খণ্ড 92
ফন্ট:100%
থিম:

১৩.৪৪ থার্মোডাইনামিক্সের এনট্রপি (Entropy) এবং কুরআনে বর্ণিত মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ও সংকোচনের ফিজিক্যাল মডেল

মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব এবং এর চূড়ান্ত পরিণতি নিয়ে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ও পবিত্র কুরআনের বর্ণনার মধ্যে এক বিস্ময়কর সামঞ্জস্য পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে থার্মোডাইনামিক্সের দ্বিতীয় সূত্র এবং এনট্রপির ধারণাটি মহাবিশ্বের সময়ের দিক (Arrow of Time) এবং এর অনিবার্য বিনাশের কথা বলে, যা কুরআনের বর্ণিত 'কিয়ামত' বা মহাজাগতিক সংকুচিত হওয়ার ধারণার সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। এনট্রপি মূলত কোনো সিস্টেমের বিশৃঙ্খলা বা অগোছালো অবস্থার পরিমাপক, যা সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি পায় এবং মহাবিশ্বকে একটি চূড়ান্ত তাপীয় মৃত্যুর (Heat Death) দিকে ঠেলে দেয়। এই বৈজ্ঞানিক বাস্তবতাকে যখন আমরা কুরআনিক কসমোলজির আলোকে বিশ্লেষণ করি, তখন সৃষ্টি, সম্প্রসারণ এবং পুনরায় সংকোচনের এক পূর্ণাঙ্গ ফিজিক্যাল মডেল সামনে চলে আসে।

থার্মোডাইনামিক্সের দ্বিতীয় সূত্র এবং এনট্রপির মহাজাগতিক প্রভাব

থার্মোডাইনামিক্সের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী, একটি বিচ্ছিন্ন সিস্টেমের মোট এনট্রপি কখনোই হ্রাস পায় না; বরং এটি সর্বদা বৃদ্ধি পায় অথবা স্থির থাকে। এই নিয়মটি নির্দেশ করে যে, মহাবিশ্ব একটি উচ্চ-শক্তির সুশৃঙ্খল অবস্থা থেকে নিম্ন-শক্তির বিশৃঙ্খল অবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় শক্তির রূপান্তর ঘটে, কিন্তু কার্যকর শক্তি ক্রমশ হ্রাস পায়। এই বৈজ্ঞানিক সত্যটি মহাবিশ্বের নশ্বরতার এক অকাট্য প্রমাণ। যখন আমরা এই এনট্রপির বৃদ্ধিকে মহাজাগতিক স্কেলে দেখি, তখন এটি স্পষ্ট হয় যে, মহাবিশ্বের প্রতিটি পর্যায় তার পূর্ববর্তী পর্যায়ের চেয়ে অধিক বিশৃঙ্খল।

আরবি গবেষণাপত্রে এই এনট্রপির প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রতিটি মহাজাগতিক চক্রের সাথে এনট্রপির মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা চূড়ান্ত পর্যায়ে তাপমাত্রার এক চরম অবস্থাকে নির্দেশ করে। এই বিষয়ে বলা হয়েছে:


لا فإن درجة الأنتروبيا تزداد مع كل كون وبالتالي تصير درجة الحرارة لا نهائية طالما كان الإنكماش والإنفجار لا نهائي
[1] । এই ইবারাতটি নির্দেশ করে যে, যদি মহাবিশ্বের সংকোচন (Contraction) এবং বিস্ফোরণ (Explosion/Big Bang) এর প্রক্রিয়াটি অসীম হয়, তবে এনট্রপির এই ক্রমাগত বৃদ্ধি তাপমাত্রাকে এক অকল্পনীয় স্তরে নিয়ে যাবে, যা মহাবিশ্বের বর্তমান কাঠামোর সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটাবে।

