খণ্ড 69
ফন্ট:100%
থিম:

৭.১ গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিং (Grandparenting) সাইকোলজি: বার্ধক্যে শিশুদের সাথে মিথস্ক্রিয়া এবং অক্সিটোসিন (Oxytocin) রিলিজের মনস্তত্ত্ব

মানব মনস্তত্ত্বের এক অনন্য ও জটিল অধ্যায় হলো 'গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিং' বা দাদামহীমা ও নানামহীমার সাথে নাতি-নাতনিদের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া। এটি কেবল একটি পারিবারিক সম্পর্ক নয়, বরং একটি গভীর জৈব-রাসায়নিক এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া, যা বার্ধক্যের একাকীত্ব এবং শৈশবের কৌতূহলের মধ্যে এক সেতুবন্ধন তৈরি করে। রাসুলুল্লাহ সা.-এর জীবনচরিত পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তিনি কেবল একজন রাষ্ট্রনায়ক বা ধর্মপ্রচারক ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিং সাইকোলজির এক জীবন্ত এবং পূর্ণাঙ্গ মডেল। তাঁর সাথে তাঁর নাতিদের সম্পর্কের যে গভীরতা ছিল, তা আধুনিক নিউরোসায়েন্স এবং সাইকোলজির দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করলে অক্সিটোসিন (Oxytocin) নামক হরমোনের প্রভাব এবং মানসিক প্রশান্তির এক বিস্ময়কর সমন্বয় পরিলক্ষিত হয়।

১. গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিংয়ের নিউরোবায়োলজিক্যাল ভিত্তি এবং অক্সিটোসিনের ভূমিকা

আধুনিক নিউরোসায়েন্সের ভাষায়, অক্সিটোসিন হলো একটি নিউরোপেপটাইড যা হাইপোথ্যালামাসে উৎপন্ন হয় এবং পিটুইটারি গ্রন্থির মাধ্যমে রক্তপ্রবাহে নিঃসৃত হয়। একে সাধারণত 'লাভ হরমোন' বা 'বন্ডিং হরমোন' হিসেবে অভিহিত করা হয়। যখন একজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি তাঁর নাতি-নাতনিদের স্পর্শ করেন, তাদের সাথে খেলাধুলা করেন বা তাদের স্নেহ করেন, তখন মস্তিষ্কের ভেন্ট্রাল টেগমেন্টাল এরিয়া (VTA) থেকে ডোপামিন এবং হাইপোথ্যালামাস থেকে অক্সিটোসিন নিঃসৃত হয়। এই রাসায়নিক বিক্রিয়া বার্ধক্যের কারণে সৃষ্ট মানসিক অবসাদ, বিষণ্ণতা এবং একাকীত্বের অনুভূতিকে প্রশমিত করে।

রাসুলুল্লাহ সা.-এর ক্ষেত্রে এই জৈবিক প্রক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ ছিল অত্যন্ত প্রকট। তিনি যখন তাঁর নাতিদের কোলে নিতেন বা তাদের চুম্বনে ভরিয়ে দিতেন, তখন তা কেবল ধর্মীয় আদর্শের বহিঃপ্রকাশ ছিল না, বরং তা ছিল এক গভীর মানবিক ও মনস্তাত্ত্বিক সংযোগ। সাহাবায়ে কেরাম রা. বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সা. শিশুদের প্রতি অত্যন্ত কোমল ছিলেন। এই কোমলতা এবং স্নেহপ্রবণতা তাঁর মস্তিষ্কে অক্সিটোসিনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দিত, যা তাঁকে মানসিক প্রশান্তি প্রদান করত এবং একই সাথে শিশুদের মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ের অনুভূতি (Secure Attachment) তৈরি করত। এই প্রক্রিয়ার ফলে শিশুদের মস্তিষ্কেও নিউরাল প্লাস্টিসিটি বৃদ্ধি পায়, যা তাদের আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা (Emotional Intelligence) বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।

মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, পিতামাতার সাথে সন্তানের সম্পর্ক যেখানে শাসন এবং শৃঙ্খলার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, সেখানে দাদামহীমা বা নানামহীমার সাথে সম্পর্ক হয় নিঃশর্ত ভালোবাসা এবং প্রশ্রয়ের। এই 'আনকন্ডিশনাল পজিটিভ রিগার্ড' (Unconditional Positive Regard) শিশুদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। রাসুলুল্লাহ সা. তাঁর নাতিদের সাথে যে আচরণ করতেন, তা ছিল এই মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্বের এক বাস্তব প্রতিফলন। তিনি শিশুদের সাথে কথা বলার সময় তাঁদের স্তরে নেমে আসতেন, যা আধুনিক শিশু মনস্তত্ত্বের 'আই-লেভেল কমিউনিকেশন' (Eye-level Communication) কৌশলের সাথে হুবহু মিলে যায়। [1]

২. বার্ধক্যের মনস্তাত্ত্বিক সংকট এবং শিশুদের সাথে মিথস্ক্রিয়ার প্রভাব

বার্ধক্যের একটি প্রধান মনস্তাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ হলো 'জেনারেটিভিটি বনাম স্ট্যাগনেশন' (Generativity vs. Stagnation), যা এরিক এরিকসনের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের স্তরে বর্ণিত হয়েছে। বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা যখন অনুভব করেন যে তারা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কিছু রেখে যাচ্ছেন বা তাদের সঠিক পথপ্রদর্শন করছেন, তখন তারা মানসিক তৃপ্তি লাভ করেন। গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিং এই প্রক্রিয়ায় একটি অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। শিশুদের সাথে মিথস্ক্রিয়া বয়োজ্যেষ্ঠদের মনে এই বিশ্বাস জাগ্রত করে যে, তাদের অস্তিত্ব এবং অভিজ্ঞতা আগামী প্রজন্মের কাছে মূল্যবান।

রাসুলুল্লাহ সা. যখন মদিনার রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে অত্যন্ত জটিল রাজনৈতিক ও সামরিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁর নাতিদের সাথে কাটানো মুহূর্তগুলো ছিল তাঁর জন্য এক ধরণের 'সাইকোলজিক্যাল রিফুয়েলিং' বা মানসিক পুনরুজ্জীবনের উৎস। যুদ্ধের রণকৌশল, কূটনৈতিক আলোচনা এবং প্রশাসনিক জটিলতার মাঝে যখন তিনি তাঁর নাতিদের সাথে খেলা করতেন, তখন তাঁর মস্তিষ্ক কর্টিসল (Cortisol) নামক স্ট্রেস হরমোনের প্রভাব থেকে মুক্তি পেত। এই মিথস্ক্রিয়া তাঁকে মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং চরম চাপের মুখেও ধৈর্যশীল হতে সহায়তা করত।

আরবিতে একটি প্রবাদ রয়েছে:


فَقَالَتْ: إِنَّ أَبِي شيخ كبير قد أفند

অর্থাৎ, "আমার পিতা একজন বৃদ্ধ মানুষ, যার বিচারবুদ্ধি এখন দুর্বল হয়ে পড়েছে।" [2] । যদিও এই উক্তিটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এসেছে, তবে এটি বার্ধক্যের একটি মনস্তাত্ত্বিক বাস্তবতাকে নির্দেশ করে—যেখানে বয়োজ্যেষ্ঠরা অনেক সময় নিজেদের গুরুত্বহীন মনে করেন। কিন্তু রাসুলুল্লাহ সা. তাঁর নাতিদের সাথে সম্পর্কের মাধ্যমে এই ধারণাকে ভেঙে দিয়েছিলেন। তিনি দেখিয়েছেন যে, বার্ধক্য মানে কেবল দুর্বলতা নয়, বরং এটি হলো প্রজ্ঞা এবং অসীম স্নেহের এক সংমিশ্রণ। তাঁর এই আচরণ বয়োজ্যেষ্ঠদের সামাজিক মর্যাদাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছিল এবং পারিবারিক কাঠামোর মধ্যে তাদের গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছিল।

৩. নববী গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিং মডেল: আচরণগত বিশ্লেষণ ও সাইকোলজিক্যাল ইমপ্যাক্ট

