খণ্ড 31
ফন্ট:100%
থিম:

১১.১ মডার্ন ফিফথ কলাম (Modern Fifth Column) এবং স্টেট সাবভার্সন (State Subversion)

১১.১ মডার্ন ফিফথ কলাম (Modern Fifth Column) এবং স্টেট সাবভার্সন (State Subversion)

রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষার ক্ষেত্রে 'ফিফথ কলাম' (Fifth Column) বা 'পঞ্চম স্তম্ভ' এবং 'স্টেট সাবভার্সন' (State Subversion) বা 'রাষ্ট্রীয় সাবভার্সন' সমসাময়িক ভূ-রাজনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অত্যন্ত জটিল ও সংবেদনশীল দুটি ধারণা। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো বহিরাগত আক্রমণ বা যুদ্ধের সময় যখন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অবস্থানরত কোনো গোষ্ঠী বা উপদল গোপনে শত্রুপক্ষকে সহায়তা করে, রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয় কিংবা জনমনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়, তখন সেই অভ্যন্তরীণ শক্তিকে 'ফিফথ কলাম' হিসেবে অভিহিত করা হয়। আধুনিক প্রেক্ষাপটে এটি কেবল সামরিক সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি একটি সূক্ষ্ম মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, যার লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের সামাজিক সংহতি, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর আঘাত হানা।

রাষ্ট্রীয় সাবভার্সন বা রাষ্ট্রীয় অবক্ষয় হলো সেই পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ উপাদানসমূহ (ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংস্থা) রাষ্ট্রের মূল আদর্শ, আইন ও শাসনব্যবস্থাকে অকার্যকর করে তোলার চেষ্টা করে। এটি সরাসরি সামরিক আক্রমণের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর, কারণ এর লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের ভিত্তিপ্রস্তর বা 'Foundation' গুলোকে ভেতর থেকে ক্ষয় করা। যখন একটি রাষ্ট্রের নাগরিকরা বা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অংশবিশেষ রাষ্ট্রীয় স্বার্থের পরিবর্তে ভিন্ন কোনো বহিরাগত বা গোপন এজেন্ডাকে প্রাধান্য দিতে শুরু করে, তখনই সাবভার্সন বা রাষ্ট্রীয় অবক্ষয়ের প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত হয়।

রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা এবং অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত অবক্ষয়: ইবনে খালদুনের সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি

রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা এবং এর পতনের কারণসমূহ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে প্রখ্যাত মুসলিম ইতিহাসবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী ইবনে খালদুন (রহ.) অত্যন্ত গভীর ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ প্রদান করেছেন। তাঁর 'মুকাদ্দিমা' ও 'তারিখ' গ্রন্থে তিনি দেখিয়েছেন যে, একটি রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব নির্ভর করে তার 'আসাবিয়্যাহ' (Asabiyyah) বা সামাজিক সংহতির ওপর। যখন কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠী বা উপজাতিসমূহ তাদের সম্মিলিত সংহতি হারিয়ে ফেলে এবং নিজেদের স্বার্থে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তখনই রাষ্ট্রীয় কাঠামোটি ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। ইবনে খালদুন (রহ.) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু বা সুলতানের কর্তৃত্ব কীভাবে অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা ও উপদলীয় স্বার্থের কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, যখন রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা তার সংহতি ও জনসমর্থন হারায়, তখন অভ্যন্তরীণ শক্তিগুলো রাষ্ট্রীয় স্তম্ভগুলোকে গুঁড়িয়ে দিতে শুরু করে। ইবনে খালদুন (রহ.)-এর ভাষ্যমতে:

تقويض أركان السلطان الجامع الأمة، المقيم للملّة بعد أن ساء له عمن له من العصابة والقبائل التي يكون بها الاعتزاز والمنعة [1] উপরোক্ত ইবারতটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সুলতান বা রাষ্ট্রপ্রধানের কর্তৃত্ব তখনই বিনষ্ট হয় যখন তাঁর সাথে সংশ্লিষ্ট 'আসাবিয়্যাহ' বা গোষ্ঠীগত ও সামাজিক সংহতি (العصابة والقبائل) দুর্বল হয়ে পড়ে। এই দুর্বলতা মূলত রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় স্বার্থের সংঘাত থেকে উদ্ভূত হয়, যা রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা ও মর্যাদাকে (الاعتزاز والمنعة) ধ্বংস করে দেয়। আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায়, এটিই হলো 'স্টেট সাবভার্সন'-এর প্রাথমিক পর্যায়, যেখানে অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীসমূহ রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সংহতিকে বিনষ্ট করে রাষ্ট্রকে পঙ্গু করে ফেলে।

