খণ্ড 85
ফন্ট:100%
থিম:

৬.১.১ "মানুষের বুদ্ধি অনুযায়ী কথা বলো"—ডিফারেনশিয়েটেড লার্নিং (Differentiated Learning) থিওরি

আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞানের অন্যতম একটি বৈপ্লবিক ধারণা হলো 'ডিফারেনশিয়েটেড লার্নিং' (Differentiated Learning) বা বৈচিত্র্যময় শিখন পদ্ধতি। এই তত্ত্বটি মূলত এই ধারণার ওপর প্রতিষ্ঠিত যে, একটি শ্রেণিকক্ষে বা কোনো শিক্ষা প্রক্রিয়ায় উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীর জ্ঞান আহরণ করার ক্ষমতা, বুদ্ধিবৃত্তিক স্তর, সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং শেখার ধরণ অভিন্ন নয়। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একটি নির্দিষ্ট বা একক পদ্ধতি (One-size-fits-all approach) প্রয়োগ করা বৈজ্ঞানিকভাবে অকার্যকর। এই তাত্ত্বিক কাঠামোর মূল নির্যাস হলো শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত সক্ষমতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্তর অনুযায়ী শিক্ষাদান পদ্ধতি ও উপকরণের পরিবর্তন সাধন করা। ইসলামের ইতিহাসে এই ধারণাটি কোনো নতুন উদ্ভাবন নয়, বরং মহানবি সা.-এর শিক্ষাদান পদ্ধতিতে এটি একটি সুসংহত ও সুনিপুণ প্রয়োগ হিসেবে পরিলক্ষিত হয়, যাকে পারিভাষিক অর্থে 'মারাআত আল-ফুরুক আল-ফর্দিয়্যাহ' (مراعاة الفروق الفردية) বা ব্যক্তিগত বৈচিত্র্যের প্রতি লক্ষ্য রাখা বলা যেতে পারে।

মনস্তাত্ত্বিক ও জ্ঞানতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মানুষের জ্ঞান আহরণের প্রক্রিয়াটি একটি নির্দিষ্ট ক্রম অনুসরণ করে। আধুনিক ভাষা অর্জন তত্ত্ব (Language Acquisition Theory) অনুযায়ী, কোনো একটি জটিল বিষয় বা অংশ বোঝার আগে তার সামগ্রিক ধারণা বা 'Whole' সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। অর্থাৎ, "الكل يسبق الجزء" বা "অংশসমূহ সামগ্রিকতার পূর্বে আসে না" [1] । এই নীতিটি অনুসরণ করে যখন একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীর পূর্বজ্ঞান ও বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে পাঠদান করেন, তখনই প্রকৃত শিখন নিশ্চিত হয়। শিক্ষাবিদদের মতে, এই প্রক্রিয়াটি শিক্ষার্থীর 'Cognitive Load' বা জ্ঞানীয় চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে, যাতে তারা অতিরিক্ত তথ্যের ভারে দিশেহারা না হয়ে ধাপে ধাপে শিখতে পারে [2]

ব্যক্তিগত বৈচিত্র্য ও জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রেক্ষাপট (Individual Differences and Epistemological Context)

শিক্ষাদান প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত বৈচিত্র্য বা 'Individual Differences' একটি অপরিহার্য উপাদান। মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক ও অনুধাবন ক্ষমতা বিভিন্ন কারণে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। এর পেছনে প্রধানত চারটি প্রভাবক কাজ করে: সাংস্কৃতিক পটভূমি (Cultural Background), সামাজিক অবস্থান (Social Status), শিক্ষাগত স্তর (Educational Level) এবং বয়স ও আগ্রহের ভিন্নতা (Age and Interest) [3] । একজন শিক্ষক যখন এই বৈচিত্র্যগুলোকে উপেক্ষা করে কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন, তখন শিক্ষার্থীর মধ্যে শিখনবিমুখতা তৈরি হয়।

জ্ঞানতাত্ত্বিক বা এপিস্টেমোলজিক্যাল (Epistemological) প্রেক্ষাপটে, মানুষের জ্ঞান আহরণের উৎস হিসেবে শ্রবণ, দর্শন এবং হৃদয়ের (Cognitive perception) সমন্বয় প্রয়োজন। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে:

﴿وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا

অর্থাৎ, "তুমি সেই বিষয়ে অনুসরণ করো না যার জ্ঞান তোমার নেই; নিশ্চয়ই কান, চোখ ও হৃদয়—এগুলোর প্রত্যেকটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে" [4] । এই আয়াতটি নির্দেশ করে যে, জ্ঞান আহরণের জন্য ইন্দ্রিয় ও বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতার সঠিক ও সুশৃঙ্খল ব্যবহার অপরিহার্য। একজন দক্ষ শিক্ষক বা নির্দেশক যখন শিক্ষার্থীর এই ইন্দ্রিয়গত ও বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতাকে বিবেচনায় নিয়ে পাঠদান করেন, তখন তা শিক্ষার্থীর সামগ্রিক ব্যক্তিত্বের বিকাশে সহায়ক হয় [5]

