খণ্ড 9
ফন্ট:100%
থিম:

১১.২ উইলিয়াম ম্যুর ও মন্টগোমেরি ওয়াটের তত্ত্ব: তাহান্নুসকে 'হ্যালুসিনেশন' (Hallucination) বা সাবকনশাস ডিজায়ার (Subconscious Desire) প্রমাণের ভ্রান্ত প্রয়াস

১১.২ উইলিয়াম ম্যুর ও মন্টগোমেরি ওয়াটের তত্ত্ব: তাহান্নুসকে 'হ্যালুসিনেশন' (Hallucination) বা সাবকনশাস ডিজায়ার (Subconscious Desire) প্রমাণের ভ্রান্ত প্রয়াস

মানব ইতিহাসের মোড় পরিবর্তনকারী মহান নবি সা.-এর ওহী প্রাপ্তির প্রক্রিয়া বা 'তাহান্নুস' (Tahannus)-এর স্বরূপ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আধুনিক ও প্রাক-আধুনিক প্রাচ্যবিদগণ এক সুনির্দিষ্ট ও পদ্ধতিগত ভ্রান্তির আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের এই প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য ছিল ওহীর ঐশী ও পরাবাস্তব (Metaphysical) চরিত্রটিকে অস্বীকার করে একে একটি মনস্তাত্ত্বিক বা জৈবিক প্রক্রিয়ায় রূপান্তরিত করা। উইলিয়াম ম্যুর (William Muir) এবং মন্টগোমেরি ওয়াট (Montgomery Watt)-এর মতো প্রখ্যাত প্রাচ্যবিদগণ এই মনস্তাত্ত্বিক হ্রাসকরণবাদ বা Psychological Reductionism-এর অন্যতম পথিকৃৎ। তারা ওহী প্রাপ্তির সময় নবি সা.-এর যে গভীর আধ্যাত্মিক ও শারীরিক অবস্থার সৃষ্টি হতো, তাকে 'হ্যালুসিনেশন' (Hallucination) বা অবচেতন মনের কোনো প্রক্ষেপণ (Subconscious Projection) হিসেবে চিহ্নিত করার মাধ্যমে ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের ভিত্তিকে নড়বড়ে করার চেষ্টা করেছেন।

প্রাচ্যবিদদের এই দৃষ্টিভঙ্গি মূলত একটি জ্ঞানতাত্ত্বিক সংকটের বহিঃপ্রকাশ, যেখানে তারা একটি বস্তুবাদী (Materialist) ও মানবকেন্দ্রিক (Anthropocentric) ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে ঐশী সত্যকে পরিমাপ করতে চেয়েছেন। তাদের এই গবেষণার মূলে রয়েছে একটি পূর্বনির্ধারিত পক্ষপাত (Bias), যা সত্য অনুসন্ধানের পরিবর্তে সত্যকে বিকৃত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছে। তারা ওহীর মাধ্যমে প্রাপ্ত জ্ঞানকে 'ইলমুল গায়েব' (Knowledge of the Unseen) হিসেবে গ্রহণ না করে তাকে মানুষের মস্তিষ্কের অভ্যন্তরীণ কোনো জটিলতা হিসেবে ব্যাখ্যা করতে বদ্ধপরিকর ছিলেন।

উইলিয়াম ম্যুর ও মনস্তাত্ত্বিক হ্যালুসিনেশনের ভ্রান্ত ধারণা

উইলিয়াম ম্যুর তাঁর গবেষণায় নবি সা.-এর ওহী প্রাপ্তির মুহূর্তগুলোকে অত্যন্ত সংকীর্ণ মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচার করেছেন। ম্যুরের মূল দাবি ছিল যে, ওহী প্রাপ্তির সময় নবি সা.-এর যে তীব্র শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, তা মূলত একটি 'হ্যালুসিনেশন' বা মতিভ্রম। তিনি মনে করতেন, নির্জনতা ও গভীর ধ্যানের (Tahannus) ফলে নবি সা.-এর অবচেতন মন থেকে আসা চিন্তাগুলোই ওহীর ছদ্মবেশে প্রকাশিত হচ্ছিল। ম্যুরের এই তত্ত্বটি মূলত একটি 'Category Error' বা শ্রেণিবিন্যাসগত ভুল, যেখানে তিনি একটি অতিপ্রাকৃত (Supernatural) ঘটনাকে একটি মনস্তাত্ত্বিক (Psychological) ঘটনার সমান্তরালে স্থাপন করার চেষ্টা করেছেন।

