খণ্ড 14
ফন্ট:100%
থিম:

পরিশিষ্ট ১৩: স্টেট-স্পন্সরড টেররিজমের (State-Sponsored Terrorism) শিকার সমকালীন মুসলিমদের জন্য সবর ও রুকসাতের প্রায়োগিক গাইডলাইন

সমকালীন ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে 'স্টেট-স্পন্সরড টেররিজম' বা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সন্ত্রাসবাদ কেবল একটি সামরিক কৌশল নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক হাতিয়ার। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায় শক্তিশালী রাষ্ট্রসমূহ যখন তাদের Hegemony বা আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে দুর্বলতর জাতিগোষ্ঠী বা মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদকে একটি 'Commodity' বা পণ্য হিসেবে ব্যবহার করে, তখন তা কেবল রক্তক্ষয়ী সংঘাতের জন্ম দেয় না, বরং একটি দীর্ঘস্থায়ী মনস্তাত্ত্বিক ট্রমা বা মানসিক বিপর্যয় সৃষ্টি করে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় সমকালীন মুসলিমদের জন্য কেবল আবেগীয় প্রতিক্রিয়া নয়, বরং কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে 'সবর' (ধৈর্য) এবং 'রুকসাত' (কৌশলগত ছাড় বা শিথিলতা)-এর একটি সুসংহত ও বিজ্ঞানসম্মত প্রয়োগিক গাইডলাইন অপরিহার্য।

১. ভূ-রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদ ও এর মনস্তাত্ত্বিক স্বরূপ

আধুনিক রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অভ্যন্তরে সন্ত্রাসবাদকে প্রায়শই একটি কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পশ্চিমা বিশ্বের অনেক বিশ্লেষক ও ঐতিহাসিকদের মতে, সন্ত্রাসবাদ কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, শক্তিশালী রাষ্ট্রসমূহ তাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেয় বা সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা করে। এই প্রেক্ষাপটে বলা যেতে পারে যে, সন্ত্রাসবাদ অনেক সময় একটি বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত হয়েছে [1] । এই প্রক্রিয়ায় লক্ষ্য থাকে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর আত্মমর্যাদা ও প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া।

সন্ত্রাসবাদের মূল লক্ষ্য কেবল শারীরিক মৃত্যু বা ধ্বংসযজ্ঞ নয়, বরং এর গভীরতর উদ্দেশ্য হলো মানুষের মনে 'রহাব' বা চরম ভীতি সঞ্চার করা। পবিত্র কুরআনে এই ভীতি ও অনুশাসনের সম্পর্কটি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:

وَيَدْعُونَنَا رَغَبًا وَرَهَبًا وَكَانُوا لَنَا خَاشِعِينَ
[2] (সূরা আন-নাবা: ৯০)।

এখানে 'রহাব' (رهب) শব্দটি সন্ত্রাসবাদের সেই মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবকে নির্দেশ করে, যা মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে স্থবির করে দেয় এবং তাদের মনে এক নিরন্তর অস্থিরতা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এই সন্ত্রাসবাদ যখন কোনো মুসলিম ভূখণ্ডে আঘাত হানে, তখন তা কেবল অবকাঠামোগত ক্ষতি করে না, বরং সামাজিক সংহতি ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তিকে আঘাত করে। এই মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের মোকাবিলায় মুসলিমদের বুঝতে হবে যে, ভীতি প্রদর্শন করা শত্রুর একটি কৌশল মাত্র, যা তাদের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতাকে ঢেকে রাখার একটি মাধ্যম [3]