রাসুলুল্লাহ সা.-এর গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিং শৈলী ছিল অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত এবং সহানুভূতিশীল। তিনি শিশুদের সাথে কেবল স্নেহ করতেন না, বরং তাদের ব্যক্তিত্বের বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। একটি বিখ্যাত ঘটনা বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ সা. সিজদাহরত অবস্থায় ছিলেন এবং তাঁর নাতি তাঁর পিঠের ওপর চড়ে বসেছিলেন। রাসুলুল্লাহ সা. সিজদাহ দীর্ঘায়িত করলেন যাতে শিশুটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে নেমে যায়, তাকে জোর করে সরিয়ে দিলেন না। [3] । এই ঘটনাটি আধুনিক 'চাইল্ড-সেন্ট্রিক অ্যাপ্রোচ' (Child-centric Approach) এর এক অনন্য উদাহরণ।

এই আচরণের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। প্রথমত, এটি শিশুর মধ্যে এই ধারণা তৈরি করে যে তার অস্তিত্ব এবং তার ইচ্ছা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, এটি শিশুকে ধৈর্য এবং সহনশীলতার পাঠ দেয়। রাসুলুল্লাহ সা.-এর এই ধৈর্য কেবল ব্যক্তিগত গুণ ছিল না, বরং এটি ছিল একটি পরিকল্পিত শিক্ষাদান পদ্ধতি। তিনি বুঝতেন যে, শিশুদের সাথে কঠোর আচরণ তাদের মনে ভীতি এবং জড়তা তৈরি করে, যা তাদের সৃজনশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করে। বিপরীতে, তাঁর এই কোমলতা তাদের মনে আত্মবিশ্বাসের বীজ বপন করেছিল।

এছাড়া, রাসুলুল্লাহ সা. শিশুদের সাথে কথা বলার সময় যে শব্দচয়ন এবং কণ্ঠস্বর ব্যবহার করতেন, তা ছিল অত্যন্ত প্রশান্তিদায়ক। তিনি তাদের আদর করে ডাকতেন এবং তাদের ছোট ছোট সাফল্যে উৎসাহিত করতেন। এই 'পজিটিভ রিইনফোর্সমেন্ট' (Positive Reinforcement) শিশুদের দ্রুত শিখতে এবং মানসিকভাবে সুস্থ হতে সাহায্য করে। তাঁর এই পদ্ধতিটি বর্তমান যুগের 'পজিটিভ প্যারেন্টিং' (Positive Parenting) এর মূল ভিত্তি। তিনি প্রমাণ করেছেন যে, একজন দাদামহীমা বা নানামহীমা কেবল পরিবারের একজন সদস্য নন, বরং তিনি হলেন শিশুর প্রথম এবং সবচেয়ে নিরাপদ আবেগীয় আশ্রয়স্থল। [4]

৪. ইন্টারজেনারেশনাল বন্ডিং এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ভূ-রাজনীতি

পারিবারিক কাঠামোর মধ্যে দাদামহীমা-নাতি সম্পর্কের প্রভাব কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এটি বৃহত্তর সামাজিক এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। একে সমাজবিজ্ঞানের ভাষায় 'ইন্টারজেনারেশনাল সলিডারিটি' (Intergenerational Solidarity) বলা হয়। যখন একটি সমাজে বয়োজ্যেষ্ঠ এবং শিশুদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক থাকে, তখন সেখানে ঐতিহ্যের হস্তান্তর সহজ হয় এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতা হ্রাস পায়।

রাসুলুল্লাহ সা. মদিনায় যে সমাজ গঠন করেছিলেন, তার মূলে ছিল এই পারিবারিক সংহতি। তিনি জানতেন যে, একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের জন্য শক্তিশালী পরিবারের প্রয়োজন এবং শক্তিশালী পরিবারের জন্য প্রয়োজন প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিংয়ের মাধ্যমে তিনি প্রজ্ঞার সাথে সরলতার এক মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন। এই মেলবন্ধনটি সমাজের ভেতরে এক ধরণের 'কালেক্টিভ সিকিউরিটি' (Collective Security) তৈরি করেছিল, যেখানে শিশুরা বড়দের শ্রদ্ধা করতে শেখে এবং বড়রা শিশুদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে।

রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাসুলুল্লাহ সা.-এর এই পারিবারিক আদর্শটি তাঁর নেতৃত্বের মানবিক দিকটিকে ফুটিয়ে তুলেছিল। তাঁর শত্রুরা যখন তাঁকে কেবল একজন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখত, তখন তাঁর নাতিদের প্রতি তাঁর এই অসীম স্নেহ সাধারণ মানুষের মনে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা তৈরি করত। এটি ছিল এক ধরণের 'সফট পাওয়ার' (Soft Power) ডিপ্লোম্যাসি, যা কোনো তলোয়ার বা শক্তিতে সম্ভব ছিল না। তাঁর এই মানবিক আচরণটি অমুসলিমদের মনেও ইসলামের প্রতি ইতিবাচক ধারণা তৈরি করেছিল, কারণ তারা দেখেছিল যে এই ধর্মের প্রবর্তক তাঁর পরিবারের ছোট সদস্যদের প্রতি কতটা মমতাময়ী। [5]

৫. আধুনিক মনস্তত্ত্ব বনাম নববী আদর্শ: একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ

আধুনিক মনোবিজ্ঞানী জন বোলবি (John Bowlby) এবং মেরি এইনসওয়ার্থ (Mary Ainsworth) তাদের 'অ্যাটাচমেন্ট থিওরি'তে (Attachment Theory) উল্লেখ করেছেন যে, শৈশবে প্রাপ্ত নিরাপদ স্নেহ শিশুর ভবিষ্যৎ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। রাসুলুল্লাহ সা.-এর গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিং মডেল এই তত্ত্বের অনেক আগেই এর বাস্তব প্রয়োগ ঘটিয়েছিলেন। যেখানে আধুনিক মনোবিজ্ঞান এখন গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করছে যে, দাদামহীমা বা নানামহীমার সাথে সম্পর্ক শিশুদের রেজিলিয়েন্স (Resilience) বা প্রতিকূলতা কাটিয়ে ওঠার ক্ষমতা বাড়ায়, রাসুলুল্লাহ সা. তা তাঁর দৈনন্দিন আচরণের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করেছিলেন।

একটি বিশেষ দিক হলো 'ইমোশনাল রেগুলেশন' (Emotional Regulation)। শিশুরা যখন খুব উত্তেজিত বা কান্নাকাটি করে, তখন পিতামাতা অনেক সময় ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস সাধারণত অধিক ধৈর্যশীল হন। রাসুলুল্লাহ সা.-এর ক্ষেত্রে এই ধৈর্য ছিল সর্বোচ্চ স্তরের। তিনি শিশুদের ভুলগুলোকে সংশোধন করতেন অত্যন্ত কৌশলে এবং ভালোবাসার সাথে, যা তাদের মনে অপরাধবোধ তৈরি না করে সঠিক পথে চালিত করত। এই পদ্ধতিটি বর্তমানের 'ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স' (EI) মডেলের সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।

পরিশেষে, রাসুলুল্লাহ সা.-এর গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিং সাইকোলজি কেবল একটি পারিবারিক সম্পর্কের গল্প নয়, বরং এটি ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ মনস্তাত্ত্বিক ফ্রেমওয়ার্ক। অক্সিটোসিনের জৈবিক প্রভাব থেকে শুরু করে ইন্টারজেনারেশনাল বন্ডিংয়ের সামাজিক প্রভাব পর্যন্ত—সবকিছুই তাঁর জীবনে নিখুঁতভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি শিখিয়েছেন যে, বার্ধক্যের নিঃসঙ্গতাকে জয় করার সর্বোত্তম উপায় হলো শিশুদের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া এবং শিশুদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হলো বয়োজ্যেষ্ঠদের নিঃস্বার্থ স্নেহ। তাঁর এই আদর্শ আজও বিশ্বজুড়ে প্রতিটি পরিবারের জন্য এক আলোকবর্তিকা হিসেবে বিদ্যমান। [6]

""
৭.১ গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিং (Grandparenting) সাইকোলজি: বার্ধক্যে শিশুদের সাথে মিথস্ক্রিয়া এবং অক্সিটোসিন (Oxytocin) রিলিজের মনস্তত্ত্ব
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

৭.১ গ্র্যান্ডপ্যারেন্টিং (Grandparenting) সাইকোলজি: বার্ধক্যে শিশুদের সাথে মিথস্ক্রিয়া এবং অক্সিটোসিন (Oxytocin) রিলিজের মনস্তত্ত্ব কুইজ

1 / 5

নিউরোসায়েন্সের মতে, নাতি-নাতনিদের আদর করলে মস্তিষ্কে কোন হরমোন নিঃসৃত হয় যা মানসিক প্রশান্তি দেয়?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...