খণ্ড 66
ফন্ট:100%
থিম:

৯.৫ হেলিকাপ্টার প্যারেন্টিং (Helicopter Parenting) বনাম রেসিলিয়েন্স (Resilience): ঝুঁকি নিতে শেখানো এবং স্বাবলম্বী করা

আধুনিক সমাজবিজ্ঞানের প্রেক্ষাপটে অভিভাবকত্বের ধরণ ও এর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলমান রয়েছে। বর্তমান যুগে একটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক প্রবণতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে 'হেলিকপ্টার প্যারেন্টিং' (Helicopter Parenting), যেখানে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের প্রতিটি পদক্ষেপে অতিমাত্রায় হস্তক্ষেপ করেন এবং তাদের সম্ভাব্য সকল প্রকার প্রতিকূলতা বা ব্যর্থতা থেকে কৃত্রিমভাবে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। এই অতি-সুরক্ষামূলক আচরণের বিপরীতে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মনস্তাত্ত্বিক গুণ হলো 'রেসিলিয়েন্স' (Resilience) বা স্থিতিস্থাপকতা, যা একজন ব্যক্তিকে প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম করে। এই নিবন্ধে আমরা হেলিকপ্টার প্যারেন্টিংয়ের নেতিবাচক প্রভাব এবং ইসলামি তরীবিয়াহর (Tarbiyah) আলোকে কীভাবে একজন শিশুকে আত্মনির্ভরশীল ও মানসিকভাবে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তা একটি তাত্ত্বিক ও ভূ-রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করব।

হেলিকপ্টার প্যারেন্টিং: অতি-সুরক্ষামূলক আচরণের মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক বিচ্যুতি

হেলিকপ্টার প্যারেন্টিং মূলত একটি অতি-সংবেদনশীল অভিভাবকত্ব পদ্ধতি, যেখানে অভিভাবকরা তাদের সন্তানের জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত, সমস্যা সমাধান এবং এমনকি সামাজিক মিথস্ক্রিয়ার ক্ষেত্রেও 'হেলিকপ্টারের মতো' ওপর থেকে পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন। এই আচরণের মূল চালিকাশক্তি হলো সন্তানের প্রতি অত্যধিক মমতা, যা অনেক সময় অযৌক্তিক ও ক্ষতিকর পর্যায়ে পৌঁছে যায়। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, যখন একজন অভিভাবক তার সন্তানের হয়ে সমস্ত সমস্যা সমাধান করে দেন, তখন সেই শিশুর 'Problem-solving skill' বা সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ হারিয়ে ফেলে। এর ফলে শিশুটি মানসিকভাবে ভঙ্গুর হয়ে পড়ে এবং বাস্তব জগতের সামান্যতম চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতেও হিমশিম খায়।

ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে, অভিভাবকত্বের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত আত্মশুদ্ধি ও দায়িত্ববোধের বিকাশ ঘটানো। অভিভাবকরা যদি সন্তানের প্রতিটি ভুল বা ব্যর্থতা ঢেকে রাখার চেষ্টা করেন, তবে তারা মূলত তাদের সন্তানদের 'নফস' বা প্রবৃত্তির দাসে পরিণত করার পথ প্রশস্ত করেন। ইসলামি তরীবিয়াহর মূলনীতি অনুযায়ী, মানুষের প্রবৃত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ আনা অত্যন্ত জরুরি। যদি সঠিক তরীবিয়াহর অভাব থাকে, তবে মানুষ কেবল নিজের কামনা-বাসনা ও প্রবৃত্তির অনুসারী হয়ে পড়ে।

