খণ্ড 25
ফন্ট:100%
থিম:

৬.৩.২ নুসাইবা বিনতে কা'ব (উম্মে আম্মারা) এবং আসমা বিনতে আমর: ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নারীদের পলিটিক্যাল পার্টিসিপেশন (Political Participation of Women)

ইসলামি রাষ্ট্র বা 'দারুল ইসলাম'-এর প্রাথমিক বিনির্মাণ প্রক্রিয়ায় নারীদের ভূমিকা কেবল পারিবারিক বা অভ্যন্তরীণ পরিসরে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং রাজনৈতিক সংহতি রক্ষায় তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল অনস্বীকার্য। প্রথাগত ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গিতে অনেক সময় নারীদের ভূমিকাকে কেবল গৃহস্থালি বা লালন-পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখা হয়, কিন্তু ইসলামের প্রারম্ভিক যুগে নারীরা রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে সরাসরি রণক্ষেত্রে এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ করেছিলেন। নুসাইবা বিনতে কা'ব (রা.) এবং আসমা বিনতে আমর (রা.)-এর জীবন ও কর্মাবলি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, তাঁরা কেবল একজন মুমিন নারী ছিলেন না, বরং তাঁরা ছিলেন ইসলামি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কাঠামোর এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

রাজনৈতিক বিজ্ঞানের পরিভাষায়, কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য যখন অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সংকট তৈরি হয়, তখন রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের—নারী ও পুরুষ নির্বিশেষে—সম্পদ ও শ্রমের অংশগ্রহণ অপরিহার্য হয়ে পড়ে। ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠালগ্নে মদিনার সমাজব্যবস্থা যখন প্রাক-ইসলামি গোত্রীয় রাজনীতির জটিলতা ও বাহ্যিক আক্রমণ মোকাবিলা করছিল, তখন নারীরা তাঁদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও শারীরিক সক্ষমতা দিয়ে রাষ্ট্রের 'কালেক্টিভ সিকিউরিটি' বা যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলেন।

নুসাইবা বিনতে কা'ব (উম্মে আম্মারা): রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও প্রতিরক্ষা কৌশলে নারীর ভূমিকা

নুসাইবা বিনতে কা'ব (রা.), যিনি 'উম্মে আম্মারা' নামে অধিক পরিচিত, ইসলামি ইতিহাসের এমন এক মহীয়সী ব্যক্তিত্ব whose bravery redefined the concept of state defense. উহুদ যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যখন মুসলিম বাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছিল এবং রাষ্ট্রপ্রধান তথা নবি সা.-এর জীবন চরম সংকটের মুখে পড়েছিল, তখন নুসাইবা (রা.) কেবল একজন দর্শক হিসেবে থাকেননি, বরং তিনি সরাসরি রণক্ষেত্রে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তাঁর এই পদক্ষেপটি কেবল ব্যক্তিগত বীরত্ব ছিল না, বরং এটি ছিল রাষ্ট্রের কেন্দ্রবিন্দু বা 'সেন্ট্রাল লিডারশিপ' রক্ষার একটি উচ্চতর রাজনৈতিক ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত।

রাজনৈতিক দর্শন অনুযায়ী, রাষ্ট্রের প্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রথম শর্ত। নুসাইবা (রা.) যখন তলোয়ার ও ঢাল হাতে নবি সা.-এর প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করছিলেন, তখন তিনি মূলত ইসলামি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করছিলেন। তাঁর এই বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা তৎকালীন মুসলিম সমাজের মনস্তাত্ত্বিক মনোবল (Psychological Morale) বৃদ্ধিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল। নারীদের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় 'পাবলিক স্পিয়ার' বা জনপরিসরে নারীদের ভূমিকা কেবল সহায়ক নয়, বরং সংকটকালীন সময়ে তাঁরা মূলধারার প্রতিরক্ষা কৌশলের অংশীদার হতে পারেন।

ইসলামি ফিকহ ও রাজনৈতিক তত্ত্বের আলোকে নারীদের এই ধরনের অংশগ্রহণকে 'মাসলাহা' বা জনস্বার্থের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যদিও প্রথাগতভাবে নারীদের ভূমিকা গৃহস্থালি ও লালন-পালনের সাথে যুক্ত ছিল, তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে তাঁদের এই অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এ প্রসঙ্গে বলা যায়:

