খণ্ড 93
ফন্ট:100%
থিম:

১১.১৭ নিউজ কনজাম্পশন (News Consumption) এবং এডিএইচডি (ADHD): অতিরিক্ত তথ্যের কারণে কগনিটিভ ডিক্লাইন (Cognitive Decline)

একবিংশ শতাব্দীর জ্ঞানতাত্ত্বিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রেক্ষাপটে মানবসভ্যতা এক অভূতপূর্ব সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং ডিজিটাল মিডিয়ার নিরন্তর সংকেত মানুষের প্রজ্ঞার ওপর এক প্রকার 'ইনফরমেশন ওভারলোড' বা তথ্য-বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। আধুনিক পুঁজিবাদী দর্শন ও এর সাহিত্যিক প্রভাব মানুষের জীবনযাত্রাকে উৎপাদনমুখী (Production) অবস্থা থেকে কেবল ভোগবাদী (Consumption) অবস্থায় রূপান্তরিত করেছে [1] । এই পরিবর্তনের ফলে মানুষ এখন তথ্যের ভোক্তা হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত করেছে, যেখানে তথ্যের গভীরতা বা সত্যতা যাচাইয়ের চেয়ে তথ্যের পরিমাণ বা 'ভলিউম' অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই নিরন্তর সংবাদ আহরণ বা নিউজ কনজাম্পশন প্রক্রিয়া মানুষের মস্তিষ্কের নিউরোলজিক্যাল কাঠামো এবং মনোযোগের গভীরতাকে (Attention Span) মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, যা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এডিএইচডি (ADHD) এবং কগনিটিভ ডিক্লাইন বা জ্ঞানীয় অবক্ষয়ের একটি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

তথ্য-বিস্ফোরণ ও পুঁজিবাদী ভোগবাদের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব

আধুনিক বিশ্বব্যবস্থা এবং পুঁজিবাদী দর্শন মানুষের জীবনযাত্রাকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে যেখানে মানুষের মূল কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে তথ্যের নিরন্তর ভোগ করা। ঐতিহাসিকভাবে মানুষ তার জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় বস্তু উৎপাদন করত, কিন্তু বর্তমান পুঁজিবাদী কাঠামো মানুষকে কেবল একজন 'কনজিউমার' বা ভোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছে [2] । এই ভোগবাদের একটি অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হলো ডিজিটাল সংবাদ বা নিউজ কনজাম্পশন। যখন একজন ব্যক্তি অবিরাম স্ক্রল করে বা নোটিফিকেশনের মাধ্যমে আসা খণ্ড খণ্ড সংবাদ গ্রহণ করে, তখন তার মস্তিষ্ক একটি 'ডোপামিন লুপ'-এ আটকে পড়ে। এই লুপটি তাকে নতুন তথ্যের প্রতি আসক্ত করে তোলে, যদিও সেই তথ্যগুলো প্রায়শই অগভীর, অসংলগ্ন এবং অপ্রাসঙ্গিক হয়।

এই প্রক্রিয়ার ফলে মানুষের মধ্যে একটি বিশেষ ধরনের মনস্তাত্ত্বিক অস্থিরতা তৈরি হয়। শেখ আব্দুল কারিম বাক্কারের মতে, যারা সময়ের দাবি বা যুগের বাস্তবতা সঠিকভাবে বুঝতে পারে না, তাদের উপলব্ধি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে। তারা অল্প পড়াশোনা এবং দুর্বল অনুশীলনের কারণে সহজেই কল্পনা ও বিভ্রমের (Illusions) শিকার হয় [3] । নিউজ কনজাম্পশনের এই অতিমাত্রায় আসক্তি মানুষের চিন্তাশক্তিকে খণ্ডিত করে দেয়। মানুষ এখন দীর্ঘ কোনো প্রবন্ধ বা গভীর কোনো গবেষণামূলক বিষয় পড়ার ধৈর্য হারিয়ে ফেলছে, কারণ তার মস্তিষ্ক দ্রুত এবং ছোট ছোট সংকেত বা 'শর্ট-ফর্ম' তথ্যের প্রতি অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। এটি সরাসরিভাবে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা বা কগনিটিভ ফাংশনকে হ্রাস করছে।

