খণ্ড 97
ফন্ট:100%
থিম:

১১.১৭ তাবারীর পলিটিক্যাল সায়েন্স: স্যাসানীয় (Sassanid) সাম্রাজ্যের হিস্টোরিওগ্রাফির সাথে তাঁর মেথডলজির তুলনা

ইতিহাস কেবল অতীতের ঘটনাবলির সমষ্টি নয়, বরং এটি ক্ষমতার বিবর্তন, ভূ-রাজনৈতিক কৌশল এবং সামাজিক কাঠামোর একটি নিরবচ্ছিন্ন বিশ্লেষণ। ইমাম আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে জারির তবারি (রহ.)-এর রচিত 'তারিখ আল-রুসুল ওয়াল মুলুক' (Tarikh al-Rusul wa al-Muluk) কেবল একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ নয়, বরং এটি একটি উচ্চতর রাজনৈতিক বিজ্ঞান বা 'পলিটিক্যাল সায়েন্স'-এর প্রয়োগক্ষেত্র। তাবারীর (রহ.) মেথডলজি বা পদ্ধতিগত কাঠামোটি ছিল অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক এবং তথ্যনির্ভর, যা তৎকালীন প্রচলিত রাজকীয় ইতিহাস রচনার ধারা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। বিশেষ করে, পারস্যের স্যাসানীয় (Sassanid) সাম্রাজ্যের যে হিস্টোরিওগ্রাফি বা ইতিহাস রচনার ঐতিহ্য বিদ্যমান ছিল, তার সাথে তাবারীর (রহ.) পদ্ধতিগত তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলে একটি বিশাল তাত্ত্বিক ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়।

তৎকালীন স্যাসানীয় সাম্রাজ্যের ইতিহাস রচনার মূল লক্ষ্য ছিল রাজকীয় বৈধতা (Royal Legitimacy) নিশ্চিত করা এবং সম্রাটদের দেবত্ব বা অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার মহিমা প্রচার করা। অন্যদিকে, তাবারীর (রহ.) পদ্ধতি ছিল 'ইসনাদ' (Isnad) বা সূত্রের পরম্পরা ভিত্তিক, যেখানে তিনি তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কঠোর মানদণ্ড অনুসরণ করতেন। তাবারীর (রহ.) এই পদ্ধতিগত বৈচিত্র্য কেবল ধর্মীয় ইতিহাসের জন্য নয়, বরং রাজনৈতিক ক্ষমতার স্থানান্তর এবং সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন বিশ্লেষণের ক্ষেত্রেও একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছিল।

তাবারীর ঐতিহাসিক জ্ঞানতত্ত্ব ও তথ্যসূত্র বিন্যাস (Epistemology and Isnad)

তাবারীর (রহ.) রাজনৈতিক বিশ্লেষণের মূল ভিত্তি হলো তাঁর তথ্যসূত্র বা 'মাদারিজ' (Madarij)। তিনি যখন কোনো রাজনৈতিক ঘটনা বা ক্ষমতার পরিবর্তন বর্ণনা করেন, তখন তিনি কেবল ঘটনাটি বর্ণনা করেন না, বরং সেই ঘটনার বর্ণনার পেছনে থাকা বর্ণনাকারীদের পরম্পরা বা 'ইসনাদ' প্রদান করেন। এটি তাঁর ঐতিহাসিক জ্ঞানতত্ত্বের (Epistemology) একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। স্যাসানীয় সাম্রাজ্যের ইতিহাস রচয়িতারা মূলত রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় কাজ করতেন, যেখানে তথ্যের উৎস ছিল মূলত রাজকীয় দরবার বা মৌখিক কিংবদন্তি, যা প্রায়শই রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা দ্বারা প্রভাবিত ছিল। কিন্তু তাবারীর (রহ.) ক্ষেত্রে আমরা দেখি এক ধরণের 'ক্রিটিক্যাল ফিল্টারিং' প্রক্রিয়া।

