরড টেররিজম (State-Sponsored Terrorism): নেতাদের নির্দেশে তায়েফের বখাটে, দাস ও যুবকদের লেলিয়ে দেওয়া কুইজ

1 / 5

তায়েফে রাসুল (সা.)-এর ওপর হওয়া আক্রমণকে কী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...