খণ্ড 74
ফন্ট:100%
থিম:

৪.৩ ট্রাইবাল গভর্নেন্স (Tribal Governance): গোত্রীয় কাঠামোকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অধীনে একীভূতকরণ

১. প্রাক-ইসলামি আরবে গোত্রীয় শাসনব্যবস্থার স্বরূপ ও 'আসাবিয়্যাহ' (Tribalism)


প্রাক-ইসলামি আরব উপদ্বীপে কোনো সুসংগঠিত কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রীয় কাঠামো বা সার্বভৌম শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল না। মরুচারী যাযাবর জীবনে গোত্রই ছিল একমাত্র রাজনৈতিক, সামাজিক ও নিরাপত্তা প্রদানকারী একক। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিভাষায় একে একটি 'ছদ্ম-রাষ্ট্র' বা 'প্রোটো-স্টেট' (Proto-state) হিসেবে অভিহিত করা যায়। এই গোত্রীয় কাঠামোর কোনো লিখিত সংবিধান বা বিধিবদ্ধ আইন ছিল না; বরং যুগ যুগ ধরে চলে আসা প্রথা, ঐতিহ্য এবং অলিখিত নিয়মাবলিই ছিল তাদের সমাজ পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি। ঐতিহাসিক উৎসে এই ব্যবস্থার বিবরণ দিতে গিয়ে বলা হয়েছে:

"فالقبيلة هي الوحدة الاجتماعية التي تتقمص صفة الدولة، وتقوم بمهامها في البادية، لا دستور لها مكتوب، ولا قوانين مقننة، ولا نظم تشرعها مجالس، اللهم إلا تقاليد وأعراف متوارثة راسخة، فرضتها على الجميع طبيعة الحياة في البادية، فالتزم القوم بها التزامًا دقيقًا."

অনুবাদ: "মরুভূমিতে গোত্রই ছিল এমন এক সামাজিক একক যা রাষ্ট্রের রূপ পরিগ্রহ করেছিল এবং রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করত। এর কোনো লিখিত সংবিধান ছিল না, ছিল না কোনো বিধিবদ্ধ আইন কিংবা কোনো পরিষদ কর্তৃক প্রণীত নিয়মকানুন; কেবল মরুজীবনের বাস্তবতায় গড়ে ওঠা এবং সবার ওপর আরোপিত কিছু সুদৃঢ় ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত প্রথা ছাড়া, যা গোত্রের মানুষ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মেনে চলত।" [1]

এই গোত্রীয় ব্যবস্থার মূল ভিত্তি ছিল রক্তসম্পর্ক এবং বংশীয় ঐক্য। এই ঐক্যের প্রতি অন্ধ আনুগত্য এবং চরম পক্ষপাতিত্বকেই আরবরা 'আসাবিয়্যাহ' (العصبية القبلية) বা গোত্রীয় সংকীর্ণতাবাদ বলত। এই আসাবিয়্যাহ ছিল মরুচারী আরবদের জাতীয়তাবোধের বিকল্প। এই অন্ধ আনুগত্যের কারণে এক গোত্রের মানুষ অন্য গোত্রের মানুষকে চিরশত্রু বা বহিরাগত মনে করত। ভৌগোলিক সীমানা বলতে তাদের নির্দিষ্ট কোনো ধারণা ছিল না। তাদের কাছে স্বদেশের ধারণা ছিল অত্যন্ত গতিশীল ও পরিবর্তনশীল। যেখানেই তাদের গোত্র তাঁবু ফেলত এবং পানি ও চারণভূমির সন্ধান পেত, সেটাই সাময়িকভাবে তাদের স্বদেশ হিসেবে গণ্য হতো। এই যাযাবর মানসিকতার কারণে আরবে কোনো স্থায়ী জাতীয় সংহতি বা রাজনৈতিক সচেতনতা গড়ে ওঠেনি [2] । ফলে, আরবের ভূ-রাজনীতি ছিল মূলত পারস্পরিক যুদ্ধ, লুণ্ঠন এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের এক অন্তহীন চক্র, যাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায় 'শক্তির শাসন' বা 'জঙ্গলের আইন' (Law of the Jungle) বলা চলে।