তাবারীর (রহ.) পাণ্ডুলিপি ও তাঁর বর্ণনার সূক্ষ্মতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি তথ্যের অসংগতি বা পাণ্ডুলিপির বিচ্যুতি সম্পর্কে অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, কোনো একটি বর্ণনায় যদি মূল পাণ্ডুলিপিতে কোনো অংশ অনুপস্থিত থাকে, তবে তিনি তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতেন। যেমনটি দেখা যায় নিম্নোক্ত বর্ণনায়:

ما بين المعقوفتين ساقط من الأصول، وأوردناه من الطبري

এই বাক্যটি প্রমাণ করে যে, তবারি (রহ.) কেবল তথ্য সংগ্রহকারী ছিলেন না, বরং তিনি একজন অত্যন্ত দক্ষ 'টেক্সটচুয়াল ক্রিটিক' বা পাঠ্য সমালোচক ছিলেন। তিনি মূল পাণ্ডুলিপির (Asl) ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করতে পারতেন এবং তাবারীর নিজস্ব সংকলন থেকে সেই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করতেন। এই যে তথ্যের বিশুদ্ধতা রক্ষার প্রচেষ্টা, এটিই তাঁর পলিটিক্যাল সায়েন্সের একটি শক্তিশালী স্তম্ভ।

তাবারীর (রহ.) এই পদ্ধতিগত কঠোরতা স্যাসানীয় ঐতিহ্যের সম্পূর্ণ বিপরীত। স্যাসানীয় হিস্টোরিওগ্রাফিতে তথ্যের উৎস ছিল মূলত 'কোর্ট হিস্টোরি' (Court History), যেখানে সম্রাটদের সমালোচনা করা ছিল প্রায় অসম্ভব। কিন্তু তবারি (রহ.) যখন কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তনের কথা লিখছেন, তখন তিনি বিভিন্ন সূত্রের মধ্যে তুলনা করেন। তিনি কেবল একটি বর্ণনা গ্রহণ করেন না, বরং বিভিন্ন বর্ণনার মধ্যকার পার্থক্যগুলোও তুলে ধরেন। যেমনটি দেখা যায়:

في الأصل: «شهد في الناس» ، وما أوردناه من الطبري

এই ধরণের বৈচিত্র্য বা 'Variation' তবারি (রহ.) এড়িয়ে যাননি, বরং তিনি পাঠ্যগত পার্থক্যের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা প্রদর্শন করেছেন। এটি তাঁর গবেষণাধর্মী দৃষ্টিভঙ্গিরই বহিঃপ্রকাশ, যা স্যাসানীয় রাজকীয় ইতিহাস রচনার প্রথাগত ও একপাক্ষিক ধারার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

রাজনৈতিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে দেখলে, তাবারীর (রহ.) এই পদ্ধতিটি 'মাল্টি-পারস্পেক্টিভ অ্যানালাইসিস' বা বহুমাত্রিক বিশ্লেষণের একটি প্রাথমিক রূপ। তিনি যখন কোনো সাম্রাজ্যের পতন বা ক্ষমতার পালাবদল নিয়ে লিখছেন, তখন তিনি কেবল বিজয়ী পক্ষের বর্ণনা দেন না, বরং তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে একটি বস্তুনিষ্ঠ চিত্র ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। এটি তাঁকে কেবল একজন ইতিহাসবিদ নয়, বরং একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

সাসানীয় রাজকীয় ইতিহাস বনাম তাবারীর বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি

সাসানীয় সাম্রাজ্যের ইতিহাস রচনার ধারাটি ছিল মূলত 'Legitimization Theory' বা বৈধতা প্রদানের তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। পারস্যের সম্রাটরা নিজেদের 'শাহানশাহ' বা সম্রাটদের সম্রাট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ইতিহাসকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতেন। তাদের ইতিহাস রচনায় বীরত্বগাথা, অতিপ্রাকৃত কাহিনী এবং বংশীয় শ্রেষ্ঠত্বকে প্রাধান্য দেওয়া হতো। এই ধরণের হিস্টোরিওগ্রাফিতে রাজনৈতিক কৌশল বা ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার চেয়ে রাজকীয় মহিমা প্রদর্শনই ছিল মুখ্য।