"وقد كانت الحياة العامة فيما مضى تجعل دور الرجل في الأمور العامة من سياسة وإدارة وتولي الولايات العامة والخاصة، وكانت المرأة تقوم بدورها الأساسي في تربية النشء ..." [1]

অর্থাৎ, জনপরিসরে পুরুষদের ভূমিকা ছিল পরিচালনা ও প্রশাসনের, আর নারীদের ভূমিকা ছিল লালন-পালনের, কিন্তু ইসলামের এই বিশেষ প্রেক্ষাপটে নারীরা সেই সীমানা অতিক্রম করে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব রক্ষায় নিয়োজিত হয়েছিলেন। নুসাইবা (রা.)-এর এই ভূমিকাটি প্রমাণ করে যে, ইসলামি রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে নারীদের রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষাগত অংশগ্রহণের একটি শক্তিশালী আইনি ও নৈতিক ভিত্তি বিদ্যমান ছিল [2]

নুসাইবা (রা.)-এর রণকৌশলগত উপস্থিতির কারণে উহুদ যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে মুসলিমদের মধ্যে যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল, তা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে, রাষ্ট্রীয় সংকটের মুহূর্তে নারীরা কেবল করুণার পাত্র নন, বরং তাঁরা রাষ্ট্রের রক্ষাকর্তা হিসেবেও আবির্ভূত হতে পারেন। তাঁর এই অবদান ইসলামি রাষ্ট্রীয় দর্শনে নারীদের 'পলিটিক্যাল এজেন্সি' বা রাজনৈতিক কর্তৃত্বের একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয় [3]

আসমা বিনতে আমর ও প্রাথমিক ইসলামি সমাজকাঠামোতে নারীর রাজনৈতিক প্রভাব

আসমা বিনতে আমর (রা.)-এর ভূমিকা ও তাঁর সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, ইসলামি রাষ্ট্র গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে নারীরা কীভাবে সামাজিক সংহতি ও রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করেছিলেন। মদিনার সমাজব্যবস্থায় নারীদের ভূমিকা কেবল ব্যক্তিগত ছিল না, বরং তাঁরা ছিলেন সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের অন্যতম অনুঘটক। আসমা (রা.)-এর মতো ব্যক্তিত্বরা ইসলামের প্রচার ও প্রসারে এবং মদিনার নতুন রাজনৈতিক কাঠামো গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

রাজনৈতিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, একটি নতুন রাষ্ট্র গঠনের জন্য প্রয়োজন একটি সুসংগঠিত সামাজিক ভিত্তি। আসমা (রা.) এবং তাঁর সমসাময়িক নারীরা মদিনার সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছিলেন যাতে ইসলামি আদর্শের ভিত্তিতে একটি নতুন 'পলিটিক্যাল কনসেনসাস' বা রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি হয়। তাঁরা কেবল তথ্য আদান-প্রদান করেননি, বরং ইসলামের রাজনৈতিক ও সামাজিক নীতিসমূহ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী জনমত গঠন করেছিলেন।

ইসলামি স্কলারদের মতে, নারীদের এই ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বৈধতা অত্যন্ত সুসংহত। নারীরা তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী জনস্বার্থ রক্ষায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা রাখতেন। এ প্রসঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ উক্তি লক্ষ্যণীয়:

"فقه هذا الحديث أنه يجوز للنساء التصرف فيما لهن الحاجة إليه من مصالحهن" [4]

অর্থাৎ, নারীদের জন্য তাঁদের প্রয়োজনীয় জনস্বার্থ ও ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার রয়েছে। আসমা (রা.)-এর জীবন এই নীতিটিরই একটি বাস্তব প্রতিফলন। তিনি মদিনার সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নারীদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করেছিলেন, যা প্রকারান্তরে ইসলামি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছিল [5]

আসমা (রা.)-এর রাজনৈতিক প্রভাব কেবল মদিনার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তিনি ইসলামের প্রসারের ক্ষেত্রে যে সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি তৈরি করেছিলেন, তা ছিল দীর্ঘমেয়াদী। নারীদের এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় নারীরা কেবল নিষ্ক্রিয় দর্শক ছিলেন না, বরং তাঁরা ছিলেন সক্রিয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অংশীদার। তাঁদের এই ভূমিকাটি আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের 'সিভিক পার্টিসিপেশন' বা নাগরিক অংশগ্রহণের একটি আদি ও মৌলিক রূপ।