২. গোত্রপতির (Sheikh) ঐতিহ্যগত ভূমিকা ও রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা


মরুভূমির চরম প্রতিকূল পরিবেশ এবং পানির উৎসের সীমাবদ্ধতার কারণে আরব গোত্রগুলোর মধ্যে প্রতিনিয়ত যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করত। এই চিরন্তন যুদ্ধাবস্থা এবং অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে প্রতিটি গোত্রের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য একজন যোগ্য নেতার প্রয়োজন হতো, যাকে 'শায়খ' বা গোত্রপতি বলা হতো। গোত্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরবরা বংশমর্যাদার পাশাপাশি কিছু বিশেষ মানবিক ও নেতৃত্বসুলভ গুণাবলিকে প্রাধান্য দিত। এর মধ্যে অন্যতম ছিল বীরত্ব, অগাধ সম্পদ, চরম ঔদার্য, সহনশীলতা, বিচারবুদ্ধি এবং প্রবীণত্ব [3] । আরবের রুক্ষ ও দরিদ্র পরিবেশে কৃপণ গোত্রপতিকে সমাজ কখনোই মেনে নিত না। আরবের বিখ্যাত কবি জুহাইর বিন আবি সুলমা তাঁর কবিতায় গোত্রপতির এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও সামাজিক প্রত্যাশাকে ফুটিয়ে তুলেছেন এভাবে:

"ومن يك ذا فضل فيبخل بفضله ... على قومه يُستغنَ عنه ويُذممُ"

অনুবাদ: "যে ব্যক্তি প্রাচুর্যের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও নিজের সম্প্রদায়ের প্রতি কৃপণতা প্রদর্শন করে, তাকে বর্জন করা হয় এবং সে নিন্দিত হয়।" [4]

রাজনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে গোত্রপতিকে অত্যন্ত বিচক্ষণ হতে হতো। তাকে গোত্রের অভ্যন্তরীণ ঐক্য বজায় রাখতে হতো এবং গোত্রের অন্যান্য প্রভাবশালী উপ-গোত্রের প্রধানদের মর্যাদা রক্ষা করে চলতে হতো, যাতে কেউ তার নেতৃত্বের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে না ওঠে [5] । তবে এই গোত্রপতির ক্ষমতা কখনোই অসীম বা নিরঙ্কুশ ছিল না। তিনি কোনো আইন প্রণয়ন করতে পারতেন না, কেবল প্রচলিত প্রথার প্রয়োগ করতে পারতেন। কোনো গোত্র সদস্য যদি গোত্রপতির সিদ্ধান্ত অমান্য করত, তবে তাকে বাধ্য করার মতো কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পুলিশ বাহিনী বা বিচারিক কাঠামো গোত্রপতির ছিল না। সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল গোত্র থেকে বহিষ্কার (خلع), যা ছিল যাযাবর জীবনে মৃত্যুর সমতুল্য। ফলে, গোত্রপতির শাসন ছিল মূলত সমঝোতা ও প্রভাবের ওপর নির্ভরশীল, কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সার্বভৌমত্বের ওপর নয়। এই কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে আরবে কোনো স্থায়ী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে পারেনি।

৩. মদিনা রাষ্ট্রব্যবস্থায় গোত্রীয় কাঠামোর রূপান্তর ও একীভূতকরণ প্রক্রিয়া


রাসুলুল্লাহ সা. মদিনায় হিজরত করার পর যে ঐতিহাসিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন, তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এই বিশৃঙ্খল ও স্বাধীনচেতা গোত্রগুলোকে একটি একক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে নিয়ে আসা। তিনি প্রাক-ইসলামি আরবের ঐতিহ্যগত গোত্রীয় কাঠামোকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেননি, কারণ তা করলে সামাজিক শূন্যতা তৈরি হতো। বরং তিনি এক অনন্য রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে গোত্রীয় কাঠামোকে অক্ষুণ্ণ রেখে তার ওপর একটি কেন্দ্রীয় ও সার্বভৌম রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের প্রলেপ দেন। এই রূপান্তর প্রক্রিয়ার প্রধান হাতিয়ার ছিল 'মদিনার সনদ' (دستور المدينة), যা পৃথিবীর ইতিহাসের প্রথম লিখিত সংবিধান হিসেবে স্বীকৃত [6]

