খণ্ড 3
ফন্ট:100%
থিম:

১.৪ অন্যান্য প্রান্তিক শক্তি ও সভ্যতার রাজনৈতিক চালচিত্র

প্রাক-ইসলামিক এবং প্রাথমিক ইসলামিক যুগের বিশ্বরাজনীতি কেবল দুটি পরাশক্তি—রোমান (বাইজেন্টাইন) এবং সাসানীয় পারস্যের দ্বৈরথ দ্বারা সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং এর চারপাশে বিস্তৃত ছিল বিভিন্ন প্রান্তিক শক্তি এবং উদীয়মান সভ্যতার এক জটিল ভূ-রাজনৈতিক বিন্যাস। এই প্রান্তিক শক্তিগুলো সরাসরি সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য বিস্তার না করলেও, তাদের সাংস্কৃতিক প্রভাব, অর্থনৈতিক সংহতি এবং সামাজিক কাঠামো তৎকালীন বিশ্বের সামগ্রিক রাজনৈতিক চালচিত্রকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। সভ্যতার এই উত্থান-পতনের চক্র এবং প্রান্তিক শক্তিগুলোর মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক অবস্থান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কোনো রাষ্ট্র যখন তার সামরিক তেজ হারিয়ে বিলাসিতার চরম উৎকর্ষে পৌঁছায়, তখনই তার পতনের বীজ রোপিত হয়। এই ঐতিহাসিক সত্যটি কেবল নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলের জন্য নয়, বরং বিশ্বসভ্যতার এক চিরন্তন নিয়ম হিসেবে গণ্য হয় [1]

সভ্যতার উত্থান-পতন ও রাজনৈতিক সংহতির সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

প্রান্তিক শক্তিগুলোর রাজনৈতিক চালচিত্র বুঝতে হলে ইবনে খালদুনের সমাজতাত্ত্বিক তত্ত্বের আলোকে সভ্যতার জীবনচক্র বিশ্লেষণ করা অপরিহার্য। ইবনে খালদুনের মতে, সভ্যতার প্রাথমিক পর্যায়ে যা থাকে কঠোর পরিশ্রম এবং সামরিক দৃঢ়তা, যা তাকে বিজয়ী করে তোলে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অনেক সময় দেখা যায় যে জাতি সাংস্কৃতিকভাবে পিছিয়ে থাকে, তাদের বিজয় অভিযানই হয় সবচেয়ে প্রবল। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন:

إن أقل الأقوام حضارة أعظمها فتوحاً

অর্থাৎ, "যে জাতি সাংস্কৃতিকভাবে সবচেয়ে কম উন্নত, তাদের বিজয় অভিযানই হয় সবচেয়ে বিশাল" [2] । এই তত্ত্বটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যখন কোনো গোত্রীয় সমাজ সংহতি বা 'আসাবিয়্যাহ'র মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ হয়, তখন তাদের নেতৃত্ব একজন গোত্রপ্রধান থেকে রাজায় রূপান্তরিত হয়। এই রাজনৈতিক কেন্দ্রীকরণের ফলে সমাজে সম্পদের সঞ্চয় ঘটে, শহরগুলোর বিস্তার ঘটে এবং শিক্ষা ও শিল্পের বিকাশ ঘটে। তবে এই সমৃদ্ধিই paradoxically সভ্যতার পতনের সূচনা করে। যখন বিলাসিতা এবং আরাম-আয়েশ কঠোর পরিশ্রম ও সাহসিকতার স্থান দখল করে নেয়, তখন সেই রাষ্ট্র তার আত্মরক্ষার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে [3]