ম্যুরের এই দৃষ্টিভঙ্গিটি মূলত ওহীর বস্তুনিষ্ঠতা (Objectivity) এবং এর বাহ্যিক প্রমাণের (External Evidence) ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা সত্যকে অস্বীকার করার একটি কৌশল। ওহী কেবল একটি অভ্যন্তরীণ অনুভূতি ছিল না, বরং এটি ছিল একটি বাহ্যিক ও ঐশী বাস্তবতা যা নবি সা.-এর ওপর আপতিত হতো। ম্যুর এই সত্যটি এড়িয়ে গিয়ে ওহীকে কেবল একটি 'Subjective Experience' বা ব্যক্তিনিষ্ঠ অভিজ্ঞতা হিসেবে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন। এই ধরনের বিশ্লেষণ মূলত ইসলামের 'গাইব' বা অদৃশ্য জগতের ধারণাটিকে খণ্ডন করার একটি রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে [1]

মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, ম্যুরের এই তত্ত্বটি অত্যন্ত দুর্বল, কারণ হ্যালুসিনেশন বা মতিভ্রম সাধারণত ব্যক্তির জ্ঞানতাত্ত্বিক ও যৌক্তিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু ওহীর মাধ্যমে প্রাপ্ত বার্তাগুলো ছিল অত্যন্ত সুসংগত, আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত এবং যা নবি সা.-এর পূর্ববর্তী জ্ঞান বা অবচেতন চিন্তার সাথে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। ওহীর বাণীসমূহ ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, যা মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক ও নৈতিক কাঠামোকে আমূল বদলে দিয়েছিল। যদি এটি কেবল একটি হ্যালুসিনেশন হতো, তবে তা কোনোভাবেই একটি সুশৃঙ্খল ও বৈশ্বিক সভ্যতা বা আইন প্রণয়ন করতে পারত না [2]

মন্টগোমেরি ওয়াট ও অবচেতন আকাঙ্ক্ষার (Subconscious Desire) তত্ত্ব

উইলিয়াম ম্যুরের তুলনায় মন্টগোমেরি ওয়াট কিছুটা ভিন্নধর্মী ও সূক্ষ্ম পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। ওয়াট ওহীকে সরাসরি 'হ্যালুসিনেশন' না বলে একে 'সাবকনশাস ডিজায়ার' বা অবচেতন আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর মতে, নবি সা.-এর অন্তরে তৎকালীন আরবের সামাজিক ও নৈতিক সংস্কারের একটি প্রবল আকাঙ্ক্ষা বিদ্যমান ছিল, যা ওহীর মাধ্যমে একটি ঐশী বৈধতা লাভ করেছিল। অর্থাৎ, ওয়াট দাবি করেছেন যে, ওহী ছিল নবি সা.-এর অবচেতন মনের সেই আকাঙ্ক্ষার একটি মনস্তাত্ত্বিক প্রক্ষেপণ, যা তিনি নিজেই অবচেতনভাবে তৈরি করেছিলেন।

ওয়াটের এই তত্ত্বটি মূলত একটি সমাজতাত্ত্বিক ও মনস্তাত্ত্বিক সংমিশ্রণ (Sociological-Psychological Hybrid), যা ওহীর ঐশী উৎসকে অস্বীকার করে একে একটি 'Social Necessity' বা সামাজিক প্রয়োজনীয়তা হিসেবে উপস্থাপন করে। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, আরবের বিশৃঙ্খল সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য নবি সা.-এর অবচেতন মন এমন একটি ঐশী বার্তা তৈরি করেছিল যা সমাজকে পরিবর্তন করতে সক্ষম। এই বিশ্লেষণটি অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ এটি ওহীর সত্যতা ও ঐশী কর্তৃত্বকে (Divine Authority) সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে এবং একে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক কারসাজি হিসেবে চিহ্নিত করে।