মদিনার সনদের মাধ্যমে রাসুলুল্লাহ সা. রক্তসম্পর্কভিত্তিক 'আসাবিয়্যাহ' বা গোত্রীয় আনুগত্যের স্থলে 'আকিদাহ' বা আদর্শভিত্তিক 'উম্মাহ' (Ummah) নামক এক নতুন রাজনৈতিক ও সামাজিক ধারণার প্রবর্তন করেন। সনদের প্রথম ধারাতেই ঘোষণা করা হয় যে, মদিনার মুসলমান এবং তাদের সহযোগী ইহুদি ও অন্যান্য গোত্র মিলে একটি একক রাজনৈতিক সম্প্রদায় বা 'উম্মাহ' গঠন করবে। এর মাধ্যমে গোত্রগুলোর স্বাধীন সার্বভৌম সত্তার অবসান ঘটে এবং তারা একটি বৃহত্তর রাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য বা প্রশাসনিক ইউনিটে পরিণত হয়। প্রাক-ইসলামি যুগে যেখানে গোত্রীয় স্বার্থই ছিল সর্বোচ্চ আইন, সেখানে মদিনা রাষ্ট্রে আল্লাহর আইন এবং রাসুলুল্লাহ সা.-এর সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত সার্বভৌমত্ব হিসেবে ঘোষণা করা হয় [7]

এই একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার গভীরতা অনুধাবন করার জন্য আমরা মুসলিম স্পেনের (আন্দালুস) পরবর্তীকালের রাজনৈতিক পতনের ইতিহাসকে একটি তুলনামূলক বৈপরীত্য (Comparative Contrast) হিসেবে আলোচনা করতে পারি। আন্দালুসের ইতিহাসে দেখা যায়, যখনই কেন্দ্রীয় খেলাফতের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়েছে, তখনই মুসলিম সমাজ পুনরায় গোত্রীয় ও আঞ্চলিক উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, যাকে 'তায়েফা যুগ' (دويلات الطوائف) বলা হয়। ঐতিহাসিক সূত্রে আন্দালুসের সেই করুণ চিত্র এভাবে বর্ণিত হয়েছে:

"انفراط عرى الوحدة الوطنية، وتحول البلاد إلى وحدات أو كيانات صغيرة تسمى بدويلات الطوائف، تتميز كل منها بكيان خاص قائم على مبدأ الزعامة لأسرة من الأسر."

অনুবাদ: "জাতীয় ঐক্যের বন্ধন ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় এবং দেশটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র একক বা সত্তায় রূপান্তরিত হয়, যাকে 'তায়েফা রাষ্ট্র' বলা হতো। এর প্রতিটিই কোনো না কোনো নির্দিষ্ট পরিবারের নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করে নিজস্ব স্বতন্ত্র সত্তা বজায় রাখত।" [8]

আন্দালুসের এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তায়েফা রাষ্ট্রগুলো নিজেদের সংকীর্ণ স্বার্থে লিপ্ত হয়ে সামগ্রিক উম্মাহর নিরাপত্তা বিপন্ন করেছিল এবং খ্রিস্টান শত্রুদের সাথে মিত্রতা স্থাপন করেছিল [9] । রাসুলুল্লাহ সা. মদিনা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময়ই এই চরম বিপদের দিকটি বুঝতে পেরেছিলেন। তাই তিনি গোত্রীয় স্বার্থের ওপর সামষ্টিক নিরাপত্তা (Collective Security) এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে স্থান দেন। মদিনার সনদের মাধ্যমে তিনি গোত্রগুলোর অভ্যন্তরীণ সালিশি ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে তা কেন্দ্রীয় বিচার ব্যবস্থার অধীনে ন্যস্ত করেন। কোনো গোত্র এখন আর এককভাবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সন্ধি চুক্তি করতে পারত না; এই ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে মদিনার কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এভাবে রাসুলুল্লাহ সা. আরবের শতধাবিভক্ত গোত্রগুলোকে একটি সুসংহত ও অভেদ্য রাজনৈতিক প্রাচীরে পরিণত করেন, যা আন্দালুসের মতো অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ধ্বংস হওয়া থেকে মদিনা রাষ্ট্রকে রক্ষা করেছিল।