ডিফারেনশিয়েটেড লার্নিং থিওরির মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীর 'Scaffolding' বা সহায়ক কাঠামো প্রদান করা। অর্থাৎ, শিক্ষার্থীর বর্তমান জ্ঞানস্তর এবং কাঙ্ক্ষিত জ্ঞানস্তরের মধ্যবর্তী শূন্যস্থানটি পূরণ করার জন্য শিক্ষাদান পদ্ধতিকে এমনভাবে বিন্যস্ত করা, যাতে সে স্বাচ্ছন্দ্যে শিখতে পারে। যদি কোনো শিক্ষার্থী প্রাথমিক স্তরের জ্ঞান অর্জন না করেই জটিল তাত্ত্বিক বিষয়ে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়, তবে তার মধ্যে 'Cognitive Overload' বা অতিরিক্ত মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদী শিখনে বাধা প্রদান করে [6]

মুআয (রা.)-এর ইয়ামেনি মিশন: ক্রমান্বয়তা ও স্তরবিন্যাসের প্রয়োগ (The Mission of Mu'adh (ra.): Application of Gradualism and Hierarchy)

মহানবি সা.-এর শিক্ষাদান পদ্ধতির সবচেয়ে উজ্জ্বল ও গবেষণাধর্মী উদাহরণ হলো হযরত মুআয ইবনে জাবাল রা.-কে ইয়ামেনে প্রেরণ করার সময় প্রদত্ত নির্দেশনা। এটি আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞানের 'Gradualism' বা ক্রমান্বয়ী শিখন পদ্ধতির একটি নিখুঁত মডেল। মহানবি সা. মুআয রা.-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন তিনি সরাসরি জটিল বিধিবিধান বা সামাজিক সংস্কারের দিকে না গিয়ে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক ও আধ্যাত্মিক প্রস্তুতির স্তর অনুযায়ী অগ্রসর হন।

রাসুলুল্লাহ সা. মুআয রা.-কে বলেছিলেন:

"إنك تأتي قوماً من أهل الكتاب، فادعهم إلى شهادة أن لا إله إلا الله، وأني رسول الله، فإن هم أطاعوك لذلك، فأعلمهم أن الله افترض عليهم خمس صلوات في كل يوم وليلة. فإنْ أطاعوك لذلك، فأعلمهم أنَّ الله فرض عليهم صدقة تُؤخذ من أغنيائهم فترد على فقرائهم"

অনুবাদ: "তুমি এমন এক কওমের নিকট যাচ্ছ যারা আহলে কিতাব; সুতরাং তুমি তাদেরকে এই সাক্ষ্য প্রদানের দিকে দাও যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রাসুল। যদি তারা এর ওপর তোমার আনুগত্য করে, তবে তাদের জানাও যে, আল্লাহ তাদের ওপর প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছেন। যদি তারা এর ওপরও আনুগত্য করে, তবে তাদের জানাও যে, তাদের ধনীদের থেকে সদকা (যাকাত) গ্রহণ করা হবে এবং তা তাদের দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন করা হবে" [7]

এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মহানবি সা. এখানে একটি সুনির্দিষ্ট 'Pedagogical Hierarchy' বা শিক্ষণীয় স্তরবিন্যাস অনুসরণ করেছেন। প্রথমে তাওহীদ বা বিশ্বাসের ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে, যা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক ও আধ্যাত্মিক কাঠামোর মূল ভিত্তি। এরপর ইবাদতের প্রধান স্তম্ভ হিসেবে নামাজ এবং সবশেষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য যাকাতের বিধান প্রদান করা হয়েছে। এটি সরাসরি 'Differentiated Learning' এর একটি প্রয়োগ, যেখানে লক্ষ্যবস্তু বা 'Target Audience'-এর (আহলে কিতাব) ধর্মীয় ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে শিক্ষার ধাপগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে [8]

এই পদ্ধতিটি নির্দেশ করে যে, একজন শিক্ষকের উচিত শিক্ষার্থীর সক্ষমতা অনুযায়ী শিক্ষার স্তরবিন্যাস করা। যদি কোনো শিক্ষক শিক্ষার্থীর প্রাথমিক স্তর বা 'Readiness' বিবেচনা না করে সরাসরি জটিল ও দুরূহ বিষয়ে (دقائق العلم، وعويص مسائله) প্রবেশ করেন, তবে শিক্ষার্থী সেই জ্ঞানের সমুদ্রে নিমজ্জিত হয়ে আত্মরক্ষার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে [9]

শিক্ষাদান পদ্ধতিতে সহজীকরণ ও মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব (Simplification in Pedagogy and Psychological Impact)