তবে ওয়াটের এই তত্ত্বটি ইসলামের 'তাকফির আল-মাওদু'য়ি' বা বস্তুনিষ্ঠ চিন্তার (Objective Thinking) সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ইসলামে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য অত্যন্ত স্পষ্ট এবং ওহী হলো সেই পরম সত্য যা মানুষের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে। ওহীর বাণীসমূহ ছিল এমন যা নবি সা.-এর ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার ঊর্ধ্বে এবং যা তাঁর জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে একটি কঠোর ও নিরপেক্ষ নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করেছে। ওয়াট যে 'Subconscious Desire'-এর কথা বলেছেন, তা মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক অনুমান মাত্র, যার কোনো ঐতিহাসিক বা তাত্ত্বিক ভিত্তি নেই [3]

জ্ঞানতাত্ত্বিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব: প্রাচ্যবিদদের বুদ্ধিবৃত্তিক উপনিবেশবাদ

প্রাচ্যবিদদের এই মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যাগুলো কেবল ধর্মীয় বিতর্কের বিষয় নয়, বরং এটি একটি বৃহত্তর বুদ্ধিবৃত্তিক উপনিবেশবাদ (Intellectual Colonialism)-এর অংশ। ওহীকে হ্যালুসিনেশন বা অবচেতন আকাঙ্ক্ষা হিসেবে চিহ্নিত করার মাধ্যমে তারা মূলত ইসলামের আধ্যাত্মিক ও ঐশী শ্রেষ্ঠত্বকে খর্ব করতে চেয়েছেন। যদি ওহীকে একটি মানসিক ব্যাধি বা মনস্তাত্ত্বিক প্রক্ষেপণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যায়, তবে ইসলামের সমস্ত আইনি, রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোকে 'মানুষের তৈরি ভুল ধারণা' হিসেবে গণ্য করা সহজ হয়ে যায়। এটি মূলত মুসলিম উম্মাহর আত্মবিশ্বাস ও তাদের জীবনদর্শনের মূল ভিত্তিটিকেই ধ্বংস করার একটি কৌশল [4]

এই ধরনের গবেষণার পেছনে একটি গভীর ভূ-রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিহিত রয়েছে। ওহীর ঐশী ও অকাট্য সত্যতাকে অস্বীকার করে একে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা হিসেবে উপস্থাপন করলে, ইসলামের রাজনৈতিক ও আইনি কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা সহজ হয়। প্রাচ্যবিদরা যখন ওহীকে 'Psychologizing' করেন, তখন তারা আসলে ইসলামের 'Ontological Reality' বা অস্তিত্বতাত্ত্বিক সত্যতাকে অস্বীকার করেন। তারা সত্যকে একটি বস্তুবাদী ও বৈজ্ঞানিক ছাঁচে ফেলে তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চান, যা মূলত প্রাচ্যবাদী আধিপত্য বিস্তারের একটি বুদ্ধিবৃত্তিক হাতিয়ার [5]

তাছাড়া, এই ধরনের তত্ত্বগুলো আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক পরিভাষা ব্যবহার করে একটি ভ্রান্ত বৈজ্ঞানিকতা (Pseudo-science) তৈরি করার চেষ্টা করে। তারা 'Hallucination' বা 'Subconscious Desire'-এর মতো শব্দগুলো ব্যবহার করে সাধারণ পাঠকদের মনে এই ধারণা গেঁথে দিতে চায় যে, ওহী প্রাপ্তি কোনো অলৌকিক ঘটনা নয় বরং এটি একটি ক্লিনিক্যাল বা মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা। অথচ ইসলামের জ্ঞানতাত্ত্বিক কাঠামো অনুযায়ী, ওহী হলো একটি বাস্তব ও দৃশ্যমান সত্য যা মানুষের ইন্দ্রিয়ের ঊর্ধ্বে হলেও তার প্রভাব অত্যন্ত বাস্তব। ওহীর এই সত্যতা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন:

وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِالْغَيْبِ [6]

