খণ্ড 66
ফন্ট:100%
থিম:

১১.২১ ওয়ার্কিং মাদারস (Working Mothers) এবং ম্যাটারনাল গিল্ট (Maternal Guilt): কর্মজীবী নারীদের ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স

সমসাময়িক বিশ্বায়িত সমাজব্যবস্থায় নারীর ভূমিকা কেবল গৃহস্থালির চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং পেশাগত ও সামাজিক ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। এই পরিবর্তনের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও মনস্তাত্ত্বিকভাবে জটিল দিক হলো 'ওয়ার্কিং মাদারস' বা কর্মজীবী মায়েদের অস্তিত্ব। যখন একজন নারী একই সাথে তার পেশাগত উৎকর্ষতা এবং মাতৃত্বের সহজাত দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেন, তখন তিনি এক অদৃশ্য মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক দ্বান্দ্বিকতার সম্মুখীন হন। এই দ্বান্দ্বিকতা মূলত 'ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স' (Work-Life Balance) এবং এর নেতিবাচক উপজাত হিসেবে উদ্ভূত 'ম্যাটারনাল গিল্ট' (Maternal Guilt) বা মাতৃত্বকালীন অপরাধবোধের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়।

সভ্যতার বিবর্তনের ধারায় মাতৃত্বের সংজ্ঞা এবং এর সামাজিক গুরুত্ব প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়েছে। আদিম সমাজ থেকে শুরু করে আধুনিক পুঁজিবাদী সমাজ পর্যন্ত, মায়েদের ভূমিকা এবং তাদের ওপর আরোপিত প্রত্যাশাগুলো সমাজবিজ্ঞানের এক বিশাল গবেষণার বিষয়। কর্মজীবী মায়েদের এই সংগ্রাম কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি একটি বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক কাঠামোর প্রতিফলন, যা পারিবারিক স্থিতিশীলতা এবং সামষ্টিক নিরাপত্তার (Collective Security) ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

মাতৃত্বের নৃতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: একটি সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

মাতৃত্বের ভূমিকা এবং পরিবারের কাঠামোর মধ্যে মায়ের অবস্থান বুঝতে হলে মানব সভ্যতার আদিমতম স্তরগুলোর দিকে দৃষ্টিপাত করা প্রয়োজন। ঐতিহাসিক ও নৃতাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা যায় যে, আদিম সমাজগুলোতে পরিবারের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে মায়ের ভূমিকা ছিল অপরিহার্য। সভ্যতার বিবর্তনের প্রাথমিক পর্যায়ে নারী ও পুরুষের ভূমিকা সামাজিক ও জৈবিক কারণে ভিন্নভাবে বিন্যস্ত ছিল।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে, পরিবারের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় এবং সন্তানদের লালন-পালনে মায়ের ভূমিকা ছিল মৌলিক ও অবিচ্ছেদ্য। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে, পুরুষের সামাজিক অবস্থান বা পরিবারের কাঠামোর তুলনায় মায়ের দায়িত্ব ছিল অনেক বেশি বিস্তৃত ও মৌলিক।


ولما كان يُعهد إلى الأم بأداء معظم ما تقتضيه العناية بالأبناء من خدمات، فقد كان تنظيم الأسرة في أول أمرها قائماً على أساس أن منزلة الرجل في الأسرة كانت تافه وعارضه، بينما مهمة الأم فيها أساسية لا تعلوها مهمة أخرى
[1]

উপরোক্ত আরবি ইবারতটি নির্দেশ করে যে, সভ্যতার প্রাথমিক পর্যায়ে পরিবারের সংগঠন এমনভাবে গড়ে উঠেছিল যেখানে মায়েদের দায়িত্ব ছিল অত্যন্ত মৌলিক এবং কোনোভাবেই অন্য কোনো দায়িত্বের দ্বারা অতিক্রম করা সম্ভব ছিল না। যদিও আধুনিক সমাজবিজ্ঞানে পুরুষের ভূমিকার গুরুত্ব নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে, তথাপি আদিম গোষ্ঠীগুলোতে মাতৃত্বের এই কেন্দ্রীয় অবস্থান ছিল একটি স্বীকৃত সামাজিক বাস্তবতা। এমনকি কিছু নৃবিজ্ঞানী যেমন ম্যালিনোস্কি (Malinowski) বিভিন্ন উপজাতির (যেমন: Trobriand Islanders) ক্ষেত্রে প্রজনন ও মাতৃত্বের ধারণাকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করেছেন, যা প্রমাণ করে যে মাতৃত্বের সামাজিক সংজ্ঞা সংস্কৃতিভেদে ভিন্ন হতে পারে [2]

এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি বর্তমান কর্মজীবী মায়েদের জন্য একটি মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করে। যেহেতু ঐতিহাসিকভাবে মাতৃত্বকে একটি 'একচেটিয়া' ও 'মৌলিক' দায়িত্ব হিসেবে দেখা হয়েছে, তাই আধুনিক যুগে যখন একজন নারী পেশাগত কারণে এই দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে বিচ্যুত হন, তখন সমাজ ও তার অবচেতন মন তাকে একটি অপরাধবোধের দিকে ঠেলে দেয়। এই ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারই মূলত আধুনিক 'ম্যাটারনাল গিল্ট'-এর মূলে অবস্থান করছে।

ভাষাতাত্ত্বিক পরিচয় ও মাতৃত্বের সামাজিক গুরুত্ব: 'আল-মাতাফিল' (Al-Matafeel) এর ধারণা

আরবি ভাষা ও সাহিত্যের গভীরতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, মাতৃত্ব কেবল একটি জৈবিক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি একটি বিশেষ সামাজিক পরিচয়। আরবি শব্দতত্ত্বে মায়েদের এবং তাদের সন্তানদের সাথে সম্পর্কিত বিশেষ কিছু শব্দ রয়েছে যা তাদের সামাজিক মর্যাদাকে নির্দেশ করে।

উদাহরণস্বরূপ, 'المطافيل' (Al-Matafeel) শব্দটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি 'مطفل' (Mutafil) শব্দের বহুবচন, যার অর্থ হলো সেই নারী যার একটি সন্তান রয়েছে। এই শব্দটির ব্যবহার কেবল একটি তথ্য প্রদান করে না, বরং এটি একজন নারীর সামাজিক ও পরিচয়গত অবস্থানকে সংজ্ঞায়িত করে।


والمطافيل: جمع مطفل، وهي التي لها طفل. فاستعاره هاهنا للنساء والصبيان.
[3]

এই ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, মাতৃত্ব একজন নারীর পরিচয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃত। যখন একজন নারী কর্মজীবী হন, তখন তার এই 'মাতৃত্বকালীন পরিচয়' (Maternal Identity) এবং 'পেশাগত পরিচয়' (Professional Identity)-এর মধ্যে একটি সংঘাত তৈরি হয়। সমাজ যখন একজন নারীকে কেবল 'মাতা' হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত, তখন তার পেশাগত সাফল্য অনেক সময় তার মাতৃত্বের প্রতি অবজ্ঞার প্রতীক হিসেবে ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়।

এই পরিচয়গত দ্বন্দ্বটি কর্মজীবী মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। তারা একদিকে যেমন সমাজের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে চান, অন্যদিকে তাদের ভাষাতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় (Identity) তাদের সর্বদা একজন 'মাতা' হিসেবেই পূর্ণতা পেতে উদ্বুদ্ধ করে। এই দুই পরিচয়ের সমন্বয় ঘটানোই হলো আধুনিক কর্মজীবী মায়েদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

ম্যাটারনাল গিল্ট (Maternal Guilt) ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বান্দ্বিকতা

ম্যাটারনাল গিল্ট বা মাতৃত্বকালীন অপরাধবোধ হলো একটি জটিল মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা, যেখানে একজন মা তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় তার সন্তানের প্রতি অবহেলা করার একটি অবচেতন ভয় বা অনুশোচনা অনুভব করেন। এটি মূলত একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ, যা নারীর আত্মপরিচয়কে খণ্ডবিখণ্ড করে ফেলে।

এই অপরাধবোধের মূলে রয়েছে দুটি প্রধান কারণ: প্রথমত, সমাজের অবৈজ্ঞানিক ও অতি-আবেগপ্রবণ প্রত্যাশা; এবং দ্বিতীয়ত, নারীর নিজস্ব উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও মাতৃত্বের আদর্শিক সংঘাত। যখন একজন নারী কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ব্যয় করেন, তখন তার অবচেতন মন তাকে বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সে তার 'প্রাকৃতিক' বা 'ঐতিহাসিক' দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হচ্ছে।

নৃতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, যেহেতু মাতৃত্বকে ঐতিহাসিকভাবে পরিবারের মূল ভিত্তি হিসেবে দেখা হয়েছে [4] , তাই এই দায়িত্ব থেকে সামান্যতম বিচ্যুতিও একজন নারীর মনে অপরাধবোধের জন্ম দেয়। এই অপরাধবোধ কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি একটি কাঠামোগত সমস্যা। সমাজ যখন নারীকে কেবল 'সন্তান পালনকারী' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে, তখন তার পেশাগত সাফল্যকে একটি 'ত্যাগ' বা 'পরিবারের প্রতি অবহেলা' হিসেবে গণ্য করা হয়।

মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই গিল্ট বা অপরাধবোধের কারণে অনেক নারী তাদের ক্যারিয়ারের উন্নতি বা পেশাগত উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে বিসর্জন দিতে বাধ্য হন। এটি কেবল নারীর ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, বরং এটি একটি বিশাল মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ। একজন মা যখন তার মানসিক প্রশান্তি হারিয়ে ফেলেন, তখন তার প্রভাব সরাসরি সন্তানের মানসিক বিকাশ ও পারিবারিক স্থিতিশীলতার ওপর পড়ে।

সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও কর্মজীবী নারীদের পরিসংখ্যানগত চিত্র

আধুনিক বিশ্ব অর্থনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ এখন আর কোনো বিকল্প নয়, বরং এটি একটি অপরিহার্য বাস্তবতা। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নারীদের কর্মসংস্থান এবং তাদের অধিকার নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গবেষণা সংস্থা কাজ করছে।

সামাজিক ও অর্থনৈতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, নারীদের কর্মসংস্থানের হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে এই বৃদ্ধির সাথে সাথে পারিবারিক কাঠামোর ওপর চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে।


"عمل الأمهات" النساء العاملات 34% من مجموع عدد النساء مساويا لعدد الرجال لا يبدو بعيداً. يعتبر اليوم "تشغيل الأمهات" وانه لمن المؤلم جدا ان ندرج
[5]

উপরোক্ত তথ্যের ভিত্তিতে দেখা যায় যে, নারীদের কর্মসংস্থানের হার এবং পুরুষদের সাথে তাদের সমতার বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়। যদিও নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবুও তাদের জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে 'মাদারস ওয়ার্ক' বা মায়েদের কর্মসংস্থানকে অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক ও পারিবারিক কাঠামোর সাথে সাংঘর্ষিক হিসেবে দেখা হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এই পরিসংখ্যানটি নির্দেশ করে যে, কর্মজীবী মায়েদের একটি বিশাল অংশ (প্রায় ৩৪% বা তার কাছাকাছি) এখন শ্রমবাজারে সক্রিয়। এই বিশাল জনশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হলে তাদের জন্য 'ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স' নিশ্চিত করা এবং 'ম্যাটারনাল গিল্ট' থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক সহায়তা প্রদান করা অপরিহার্য। কর্মক্ষেত্রে নমনীয় সময়সূচী, শিশু যত্ন কেন্দ্র (Childcare facilities) এবং সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন না হলে এই বিশাল জনশক্তি তাদের মানসিক দ্বন্দ্বের কারণে পূর্ণ উৎপাদনশীলতা অর্জন করতে পারবে না।

ইসলামি ইতিহাস ও নারী নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত

ইসলামি ইতিহাসে নারীদের ভূমিকা কেবল গৃহস্থালির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তারা জ্ঞানচর্চা, সামাজিক সংস্কার এবং এমনকি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ইসলামের প্রাথমিক যুগে নারীদের এই বহুমুখী ভূমিকা বর্তমান সময়ের কর্মজীবী মায়েদের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত হতে পারে।

উম্মে হানি বিনতে আবি তালিব রা. এর মতো মহীয়সী নারীদের জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, তারা অত্যন্ত বুদ্ধিমতী এবং সামাজিক ও পারিবারিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। যদিও সেই সময়ের সামাজিক কাঠামো বর্তমানের মতো আধুনিক নয়, তবুও নারীদের এই সক্রিয়তা প্রমাণ করে যে ইসলাম নারীর মেধা ও সামর্থ্যকে অস্বীকার করে না।

[6]

ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে নারী ও পুরুষের ভূমিকা একে অপরের পরিপূরক। একজন নারী যখন তার পরিবারের অর্থনৈতিক বা সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখেন, তখন তা কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং তা উম্মাহর সামগ্রিক উন্নতির অংশ। তবে এই অবদানের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করা এবং পরিবারের মৌলিক দায়িত্বগুলো পালন করাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সময়ের কর্মজীবী মায়েদের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো, কীভাবে ইসলামের এই ভারসাম্যপূর্ণ আদর্শকে আধুনিক পেশাগত জীবনের সাথে সমন্বয় করা যায়।

পরিশেষে বলা যায়, কর্মজীবী মায়েদের 'ম্যাটারনাল গিল্ট' বা অপরাধবোধ নিরসনে কেবল ব্যক্তিগত প্রচেষ্টাই যথেষ্ট নয়; এর জন্য প্রয়োজন একটি সমন্বিত সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো। যখন সমাজ একজন নারীকে কেবল 'মাতা' বা কেবল 'কর্মী' হিসেবে না দেখে, বরং একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেবে, তখনই প্রকৃত 'ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স' অর্জিত হবে। এটি কেবল নারীর ব্যক্তিগত মুক্তি নয়, বরং একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ সভ্যতা গঠনের অপরিহার্য শর্ত।

""
১১.২১ ওয়ার্কিং মাদারস (Working Mothers) এবং ম্যাটারনাল গিল্ট (Maternal Guilt): কর্মজীবী নারীদের ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১১.২১ ওয়ার্কিং মাদারস (Working Mothers) এবং ম্যাটারনাল গিল্ট (Maternal Guilt): কর্মজীবী নারীদের ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স কুইজ

1 / 5

'ম্যাটারনাল গিল্ট' (Maternal Guilt) বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...