খণ্ড 89
ফন্ট:100%
থিম:

অধ্যায় ১২: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং 'সিয়ার' বা ইসলামি আন্তর্জাতিক আইন (International Relations & 'Siyar' - Islamic International Law)

ইসলামি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তাত্ত্বিক ভিত্তি ও বিশ্বব্যবস্থা


ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (International Relations) কেবল সাময়িক রাজনৈতিক স্বার্থ বা ভূ-রাজনৈতিক (Geopolitics) ভারসাম্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি; বরং এর মূল ভিত্তি হচ্ছে তাওহিদ, মানবজাতির একক উৎস এবং বৈশ্বিক ন্যায়বিচার। আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানে যেখানে আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে কেবল শক্তি প্রয়োগ, জাতীয় স্বার্থ এবং বাস্তববাদী দর্শনের (Realism) আলোকে ব্যাখ্যা করা হয়, সেখানে ইসলামি আন্তর্জাতিক আইন বা 'সিয়ার' (Siyar) বিশ্বমানবতাকে একটি নৈতিক শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে। ইসলামি বিশ্বব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূল লক্ষ্য হলো শান্তি প্রতিষ্ঠা, জুলুমের অবসান এবং মানবজাতির মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা। এই ব্যবস্থার অধীনে রাষ্ট্রীয় সীমানা বা ভৌগোলিক বিভাজন মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করে না, বরং তা কেবল পারস্পরিক পরিচয়ের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

পাশ্চাত্য আইনতত্ত্বের ইতিহাসে ডাচ আইনবিদ হুগো গ্রোটিয়াসকে (Hugo Grotius) আধুনিক আন্তর্জাতিক আইনের জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যার প্রণীত নীতিমালা প্রায় দুই শতাব্দী ধরে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। অথচ, গ্রোটিয়াসের বহু শতাব্দী পূর্বেই ইসলামি আইনশাস্ত্রবিদগণ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি পূর্ণাঙ্গ ও বিধিবদ্ধ রূপরেখা প্রণয়ন করেছিলেন। ইসলামি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো ঐশী ওহী এবং মানব প্রকৃতির সামঞ্জস্য। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা মানবজাতির পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তি নির্ধারণ করে ঘোষণা করেছেন যে, সমস্ত আসমানী ধর্মের মূল উৎস এক এবং অভিন্ন, যা বিশ্বজনীন ভ্রাতৃত্বের পথ উন্মুক্ত করে।

شَرَعَ لَكُمْ مِنَ الدِّينِ مَا وَصَّى بِهِ نُوحًا وَالَّذِي أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ وَمَا وَصَّيْنَا بِهِ

“তিনি তোমাদের জন্য দ্বীনের সেই পথই নির্ধারিত করেছেন, যার নির্দেশ তিনি দিয়েছিলেন নূহকে এবং যা আমি ওহী করেছি আপনার প্রতি এবং যার নির্দেশ দিয়েছিলাম ইব্রাহীম, মুসা ও ঈসাকে।” [1]

ইসলামি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই তাত্ত্বিক কাঠামোটি কেবল তাত্ত্বিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি প্রায়োগিক আইনব্যবস্থা। আধুনিক আন্তর্জাতিক আইনের উৎস হিসেবে যেখানে কেবল রাষ্ট্রীয় চুক্তি ও প্রথাকে গণ্য করা হয়, সেখানে ইসলামি আন্তর্জাতিক আইন বা 'সিয়ার' এর উৎস হলো পবিত্র কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা এবং ইজতিহাদ। এই ঐশী উৎসগুলোর কারণে ইসলামি আন্তর্জাতিক আইন যেকোনো ধরনের বর্ণবাদ, জাতীয়তাবাদ বা সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের ঊর্ধ্বে থেকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। [2]

'সিয়ার' (Siyar) ও আধুনিক আন্তর্জাতিক আইনের তুলনামূলক বিশ্লেষণ


আধুনিক আন্তর্জাতিক আইন (Modern International Law) এবং ইসলামি 'সিয়ার' এর মধ্যে একটি মৌলিক পার্থক্য হলো আইনের উৎস ও সার্বভৌমত্বের (Sovereignty) ধারণা। আধুনিক আন্তর্জাতিক আইন মূলত ইতিবাচক আইন (Positive Law), যা মানুষের তৈরি এবং রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্মতি ও চুক্তির ওপর নির্ভরশীল। ফলে, শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো প্রায়শই নিজেদের স্বার্থে এই আইন পরিবর্তন বা লঙ্ঘন করে থাকে। পক্ষান্তরে, 'সিয়ার' বা ইসলামি আন্তর্জাতিক আইনের মূল উৎস হলো মহান আল্লাহ তায়ালার সার্বভৌমত্ব। ফলে এই আইনের নৈতিক ও আইনি বাধ্যবাধকতা কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্র বা শাসকের ইচ্ছাধীন নয়। এটি একটি চিরন্তন ও অপরিবর্তনীয় আইনি কাঠামো, যা যুদ্ধ ও শান্তি উভয় অবস্থাতেই সমানভাবে প্রযোজ্য।

বিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত মিশরীয় আইনবিদ ড. আবদুর রাজ্জাক সানহুরি এবং ফরাসি আইনবিদ এডোয়ার্ড ল্যাম্বার্টের যৌথ প্রচেষ্টায় যখন মিশরের দেওয়ানি আইন প্রণীত হয়, তখন ইসলামি ফিকহের কিছু ধারাকে আধুনিক আইনের সাথে সমন্বয় করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সেই সমন্বয় প্রক্রিয়ায় ইসলামি শরীয়াহর ওপর আধুনিক ইতিবাচক আইনের আধিপত্য বজায় রাখার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। ড. সানহুরি উল্লেখ করেছিলেন যে, ইসলামি ফিকহের কোনো বিধান যদি আধুনিক দেওয়ানি আইনের সাধারণ নীতির সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তবে তা গ্রহণ করা যাবে না। এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রমাণ করে যে, আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ আইনব্যবস্থা কীভাবে ঐশী আইনকে নিজের অধীনস্থ করতে চায়।

يُراعَى في الأخذِ بأحكامِ الفقه الإِسلامي التنسيقُ بين هذه الأحكامِ والمبادئ العامَّةِ التي يقومُ عليها التشريعُ المدني في جُملته، فلا يجوزُ الأخذُ بحكمٍ في الفقهِ الإِسلامي يتعارضُ مع مبدإٍ من هذه المبادئ

“ইসলামি ফিকহের বিধানসমূহ গ্রহণের ক্ষেত্রে এই বিধানগুলো এবং দেওয়ানি আইনের সামগ্রিক সাধারণ নীতিমালার মধ্যে সমন্বয় সাধন করা আবশ্যক। অতএব, ইসলামি ফিকহের এমন কোনো বিধান গ্রহণ করা যাবে না যা এই নীতিমালার কোনো একটির সাথে সাংঘর্ষিক হয়।” [3]

এই আইনতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ থেকে স্পষ্ট হয় যে, আধুনিক আন্তর্জাতিক আইন যেখানে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ও ক্ষমতার ভারসাম্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, সেখানে 'সিয়ার' গড়ে উঠেছে পরম ন্যায়বিচার ও নৈতিকতার ওপর। ইসলামি আন্তর্জাতিক আইনে চুক্তির পবিত্রতা (Sanctity of Treaties) অত্যন্ত সুদৃঢ়। রাষ্ট্রীয় স্বার্থের দোহাই দিয়ে কোনো চুক্তি ভঙ্গ করার অনুমতি ইসলামে নেই। এছাড়াও, অমুসলিম নাগরিকদের অধিকার (আহকামুজ জিম্মিয়্যিন) এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাদের আইনি মর্যাদা নির্ধারণে 'সিয়ার' যে উদারতা ও ন্যায়পরায়ণতা প্রদর্শন করেছে, তা আধুনিক আন্তর্জাতিক আইনের মানবাধিকার সনদের চেয়েও অনেক বেশি বাস্তবমুখী ও কার্যকর। [4]

ইসলামি রাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় (Political Asylum) ও কূটনৈতিক নিরাপত্তা


রাজনৈতিক আশ্রয় (Political Asylum) এবং কূটনৈতিক অনাক্রম্যতা (Diplomatic Immunity) আধুনিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি দিক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সনদের মাধ্যমে রাজনৈতিক আশ্রয়ের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অথচ, দেড় হাজার বছর পূর্বে রাসুলুল্লাহ সা. এর মদিনা রাষ্ট্রে এই অধিকারকে অত্যন্ত পবিত্র এবং অলঙ্ঘনীয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ইসলামি আইনশাস্ত্রে একে 'আমান' (الأمان) বা অভয়দান বলা হয়। কোনো অমুসলিম বা শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্রের নাগরিকও যদি ইসলামি রাষ্ট্রের সীমানায় প্রবেশ করে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে তাকে নিরাপত্তা দেওয়া এবং নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়া ইসলামি রাষ্ট্রের জন্য বাধ্যতামূলক কর্তব্য।

ইসলামি ফিকহ এবং আধুনিক আন্তর্জাতিক আইনের তুলনামূলক আলোচনায় দেখা যায় যে, উভয় ব্যবস্থাই রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীর যোগ্যতা ও শর্তাবলীর বিষয়ে একমত পোষণ করে। তবে ইসলামি আইন এই অধিকারকে কেবল একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখে না, বরং একে একটি ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে গণ্য করে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন যে, মুশরিকদের কেউ যদি আশ্রয় চায়, তবে তাকে আশ্রয় দিতে হবে যাতে সে আল্লাহর বাণী শুনতে পারে, অতঃপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিতে হবে।

يتفق القانون الدولي مع الفقه الإسلامي على ضرورة استيفاء الشروط والمعايير الخاصة بوضع طالب الأمان وحق اللجوء السياسي

“রাজনৈতিক আশ্রয় এবং নিরাপত্তা প্রার্থীর মর্যাদা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিশেষ শর্ত ও মানদণ্ডসমূহ পূরণ করার প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক আইন এবং ইসলামি ফিকহ ঐকমত্য পোষণ করে।” [5]

কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ সা. যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, তা আধুনিক কূটনৈতিক প্রোটোকলের চেয়েও উন্নত ছিল। শত্রু রাষ্ট্রের দূত বা প্রতিনিধিদের হত্যা করা বা তাদের বন্দি করা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। মুসায়লিমা কাযযাবের দূত যখন মদিনায় এসেছিল, তখন রাসুলুল্লাহ সা. তাদের বলেছিলেন যে, যদি দূতদের হত্যা করা নিষিদ্ধ না হতো, তবে তিনি তাদের হত্যা করতেন। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, চরম শত্রুতার অবস্থাতেও কূটনৈতিক অনাক্রম্যতা রক্ষা করা ইসলামি আন্তর্জাতিক আইনের একটি অলঙ্ঘনীয় নীতি। [6]

সামষ্টিক নিরাপত্তা (Collective Security), জিহাদ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠা


আধুনিক বিশ্বে ইসলামি আন্তর্জাতিক আইনের অন্যতম বিতর্কিত এবং ভুল ব্যাখ্যায় আক্রান্ত বিষয়টি হলো 'জিহাদ' (Jihad)। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী শক্তি এবং প্রাচ্যবিদগণ (Orientalists) প্রায়শই জিহাদকে একটি আগ্রাসী যুদ্ধ এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ম বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে চিত্রায়িত করার চেষ্টা করে। এমনকি আধুনিক যুগে কিছু চরমপন্থী গোষ্ঠী এবং তথাকথিত "আমেরিকান কুরআন" বা "দ্য ট্রু ফুরকান" (الفرقان الحق) এর মতো বিকৃত গ্রন্থের রচয়িতারা জিহাদের ধারণাকে সম্পূর্ণ বাতিল বা বিকৃত করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। তারা দাবি করতে চায় যে, ইসলামে আত্মরক্ষা বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কোনো সশস্ত্র সংগ্রামের বিধান নেই, যা মূলত মুসলমানদের পরাধীন ও দুর্বল করে রাখার একটি আন্তর্জাতিক চক্রান্ত। [7]

প্রকৃতপক্ষে, ইসলামি আন্তর্জাতিক আইনে জিহাদ হলো সামষ্টিক নিরাপত্তা (Collective Security) এবং আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি সর্বোচ্চ মাধ্যম। এটি কোনো আগ্রাসী যুদ্ধ নয়, বরং এটি হলো জুলুমের অবসান ঘটানো, মজলুমের অধিকার পুনরুদ্ধার করা এবং পৃথিবীতে ফিতনা বা বিশৃঙ্খলা দূর করার একটি ন্যায়সঙ্গত সংগ্রাম। রাসুলুল্লাহ সা. জিহাদকে ইসলামের সর্বোচ্চ চূড়া হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। হযরত মুয়ায ইবনে জাবাল রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন:

رَأْسُ الْأَمْرِ الْإِسْلَامُ، وَعَمُودُهُ الصَّلَاةُ، وَذِرْوَةُ سَنَامِهِ الْجِهَادُ

“সকল বিষয়ের মূল হলো ইসলাম, তার স্তম্ভ হলো সালাত এবং তার সর্বোচ্চ চূড়া হলো জিহাদ।” [8]

ইসলামি আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধের সময়ও কঠোর মানবিক নীতিমালা (Humanitarian Law) অনুসরণ করা হয়। রাসুলুল্লাহ সা. এবং প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর রা. সেনাপতিদের নির্দেশ দিতেন যেন তারা নারী, শিশু, বৃদ্ধ, উপাসনালয়ে মগ্ন সন্ন্যাসীদের হত্যা না করেন এবং ফলবান বৃক্ষ নিধন বা গবাদিপশু ধ্বংস না করেন। আধুনিক যুদ্ধবিদ্যায় যেখানে 'টোটাল ওয়ার' (Total War) বা সামগ্রিক ধ্বংসযজ্ঞের নীতি অনুসরণ করে পারমাণবিক ও রাসায়নিক অস্ত্রের মাধ্যমে লাখ লাখ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করা হয়, সেখানে ইসলামি 'সিয়ার' যুদ্ধের ময়দানেও মানবতার সর্বোচ্চ মর্যাদা রক্ষা করেছে। ইসলামি রাষ্ট্রে সামরিক প্রস্তুতি বা শক্তি অর্জন করা হয় মূলত শত্রুকে প্রতিহত করার জন্য, যাতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি ও ভারসাম্য বজায় থাকে। [9]

""
অধ্যায় ১২: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং 'সিয়ার' বা ইসলামি আন্তর্জাতিক আইন (International Relations & 'Siyar' - Islamic International Law)
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

অধ্যায় ১২: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং 'সিয়ার' বা ইসলামি আন্তর্জাতিক আইন (International Relations & 'Siyar' - Islamic International Law) কুইজ

1 / 5

ইসলামি আন্তর্জাতিক আইনকে আরবি পরিভাষায় কী বলা হয়?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...