রাজনৈতিক বিজ্ঞানের ভাষায় একে 'ডিজেনারেটিভ সাইকেল' বলা যেতে পারে। যখন একটি রাষ্ট্র তার নিজস্ব সামরিক শক্তির পরিবর্তে ভাড়াটে সৈন্যের (Mercenaries) ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন সেই রাষ্ট্রের জাতীয় সংহতি এবং ধর্মীয় উদ্দীপনা হ্রাস পায়। ইবনে খালদুনের মতে, এই বিলাসিতার সংস্কৃতি মানুষকে যুদ্ধ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মানসিকতা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, ফলে বহিঃশত্রুর আক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রের মুখে রাষ্ট্রটি দ্রুত ভেঙে পড়ে। এই চক্রটি রোমান সাম্রাজ্য, স্পেনের মুরাবিতুন ও মুওয়াহহিদুন এবং এমনকি মিশর, সিরিয়া ও ইরাকের বিভিন্ন ইসলামিক শাসনব্যবস্থার ক্ষেত্রেও পরিলক্ষিত হয়েছে [4]

এই সমাজতাত্ত্বিক প্রেক্ষাপটটি তৎকালীন প্রান্তিক শক্তিগুলোর জন্য একটি সতর্কবার্তা ছিল। যারা কেবল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে রাষ্ট্র গঠন করেছিল, তারা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারেনি। বিপরীতে, যারা নৈতিক দৃঢ়তা এবং সামাজিক সংহতি বজায় রাখতে পেরেছিল, তারাই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিল। সুতরাং, তৎকালীন বিশ্বের রাজনৈতিক চালচিত্র ছিল মূলত সামরিক তেজ এবং বিলাসিতার মধ্যকার এক নিরন্তর দ্বন্দ্বের প্রতিফলন [5]

পারস্যের আদর্শিক কাঠামো ও ভূ-রাজনৈতিক শ্রেষ্ঠত্ববাদ

তৎকালীন প্রান্তিক শক্তির মধ্যে পারস্যের প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর, বিশেষ করে তাদের ধর্মীয় ও আদর্শিক কাঠামোর কারণে। সাসানীয় পারস্যের রাজনৈতিক চালচিত্র ছিল জরাথুস্ট্রবাদ বা মাজুসি ধর্মের দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত। এই ধর্মের মূল ভিত্তি ছিল দ্বৈতবাদ (Dualism)—অর্থাৎ আলো ও অন্ধকারের, সত্য ও মিথ্যার চিরন্তন লড়াই। তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে দুটি প্রধান শক্তি বিদ্যমান: 'আহুরা মাজদা' (Ahura Mazda) যিনি সত্য ও আলোর প্রতীক, এবং 'আহরিমান' (Ahriman) যিনি অন্ধকার ও মিথ্যার অধিপতি।

أهرمان أمير الظلمة وحاكم العالم السفلي. وهو الطراز الأسبق للشيطان الذي لا ينقطع عن فعل الشر

অর্থাৎ, "আহরিমান হলো অন্ধকারের আমির এবং পাতালপুরীর শাসক। সে হলো শয়তানের আদি রূপ, যে নিরন্তর মন্দ কাজ করে চলে" [6] । এই আদর্শিক বিশ্বাস কেবল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এটি তাদের রাজনৈতিক কূটনীতি এবং বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হতো। পারস্যের শাসকরা বিশ্বাস করতেন যে, তারা খোদ আহুরা মাজদার প্রতিনিধি এবং তাদের সাম্রাজ্যই হলো পৃথিবীর একমাত্র পবিত্র স্থান। এই শ্রেষ্ঠত্ববোধ তাদের মধ্যে এক ধরণের চরম জাতিগত অহংকার তৈরি করেছিল [7]

পারস্যের এই রাজনৈতিক মনস্তত্ত্বের একটি বিশেষ দিক ছিল বহিঃবিশ্বের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি। তারা মনে করত, পারস্যের ভৌগোলিক সীমানা থেকে যত দূরে যাওয়া হবে, মানুষের উৎকর্ষ তত হ্রাস পাবে। তাদের বিশ্বাস ছিল যে, "সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ তারা, যারা পারস্য থেকে সবচেয়ে দূরে বাস করে" [8] । এই ধরণের শ্রেষ্ঠত্ববাদী দৃষ্টিভঙ্গি (Ethnocentrism) তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কগুলোকে জটিল করে তুলেছিল। তারা অন্য জাতিগুলোকে নিম্নমানের মনে করত, যা তাদের সাম্রাজ্যবাদী প্রসারে এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক জ্বালানি হিসেবে কাজ করত। তবে এই অহংকারই শেষ পর্যন্ত তাদের প্রান্তিক শক্তিগুলোর সাথে সংঘাত বাড়িয়ে দেয় এবং অভ্যন্তরীণ সংহতি দুর্বল করে দেয় [9]