وَلَعَلَّنَا إِذَا تَصَوَّرْنَا أَنَّهُ يُمْكِنُ لَنَا أَنْ نَسِيرَ دُونَ تَوْجِيهَاتِ الْإِسْلَامِ، أَوْ أَنْ نَسْتَغْنِيَ عَنْهَا لِلَحْظَةٍ وَاحِدَةٍ، فَهَذَا يَعْنِي أَنَّنَا سَنَكُونُ عُرْضَةً لِتَحَكُّمِ الرَّغَبَاتِ وَالْأَهْوَاءِ وَالشَّهَوَاتِ
[1] । অর্থাৎ, অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে যদি ইসলামি নির্দেশনার আলোকে শৃঙ্খলা ও আত্মসংযম না থাকে, তবে সন্তান কেবল নিজের খেয়ালখুশি বা প্রবৃত্তির দ্বারা পরিচালিত হবে, যা তাকে দীর্ঘমেয়াদী মানসিক ও নৈতিক সংকটে ফেলবে [2]

সামাজিকভাবে এই প্রবণতা একটি 'Fragile Generation' বা ভঙ্গুর প্রজন্ম তৈরি করছে। হেলিকপ্টার প্যারেন্টিংয়ের ফলে শিশুরা স্বাবলম্বী হওয়ার পরিবর্তে অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এটি কেবল ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, বরং এটি একটি বৃহত্তর সামাজিক সংকট। যখন একটি প্রজন্মের বড় একটি অংশ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তখন সেই সমাজের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়ে। অভিভাবকরা যখন সন্তানের ব্যর্থতাকে মেনে নিতে পারেন না, তখন তারা অজান্তেই সন্তানের আত্মবিশ্বাস ও ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতাকে (Risk-taking propensity) ধ্বংস করে দেন, যা একজন সফল মানুষের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।

ইসলামি তরীবিয়াহ ও রেসিলিয়েন্স: আত্মনির্ভরশীলতা ও মানসিক শক্তির সমন্বয়

ইসলামি তরীবিয়াহর মূল দর্শন হলো একজন ব্যক্তিকে এমনভাবে গড়ে তোলা যেন সে আল্লাহর ওপর ভরসা (তাওয়াক্কুল) রেখে জাগতিক সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে। এটি কেবল সুরক্ষার বিষয় নয়, বরং সক্ষমতা অর্জনের বিষয়। রেসিলিয়েন্স বা স্থিতিস্থাপকতা অর্জনের জন্য একজন শিশুকে ছোটবেলা থেকেই নিয়ন্ত্রিতভাবে চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকির সম্মুখীন হতে দেওয়া প্রয়োজন। ইসলামি ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সাহাবায়ে কেরাম রা. অত্যন্ত কঠোর ও প্রতিকূল পরিবেশে নিজেদের গড়ে তুলেছিলেন, যা তাদের অদম্য মানসিক শক্তি ও আত্মনির্ভরশীলতার প্রমাণ দেয়। অভিভাবকত্বের দায়িত্ব কেবল সন্তানকে নিরাপদ রাখা নয়, বরং তাকে নিরাপদভাবে প্রতিকূলতা মোকাবিলা করতে শেখানো।

একজন মানুষের প্রকৃত সম্পদ তার মেধা ও চারিত্রিক দৃঢ়তা। আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যে জাতি বা সমাজ তার মানবসম্পদকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারে না, তারা বিশ্বমঞ্চে টিকে থাকতে পারে না।

إِنَّ الثَّرْوَةَ الْبَشَرِيَّةَ هِيَ الثَّرْوَةُ الْحَقِيقِيَّةُ لِأَيِّ مُجْتَمَعٍ مِنْ مُجْتَمَعَاتٍ، وَيُعْتَبَرُ الْمُتَفَوِّقُونَ هُمْ رَأْسُ مَالِ تِلْكَ الثَّرْوَةِ نَظَرًا لِأَهَمِّيَّتِهِمْ فِي مُوَاجَهَةِ تَحَدِّيَاتِ الْعَصْرِ الْحَدِيثِ
[3] । অর্থাৎ, মানবসম্পদই হলো যেকোনো সমাজের প্রকৃত সম্পদ এবং এই সম্পদের শ্রেষ্ঠ অংশ হলো তারাই যারা আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম [4] । হেলিকপ্টার প্যারেন্টিং এই 'মানবসম্পদ' বা 'Capital' তৈরির প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে, কারণ এটি ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার পরিবর্তে চ্যালেঞ্জ থেকে পালিয়ে যেতে শেখায়।