২. প্রতিরোধ ক্ষমতা ও 'কুতাত রাদিআহ' (Deterrent Power)-এর গুরুত্ব

সন্ত্রাসবাদের শিকার হওয়া মানেই কেবল আত্মসমর্পণ করা নয়। ইসলামের ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয় যে, প্রতিরোধের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো 'কুতাত রাদিআহ' বা প্রতিরোধমূলক শক্তি (Deterrent Power) অর্জন করা। সন্ত্রাসবাদীদের একটি অন্যতম লক্ষ্য হলো মুসলিমদের প্রতিরোধ করার মানসিক শক্তি বা 'Will to resist' কে ভেঙে ফেলা। অনেক ক্ষেত্রে সন্ত্রাসবাদ কেবল হত্যার উদ্দেশ্যে নয়, বরং শত্রুর প্রতিরোধ ক্ষমতাকে নিরুৎসাহিত বা 'Demoralize' করার জন্য ব্যবহৃত হয় [4]

রাসুলুল্লাহ সা. এর জীবন থেকে আমরা এই বিষয়ে একটি অনন্য কৌশলগত শিক্ষা পাই। উহুদ বা অন্যান্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যখন শত্রুরা মুসলিমদের দুর্বল করার চেষ্টা করছিল, তখন রাসুলুল্লাহ সা. কেবল আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে ছিলেন না, বরং তিনি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে নিজের শক্তি ও দৃঢ়তা প্রদর্শন করতেন। 'উমরাতুল কদা' (Umrat al-Qada)-এর সময় যখন মক্কার মুশরিকরা ধারণা করেছিল যে রাসুলুল্লাহ সা. এবং তাঁর বাহিনী অসুস্থ বা দুর্বল, তখন তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে তাঁর পোশাক ঠিক করে এবং দৃঢ় পদক্ষেপে অগ্রসর হয়ে শত্রুদের এই ভ্রান্ত ধারণা ও মনস্তাত্ত্বিক বিজয়কে নস্যাৎ করে দিয়েছিলেন। সেই মুহূর্তে তিনি বলেছিলেন:

رَحِمَ اللهُ امْرَأً أَرَاهُمْ مِنْ نَفْسِهِ قُوَّةً
[5]
(অর্থ: আল্লাহ সেই ব্যক্তির ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যে শত্রুর সামনে নিজের শক্তি প্রদর্শন করে)।

এই ঘটনাটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় মুসলিমদের কেবল সামরিক শক্তি নয়, বরং একটি শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করতে হবে। এই 'প্রতিরোধমূলক শক্তি' অর্জন করার অর্থ এই নয় যে, একটি উগ্র বা ধ্বংসাত্মক গোষ্ঠীতে পরিণত হওয়া; বরং এর উদ্দেশ্য হলো এমন একটি সক্ষমতা তৈরি করা যা শত্রুর আগ্রাসনকে প্রতিহত করতে পারে এবং তাদের আক্রমণাত্মক মনোভাবকে দমন করতে পারে [6]

৩. সবর ও রুকসাতের ভারসাম্য: হুদায়বিয়ার কৌশলগত মডেল

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের শিকার সমকালীন মুসলিমদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কখন 'সবর' বা ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং কখন 'রুকসাত' বা কৌশলগত ছাড় গ্রহণ করতে হবে। সবর মানে কেবল নিষ্ক্রিয়ভাবে অত্যাচার সহ্য করা নয়, বরং এটি হলো একটি দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত অবস্থান। অন্যদিকে, রুকসাত বা কৌশলগত ছাড় হলো বৃহত্তর স্বার্থে সাময়িক কিছু আপস করা, যা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী অবস্থানের ভিত্তি তৈরি করে।

হুদায়বিয়ার সন্ধি এই বিষয়ে একটি ধ্রুপদী ও মাস্টারক্লাস উদাহরণ। তৎকালীন মক্কার কুরাইশরা যখন অত্যন্ত উদ্ধত ও আক্রমণাত্মক অবস্থানে ছিল, তখন রাসুলুল্লাহ সা. একটি সন্ধি গ্রহণ করেছিলেন যা আপাতদৃষ্টিতে মুসলিমদের জন্য প্রতিকূল মনে হয়েছিল। কিন্তু এই রুকসাত বা ছাড় ছিল মূলত বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষার একটি কৌশল। রাসুলুল্লাহ সা. বলেছিলেন:

وَاللهِ لَا تَدْعُونِي قُرَيْشٌ إِلَى خُطَّةٍ تُوصَلُ فِيهَا الْأَرْحَامُ، وَتُعَظَّمُ فِيهَا الْحُرُمَاتُ، إِلَّا أَعْطَيْتُهَا إِيَّاهَا
[7]
(অর্থ: আল্লাহর কসম! কুরাইশরা আমাকে এমন কোনো প্রস্তাব বা পরিকল্পনার দিকে আহ্বান করলে, যা আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করে এবং পবিত্রতা সমুন্নত রাখে, আমি তা গ্রহণ করব)।

এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তটি প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্রীয় শক্তির মোকাবিলায় যখন সরাসরি সংঘাতের চেয়ে কৌশলগত কূটনীতি (Diplomacy) বা সাময়িক রুকসাত গ্রহণ করলে বৃহত্তর কল্যাণ ও ইসলামের প্রচারের পথ প্রশস্ত হয়, তখন তা গ্রহণ করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। সমকালীন মুসলিমদের জন্য শিক্ষা হলো, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়ে কেবল আবেগের বশবর্তী হয়ে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত না নিয়ে, হুদায়বিয়ার মডেল অনুসরণ করে বুদ্ধিবৃত্তিক ও কৌশলগতভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত [8]

৪. আধ্যাত্মিক শূন্যতা বনাম সামাজিক নিরাপত্তা: একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ এবং এর ফলে সৃষ্ট সামাজিক অস্থিরতা কেবল মুসলিম বিশ্বের সমস্যা নয়, বরং এটি একটি বৈশ্বিক সংকট। আধুনিক উন্নত রাষ্ট্রসমূহ, যারা নিজেদের 'সভ্য' ও 'উন্নত' বলে দাবি করে, তাদের অভ্যন্তরেও এক ধরনের অদৃশ্য সন্ত্রাস ও অস্থিরতা বিরাজমান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক বিচারমন্ত্রী ওয়ারেন বার্জার (Warren Berger) ১৯৮১ সালে বলেছিলেন যে, মার্কিন শহরগুলোতে এক ধরনের 'সন্ত্রাসের শাসন' বিরাজ করছে, যেখানে নাগরিকরা নিজেদের দেশের ভেতরেই যেন বন্দি [9]

তীব্র বস্তুগত সমৃদ্ধি থাকা সত্ত্বেও উন্নত দেশগুলোতে অপরাধের ভয়, আত্মহত্যার হার বৃদ্ধি এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণস্বরূপ, সুইডেন বা সুইজার্সের মতো উন্নত দেশগুলোতে আত্মহত্যার হার অত্যন্ত বেশি, যা প্রমাণ করে যে কেবল বস্তুগত নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি মানুষের মনে প্রকৃত প্রশান্তি আনতে পারে না [10] । এই অস্থিরতা মূলত মানুষের আধ্যাত্মিক ও ঈমানি শূন্যতারই বহিঃপ্রকাশ।

এর বিপরীতে, ইসলামের শিক্ষা প্রদান করে যে, প্রকৃত নিরাপত্তা ও শান্তি কেবল তখনই সম্ভব যখন মানুষের হৃদয়ে ঈমানের নূর ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্য বিদ্যমান থাকে। সমকালীন মুসলিমদের জন্য এই পরিস্থিতি একটি সতর্কবার্তা। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়ে যখন আমরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি, তখন বুঝতে হবে আমাদের আধ্যাত্মিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। ইসলামি জীবনব্যবস্থা কেবল বাহ্যিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না, বরং এটি মানুষের অন্তরে 'তমানিনাতুল ক্বলব' বা হৃদয়ের প্রশান্তি দান করে, যা যেকোনো বাহ্যিক অস্থিরতা বা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী ঢাল হিসেবে কাজ করে [11]