এই জ্ঞানতাত্ত্বিক অবক্ষয় কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক সংকট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। যখন একটি জনগোষ্ঠীর বিশাল অংশ তথ্যের গভীরতা হারিয়ে কেবল উপরিভাগের সংবাদের ওপর ভিত্তি করে মতামত প্রদান করতে শুরু করে, তখন তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং যৌক্তিক বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা লোপ পায়। এই অবস্থাটি মূলত একটি 'কগনিটিভ ডিক্লাইন' বা জ্ঞানীয় অবক্ষয়, যা মানুষকে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য করতে অক্ষম করে তোলে এবং তাদের একটি বিভ্রান্তিকর ও অসংলগ্ন বাস্তবতার দিকে ঠেলে দেয় [4]

এডিএইচডি (ADHD) এবং ডিজিটাল নিউরোলজি: মনোযোগের খণ্ডায়ন

ডিজিটাল মিডিয়ার মাধ্যমে সংবাদ আহরণের এই পদ্ধতিটি মানুষের মস্তিষ্কের প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্সকে (Pre-frontal Cortex) ক্রমাগত উত্তেজিত করে রাখে, যা মনোযোগ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়ী। আধুনিক যুগে এডিএইচডি (Attention Deficit Hyperactivity Disorder) বা মনোযোগের ঘাটতি ও অতিসক্রিয়তা কেবল একটি জৈবিক সমস্যা নয়, বরং এটি একটি 'ডিজিটাল নিউরোলজিক্যাল' সমস্যা হিসেবেও আবির্ভূত হয়েছে। যখন একজন ব্যবহারকারী ক্রমাগত নিউজ ফিড পরিবর্তন করেন, তখন তার মস্তিষ্ক কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। এই খণ্ডিত মনোযোগ বা 'Fragmented Attention' মানুষের চিন্তার গভীরতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

মুহাদ্দিসগণের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তারা তথ্যের বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য যে কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতা প্রদর্শন করেছেন, আধুনিক নিউজ কনজাম্পশন তার ঠিক বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছে। মুহাদ্দিসগণ প্রতিটি বর্ণনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত ধৈর্যশীল ও মনোযোগী ছিলেন, যেখানে আধুনিক সংবাদ ভোক্তা অত্যন্ত অস্থির। তথ্যের এই অস্থিরতা মানুষের মস্তিষ্কে একটি কৃত্রিম উদ্দীপনা তৈরি করে, যা দীর্ঘমেয়াদে মনোযোগের স্থায়ী ঘাটতি বা এডিএইচডি-র মতো লক্ষণ তৈরি করে। এই অবস্থায় মানুষের মস্তিষ্ক জটিল সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং কেবল তাৎক্ষণিক উত্তেজনাকর সংবাদের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে [5]

এই নিউরোলজিক্যাল পরিবর্তনের ফলে মানুষের 'কগনিটিভ লোড' বা জ্ঞানীয় ভার বহুগুণ বেড়ে যায়। অতিরিক্ত তথ্যের চাপে মস্তিষ্ক যখন তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে ব্যর্থ হয়, তখন তা এক প্রকার মানসিক ক্লান্তিতে পর্যবসিত হয়। এই ক্লান্তি মানুষকে আরও বেশি অগভীর তথ্যের দিকে ধাবিত করে, যা একটি অন্তহীন চক্র তৈরি করে। এই চক্রটি মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক স্বকীয়তা বা 'Intellectual Autonomy' কেড়ে নেয় এবং তাকে অ্যালগরিদম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি যন্ত্রে পরিণত করে। ফলে মানুষ সত্য অনুসন্ধানের পরিবর্তে কেবল তথ্যের সমুদ্রে ভেসে বেড়াতে থাকে, যেখানে কোনো দিশা বা গন্তব্য নেই [6]