ইবনে খালদুন (রহ.)-এর এই তত্ত্বটি আধুনিক 'ফিফথ কলাম' ধারণার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। যখন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে থাকা কোনো গোষ্ঠী রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় আদর্শ বা 'Asabiyyah'-এর পরিবর্তে নিজস্ব ক্ষুদ্র স্বার্থ বা বহিরাগত শক্তির এজেন্ডাকে প্রাধান্য দেয়, তখন তারা রাষ্ট্রের স্তম্ভগুলোকে (Pillars of State) গুঁড়িয়ে দিতে শুরু করে। এই প্রক্রিয়াটি কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং এটি একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক অবক্ষয় যা রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে সংকটে ফেলে দেয়। ইবনে খালদুন (রহ.)-এর মতে, এই ধরনের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও সংহতির অভাবই মূলত রাষ্ট্রের পতনের প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করে [2]

ফিফথ কলামের মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক কৌশল: অভ্যন্তরীণ শত্রু ও জনমত কারসাজি

ফিফথ কলাম বা পঞ্চম স্তম্ভের কার্যপদ্ধতি মূলত অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং এটি সরাসরি যুদ্ধের চেয়ে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের (Psychological Warfare) ওপর বেশি নির্ভরশীল। এই গোষ্ঠীগুলোর প্রধান লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে অবিশ্বাস, সংশয় এবং বিভাজন সৃষ্টি করা। তারা রাষ্ট্রের বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা হ্রাস করার জন্য অপপ্রচার (Propaganda) এবং ভুল তথ্য (Misinformation) ব্যবহার করে। যখন একটি দেশের নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকার বা শাসনব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে, তখন রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ে।

রাজনৈতিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, ফিফথ কলামের একটি অন্যতম কৌশল হলো 'Cognitive Dissonance' বা জ্ঞানীয় অসঙ্গতি তৈরি করা। তারা এমন সব তথ্য বা ন্যারেটিভ প্রচার করে যা জনগণের প্রচলিত বিশ্বাস ও রাষ্ট্রের আদর্শের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে। এর ফলে জনমনে একটি অস্থিরতা তৈরি হয়, যা রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতাকে বিঘ্নিত করে। এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত পরিকল্পিত এবং এটি প্রায়শই বহিরাগত শক্তির প্ররোচনা বা অর্থায়নে পরিচালিত হয়।

রাষ্ট্রীয় সাবভার্সনের এই মনস্তাত্ত্বিক দিকটি অত্যন্ত ভয়ংকর, কারণ এটি সরাসরি মানুষের চিন্তাশক্তি ও অনুভূতির ওপর আঘাত হানে। যখন কোনো গোষ্ঠী রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে থেকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জনমতকে উসকে দেয়, তখন তারা মূলত একটি 'Internal Front' বা অভ্যন্তরীণ ফ্রন্ট তৈরি করে। এই ফ্রন্টটি রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়, যা কোনো বাহ্যিক আক্রমণ মোকাবিলা করার ক্ষমতাকেও হ্রাস করে দেয়। এই ধরনের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এবং জনমত কারসাজি রাষ্ট্রের কাঠামোগত ভিত্তিগুলোকে ভেতর থেকে ক্ষয় করে ফেলে [3]

সামাজিক সংস্কার বনাম রাষ্ট্রীয় সাবভার্সন: গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক শক্তির দ্বান্দ্বিকতা

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একটি সমাজ বা রাষ্ট্রের সামনে দুটি বিপরীতমুখী শক্তি সর্বদা বিদ্যমান থাকে: একটি হলো সামাজিক সংস্কার (Social Reform), যা সমাজকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করে; অন্যটি হলো রাষ্ট্রীয় সাবভার্সন (State Subversion), যা সমাজকে বিশৃঙ্খল ও দুর্বল করে। ইসলামি দাওয়াহ বা প্রচারণার ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইসলামি দাওয়াহর মূল লক্ষ্য ছিল একটি সুসংগঠিত, নৈতিক ও সংহতিপূর্ণ সমাজ গঠন করা। এটি কেবল ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিকতা নয়, বরং একটি শক্তিশালী সামাজিক কাঠামো নির্মাণের প্রক্রিয়া ছিল।

ইসলামি দাওয়াহর পদ্ধতিসমূহ আধুনিক সমাজ সংস্কারের তত্ত্বগুলোর চেয়ে অনেক বেশি গভীর ও ব্যাপক। এটি মানুষের চরিত্র গঠন থেকে শুরু করে একটি ন্যায়বিচারভিত্তিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো নির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করে। একটি শক্তিশালী ও সংহতিপূর্ণ সমাজ গঠনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ইসলামি দাওয়াহর পদ্ধতিসমূহ আধুনিক সামাজিক সংস্কারের তত্ত্বগুলোর অনেক আগেই একটি আদর্শ সমাজ গঠনের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছে [4]

অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয় সাবভার্সন বা সাবভার্সিভ শক্তিগুলো মূলত ধ্বংসাত্মক। তাদের লক্ষ্য সমাজ সংস্কার নয়, বরং সামাজিক সংহতি বা 'Asabiyyah'-কে ভেঙে ফেলা। যেখানে সংস্কারমূলক শক্তিগুলো মানুষের মধ্যে ঐক্য ও নৈতিকতা বৃদ্ধির চেষ্টা করে, সেখানে সাবভার্সিভ শক্তিগুলো বিভাজন, দুর্নীতি এবং অনৈতিকতাকে উৎসাহিত করে। এই দুই শক্তির মধ্যকার দ্বন্দ্বটিই মূলত একটি রাষ্ট্রের টিকে থাকা বা পতনের মূল নির্ধারক। যখন সাবভার্সিভ শক্তিগুলো সংস্কারমূলক শক্তির চেয়ে শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তখন রাষ্ট্র তার অভ্যন্তরীণ শক্তি হারিয়ে ফেলে এবং পতনের দিকে ধাবিত হয় [5]

সামাজিক সংহতি এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যকার এই ভারসাম্য রক্ষা করা যেকোনো রাষ্ট্রনায়কের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। যদি একটি রাষ্ট্র তার নাগরিকদের মধ্যে নৈতিক ও সামাজিক সংহতি বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়, তবে ফিফথ কলাম বা অভ্যন্তরীণ শত্রুতা রাষ্ট্রকে ধ্বংস করতে দ্বিধা করবে না। সুতরাং, রাষ্ট্রীয় সাবভার্সন মোকাবিলায় কেবল সামরিক শক্তি নয়, বরং একটি শক্তিশালী সামাজিক ও নৈতিক কাঠামো নির্মাণ করা অপরিহার্য, যা ইবনে খালদুনের বর্ণিত 'আসাবিয়্যাহ' বা সামাজিক সংহতির ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অভ্যন্তরীণ সংহতির গুরুত্ব

রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব কেবল সীমানা রক্ষা করার নাম নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ আদর্শিক ও সামাজিক সংহতি রক্ষার নাম। যখন একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ফিফথ কলাম বা সাবভার্সিভ গোষ্ঠীগুলো সক্রিয় থাকে, তখন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব কেবল বাহ্যিক আক্রমণ নয়, বরং অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলার মাধ্যমেও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার নাগরিকদের মধ্যে বিদ্যমান ঐক্য এবং রাষ্ট্রের প্রতি তাদের অবিচল আনুগত্য।

আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, রাষ্ট্রীয় সাবভার্সন এখন আর কেবল গোপনীয় দল বা গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি ডিজিটাল মাধ্যম এবং সাইবার স্পেসের মাধ্যমেও পরিচালিত হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং রাষ্ট্রের প্রতি ঘৃণা ছড়ানো এখন একটি নিয়মিত কৌশল। এই কারণে, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কেবল সামরিক ও রাজনৈতিক কৌশল নয়, বরং একটি শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

সার্বিকভাবে, ইবনে খালদুনের সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এবং আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ধারণাগুলো থেকে এটি স্পষ্ট যে, একটি রাষ্ট্রের পতনের প্রধান কারণ বাহ্যিক আক্রমণ নয়, বরং অভ্যন্তরীণ অবক্ষয় ও সংহতির অভাব। ফিফথ কলাম বা পঞ্চম স্তম্ভের মতো অভ্যন্তরীণ শক্তিগুলো যখন রাষ্ট্রের ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়, তখন রাষ্ট্র তার প্রতিরক্ষা ও শাসন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তাই একটি রাষ্ট্রকে দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী করতে হলে তাকে সর্বদা অভ্যন্তরীণ সাবভার্সন মোকাবিলা করতে হবে এবং সামাজিক সংহতি বা 'Asabiyyah'-কে শক্তিশালী করার মাধ্যমে একটি সুসংগঠিত সমাজ কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে।

""
১১.১ মডার্ন ফিফথ কলাম (Modern Fifth Column) এবং স্টেট সাবভার্সন (State Subversion)
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১১.১ মডার্ন ফিফথ কলাম (Modern Fifth Column) এবং স্টেট সাবভার্সন (State Subversion) কুইজ

1 / 5

আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানে 'ফিফথ কলাম' (Fifth Column) বলতে সাধারণত কাদের বোঝানো হয়?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...