তরীবিয়াহর এই মডেলটি মূলত 'Empowerment' বা ক্ষমতায়নের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। অভিভাবক হিসেবে আমাদের কাজ হলো সন্তানের জন্য পথ মসৃণ করে দেওয়া নয়, বরং তাদের এমনভাবে প্রস্তুত করা যেন তারা বন্ধুর পথেও দৃঢ়ভাবে চলতে পারে। এটি করতে হলে শিশুকে ছোট ছোট দায়িত্ব প্রদান এবং তাদের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া অপরিহার্য। যখন একজন শিশু নিজের ভুল সংশোধনের সুযোগ পায়, তখন তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ববোধের জন্ম হয়, যা তাকে ভবিষ্যতে বড় বড় সামাজিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলে।

জ্ঞানার্জন ও মনোযোগের বিকাশ: রেসিলিয়েন্স গঠনের মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি

রেসিলিয়েন্স বা মানসিক দৃঢ়তা কেবল চারিত্রিক বিষয় নয়, এটি একটি জ্ঞানীয় (Cognitive) প্রক্রিয়াও বটে। একজন ব্যক্তির মনোযোগ বা 'Attention' প্রদানের ক্ষমতা তার শেখার এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের মূল ভিত্তি। যদি অভিভাবকরা সন্তানের হয়ে সব কাজ করে দেন, তবে সন্তানের মনোযোগ ও চিন্তাশক্তি বিকাশের প্রক্রিয়াটি স্থবির হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, মনোযোগ হলো শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রথম ধাপ।

يُعَدُّ الِانْتِبَاهُ الْعَمَلِيَّةَ الْأُولَى فِي اكْتِسَابِ الْخِبْرَاتِ التَّرْبَوِيَّةِ حَيْثُ يُسَاعِدُ عَلَى تَرْكِيزِ حَوَاسِ التَّلْمِيذِ فِيمَا يُقَدِّمُ لَهُ أَثْنَاءَ الدَّرْسِ مِنْ مَعْلُومَاتٍ وَيَجْعَلُهُ يَعْمَلُ ذِهْنُهُ فِي دَلَالَاتِهَا وَمَعَانِيهَا
[5] । অর্থাৎ, মনোযোগ হলো শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া যা শিক্ষার্থীর ইন্দ্রিয়গুলোকে তথ্যের ওপর কেন্দ্রীভূত করতে সাহায্য করে এবং তার মস্তিষ্ককে তথ্যের তাৎপর্য বুঝতে সহায়তা করে [6]

হেলিকপ্টার প্যারেন্টিংয়ের ফলে সন্তানের এই মনোযোগ ও গভীর চিন্তার ক্ষমতা (Deep Thinking) হ্রাস পায়। কারণ, তারা কোনো বিষয় নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার বা সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় মানসিক শ্রম (Mental effort) দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করে না। যখন অভিভাবকরা সব সিদ্ধান্ত নিয়ে দেন, তখন সন্তানের মস্তিষ্ক 'Passive mode'-এ চলে যায়। এর বিপরীতে, রেসিলিয়েন্স গঠনের জন্য শিশুকে সক্রিয়ভাবে জ্ঞানার্জনে এবং সমস্যা সমাধানে নিয়োজিত থাকতে হয়। এই প্রক্রিয়াটি কেবল শ্রেণিকক্ষে নয়, বরং সহ-শিক্ষা কার্যক্রম বা 'Extracurricular activities'-এর মাধ্যমেও সম্ভব। গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শেখার প্রতি আগ্রহ ও সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি পায় [7]

শিক্ষক ও অভিভাবকের সমন্বিত ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকগণ হলেন প্রজন্মের নির্মাতা এবং সমাজের রক্ষক।