পারস্যের শাসনব্যবস্থায় নৈতিকতার একটি কঠোর সংজ্ঞায়ন ছিল, যেখানে সত্যবাদিতা এবং আনুগত্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হতো। তবে এই নৈতিকতা কেবল নিজেদের জন্য ছিল; বহিঃজাত বা অমুসলিমদের প্রতি তাদের আচরণ ছিল অত্যন্ত কঠোর। তাদের রাজনৈতিক চালচিত্রে ধর্ম এবং রাষ্ট্র ছিল অবিচ্ছেদ্য, যেখানে রাজার আদেশকে খোদায়ী নির্দেশ হিসেবে গণ্য করা হতো। এই কঠোর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ এবং আদর্শিক একমুখিতা পারস্যকে সাময়িকভাবে শক্তিশালী করলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি তাদের নমনীয়তা কমিয়ে দিয়েছিল [10]

অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও জাতিগত খণ্ডন: রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণ

যেকোনো বৃহৎ রাজনৈতিক কাঠামোর পতনের পেছনে অভ্যন্তরীণ জাতিগত সংঘাত এবং প্রশাসনিক দুর্নীতি প্রধান ভূমিকা পালন করে। তৎকালীন বিভিন্ন প্রান্তিক শক্তি এবং পরবর্তীকালে খিলাফতের বিভিন্ন পর্যায়ে এই সমস্যাটি প্রকট হয়ে উঠেছিল। যখন একটি শাসনব্যবস্থায় বিভিন্ন জাতিসত্তা—যেমন আরব, পারস্য, সিরীয়, বার্বার, তুর্কি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠী একত্রিত হয়, তখন সেখানে একটি শক্তিশালী জাতীয় সংহতির অভাব দেখা দেয়। যদি শাসনব্যবস্থা কেবল নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করে, তবে তা অনিবার্যভাবে বিদ্রোহের জন্ম দেয় [11]

ইতিহাসের পাতায় দেখা যায়, যখন শাসকরা শাসনকার্য ছেড়ে বিলাসিতা, মদ্যপান এবং ভোগবিলাসে মগ্ন হন, তখন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ে। খিলাফতের পরবর্তী সময়ে দেখা গিয়েছিল যে, শাসকরা হরেম এবং ব্যক্তিগত সুখের পেছনে ছুটেছেন, যার ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা হ্রাস পায়। এই দুর্বলতা কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ে ছিল না, বরং তা পুরো শাসনব্যবস্থায় ছড়িয়ে পড়েছিল। ফলে রাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস পায় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে যুদ্ধের উদ্দীপনা বিলুপ্ত হয় [12]

জাতিগত বৈষম্য এই রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও ত্বরান্বিত করেছিল। আরব, পারস্য এবং বার্বারদের মধ্যে পারস্পরিক ঘৃণা এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্যের মনোভাব তৈরি হয়েছিল। এই জাতিগত বিভাজন রাজনৈতিক সংহতিকে খণ্ডবিখণ্ড করে দেয়। ফলে একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তির পরিবর্তে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীর সৃষ্টি হয়, যারা নিজেদের মধ্যে লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকে। এই খণ্ডন প্রক্রিয়ার ফলে রাষ্ট্রটি বহিঃশত্রুর সামনে অত্যন্ত অসহায় হয়ে পড়ে। এছাড়া কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার অবহেলা অর্থনৈতিক মন্দা তৈরি করে, যা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে আরও ঘনীভূত করে [13]

রাজনৈতিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে একে 'Internal Fragmentation' বলা হয়। যখন একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সংহতি (Social Cohesion) নষ্ট হয়, তখন বাইরের কোনো বড় শক্তির প্রয়োজন হয় না; রাষ্ট্রটি নিজেই নিজের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তৎকালীন প্রান্তিক শক্তিগুলোর রাজনৈতিক চালচিত্রে এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ছিল একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য, যা তাদের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা অর্জনে বাধা প্রদান করেছিল [14]

সাংস্কৃতিক আধিপত্য ও প্রান্তিক কেন্দ্রের উত্থান

রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু পরিবর্তিত হলেও সাংস্কৃতিক আধিপত্য অনেক সময় প্রান্তিক অঞ্চলগুলোতে টিকে থাকে এবং নতুন শক্তির জন্ম দেয়। অষ্টম থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে দেখা যায় যে, ইউরোপের তুলনায় ইসলামিক সভ্যতা সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং সামরিক দিক থেকে বহুগুণে উন্নত ছিল। এই সময়ে উত্তর আফ্রিকা এবং আন্দালুসিয়ার মতো প্রান্তিক অঞ্চলগুলো জ্ঞানের নতুন কেন্দ্রে পরিণত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মরক্কোর ফাস এবং মারাকুশ শহরগুলো তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এবং সমৃদ্ধ নগরীতে পরিণত হয়েছিল [15]

তৎকালীন ফাস শহরের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১,২৫,০০০, যা তৎকালীন ইউরোপের প্রায় সব শহরের চেয়ে বেশি ছিল (কেবল কনস্টান্টিনোপল, রোম এবং প্যারিস এর ব্যতিক্রম হতে পারে)। এই শহরগুলোতে বিশাল মসজিদ, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি এবং উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল। বিশেষ করে কায়রাওয়ান মসজিদ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়টি ছিল উত্তর আফ্রিকার জ্ঞানের প্রাণকেন্দ্র, যেখানে ধর্মতত্ত্বের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও আইনশাস্ত্রের উচ্চতর শিক্ষা প্রদান করা হতো [16]

এই সাংস্কৃতিক জাগরণ প্রমাণ করে যে, রাজনৈতিক ক্ষমতা যখন কেন্দ্র থেকে প্রান্তের দিকে সরে যায়, তখন সেখানে নতুন ধরণের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক কাঠামো তৈরি হয়। কায়রাওয়ানের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা তিন থেকে বারো বছর পর্যন্ত কঠোর পড়াশোনা করত, যা তৎকালীন বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ছিল এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কেবল ধর্মীয় জ্ঞান নয়, বরং শাসনকলা এবং আইনশাস্ত্রের বিশেষজ্ঞ তৈরি করত, যারা পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রান্তিক রাজ্যের রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণে ভূমিকা রাখে [17]

সুতরাং, তৎকালীন বিশ্বের রাজনৈতিক চালচিত্র কেবল যুদ্ধের ময়দানে নির্ধারিত হয়নি, বরং তা নির্ধারিত হয়েছিল জ্ঞান, সংস্কৃতি এবং স্থাপত্যের উৎকর্ষের মাধ্যমে। যারা জ্ঞানের চর্চাকে উৎসাহিত করেছে এবং প্রান্তিক অঞ্চলগুলোকে সমৃদ্ধ করেছে, তারা রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ার পরেও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাধ্যমে বিশ্ব ইতিহাসে নিজেদের স্থান করে নিয়েছে। এই সাংস্কৃতিক হেজিমনি বা আধিপত্যই পরবর্তী যুগের রাজনৈতিক কূটনীতি এবং বাণিজ্যিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিল [18]

""
১.৪ অন্যান্য প্রান্তিক শক্তি ও সভ্যতার রাজনৈতিক চালচিত্র
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

১.৪ অন্যান্য প্রান্তিক শক্তি ও সভ্যতার রাজনৈতিক চালচিত্র কুইজ

1 / 5

ইবনে খালদুনের মতে সভ্যতার পতনের প্রধান কারণ কী?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...