খণ্ড 84
ফন্ট:100%
থিম:

১৬.১৫ পরিশিষ্ট ১৪: চাইল্ড লেবার (Child Labor) প্রতিরোধে মডার্ন ইন্টারন্যাশনাল ল এবং মাকাসিদ আশ-শরীয়াহর (Maqasid al-Shariah) সমন্বয়

মানব সভ্যতার বিবর্তনের ইতিহাসে শ্রম ও উৎপাদন ব্যবস্থা সর্বদা সমাজকাঠামোর মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তবে শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং পুঁজিবাদের আগ্রাসী প্রসারের ফলে মানবতাবিরোধী এক ভয়াবহ চিত্র উন্মোচিত হয়, যার নাম 'শিশুশ্রম'। শিশুশ্রম কেবল একটি অর্থনৈতিক সমস্যা নয়, বরং এটি একটি গভীর সামাজিক ও নৈতিক বিপর্যয়, যা একটি জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অবক্ষয়ের দিকে ঠেলে দেয়। আধুনিক আন্তর্জাতিক আইন (Modern International Law) এবং ইসলামি শরিয়াহর মূল লক্ষ্য বা 'মাকাসিদ আশ-শরীয়াহ' (Maqasid al-Shariah)-এর আলোকে এই সমস্যাটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, উভয়ই শিশুর সুরক্ষা ও বিকাশের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে। এই প্রবন্ধে আমরা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে শিশুশ্রমের ভয়াবহতা এবং আধুনিক আইনি কাঠামো ও মাকাসিদ আশ-শরীয়াহর মধ্যে একটি সমন্বিত ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করব।

শিল্প বিপ্লব ও শিশুশ্রমের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: একটি নির্মম বাস্তবতা

শিল্প বিপ্লবের সূচনা ও ইউরোপের অর্থনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তন শিশুশ্রমের এক অন্ধকার অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। ঊনবিংশ শতাব্দীর শিল্পায়ন প্রক্রিয়া ছিল অত্যন্ত নির্মম এবং শোষণমূলক। তৎকালীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এমনভাবে বিন্যস্ত ছিল যেখানে শ্রমের মূল্য ছিল নগণ্য এবং মুনাফা অর্জনের জন্য মানবসম্পদকে কেবল একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হতো। বিশেষ করে ফ্লেমন্ডস (Flanders) অঞ্চলের শিল্পকারখানাগুলোতে শিশুদের ব্যবহারের বিষয়টি ছিল অত্যন্ত সাধারণ এবং আইনত স্বীকৃত। যদিও কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বয়সের ঊর্ধ্বে মেয়েদের কিছু পেশায় অংশগ্রহণের ওপর বিধিনিষেধ ছিল, তবুও সামগ্রিকভাবে শিশুশ্রম ছিল তৎকালীন অর্থনীতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।


أجاز القانون صراحة أو ضمنا تشغيل الأطفال. وقام الأطفال في فلاندرز بصناعة المخرمات برمتها، وحرم القانون اشتغال البنات فوق سن الثانية عشرة في هذه المهنة.

[1]

ঐতিহাসিক নথিপত্র অনুযায়ী, সেই সময়কার আইন ও অর্থনৈতিক নীতিগুলো ছিল অত্যন্ত কঠোর এবং শ্রমিকের অধিকারের পরিবর্তে পুঁজিবাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত। এই যুগকে একটি "নিষ্ঠুর ও ভয়াবহ যুগ" হিসেবে অভিহিত করা হয়, যেখানে আইনগুলো ছিল একটি নির্মম অর্থনীতির অনুগামী।


لقد كان عصراً قاسياً رهيباً، انسجمت قوانينه مع اقتصاد لا يرحم، وإملاق مخزٍ وفن كئيب، ولاهوت تخلى ربه عن المسيح وتبرأ منه.

[2]

এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। ক্যাথলিক চার্চ যেখানে সম্পদ ও বাণিজ্যের প্রতি কিছুটা রক্ষণশীল মনোভাব পোষণ করত এবং দারিদ্র্যকে পবিত্রতা হিসেবে দেখত, সেখানে প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার আন্দোলনের ফলে সম্পদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়। প্রোটেস্ট্যান্টরা সম্পদ অর্জনকে একটি মর্যাদা ও কাজের গুরুত্বকে একটি গুণ হিসেবে দেখতে শুরু করে, যা পরোক্ষভাবে পুঁজিবাদের উত্থানকে ত্বরান্বিত করে। এই পরিবর্তনের ফলে শ্রমের প্রকৃতি পরিবর্তিত হয় এবং অধিক মুনাফার লক্ষ্যে শিশুদের শ্রমের বাজারে ঠেলে দেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় [3]

সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শোষণ ও শিক্ষার অভাব

শিশুশ্রমের এই ভয়াবহতা কেবল কারখানায় সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এটি ছিল একটি পদ্ধতিগত সামাজিক শোষণ। বিশেষ করে এতিম ও দরিদ্র পরিবারের শিশুদের ক্ষেত্রে এই শোষণ ছিল চরম পর্যায়ের। তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার কারণে অনেক শিশু শৈশবেই তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হতো। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যেত, প্যারিশ বা ধর্মীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দরিদ্র এতিম শিশুদের শিল্পপতিদের কাছে দলবদ্ধভাবে হস্তান্তর করতেন, যা ছিল এক প্রকার আধুনিক দাসত্বেরই প্রতিচ্ছবি।

ঐতিহাসিক বিবরণী অনুযায়ী, অনেক সময় ৫০ থেকে ১০০ জন শিশুকে একসাথে শিল্পকারখানায় পাঠিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি এই প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধী শিশুদেরও কোনো প্রকার মানবিক বিবেচনা ছাড়াই শ্রমের জন্য ব্যবহার করা হতো।


[4]

এই শোষণের ফলে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতো। শৈশবে পর্যাপ্ত পুষ্টি ও সঠিক পরিবেশের অভাবে অনেক শিশু শারীরিক বিকলাঙ্গতার শিকার হতো। এছাড়া শিক্ষার অভাব ছিল এই শোষণের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। দরিদ্র পরিবারের শিশুরা স্কুল বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত থাকতো। যদিও কিছু 'চ্যারিটি স্কুল' বা দাতব্য বিদ্যালয় ছিল, কিন্তু তাদের সংখ্যা ও কার্যকারিতা ছিল অত্যন্ত নগণ্য এবং তারা মূলত সমাজের উচ্চবিত্ত বা নির্দিষ্ট শ্রেণির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।


ونجم الكثير من التشوهات الجسمية عن إهمال المولدات والأمهات. فإذا كان الأبوان فقيرين لم ينل الطفل حظاً من التعليم في المدرسة إطلاقاً.

[5]

শিক্ষার এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা শিশুদের একটি চক্রাকার দারিদ্র্যের (Cycle of Poverty) মধ্যে আটকে ফেলত। উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও, নিম্নবিত্ত ও শ্রমিক শ্রেণির শিশুদের জন্য শিক্ষা ছিল একটি দুর্লভ স্বপ্ন। এমনকি যারা সামান্য শিক্ষা পেত, তাদের শিক্ষার মূল লক্ষ্য ছিল কেবল তাদের সামাজিক অবস্থান মেনে নেওয়া এবং উচ্চবিত্তের প্রতি অনুগত থাকা। এই পদ্ধতিগত বৈষম্য শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশকে রুদ্ধ করে দিয়েছিল [6]

মাকাসিদ আশ-শরীয়াহর আলোকে শিশু সুরক্ষা ও অধিকার

ইসলামি আইনশাস্ত্রের মূল লক্ষ্য বা 'মাকাসিদ আশ-শরীয়াহ' (Maqasid al-Shariah) মূলত পাঁচটি মৌলিক বিষয় রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে: দ্বীন (ধর্ম), নফস (জীবন), আকল (বুদ্ধিবৃত্তি), নাসল (বংশধারা) এবং মাল (সম্পদ)। শিশুশ্রমের প্রেক্ষাপটে এই পাঁচটি মাকাসিদ বা লক্ষ্যই সরাসরি লঙ্ঘিত হয়। একজন শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা কেবল একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি ধর্মীয় আবশ্যকতা।

প্রথমত, 'হিফজ আন-নফস' (Hifz an-Nafs) বা জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। শিশুশ্রমের ফলে শিশুদের শারীরিক বিকলাঙ্গতা এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়, যা সরাসরি তাদের জীবনের নিরাপত্তার পরিপন্থী। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দেখা গেছে যে, অবহেলা ও অতিরিক্ত শ্রমের কারণে শিশুদের শারীরিক গঠন ও স্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতো [7] । মাকাসিদ আশ-শরীয়াহর দৃষ্টিতে, কোনো অবস্থাতেই শিশুর জীবন ও শারীরিক সুস্থতাকে অর্থনৈতিক মুনাফার কাছে বিসর্জন দেওয়া জায়েজ নয়।

দ্বিতীয়ত, 'হিফজ আল-আকল' (Hifz al-Aql) বা বুদ্ধিবৃত্তির সুরক্ষা। শিক্ষার অধিকার প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার। শৈশবে শিক্ষার অভাব এবং শ্রমের চাপে বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়া মাকাসিদ আশ-শরীয়াহর পরিপন্থী। ঐতিহাসিক নথিতে উল্লেখ আছে যে, দরিদ্র শিশুরা শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে কেবল শ্রমের যন্ত্রে পরিণত হতো [8] । ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে, শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের ও সমাজের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