৪. ভূ-রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে গোত্রীয় একীভূতকরণের প্রভাব


রাসুলুল্লাহ সা. কর্তৃক গোত্রীয় কাঠামোকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অধীনে একীভূতকরণের ফলে আরবের ভূ-রাজনীতিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়। প্রথমত, যাযাবর আরবদের 'গতিশীল বা যাযাবর স্বদেশ' (وطن متنقل)-এর ধারণার অবসান ঘটে এবং মদিনাকে কেন্দ্র করে একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা ও সার্বভৌম ভূখণ্ডের ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয় [10] । মদিনা এবং তার আশেপাশের অঞ্চলকে 'হারাম' বা পবিত্র নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যেখানে রক্তপাত ও যুদ্ধ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়। এর ফলে আরবের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি স্থায়ী আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব (Territorial Sovereignty) আত্মপ্রকাশ করে।

দ্বিতীয়ত, এই একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় রাসুলুল্লাহ সা. গোত্রগুলোর কিছু ইতিবাচক সামাজিক দায়িত্বকে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাঠামোতে চমৎকারভাবে ব্যবহার করেন। যেমন, রক্তপণ (Diyyah) পরিশোধের ক্ষেত্রে গোত্রীয় যৌথ দায়িত্বের যে প্রথা ছিল, তা মদিনা রাষ্ট্রেও বহাল রাখা হয়। এর ফলে অপরাধ দমনে এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গোত্রগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করতে থাকে। তবে পার্থক্য ছিল এই যে, প্রাক-ইসলামি যুগে গোত্রগুলো অপরাধী স্বগোত্রীয় সদস্যকে অন্ধভাবে রক্ষা করত, কিন্তু মদিনা রাষ্ট্রে অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয় এবং অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয় [11]

তৃতীয়ত, এই প্রশাসনিক সংস্কারের ফলে আরবের অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তির অভূতপূর্ব কেন্দ্রীকরণ ঘটে। পূর্বে যে গোত্রগুলো সামান্য পানি বা চারণভূমির জন্য দশকের পর দশক যুদ্ধ করত, তারা এখন মদিনার কেন্দ্রীয় বায়তুল মালের অধীনে করদাতা এবং রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীর সুশৃঙ্খল সৈনিকে পরিণত হয়। গোত্রপতিদের ঐতিহ্যগত প্রভাবকে রাসুলুল্লাহ সা. রাষ্ট্রীয় আনুগত্যের অধীনে নিয়ে আসেন, যার ফলে গোত্রীয় নেতৃত্ব এখন আর মদিনার সমান্তরাল কোনো শক্তি ছিল না, বরং তারা ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি ও সহযোগী। এই অনন্য প্রশাসনিক ও ভূ-রাজনৈতিক রূপান্তরের ফলেই মদিনা একটি ক্ষুদ্র শহর-রাষ্ট্র থেকে অতি দ্রুত একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক সাম্রাজ্যে উন্নীত হওয়ার ভিত্তি লাভ করে।

""
৪.৩ ট্রাইবাল গভর্নেন্স (Tribal Governance): গোত্রীয় কাঠামোকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অধীনে একীভূতকরণ
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

৪.৩ ট্রাইবাল গভর্নেন্স (Tribal Governance): গোত্রীয় কাঠামোকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অধীনে একীভূতকরণ কুইজ

1 / 5

প্রাক-ইসলামি আরবে গোত্রীয় শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি কী ছিল?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...