মনস্তাত্ত্বিক ও দার্শনিক দৃষ্টিকোণ থেকে এনট্রপি কেবল পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র নয়, বরং এটি অস্তিত্বের ক্ষণস্থায়িত্বের এক প্রতীক। মহাবিশ্বের এই অনিবার্য ক্ষয় এবং বিশৃঙ্খলা প্রমাণ করে যে, এই সৃষ্টিজগত স্বয়ংসম্পূর্ণ বা চিরস্থায়ী নয়। এটি একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যেখানে সমস্ত শক্তি সমান হয়ে যাবে এবং কোনো কাজ করার ক্ষমতা অবশিষ্ট থাকবে না। এই অবস্থাকেই বিজ্ঞানীরা 'তাপীয় মৃত্যু' বলে অভিহিত করেন, যা পরোক্ষভাবে কুরআনের বর্ণিত সেই দিনের কথা মনে করিয়ে দেয় যখন আকাশ ও পৃথিবী তাদের বর্তমান রূপ হারাবে। [2] , [3]

মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ এবং কুরআনিক কসমোলজির সমন্বয়

আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের অন্যতম প্রধান আবিষ্কার হলো মহাবিশ্বের ক্রমাগত সম্প্রসারণ (Expansion of the Universe)। এডুইন হাবল ১৯২৯ সালে প্রমাণ করেন যে, গ্যালাক্সিগুলো একে অপরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এই সম্প্রসারণের ধারণাটি পবিত্র কুরআনের সেই আয়াতের সাথে সংগতিপূর্ণ যেখানে মহাবিশ্বের প্রসারণের কথা ইঙ্গিত করা হয়েছে। এই প্রসারণ কেবল ভৌত দূরত্বের বৃদ্ধি নয়, বরং এটি মহাবিশ্বের সামগ্রিক শক্তির বিন্যাস এবং এনট্রপির সাথে গভীরভাবে জড়িত।

সৃষ্টিতত্ত্বের আলোচনায় দেখা যায় যে, মহাবিশ্ব যখন তার প্রাথমিক পর্যায় অতিক্রম করে, তখন এটি এক দ্রুত প্রসারণের মধ্য দিয়ে যায়। এই প্রসারণের ফলে মহাবিশ্বের আয়তন বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলে শক্তির ঘনত্ব হ্রাস পায়। একটি গবেষণামূলক উৎসে এই প্রসারণের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে:


فلما أخذت تعظم صارت تتوسع في هذين العالمين
। এই ইবারাতটি নির্দেশ করে যে, মহাবিশ্ব যখন তার বিশালতা অর্জন করতে শুরু করল, তখন তা দুটি জগতের (দৃশ্য ও অদৃশ্য বা বস্তু ও শক্তি) মধ্যে সম্প্রসারিত হতে থাকে। এই সম্প্রসারণ প্রক্রিয়াটিই মূলত বিগ ব্যাং-এর পরবর্তী পর্যায়, যা মহাবিশ্বকে তার বর্তমান বিশালতায় পৌঁছে দিয়েছে।

ভূ-রাজনৈতিক বা মহাজাগতিক ভূ-রাজনীতির (Cosmic Geopolitics) ভাষায় বলতে গেলে, এই সম্প্রসারণ মহাবিশ্বের উপাদানগুলোর মধ্যে এক ধরণের 'স্পেস ডিস্ট্রিবিউশন' তৈরি করেছে। তবে এই প্রসারণ চিরস্থায়ী নয়। এনট্রপির সূত্র অনুযায়ী, প্রসারণের ফলে শক্তি ছড়িয়ে পড়ছে, কিন্তু এই ছড়িয়ে পড়া শক্তি একসময় এমন স্তরে পৌঁছাবে যেখানে আর কোনো নতুন নক্ষত্র সৃষ্টি হবে না। এই পর্যায়টি মহাবিশ্বের চূড়ান্ত পতনের পূর্বলক্ষণ। কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, আল্লাহ সা. এই মহাবিশ্বকে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে সৃষ্টি করেছেন, যা বিজ্ঞানীদের ভাষায় 'Cosmic Laws' বা 'Sunan' হিসেবে পরিচিত।, [4]

মহাবিশ্বের সংকোচন এবং 'বিগ ক্রাঞ্চ' (Big Crunch) মডেল

পদার্থবিজ্ঞানে একটি তত্ত্ব প্রচলিত আছে যাকে বলা হয় 'বিগ ক্রাঞ্চ' (Big Crunch)। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ একসময় থেমে যাবে এবং মহাকর্ষ বলের প্রভাবে সবকিছু পুনরায় সংকুচিত হতে শুরু করবে। এই সংকোচন প্রক্রিয়াটি এনট্রপির চূড়ান্ত পর্যায় এবং মহাবিশ্বের সমাপ্তির সূচনা করবে। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে যে, যেভাবে আকাশকে ভাঁজ করা হবে, মহাবিশ্ব ঠিক সেভাবেই সংকুচিত হবে। এই ফিজিক্যাল মডেলটি এনট্রপির সাথে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য তৈরি করে, কারণ সংকোচন প্রক্রিয়ায় ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়, কিন্তু বিশৃঙ্খলা বা এনট্রপি তার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়।