গ্রিক ও ইসলামি নারীবাদের তুলনামূলক রাজনৈতিক দর্শন: একটি বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি

ইসলামি নারীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক অংশগ্রহণের প্রকৃতি বুঝতে হলে তৎকালীন অন্যান্য সভ্যতার, বিশেষ করে গ্রিক সভ্যতার নারীদের ভূমিকার সাথে একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। গ্রিক সভ্যতায় নারীদের ভূমিকা ছিল মূলত সামাজিক ও নান্দনিক প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে, যা অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় বা আদর্শিক লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত ছিল। গ্রিক নাটকে নারীদের ভূমিকা ছিল অনেক সময় হাস্যরসাত্মক বা কেবল পুরুষদের ওপর প্রভাব বিস্তারের মাধ্যম হিসেবে চিত্রিত।

গ্রিক সভ্যতার এই প্রেক্ষাপটটি বুঝতে গেলে আমরা দেখতে পাই যে, গ্রিক নারীদের স্বাধীনতা বা অংশগ্রহণ ছিল অনেক ক্ষেত্রে কৃত্রিম বা কেবল সামাজিক প্রথাগত আচরণের অংশ। যেমনটি গ্রিক নাট্যকার অ্যারিস্টোফেনসের নাটকে দেখা যায়, যেখানে নারীদের ভূমিকা ছিল মূলত পুরুষদের সাথে সামাজিক maneuvering বা কৌশলগত maneuvering করার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর বিপরীতে, ইসলামি নারীদের অংশগ্রহণ ছিল সম্পূর্ণভাবে 'Duty-based' বা দায়িত্ববোধ ভিত্তিক। নুসাইবা (রা.) বা আসমা (রা.)-এর মতো নারীরা কোনো সামাজিক প্রথা বা নান্দনিকতার জন্য নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং রাষ্ট্রের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য রাজনৈতিক ও রণকৌশলগত দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

ইতিহাসের এই বৈপরীত্যটি অত্যন্ত গভীর। গ্রিক সভ্যতার নারীদের ভূমিকা ছিল অনেক ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন বা কেবল পারিবারিক ও সামাজিক প্রভাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ, যেখানে ইসলামি নারীদের ভূমিকা ছিল রাষ্ট্রের বৃহত্তর লক্ষ্য ও আদর্শের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গ্রিক সভ্যতার নারীদের এই সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে 'কাহিনী الحضارة' (Story of Civilization) গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে:

"وتصبح أدوار النساء من عام 411 أكثر شأناً في المسرحيات الأثينية مما كانت من قبل، وهي تكشف عن خروج المرأة شيئاً فشيئاً من العزلة التي كانت مفروضة عليها." [6]

যদিও গ্রিক নারীরা তাঁদের বিচ্ছিন্নতা থেকে বেরিয়ে আসছিলেন, কিন্তু তাঁদের সেই উত্তরণ ছিল মূলত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে। পক্ষান্তরে, ইসলামি নারীদের অংশগ্রহণ ছিল রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি সুসংগঠিত ও উদ্দেশ্যমূলক প্রচেষ্টা [7]

পরিশেষে বলা যায়, নুসাইবা বিনতে কা'ব (রা.) এবং আসমা বিনতে আমর (রা.)-এর মতো নারীরা ইসলামি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কাঠামোর এমন এক ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, যা পরবর্তী যুগগুলোতে নারীদের সামাজিক ও রাজনৈতিক মর্যাদাকে সুসংহত করেছে। তাঁদের এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় নারীরা কেবল গৃহস্থালির দায়িত্বে সীমাবদ্ধ নন, বরং তাঁরা রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামাজিক সংহতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে সক্ষম।

""
৬.৩.২ নুসাইবা বিনতে কা'ব (উম্মে আম্মারা) এবং আসমা বিনতে আমর: ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নারীদের পলিটিক্যাল পার্টিসিপেশন (Political Participation of Women)
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

৬.৩.২ নুসাইবা বিনতে কা'ব (উম্মে আম্মারা) এবং আসমা বিনতে আমর: ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নারীদের পলিটিক্যাল পার্টিসিপেশন (Political Participation of Women) কুইজ

1 / 5

দ্বিতীয় আকাবার শপথে অংশগ্রহণকারী দুজন নারীর নাম কী ছিল?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...