তৃতীয়ত, 'হিফজ আন-নাসল' (Hifz an-Nasl) বা বংশধারা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষা। শিশু হলো একটি জাতির ভবিষ্যৎ। যদি বর্তমান প্রজন্মকে শ্রমের মাধ্যমে শোষণ করা হয়, তবে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামাজিক ও নৈতিক কাঠামোকে ধ্বংস করে দেবে। শিশুশ্রমের ফলে পারিবারিক কাঠামো ভেঙে পড়ে এবং শিশুদের সঠিক লালন-পালন ব্যাহত হয়, যা বংশধারার সুস্থতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

আন্তর্জাতিক আইন ও শরীয়াহর সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি: একটি আধুনিক সমাধান

আধুনিক আন্তর্জাতিক আইন, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এবং জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ (UNCRC), শিশুশ্রম প্রতিরোধের জন্য কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। এই আন্তর্জাতিক আইনগুলোর মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে রক্ষা করা এবং তাদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা। মজার বিষয় হলো, এই আধুনিক আইনি কাঠামোর মূল দর্শন ও মাকাসিদ আশ-শরীয়াহর লক্ষ্যগুলোর মধ্যে এক গভীর ও চমৎকার সামঞ্জস্য বিদ্যমান।

আন্তর্জাতিক শ্রম আইন যেখানে 'ন্যূনতম বয়স' (Minimum Age) এবং 'ঝুঁকিপূর্ণ কাজের নিষিদ্ধকরণ' (Prohibition of Hazardous Work) নিয়ে কাজ করে, মাকাসিদ আশ-শরীয়াহ সেখানে 'হিফজ আন-নফস' ও 'হিফজ আল-মাল' (সম্পদের সুরক্ষা ও শোষণ রোধ) এর মাধ্যমে একই সুর প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ, শিল্প বিপ্লবের সময়কার সেই 'ন্যায্য মূল্য' (Fair Price) বা সামাজিক ন্যায়বিচারের যে ধারণাটি থমাস অ্যাকুইনাস বা অন্যান্য দার্শনিকরা দিয়েছিলেন, তা ইসলামি অর্থনীতির 'আদল' (Justice) ও 'ইহসান' (Benevolence) এর ধারণার সাথে সংগতিপূর্ণ।


وكان توماس الأكويني قد وصم السعي إلى المال، بعد الوفاء بحاجيات الإنسان، بأنه "جشع آثم"، وحكم بأن أية مقتنيات أو مدخرات فائضة عن الحاجة، "تخصص بمقتضى القانون الطبيعي لإغاثة الفقراء وإسعافهم".

[9]

থমাস অ্যাকুইনাসের এই ধারণাটি যে অতিরিক্ত সম্পদ বা মুনাফা দরিদ্রদের সহায়তায় ব্যয় করা উচিত, তা মাকাসিদ আশ-শরীয়াহর 'মাল' বা সম্পদ রক্ষার নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সম্পদ কেবল ব্যক্তিগত ভোগের জন্য নয়, বরং সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার জন্যও ব্যবহৃত হওয়া উচিত।

পরিশেষে বলা যায়, শিশুশ্রম প্রতিরোধে কেবল আইনি নিষেধাজ্ঞা যথেষ্ট নয়; বরং এর জন্য প্রয়োজন একটি শক্তিশালী নৈতিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি। আধুনিক আন্তর্জাতিক আইন যেখানে কাঠামোগত ও আইনি বাধ্যবাধকতা প্রদান করে, মাকাসিদ আশ-শরীয়াহ সেখানে সেই আইনের পেছনে একটি আধ্যাত্মিক ও নৈতিক ভিত্তি প্রদান করে। যখন একটি সমাজ শিশুর অধিকারকে কেবল আইনি বাধ্যবাধকতা হিসেবে নয়, বরং একটি ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করে, তখনই শিশুশ্রমের মতো সামাজিক ব্যাধি নির্মূল করা সম্ভব হয়। ঐতিহাসিক শিক্ষা ও আধুনিক আইনি জ্ঞানকে সমন্বিত করে একটি শিশু-বান্ধব বিশ্ব গড়ে তোলাই হোক আমাদের লক্ষ্য।

""
১৬.১৫ পরিশিষ্ট ১৪: চাইল্ড লেবার (Child Labor) প্রতিরোধে মডার্ন ইন্টারন্যাশনাল ল এবং মাকাসিদ আশ-শরীয়াহর (Maqasid al-Shariah) সমন্বয়
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১৬.১৫ পরিশিষ্ট ১৪: চাইল্ড লেবার (Child Labor) প্রতিরোধে মডার্ন ইন্টারন্যাশনাল ল এবং মাকাসিদ আশ-শরীয়াহর (Maqasid al-Shariah) সমন্বয় কুইজ

1 / 5

মাকাসিদ আশ-শরীয়াহ বা ইসলামি আইনশাস্ত্রের মূল লক্ষ্য কয়টি মৌলিক বিষয় রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...