৫. কৌশলগত স্থিতিস্থাপকতা ও আধ্যাত্মিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ

পরিশেষে, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় সমকালীন মুসলিমদের জন্য একটি দ্বিমুখী কৌশলের প্রয়োজন: একদিকে হবে রাজনৈতিক ও কৌশলগত স্থিতিস্থাপকতা (Strategic Resilience), এবং অন্যদিকে হবে অবিচল আধ্যাত্মিক সুরক্ষা। মুসলিমদের উচিত কেবল আবেগের বশবর্তী হয়ে উগ্রবাদের দিকে ধাবিত না হওয়া, বরং বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হওয়া।

ইসলামি ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, ইসলামের প্রসার কখনোই কেবল তলোয়ারের মাধ্যমে হয়নি, বরং তা ছিল ন্যায়বিচার ও উন্নত জীবনদর্শনের মাধ্যমে। রাসুলুল্লাহ সা. এর যুদ্ধগুলো ছিল মূলত মানুষের মুক্তি ও শোষণমুক্ত করার জন্য, যা কোনো অহেতুক রক্তপাত বা বর্বরতার জন্য ছিল না [12] । সুতরাং, সমকালীন মুসলিমদের উচিত সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় এমন একটি কাঠামো তৈরি করা যা একদিকে শত্রুর অন্যায় ও আগ্রাসনকে প্রতিহত করবে (প্রতিরোধমূলক শক্তি), এবং অন্যদিকে হুদায়বিয়ার মতো পরিস্থিতিতে কৌশলগতভাবে বুদ্ধিবৃত্তিক ও কূটনৈতিক পথ বেছে নিতে দ্বিধা করবে না।

এই প্রক্রিয়ায় 'সবর' হবে একটি সক্রিয় ও সুপরিকল্পিত অপেক্ষার নাম, আর 'রুকসাত' হবে বৃহত্তর বিজয়ের জন্য সাময়িক কৌশলগত পদক্ষেপ। এই সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গিই পারে মুসলিম উম্মাহকে সমকালীন ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের অন্ধকার থেকে রক্ষা করতে এবং একটি স্থিতিশীল ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করতে [13]

""
পরিশিষ্ট ১৩: স্টেট-স্পন্সরড টেররিজমের (State-Sponsored Terrorism) শিকার সমকালীন মুসলিমদের জন্য সবর ও রুকসাতের প্রায়োগিক গাইডলাইন
আমাদের নবী সা. সীরাত বিশ্বকোষ
ha-mims.world
এ আর্টিকেলের কুইজ(5টি প্রশ্ন)

পরিশিষ্ট ১৩: স্টেট-স্পন্সরড টেররিজমের (State-Sponsored Terrorism) শিকার সমকালীন মুসলিমদের জন্য সবর ও রুকসাতের প্রায়োগিক গাইডলাইন কুইজ

1 / 5

মক্কায় কুরাইশদের নির্যাতনকে আধুনিক পরিভাষায় কী বলা যেতে পারে?

এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো?

এই গবেষণাকে সহায়তা করুন

সীরাত বিশ্বকোষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার সামান্য সহায়তা এই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

bKash / Nagad01XXXXXXXXXX(Send Money)
☕ Ko-fi দিয়ে সহায়তা

রেফারেন্স: "সীরাত বিশ্বকোষ" লিখুন

🌟 Ha-mim's World-এর একটি গবেষণা ও জ্ঞান-প্রযুক্তি প্রকল্প

কমিউনিটি রিফ্লেকশন

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কী শিখলেন বা আপনার অনুভূতি কী, তা সবার সাথে শেয়ার করুন।

আপনার রিফ্লেকশন শেয়ার করতে দয়া করে লগইন করুন।

লোড হচ্ছে...