মুহাদ্দিসগণের 'নাকদ' (Naqd) পদ্ধতি: জ্ঞানীয় অবক্ষয়ের তাত্ত্বিক প্রতিষেধক

আধুনিক যুগের এই তথ্য-বিস্ফোরণ ও মনোযোগের সংকট থেকে উত্তরণের জন্য ইসলামের স্বর্ণযুগের মুহাদ্দিসগণের 'নাকদ' (Naqd) বা সমালোচনা পদ্ধতি একটি বৈপ্লবিক ও বিজ্ঞানসম্মত সমাধান প্রদান করে। মুহাদ্দিসগণ কেবল তথ্য সংগ্রহ করেননি, বরং তারা তথ্যের উৎস, বর্ণনাকারীর নির্ভরযোগ্যতা এবং তথ্যের অভ্যন্তরীণ সংগতি বা 'মতন' (Matn) নিয়ে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও কঠোর বিশ্লেষণ করেছেন। তাদের এই পদ্ধতিটি মূলত একটি 'ক্রিটিক্যাল থিংকিং' বা সমালোচনামূলক চিন্তার চরম উৎকর্ষতা, যা আধুনিক এডিএইচডি-র শিকার মানুষের খণ্ডিত মনোযোগের সম্পূর্ণ বিপরীত।

মুহাদ্দিসগণের এই পদ্ধতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো 'আল-মুকারানাহ' বা তুলনা করা। ইমাম মুসলিম (রহ.) এই বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, বিভিন্ন বর্ণনার মধ্যে তুলনা করার মাধ্যমেই সঠিক ও ভুলের পার্থক্য করা সম্ভব। তিনি বলেন:

"فبجمع هذه الروايات ومقابلة بعضها ببعض يتميز صحيحها من سقيمها، ويتبين رواة ضعاف الأخبار من أضدادهم من الحفاظ"
[7]
অর্থাৎ, বিভিন্ন বর্ণনা একত্রিত করে একে অপরের সাথে মিলিয়ে দেখার মাধ্যমেই সঠিক বর্ণনা এবং দুর্বল বর্ণনাকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এই পদ্ধতিটি আধুনিক নিউজ কনজাম্পশনের 'একপাক্ষিকতা' বা 'ইকো চেম্বার' (Echo Chamber) প্রভাব মোকাবিলায় অত্যন্ত কার্যকর।

অনুরূপভাবে, আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুবারক (রা.) এবং ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন (রহ.)-এর মতো প্রাজ্ঞ পণ্ডিতগণ তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কঠোর নিয়মাবলি অনুসরণ করতেন। আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুবারক (রা.) বলতেন:

"إذا أردت أن يصح لك الحديث فاضرب بعضه ببعض"
[8]
অর্থাৎ, কোনো হাদিস বা সংবাদকে সঠিক হিসেবে গ্রহণ করার আগে তার বিভিন্ন সূত্রকে একে অপরের সাথে সংঘর্ষ বা তুলনা করতে হবে। অন্যদিকে, ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন (রহ.) নির্দেশ দিয়েছিলেন:
"إذا كتبت فقمش، وإذا حدثت ففتش"
[9]
অর্থাৎ, যখন তুমি লিখবে তখন যাচাই করো এবং যখন বর্ণনা করবে তখন অনুসন্ধান করো। এই পদ্ধতিটি মূলত মানুষের মনোযোগকে একটি নির্দিষ্ট ও গভীর লক্ষ্যে স্থির করতে শেখায়, যা এডিএইচডি-র চিকিৎসায় বা মনোযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি তাত্ত্বিক কাঠামো প্রদান করতে পারে।

মুহাদ্দিসগণের এই পদ্ধতিটি কেবল তথ্যের বিশুদ্ধতা রক্ষা করেনি, বরং এটি মানুষের মস্তিষ্কে একটি 'নৃতাত্ত্বিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক শৃঙ্খলা' (Intellectual Discipline) তৈরি করেছিল। তারা তথ্যের প্রবাহে ভেসে না গিয়ে বরং তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আধুনিক যুগে যখন মানুষ তথ্যের বিশাল স্রোতে দিশেহারা হয়ে পড়ছে, তখন মুহাদ্দিসগণের এই 'নাকদ' পদ্ধতি বা সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ পদ্ধতি গ্রহণ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এটি মানুষকে কেবল একজন নিষ্ক্রিয় ভোক্তা থেকে একজন সক্রিয় ও সচেতন বিশ্লেষক হিসেবে রূপান্তরিত করতে সক্ষম [10]