তাবারীর (রহ.) পদ্ধতিটি ছিল এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি যখন পারস্য বা স্যাসানীয় সাম্রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আলোচনা করেন, তখন তিনি তথ্যের সত্যতা ও সূত্রের নির্ভরযোগ্যতাকে প্রাধান্য দেন। তবারি (রহ.) কোনো ঘটনাকে কেবল মহিমান্বিত করার জন্য বর্ণনা করেন না, বরং তিনি ঘটনার পেছনের রাজনৈতিক কারণ ও প্রভাব বিশ্লেষণ করেন। তাবারীর (রহ.) কাজের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো তিনি বিভিন্ন পাণ্ডুলিপির মধ্যকার পার্থক্যগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করতেন। যেমনটি দেখা যায়:

في الأصلين وبعض نسخ الطبري المخطوط: «البصري» . وما أوردناه من الطبري المطبوع. وسيأتي اسمه في حوادث سنة 105 في الأصل: «النضري» . وفي ت بدون نقط

এখানে দেখা যাচ্ছে, তবারি (রহ.) কোনো নামের বানান বা বর্ণনার সামান্য বিচ্যুতিকেও (যেমন: 'النضري' বনাম অন্য কোনো নাম) গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেছেন। রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নামের সামান্য পরিবর্তনও অনেক সময় বংশীয় পরিচয় বা রাজনৈতিক আনুগত্যের পরিবর্তন নির্দেশ করতে পারে। তবারি (রহ.)-এর এই সূক্ষ্মতা স্যাসানীয় রাজকীয় ইতিহাস রচয়িতাদের মধ্যে অনুপস্থিত ছিল, যারা মূলত রাজনৈতিক সুবিধার্থেই ইতিহাসকে রদবদল করতেন।

ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, স্যাসানীয় সাম্রাজ্যের পতন এবং ইসলামের উত্থান ছিল একটি বিশাল পরিবর্তন। স্যাসানীয় ইতিহাস রচয়িতারা এই পরিবর্তনকে কেবল একটি বিপর্যয় হিসেবে দেখতেন, কিন্তু তবারি (রহ.) একে একটি পদ্ধতিগত ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি ক্ষমতার স্থানান্তর (Transfer of Power) এবং সাম্রাজ্যের কাঠামোগত পরিবর্তনের বিষয়গুলোকে অত্যন্ত বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপন করেছেন। তাবারীর (রহ.) বর্ণনায় আমরা দেখি যে, তিনি কেবল বিজয়ের কাহিনী বলেন না, বরং বিজয়ের পেছনের সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণগুলোকেও গুরুত্ব দেন।

তাবারীর (রহ.) এই বৈচিত্র্যময় দৃষ্টিভঙ্গি তাঁর কাজের গভীরতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি যখন কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বর্ণনা দেন, তখন তিনি বিভিন্ন সূত্রের মধ্যে তুলনা করেন। যেমনটি দেখা যায়:

تاريخ الطبري 3/ 444. وفي الأصل: «أبي عبيدة»

এখানে তিনি মূল পাণ্ডুলিপির তথ্যের সাথে তাঁর প্রাপ্ত তথ্যের পার্থক্যটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। এই যে তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের (Verification) প্রক্রিয়া, এটিই তাবারীর (রহ.) পলিটিক্যাল সায়েন্সের প্রাণ। স্যাসানীয় ইতিহাস রচয়িতারা যেখানে তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ রাখতেন না, তবারি (রহ.) সেখানে তথ্যের বিচ্যুতি বা 'Discrepancy' চিহ্নিত করার মাধ্যমে একটি উচ্চতর একাডেমিক মান বজায় রেখেছেন।

পাণ্ডুলিপির বিচ্যুতি ও রাজনৈতিক সত্যের পুনর্গঠন

তাবারীর (রহ.) মেথডলজির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পাণ্ডুলিপির বিচ্যুতি বা 'Textual Variations' শনাক্তকরণ। রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি ছোট ভুল বা শব্দের পরিবর্তন অনেক সময় পুরো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে বদলে দিতে পারে। তবারি (রহ.) এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছেন। তিনি কেবল একটি বর্ণনা গ্রহণ করে তাকেই চূড়ান্ত সত্য বলে মেনে নেননি, বরং তিনি বিভিন্ন পাণ্ডুলিপির মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে, তা পাঠকদের সামনে তুলে ধরেছেন।