মনস্তাত্ত্বিক হ্রাসকরণবাদের পদ্ধতিগত ও তাত্ত্বিক অসারতা

উইলিয়াম ম্যুর এবং মন্টগোমেরি ওয়াটের তত্ত্বগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, তাদের পদ্ধতিগত ত্রুটি মূলত 'Epistemological Bias' বা জ্ঞানতাত্ত্বিক পক্ষপাতের কারণে সৃষ্ট। তারা ওহীর মতো একটি অতিপ্রাকৃত ঘটনাকে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক মডেলগুলোকে অন্ধভাবে প্রয়োগ করেছেন, যা এই ধরনের ঘটনার জন্য মোটেও প্রযোজ্য নয়। ওহী প্রাপ্তির সময় নবি সা.-এর যে শারীরিক ও মানসিক অবস্থা সৃষ্টি হতো, তা ছিল একটি 'Divine Encounter' বা ঐশী সাক্ষাৎ, যা মানুষের সাধারণ মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার সম্পূর্ণ বাইরে। একে হ্যালুসিনেশন বলা মানে হলো একটি সমুদ্রের গভীরতাকে একটি ছোট গ্লাসের পানিতে মাপার চেষ্টা করা।

মনস্তাত্ত্বিক হ্রাসকরণবাদ বা Psychological Reductionism এখানে একটি বড় বাধা হিসেবে কাজ করে। এই মতবাদটি দাবি করে যে, যেকোনো জটিল বা আধ্যাত্মিক ঘটনাকে শেষ পর্যন্ত জৈবিক বা মনস্তাত্ত্বিক কারণে ব্যাখ্যা করা সম্ভব। কিন্তু ওহীর ক্ষেত্রে এই যুক্তিটি সম্পূর্ণ অসার। ওহীর মাধ্যমে প্রাপ্ত জ্ঞান ছিল এমন যা নবি সা.-এর নিজস্ব জ্ঞান বা অভিজ্ঞতার সাথে কোনোভাবেই মিলে না, বরং তা ছিল সম্পূর্ণ নতুন এবং বৈপ্লবিক। যদি এটি কেবল অবচেতন মনের প্রক্ষেপণ হতো, তবে তা নবি সা.-এর পূর্ববর্তী জীবনদর্শন বা আরবের তৎকালীন সংস্কৃতির প্রতিফলন হতো, কিন্তু তা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং সংস্কারমূলক [7]

পরিশেষে, ম্যুর ও ওয়াটের এই তত্ত্বগুলো কেবল ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর আঘাত নয়, বরং এগুলো একটি ভুল ও ত্রুটিপূর্ণ গবেষণাপদ্ধতির ফসল। তারা ওহীর বাহ্যিক প্রভাব এবং এর মাধ্যমে সৃষ্ট সামাজিক ও রাজনৈতিক বিপ্লবকে উপেক্ষা করে কেবল একটি সংকীর্ণ মনস্তাত্ত্বিক কাঠামোর মধ্যে সত্যকে বন্দি করতে চেয়েছেন। ইসলামের প্রকৃত জ্ঞানতাত্ত্বিক কাঠামো অনুযায়ী, ওহী হলো একটি পরম সত্য যা মানুষের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক অবস্থাকে পুনর্গঠিত করার জন্য অবতীর্ণ হয়েছে। প্রাচ্যবিদদের এই ভ্রান্ত প্রচেষ্টাকে মোকাবিলা করার জন্য প্রয়োজন বস্তুনিষ্ঠ চিন্তাভাবনা (Objective Thinking) এবং ওহীর ঐশী ও বাস্তব স্বরূপ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান [8]

""
১১.২ উইলিয়াম ম্যুর ও মন্টগোমেরি ওয়াটের তত্ত্ব: তাহান্নুসকে 'হ্যালুসিনেশন' (Hallucination) বা সাবকনশাস ডিজায়ার (Subconscious Desire) প্রমাণের ভ্রান্ত প্রয়াস
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১১.২ উইলিয়াম ম্যুর ও মন্টগোমেরি ওয়াটের তত্ত্ব: তাহান্নুসকে 'হ্যালুসিনেশন' (Hallucination) বা সাবকনশাস ডিজায়ার (Subconscious Desire) প্রমাণের ভ্রান্ত প্রয়াস কুইজ

1 / 5

প্রাচ্যবিদ উইলিয়াম ম্যুর এবং মন্টগোমেরি ওয়াট হেরা গুহায় নবী (সা.)-এর ওহী প্রাপ্তির ঘটনাকে কীভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...