তথ্য বিকৃতি ও দুর্বল বর্ণনাকারীদের প্রভাব: একটি ঐতিহাসিক ও আধুনিক তুলনা

ইতিহাসের পাতায় দেখা যায়, তথ্যের বিশুদ্ধতা রক্ষায় মুহাদ্দিসগণের যে কঠোরতা ছিল, তা না থাকলে ইসলামের ইতিহাস ও ধর্মীয় বিধান আজ অস্পষ্ট ও বিভ্রান্তিকর হয়ে পড়ত। দুর্বল বর্ণনাকারীদের (Ruwat al-Du'afa) মাধ্যমে আসা তথ্যগুলো অনেক সময় সীরাত বা ইতিহাসের একটি বিকৃত চিত্র তুলে ধরত [11] । আধুনিক প্রেক্ষাপটে এই 'দুর্বল বর্ণনাকারী' বলতে আমরা বুঝি সেইসব ডিজিটাল মিডিয়া, ক্লিকবেইট সাংবাদিকতা এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের, যারা কোনো যাচাই ছাড়াই বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেয়।

মুহাদ্দিসগণ লক্ষ্য করেছিলেন যে, দুর্বল বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্তির ফলে তথ্যের মান কমে যায় এবং তা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। বিশেষ করে পরবর্তীকালের কিছু গ্রন্থে দুর্বল বর্ণনাকারীদের মওলাত বা অসংলগ্ন বর্ণনা প্রবেশ করে ইতিহাসের মূল কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে [12] । ঠিক একইভাবে, বর্তমানের ডিজিটাল নিউজ কনজাম্পশন ব্যবস্থায় তথ্যের এই 'দুর্বলতা' বা 'অনির্ভরযোগ্যতা' মানুষের কগনিটিভ বা জ্ঞানীয় সক্ষমতাকে ধীর করে দিচ্ছে। যখন মানুষ প্রতিনিয়ত ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য গ্রহণ করে, তখন তার মস্তিষ্কের সত্যতা যাচাই করার ক্ষমতা বা 'Critical Faculty' লোপ পায়।

মুহাদ্দিসগণের পদ্ধতি এবং আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির এই বৈপরীত্যটি অত্যন্ত প্রকট। মুহাদ্দিসগণ তথ্যের উৎস (Isnad) এবং বিষয়বস্তু (Matn) উভয়কেই সমান গুরুত্ব দিতেন, যেখানে আধুনিক নিউজ কনজাম্পশন কেবল বিষয়বস্তুর চমক বা 'Sensationalism'-এর ওপর নির্ভর করে। এই বৈষম্যের কারণেই আধুনিক মানুষ তথ্যের মহাসমুদ্রে নিমজ্জিত হয়েও জ্ঞানতাত্ত্বিকভাবে রিক্ত ও নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। তথ্যের এই অসংলগ্নতা ও খণ্ডিততা মানুষের মানসিক ভারসাম্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক মেরুদণ্ডকে ভেঙে দিচ্ছে, যা একটি বৃহত্তর সভ্যতার পতনের পূর্বলক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে [13]

বুদ্ধিবৃত্তিক সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজন তথ্যের এই নিরন্তর ও অন্ধ প্রবাহ থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করা এবং মুহাদ্দিসগণের সেই প্রাচীন ও শক্তিশালী 'নাকদ' বা যাচাইকরণ পদ্ধতিকে আধুনিক জীবনের ডিজিটাল প্রেক্ষাপটে পুনরায় প্রয়োগ করা। কেবল তখনই মানুষ এডিএইচডি এবং কগনিটিভ ডিক্লাইনের এই মরণফাঁদ থেকে মুক্তি পেয়ে প্রকৃত প্রজ্ঞার অধিকারী হতে পারবে।

""
১১.১৭ নিউজ কনজাম্পশন (News Consumption) এবং এডিএইচডি (ADHD): অতিরিক্ত তথ্যের কারণে কগনিটিভ ডিক্লাইন (Cognitive Decline)
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১১.১৭ নিউজ কনজাম্পশন (News Consumption) এবং এডিএইচডি (ADHD): অতিরিক্ত তথ্যের কারণে কগনিটিভ ডিক্লাইন (Cognitive Decline) কুইজ

1 / 5

অতিরিক্ত তথ্যের প্রবাহ মানুষের মস্তিষ্কে কী ঘটাচ্ছে?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...