তাবারীর (রহ.) কাজের এই বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁর রাজনৈতিক সত্য অনুসন্ধানের প্রচেষ্টাকে নির্দেশ করে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো বর্ণনায় যদি কোনো নাম বা পদবিতে পার্থক্য থাকে, তবে তিনি তা উল্লেখ করেন। যেমনটি দেখা যায়:

في الأصل: «تواعدها بأن يزري» .

এই ধরণের সূক্ষ্ম ভাষাগত বা বর্ণনামূলক পার্থক্যগুলো তবারি (রহ.) এড়িয়ে যাননি। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে 'يزري' (সমালোচনা করা বা ছোট করা) বা এই জাতীয় শব্দগুলোর ব্যবহার ক্ষমতার লড়াই বা রাজনৈতিক বিরোধের ইঙ্গিত দেয়। তবারি (রহ.) এই সূক্ষ্মতাগুলো ধরে রাখার মাধ্যমে ইতিহাসের একটি প্রকৃত ও বস্তুনিষ্ঠ চিত্র পুনর্গঠন করার চেষ্টা করেছেন।

তাবারীর (রহ.) এই পদ্ধতিগত কঠোরতা তাঁকে স্যাসানীয় ঐতিহাসিকদের থেকে আলাদা করে দেয়। স্যাসানীয় ইতিহাস রচয়িতারা যেখানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য ইতিহাসকে একটি নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢালাই করতেন, তবারি (রহ.) সেখানে ইতিহাসের জটিলতা ও বৈচিত্র্যকে স্বীকার করেছেন। তিনি যখন কোনো ঘটনার বর্ণনা দেন, তখন তিনি তথ্যের উৎস এবং সেই তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ রাখেন। যেমনটি দেখা যায়:

ما بين المعقوفتين ساقط من الأصول، وأوردناه من الطبري.

পাণ্ডুলিপির এই ঘাটতি বা 'Omission' শনাক্ত করা একজন উচ্চমানের গবেষকের কাজ। তবারি (রহ.) এই পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রমাণ করেছেন যে, ইতিহাস কেবল বর্ণনা নয়, বরং এটি একটি নিরন্তর যাচাইকরণ প্রক্রিয়া।

পরিশেষে বলা যায়, তাবারীর (রহ.) পলিটিক্যাল সায়েন্স বা রাজনৈতিক বিজ্ঞান হলো তথ্যের সত্যতা, সূত্রের নির্ভরযোগ্যতা এবং পাণ্ডুলিপির সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের একটি সমন্বিত রূপ। স্যাসানীয় সাম্রাজ্যের রাজকীয় ও একপাক্ষিক হিস্টোরিওগ্রাফির বিপরীতে তবারি (রহ.) একটি বহুমাত্রিক, সমালোচনামূলক এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রবর্তন করেছিলেন। তাঁর এই মেথডলজি কেবল ইসলামের ইতিহাস রচনায় নয়, বরং বিশ্ব ইতিহাসের যেকোনো রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণধর্মী গবেষণায় একটি আদর্শ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবারি (রহ.)-এর এই পদ্ধতিগত শ্রেষ্ঠত্বই তাঁকে ইতিহাসের এক চিরস্থায়ী ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

""
১১.১৭ তাবারীর পলিটিক্যাল সায়েন্স: স্যাসানীয় (Sassanid) সাম্রাজ্যের হিস্টোরিওগ্রাফির সাথে তাঁর মেথডলজির তুলনা
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১১.১৭ তাবারীর পলিটিক্যাল সায়েন্স: স্যাসানীয় (Sassanid) সাম্রাজ্যের হিস্টোরিওগ্রাফির সাথে তাঁর মেথডলজির তুলনা কুইজ

1 / 5

তাবারীর ইতিহাস রচনার পদ্ধতিটি স্যাসানীয় ঐতিহ্য থেকে কোন দিক দিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...