فَلَمَّا كَانَ الْمُعَلِّمُونَ هُمْ حُمَاةَ الثُّغُورِ، وَمُرَبُّو الْأَجْيَالِ، وَعُمَّارَ الْمَدَارِسِ، الْمُسْتَحِقُّونَ لِأَجْرِ الْجِهَادِ
[8] । অর্থাৎ, শিক্ষকরা হলেন সীমান্তের রক্ষক এবং প্রজন্মের লালনপালনকারী, যারা সমাজের ভিত্তি মজবুত করেন [9] । অভিভাবক যদি কেবল সুরক্ষামূলক আচরণ করেন এবং শিক্ষক যদি কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান দেন, তবে শিক্ষার্থীর সামগ্রিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। রেসিলিয়েন্স অর্জনের জন্য প্রয়োজন এমন একটি পরিবেশ যেখানে শিক্ষার্থীকে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে, ভুল করতে এবং সেই ভুল থেকে মনোযোগ ও বুদ্ধিবৃত্তিক শক্তি প্রয়োগ করে শিক্ষা নিতে উৎসাহিত করা হয়।

সামষ্টিক নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রেসিলিয়েন্সের গুরুত্ব

ব্যক্তিগত পর্যায়ে রেসিলিয়েন্স বা স্থিতিস্থাপকতা কেবল একজন মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করে না, বরং এটি একটি জাতির সামষ্টিক নিরাপত্তার (Collective Security) সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। একটি রাষ্ট্র বা সমাজ তখনই শক্তিশালী হয় যখন তার নাগরিকরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ভেঙে না পড়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারে। হেলিকপ্টার প্যারেন্টিংয়ের মাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি 'অত্যধিক নির্ভরশীল প্রজন্ম' একটি জাতির ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করে দিতে পারে। কারণ, বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতি অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং অনিশ্চিত (VUCA - Volatility, Uncertainty, Complexity, Ambiguity)। এই পরিবেশে টিকে থাকতে হলে নাগরিকদের প্রয়োজন উচ্চমাত্রার অভিযোজন ক্ষমতা ও মানসিক দৃঢ়তা।

যদি একটি সমাজের অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের জীবনের প্রতিটি ছোটখাটো বাধা থেকে সরিয়ে রাখতে চান, তবে তারা অজান্তেই একটি দুর্বল ও সিদ্ধান্তহীন জাতি তৈরি করছেন। এই দুর্বলতা যখন জাতীয় পর্যায়ে প্রকাশ পায়, তখন তা বৈদেশিক প্রভাব বা অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মুখে রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শিথিল করে দেয়। অন্যদিকে, যে সমাজ তার সন্তানদের ঝুঁকি নিতে, ব্যর্থতা মেনে নিতে এবং তা থেকে শিক্ষা নিতে শেখায়, সেই সমাজের মানুষগুলো হয়ে ওঠে প্রকৃত 'Human Capital' বা মানবসম্পদ, যারা আধুনিক বিশ্বের জটিল ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে [10]

পরিশেষে বলা যায়, অভিভাবকত্বের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সন্তানের জন্য একটি নিরাপদ 'Safe Space' তৈরি করা, যেখানে সে শিখতে পারে, ভুল করতে পারে এবং পুনরায় উঠে দাঁড়াতে পারে; তাকে একটি 'Bubble' বা কৃত্রিম সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে বন্দি করে রাখা নয়। ইসলামি তরীবিয়াহর আদর্শ অনুসরণ করে অভিভাবক ও শিক্ষকগণ যদি সন্তানের মধ্যে দায়িত্ববোধ, মনোযোগ এবং মানসিক দৃঢ়তা বা রেসিলিয়েন্স গড়ে তুলতে পারেন, তবেই একটি শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল প্রজন্ম উপহার দেওয়া সম্ভব হবে, যা আধুনিক বিশ্বের সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হবে।

""
৯.৫ হেলিকাপ্টার প্যারেন্টিং (Helicopter Parenting) বনাম রেসিলিয়েন্স (Resilience): ঝুঁকি নিতে শেখানো এবং স্বাবলম্বী করা
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

৯.৫ হেলিকাপ্টার প্যারেন্টিং (Helicopter Parenting) বনাম রেসিলিয়েন্স (Resilience): ঝুঁকি নিতে শেখানো এবং স্বাবলম্বী করা কুইজ

1 / 5

'হেলিকপ্টার প্যারেন্টিং' বলতে কী বোঝায়?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...