শিক্ষার মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে কোনো বিষয়কে সহজ ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যখন কোনো নতুন বিষয় শিক্ষার্থীর কাছে সহজ ও আনন্দদায়ক মনে হয়, তখন তার মধ্যে সেই বিষয়ে জানার আগ্রহ ও ভালোবাসা (Love for learning) তৈরি হয়। মহানবি সা.-এর শিক্ষাদান পদ্ধতি এই মনস্তাত্ত্বিক সত্যটি অত্যন্ত কার্যকরভাবে ব্যবহার করত। কোনো বিষয় যদি তার প্রারম্ভিক পর্যায়ে সহজ হয়, তবে তা শিক্ষার্থীর হৃদয়ে প্রশান্তি ও আগ্রহ সৃষ্টি করে, যা তাকে পরবর্তী জটিল ধাপগুলো শিখতে উৎসাহিত করে [10]

বিপরীতভাবে, যদি শিক্ষার শুরুতেই অত্যন্ত কঠিন ও জটিল বিষয় উপস্থাপন করা হয়, তবে শিক্ষার্থীর মধ্যে ভীতি ও অনীহা তৈরি হতে পারে। আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞানে একে 'Negative Affective Filter' বলা হয়, যা শিক্ষার্থীর শেখার ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করে। মহানবি সা.-এর পদ্ধতি ছিল শিক্ষার্থীর মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের স্তর (Levels of growth) অনুযায়ী পাঠ্যবস্তুর সামঞ্জস্য বিধান করা [11]

একজন আদর্শ শিক্ষকের দায়িত্ব কেবল তথ্য বা তথ্যসার (Facts and information) প্রদান করা নয়, বরং শিক্ষার্থীর মধ্যে নিরন্তর শেখার দক্ষতা (Continuous learning skills) তৈরি করা। এর জন্য প্রয়োজন শিক্ষার্থীর বর্তমান জ্ঞান ও তার সম্ভাব্য বিকাশের স্তরের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করা। এই প্রক্রিয়াটি শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং তাকে একজন স্বনির্ভর শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে তোলে [12]

শিক্ষণ উপকরণ ও ইশারার মাধ্যমে ধারণা স্পষ্টকরণ (Instructional Tools and Clarification through Gestures)

শিক্ষাদান প্রক্রিয়ায় 'Wasail' বা শিক্ষণ উপকরণ (Instructional Tools) একটি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞানে এই উপকরণগুলো শিক্ষার্থীর ইন্দ্রিয়গত উপলব্ধি (Sensory perception) বৃদ্ধি করতে এবং দ্রুত বোধগম্যতা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। মহানবি সা. তাঁর শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মৌখিক ও অমৌখিক (Non-verbal) উপকরণ ব্যবহার করতেন, যা জটিল ধারণাগুলোকে সহজতর করতে সাহায্য করত [13]

এর মধ্যে অন্যতম একটি শক্তিশালী মাধ্যম ছিল 'Isharah' বা ইশারা বা অঙ্গভঙ্গি। ইশারা ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষক বা নির্দেশক অত্যন্ত অল্প কথায় অনেক গভীর ও জটিল অর্থ প্রকাশ করতে পারেন, যা শিক্ষার্থীর মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। মহানবি সা. তাঁর সাহাবিদের কোনো বিষয় বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রায়ই হাতের ইশারা ব্যবহার করতেন। যেমন, তিনি একবার বলেছিলেন:

"أمرت أن أسجد على سبعة أعظم: على الجبهةوأشار بيده على أنفهواليدين، والركبتين وأطراف القدمين"

অনুবাদ: "আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সাতটি অঙ্গের ওপর সিজদা করার জন্য: কপাল—এবং তিনি তাঁর হাত দিয়ে নাক নির্দেশ করলেন—এবং দুই হাত, দুই হাঁটু ও দুই পায়ের আঙ্গুলের অগ্রভাগ" [14]

প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ও ইতিহাসবিদ হাফেজ ইবনে হাজার রহ. এই ইশারা ব্যবহারের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন যে, বক্তা যখন তাঁর কথার সাথে শারীরিক অঙ্গভঙ্গি বা মুভমেন্ট যুক্ত করেন, তখন তা শ্রোতার হৃদয়ে আরও গভীরভাবে প্রবেশ করে [15] । ইশারা অনেক সময় স্পষ্ট উচ্চারণের চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে, কারণ এটি মৌখিক শব্দের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে সরাসরি দৃশ্যমান ধারণা প্রদান করে [16] । সুতরাং, একজন আধুনিক শিক্ষকের উচিতও শিক্ষার্থীর বুদ্ধিবৃত্তিক স্তর ও ইন্দ্রিয়গত সক্ষমতা বিবেচনা করে বিভিন্ন ধরণের শিক্ষণ উপকরণ ও অঙ্গভঙ্গি ব্যবহার করা, যাতে পাঠদান প্রক্রিয়াটি আরও প্রাণবন্ত ও কার্যকর হয়।

""
৬.১.১ "মানুষের বুদ্ধি অনুযায়ী কথা বলো"—ডিফারেনশিয়েটেড লার্নিং (Differentiated Learning) থিওরি
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

৬.১.১ "মানুষের বুদ্ধি অনুযায়ী কথা বলো"—ডিফারেনশিয়েটেড লার্নিং (Differentiated Learning) থিওরি কুইজ

1 / 5

'ডিফারেনশিয়েটেড লার্নিং'-এর মূল ভিত্তি কী?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...