সংকোচনের এই প্রক্রিয়াটি কেবল ভৌত সংকুচিত হওয়া নয়, বরং এটি একটি মহাজাগতিক বিস্ফোরণের বিপরীত প্রক্রিয়া। আরবি উৎসে এই সংকোচন ও বিস্ফোরণের চক্রাকার সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে:


إن كل انفجار سيتطلب... الإنكماش والإنفجار لا نهائي
[5] । এখানে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, প্রতিটি বিস্ফোরণ বা সৃষ্টির পর একটি অনিবার্য সংকোচন আসে। এই সংকোচন প্রক্রিয়ায় মহাবিশ্বের সমস্ত পদার্থ এক বিন্দুতে মিলিত হবে, যা বর্তমানের বিগ ব্যাং-এর ঠিক বিপরীত অবস্থা। এই পর্যায়টিই মূলত কিয়ামতের সেই মুহূর্ত, যখন মহাবিশ্বের বর্তমান সময়-স্থান (Space-Time) সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যাবে।

এই সংকোচন মডেলটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, মহাবিশ্বের জীবনচক্রটি একটি বৃত্তের মতো। সম্প্রসারণ থেকে সংকোচন, এবং সংকোচন থেকে পুনরায় নতুন কোনো সৃষ্টির সম্ভাবনা—এই চক্রটি ঐশ্বরিক পরিকল্পনার অংশ। এই প্রক্রিয়ায় এনট্রপি তার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে সিস্টেমটিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়, যাতে নতুন করে সৃষ্টির পথ প্রশস্ত হয়। এই মহাজাগতিক সংকুচিত হওয়ার প্রক্রিয়াটি মানব মনস্তত্ত্বে এক ধরণের চূড়ান্ত জবাবদিহিতার অনুভূতি তৈরি করে, কারণ এটি প্রমাণ করে যে জাগতিক সব কিছুরই একটি নির্দিষ্ট সমাপ্তি রয়েছে। [6] ,।

নিউক্লিয়ন ক্ষয় এবং মহাবিশ্বের উপাদানের চূড়ান্ত পরিণতি

এনট্রপির চূড়ান্ত পর্যায় কেবল তাপমাত্রার পরিবর্তন নয়, বরং এটি পদার্থের মৌলিক কাঠামোর বিনাশের সাথে যুক্ত। আধুনিক নিউক্লিয়ার ফিজিক্স অনুযায়ী, মহাবিশ্বের সমস্ত ভারী মৌল একসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সবচেয়ে স্থিতিশীল মৌলে পরিণত হবে। এই প্রক্রিয়াটি এনট্রপির সেই চূড়ান্ত পর্যায়কে নির্দেশ করে যেখানে আর কোনো রাসায়নিক বা নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া সম্ভব হবে না।

নিউক্লিয়ন ক্ষয়ের এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক আলোচনায় বলা হয়েছে যে, নিউক্লিয়াস থেকে নিউক্লিয়নগুলো একটি নির্দিষ্ট হারে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, যা হাফ-লাইফ বা অর্ধায়ু আইনের অধীন। এই বিষয়ে বলা হয়েছে:


النيوكلونات من النواة يكون بمعدل ثابت، حسب قانون عمر النصف... نووية في الطبيعة توجد في نواة عنصر الحديد
[7] । এই ইবারাতটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি নির্দেশ করে যে মহাবিশ্বের সমস্ত পদার্থ শেষ পর্যন্ত লোহার (Iron) নিউক্লিয়াসে পরিণত হবে, কারণ লোহা হলো সবচেয়ে স্থিতিশীল মৌল। এর অর্থ হলো, মহাবিশ্বের সমস্ত বৈচিত্র্য একসময় শেষ হয়ে যাবে এবং সবকিছু একটি একঘেয়ে, মৃত স্থিতাবস্থায় পৌঁছে যাবে।

এই 'আয়রন স্টার' (Iron Star) পর্যায়টি এনট্রপির সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ। যখন মহাবিশ্বের সমস্ত নক্ষত্র নিভে যাবে এবং সমস্ত পদার্থ লোহায় পরিণত হবে, তখন মহাবিশ্ব হবে এক অন্ধকার ও শীতল মরুভূমি। এই বৈজ্ঞানিক সত্যটি কুরআনের সেই বর্ণনার সাথে মিলে যায় যেখানে বলা হয়েছে যে, আকাশ ফেটে পড়বে এবং নক্ষত্রগুলো খসে পড়বে। পদার্থের এই চূড়ান্ত ক্ষয় এবং স্থিতাবস্থা প্রমাণ করে যে, এই বস্তুগত জগতটি চিরস্থায়ী নয়, বরং এটি একটি অন্তিম পরিণতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। [8] , [9]

ঐশ্বরিক বিধান (Sunan) এবং ভৌত নিয়মের সমন্বিত বিশ্লেষণ

মহাবিশ্বের এই সম্প্রসারণ, সংকোচন এবং এনট্রপির বৃদ্ধি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি আল্লাহ সা. কর্তৃক নির্ধারিত কিছু নির্দিষ্ট নিয়মের বা 'সুনান' (Sunan) এর ফল। বিজ্ঞান যাকে 'Laws of Physics' বলে, ইসলামি দর্শনে তাকে বলা হয় 'সুনাতুল্লাহ' (Sunnatullah)। এই নিয়মগুলো অত্যন্ত নিখুঁত এবং অপরিবর্তনীয়। মহাবিশ্বের প্রতিটি পরমাণু থেকে শুরু করে বিশাল গ্যালাক্সি পর্যন্ত সবকিছু এই নিয়মের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

মহাবিশ্বের এই সুশৃঙ্খল অথচ বিনাশী প্রকৃতির কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে:


وللكون سنن ثابتة نستطيع في حدود علمنا الواقعيّ أن نقف منها على ما يهديناا العقل إليه
। এই ইবারাতটি স্পষ্ট করে যে, মহাবিশ্বের কিছু স্থির নিয়ম রয়েছে যা আমাদের বাস্তব জ্ঞান এবং যুক্তির মাধ্যমে উপলব্ধি করা সম্ভব। এই নিয়মগুলোই আমাদের শেখায় যে, সৃষ্টি থেকে বিনাশ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। এনট্রপি এখানে কেবল বিশৃঙ্খলার পরিমাপক নয়, বরং এটি সৃষ্টির পূর্ণতা অর্জনের একটি মাধ্যম।

এই সমন্বিত মডেলটি আমাদের দেখায় যে, মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ছিল তার শৈশব, এনট্রপির বৃদ্ধি তার বার্ধক্য, এবং সংকোচন হবে তার মৃত্যু। এই চক্রটি প্রমাণ করে যে, এই মহাবিশ্বের বাইরে এক পরম সত্তা বিদ্যমান, যিনি এই সমস্ত নিয়ম প্রণয়ন করেছেন। আর্কিমিডিসের মতো প্রাচীন বিজ্ঞানীরা যখন মহাবিশ্বের আয়তন এবং গ্রহের গতিবিধি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন, তারা মূলত এই বিশালতার একটি ক্ষুদ্র অংশ বোঝার চেষ্টা করেছিলেন [10] । কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান এবং কুরআনিক জ্ঞানের সমন্বয়ে আমরা এখন বুঝতে পারি যে, এই বিশালতা এবং এর বিনাশ—উভয়ই এক অসীম প্রজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ।, [11]

""
১৩.৪৪ থার্মোডাইনামিক্সের এনট্রপি (Entropy) এবং কুরআনে বর্ণিত মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ও সংকোচনের ফিজিক্যাল মডেল
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১৩.৪৪ থার্মোডাইনামিক্সের এনট্রপি (Entropy) এবং কুরআনে বর্ণিত মহাবিশ্বের মডেল কুইজ

1 / 5

থার্মোডাইনামিক্সের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী একটি বিচ্ছিন্ন সিস্টেমের এনট্রপি (Entropy) কীরূপ হয়?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...